- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়। এই দিনটিকে বাংলাদেশের জাতীয় দিবস হিসেবে পালন করা হয়। - গণপরিষদ ছিল বাংলাদেশের প্রথম সংসদ। এটি ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ গঠিত হয় এবং ১৯৭৩ সালের ১৮ জুন ভেঙে দেওয়া হয়। - গণপরিষদের স্পিকার শাহ আব্দুল হামিদ ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর মৃত্যুবরণ করেন। এরপর মোহাম্মদ উল্লাহকে গণপরিষদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত করা হয়। - মোহাম্মদ উল্লাহ ১৯৭৩ সালের ১৮ জুন গণপরিষদ ভেঙে দেওয়ার পর জাতীয় সংসদের প্রথম স্পিকার নির্বাচিত হন। - মোহাম্মদ বায়তুল্লাহ ১৯৭৩ সালের ১৮ জুন জাতীয় সংসদের প্রথম ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন। - আব্দুল মালেক উকিল ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের পর জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় স্পিকার নির্বাচিত হন।
সালোকসংশ্লেষন (photosynthesis) এমন একটি জৈবনিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে উদ্ভিদ সূর্যের আলোর শক্তি ব্যবহার করে বাতাসে লভ্য কার্বন ডাই অক্সাইড এবং ভূমি থেকে আহৃত পানি থেকে শর্করা তৈরী করে এবং এ প্রক্রিয়ায় অক্সিজেন নির্গত হয়। প্রধানত গাছের পাতা এবং অন্যান্য সবুজ অংশে সালোকসংশ্লেষ সংঘটিত হয়। উদ্ভিদ ছাড়া কিছু জীবাণু এবং কিছু প্রোটিস্টের মধ্যেও এই প্রক্রিয়া পরিদৃষ্ট হয়।
অক্সিজেন ও অ্যাসিটিলিন নামক গ্যাসের মিশ্রণকে অক্সি-অ্যাসিটিলিন বলা হয়। এই মিশ্রণকে প্রজ্জ্বলিত করলে, যে অগ্নিশিখার সৃষ্টি হয় তাকেই অক্সি-এ্যাসিটিলন শিখা (Oxy-acetylene flame) বলে। এই শিখার তাপমাত্রা প্রায় ৩৩০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড হয়ে থাকে। কঠিন ধাতব পদার্থকে গলিয়ে জোড়া লাগানোর জন্য এই গ্যাস ব্যবহৃত হয়। অক্সি-এ্যাসিটিলিন গ্যাসের প্রজ্জ্বলিত শিখার সাহায্যে ধাতব পদার্থের জোড়া লাগানোর এই প্রক্রিয়াকে ওয়েলডিং বলে।
আকুপাংচার (ইংরেজি Acupuncture) ব্যথা ও রোগ নিরাময় করার জন্য ব্যবহৃত প্রাচীন চৈনিক চিকিৎসাপদ্ধতি। শরীরের বিভিন্ন জায়গায় সরু লম্বা সুই ফুটিয়ে চিকিৎসা করা হয়। বহুপুর্বে চীনা চিকিত্সাবিদ্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিলো আকুপাংচার। প্রথমে একটি চিকিত্সা পদ্ধতি হিসেবে তা আবিস্কৃত হলেও পরে তা বিজ্ঞানের স্বীকৃতী পায়নি। আকুপাংচার এর লক্ষ্য হচ্ছে কৌশল। ক্লিনিকের নিয়মিতকরণ আর তার মৌলিক তত্ত্ব রেকর্ড করা।
নিষ্ক্রিয় গ্যাস বলতে পর্যায় সারণীর ১৮তম শ্রেণীর মৌলগুলোকে বোঝায়। কখনও বা একে অষ্টম শ্রেণী, হিলিয়াম পরিবার বা নিয়ন পরিবার নামে ডাকা হয়। ইংরেজীতে সচরাচর Gas হিসাবে অভিহিত। এই শ্রেণীতে অবস্থিত গ্যাসগুলো রাসায়নিকভাবে খুবই নিষ্ক্রিয়, কারণ এদের সর্ববহিরিস্থ পরিমণ্ডলে ইলেকট্রনের সংখ্যা পরমাণুর সর্বোচ্চ ধারণ ক্ষমতার সমান অর্থাৎ ৮টি। ইতিমধ্যে সুস্থিত ইলেক্ট্রণসমূহ অন্য কোন মৌলের সাথে সহজে বিক্রিয়া করতে চায় না। সাধারণ অবস্থায় এগুলো বর্ণহীন, গন্ধহীন এবং এক পরমাণুক গ্যাস। উপরন্তু এগুলোর স্ফুটনাংক ও গলনাংক খুবই কাছাকাছি। আলোকসজ্জা, ওয়েল্ডিং এবং মহাশূন্য প্রযুক্তিতে এই গ্যাসগুলোর প্রভূত ভূমিকা রয়েছে। নিষ্ক্রিয় গ্যাস সাতটির নাম হল: হিলিয়াম, নিয়ন, আর্গন, ক্রিপ্টন, জেনন, র্যাডন এবং ইউনুনোকটিয়াম।
