Solution
Correct Answer: Option C
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী রচিত উপন্যাস - কাঞ্চনমালা, বেণের মেয়ে ইত্যাদি। তার অন্যান্য গ্রন্থ - বাল্মীকির জয়, বাঙ্গালা ব্যাকরণ, প্রাচীন বাংলার গৌরব, সচিত্র রামায়ন ইত্যাদি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রতিষ্ঠাকালীন বিভাগীয় প্রধান ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে (তৃতীয় বার) নেপালে গিয়ে রাজদরবারের 'নেপাল রয়্যাল লাইব্রেরি' থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন। এ সময় তিনি চর্যাপদের সাথে 'সরহপাদের দোহা', 'কাহ্নপাদের দোহা' ও ‘ডাকার্ণব' নামে আরাে তিনটি পুঁথি আবিষ্কার করেন।
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আবিষ্কৃত চর্যাপদে পদ পাওয়া গিয়েছিল সাড়ে ৪৬টি। এর মধ্যে ২৩ নং পদের শেষাংশ এবং ২৪, ২৫ ও ৪৮ নং পদ পাওয়া যায়নি।