বর্ণ হল বর্ণমালা-ভিত্তিক লিখন পদ্ধতির একটি প্রতীক-উপাদান। সাধারণত লেখ্য ভাষার প্রতিটি বর্ণ কথ্য ভাষার একটি ধ্বনিমূল নির্দেশ করে।
- ধ্বনি মানুষের মুখনিঃসৃত বায়ু থেকে সৃষ্ট, তাই এর কোনো আকার নেই। এগুলো মানুষ মুখে উচ্চারণ করে এবং কানে শোনে।
- ভাষা লিখে প্রকাশ করার সুবিধার্থে ধ্বনিগুলোর প্রতিনিধি হিসেবে কিছু প্রতীক তৈরি করা হয়েছে। এই প্রতীকের নাম বর্ণ। এই বর্ণসমূহের সমষ্টিই হলো বর্ণমালা।
- বাংলা ধ্বনির মতো বর্ণও তাই দুই প্রকার: ১. স্বরবর্ণ, ২. ব্যঞ্জনবর্ণ।