তিতাস একটি নদীর নাম অদ্বৈত মল্লবর্মণ রচিত বিখ্যাত উপন্যাস। এই একটি উপন্যাস লিখে লেখক খ্যাতি অর্জন করেন। এই উপন্যাসে গ্রামের দরিদ্র মালো শ্রেণীর লোকজনের দুঃখ-দুর্দশার কাহিনী ফুটিয়ে তুলেছেন। পরবর্তীকালে এই উপন্যাস অবলম্বনে চলচ্চিত্র নির্মিত হয়।
শামসুর রাহমান (জন্মঃ অক্টোবর ২৩, ১৯২৯, মাহুতটুলি, ঢাকা - মৃত্যুঃ আগস্ট ১৭, ২০০৬ ) বাংলাদেশ ও আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি। বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ভাগে দুই বাংলায় তাঁর শ্রেষ্ঠত্ব ও জনপ্রিয়তা প্রতিষ্ঠিত। তিনি একজন নাগরিক কবি ছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ওপর লিখিত তাঁর দুটি কবিতা খুবই জনপ্রিয়।
ওয়াসফিয়া নাজরীন (জন্ম: ২৭ অক্টোবর, ১৯৮২) দ্বিতীয় বাংলাদেশী নারী হিসেবে ২০১২ খ্রিস্টাব্দের ২৬ মে বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এভারেষ্টের চুড়ায় আরোহন করেন। ওয়াসফিয়া বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী যিনি সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয় (সেভেন সামিট) করেছেন।
সাঙ্গু নদীর (Sangu River) উৎপত্তি উত্তর আরাকান পাহাড়ে। এটি আরাকান ও চট্টগ্রামের মধ্যে সীমান্ত রেখা রচনা করেছে। স্থানীয়ভাবে এটি শঙ্খ নদী নামে পরিচিত। কর্নফুলীর পর এটি চট্টগ্রাম বিভাগের দ্বিতীয় বৃহত্তম নদী।সাঙ্গু নদী বান্দবান জেলার প্রধানতম নদী। বান্দরবান জেলা শহরও এ নদীর তীরে অবস্থিত।
মেঘনা বাংলাদেশের প্রশস্ততম নদী। পূর্ব ভারতের পাহাড় থেকে উদ্ভূত মেঘনা নদী সিলেট অঞ্চল দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে চাঁদপুরের কাছে পদ্মা নদীর সাথে মিলিত হয়ে মেঘনা নামে বঙ্গোপসাগরে প্রবাহিত হয়েছে।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার সীমান্তবর্তী ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ছিটমহল দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহল বেশ পরিচিত। এ ছিটমহলের সাথে তৎকালীন পাকিস্তানের মূল-ভূখন্ডের যোগাযোগের জন্য একটি "প্যাসেজ ডোর'- এর ব্যবস্থা হয়েছিল, যা বর্তমানে "তিন বিঘা করিডোর' নামে পরিচিত।
বেরিং প্রণালী (Bering Strait) এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশকে পৃথককারী জলাশয়। প্রণালীটি উত্তর প্রশান্ত মহাসগাগরের বেরিং সাগরকে উত্তর মহাসাগরের চুকচি সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।
ছিয়াত্তরের মন্বন্তর বাংলার তথা ভারতের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ নামে পরিচিত। ১১৭৬ বঙ্গাব্দে (১৭৭০ খ্রিস্টাব্দ) এই দুর্ভিক্ষ হয়েছিল বলে একে ‘ছিয়াত্তরের মন্বন্তর’ বলা হয়।
মোট সময় = ২৫ দিন কাজ করা হয়েছে = ১৫ দিন অবশিষ্ট সময় = (২৫ - ১৫) দিন = ১০ দিন রাস্তার কাজ শেষ হয়েছে = ১/২ অংশ (অর্ধেক) অবশিষ্ট কাজ = ১ - ১/২ = ১/২ অংশ (বাকি অর্ধেক)
যেহেতু কাজের পরিমাণ সমান (আগেও অর্ধেক ছিল, এখনো বাকি অর্ধেক), তাই: ১৫ দিনে কাজটি শেষ করতে পারে ৩০ জন লোক ১ দিনে কাজটি শেষ করতে পারে (৩০ × ১৫) জন লোক [সময় কমলে লোক বেশি লাগবে] ১০ দিনে কাজটি শেষ করতে পারে (৩০ × ১৫) / ১০ জন লোক = ৪৫ জন।
কাজটি শেষ করতে মোট ৪৫ জন লোক লাগবে। ইতোমধ্যে কর্মরত আছেন ৩০ জন। সুতরাং, অতিরিক্ত লোক নিয়োগ করতে হবে = (৪৫ - ৩০) জন = ১৫ জন।
সংক্ষিপ্ত টেকনিক : সূত্র: ১ম লোক × ১ম দিন = ২য় লোক × ২য় দিন (যেহেতু কাজের পরিমাণ উভয় ক্ষেত্রে সমান, তাই কাজের অংশ এখানে হিসেবে না আনলেও চলবে) এখানে, ১ম লোক = ৩০ জন ১ম দিন = ১৫ দিন (যে দিনগুলো কাজ হয়েছে) ২য় দিন = ১০ দিন (যে দিনগুলো বাকি আছে) ২য় লোক (মোট কতজন লাগবে) = ?
