Solution
Correct Answer: Option D
চর্যাপদ যে বাংলা ভাষায় রচিত, এটি ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রথম প্রমাণ করেন ১৯২৬ সালে।
প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত তথ্যগুলো:
- ১৯২৬ সালে প্রকাশিত ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের 'The Origin and Development of the Bengali Language' (ODBL) গ্রন্থে তিনি চর্যাপদের শব্দ ও ব্যাকরণ বিচার করে প্রমাণ করেন যে, এর ভাষা বাংলা।
- ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবার থেকে চর্যাপদের পুঁথি আবিষ্কার করেন।
- ১৯১৬ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এই পুঁথিগুলো 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা বৌদ্ধগান ও দোহা' নামে প্রকাশ করেন।
- ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ১৯২৭ সালে তার 'Buddhist Mystic Songs' গ্রন্থে চর্যাপদের ভাষার নাম দিয়েছেন 'বঙ্গ-কামরূপী'।
• চর্যাপদ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ ও প্রণেতা:
- The Origin and Development of the Bengali Language (ODBL) - ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়।
- Buddhist Mystic Songs - ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ।
- হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা বৌদ্ধগান ও দোহা - হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
- চর্যাপদ - অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়।
• জেনে রাখা ভালো:
- ১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদের সাথে আরও দুটি পুঁথি আবিষ্কার করেছিলেন: সরহপাদের দোহা এবং কৃষ্ণাচার্যের দোহা।
- চর্যাপদের ভাষা নিয়ে পণ্ডিতদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। হিন্দি পণ্ডিতরা একে হিন্দি, মৈথিলি পণ্ডিতরা একে মৈথিলি এবং ওড়িয়া পণ্ডিতরা একে ওড়িয়া ভাষার আদি নিদর্শন বলে দাবি করেন। তবে সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের প্রমাণই সর্বজনগ্রাহ্য।