প্রশ্নমতে, ২য় লোক × ১০ = ৩০ × ১৫ বা, ২য় লোক = (৩০ × ১৫) / ১০ বা, ২য় লোক = ৪৫ জন
চাকরি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পেতে নিয়মিত অনুশীলন ও লাইভ পরীক্ষার কোন বিকল্প নেই।
অনুশীলন প্রশ্ন ব্যাংক বিষয়ভিত্তিক, টপিক ও সাবটপিক আকারে সাজানো। ২০০৫ থেকে সব জব সলিউশন ও টপিকভিত্তিক জব সলিউশন বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ, রুটিন ভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, পিডিএফ লেকচার শীট।
২০০৫-২০২৬ সাল পর্যন্ত টপিক ও সাবটপিক আকারে জব শুলুশন্স প্রশ্ন যোগ করা হয়েছে, ১২তম-২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লে হবে, সব প্রশ্ন ইউনিক সর্বমোট ২৫ হাজার হবে। প্রশ্ন ব্যাংক -> অনুশীলন -> এরপর উপরের ডানে একটা হলুদ বাটন ক্লিক করে job solutions ফিল্টার করে নিবেন। প্রতি সপ্তাহের নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাবটপিক আকারে যোগ করা হয়।
✅ প্রধান শিক্ষক প্রস্তুতি - লেকচারশীট ভিত্তিকঃ রুটিন আপলোড করা হয়েছে। (২য় ব্যাচ) পরীক্ষা শুরুঃ ৫ ফেব্রুয়ারি। মোট পরীক্ষা – ৮০টি। টপিক ভিত্তিক – ৪০টি। সাবজেক্ট ভিত্তিক – ২০টি। ফুল মডেল টেস্ট – ২৮টি। প্রতিদিন পরীক্ষা ও প্রতি ৩ দিন পরপর ফুল ও বিষয়ভিত্তিক মডেল টেস্ট। সব প্রশ্ন সাজেশন্স ভিত্তিক।
✅ ৫১ তম বিসিএস প্রস্ততি - ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস। ✪ পরীক্ষা শুরুঃ ১০ ফেব্রুয়ারি। ✪ মোট পরীক্ষাঃ ১৬২টি ✪ ডেইলি পরীক্ষাঃ ১০০টি ✪ প্রতি ২টি ডেইলি পরীক্ষার পর ১টি করে রিভিশনের মোট পরীক্ষাঃ ৫০টি ✪ পাক্ষিক রিভিশনঃ ১১টি ✪ প্রতি পরীক্ষায় ৫০টি Exclusive MCQ
✅ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (রুটিনের জন্য পিডিএফ বাটন দেখুন) - পরীক্ষা শুরুঃ ১০ নভেম্বর। - মোট পরীক্ষাঃ ১২৮টি, - টপিক ভিত্তিকঃ ১১২টি, - রিভিশন পরীক্ষাঃ ২২টি, - Vocabulary রিভিশনঃ ৩বার
অ্যাপ এর হোম screen -এ পিডিএফ বাটন ক্লিক করুন, এখান থেকে রুটিন ডাউনলোড করতে পারবেন। রুটিনের তারিখ অনুযায়ী পরীক্ষা রাত ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যেকোন সময় দিতে পারবেন, ফলাফল সাথে সাথে বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ দেওয়া হয়। missed পরীক্ষাগুলো আর্কাইভ থেকে দিতে পারবেন, তবে মেরিট লিস্ট আসবে না, মেরিট লিস্টে থাকতে হলে রুটিন অনুযায়ী নির্দিষ্ট তারিখে দিতে হবে। আর্কাইভ থেকে পরীক্ষা দিতে হলে ভিজিট করুনঃ অ্যাপ এর হোম স্ক্রীনে 'পরীক্ষার সেকশন' বাটনে ক্লিক করুন -> বিসিএস বাটন -> [ফ্রি কোর্স] ৫০তম বিসিএস প্রিলি ২২০ দিনের সেকশনের All Exam বাটন ক্লিক করুন -> এখান Upcoming, Expired ট্যাব পাবেন।
✅ আপকামিং রুটিনঃ - ১০০ দিনের বিসিএস বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি। - অগ্রদূত বাংলা বই অনুসারে বাংলা সাহিত্য ও ভাষা রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।। - English মাস্টার বই অনুসারে রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।