চর্যাপদ কোন ছন্দে লেখা?

A স্বরবৃত্ত

B নিম্নবৃত্ত

C অক্ষরবৃত্ত

D মাত্রাবৃত্ত

Solution

Correct Answer: Option D

- চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন, যা মূলত গান হিসেবে গীত হওয়ার উদ্দেশ্যে রচিত হয়েছিল।
- এর পদগুলো প্রাচীন মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত, যা সেই সময়ে 'পাদাকুলক' নামে পরিচিত ছিল।
- এই ছন্দে প্রতিটি চরণে সাধারণত ১৬ মাত্রা থাকে, যা এই গীতিপদগুলোকে সুর করে গাইতে সাহায্য করত।
- ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন।
- চর্যাপদের ভাষা সান্ধ্যভাষা বা আলো-আঁধারি ভাষা নামে পরিচিত, যার কিছু অংশ বোঝা যায় এবং কিছু অংশ অস্পষ্ট।
- এতে বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনপদ্ধতি ও তৎকালীন সমাজজীবনের চিত্র ফুটে উঠেছে।
অ্যাপ/ওয়েবসাইটে রুটিনভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা হচ্ছে।
পরীক্ষা - ১৩
কোর্স নামঃ ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক): গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
টপিকসঃ
আধুনিক প্রযুক্তি ও সাম্প্রতিক উন্নয়ন:
গ্রন্থাগার বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তির সাম্প্রতিক উন্নয়ন, ই-লাইব্রেরি ও ডিজিটাল তথ্য ব্যবস্থাপনা।
পরীক্ষা শুরুঃ ২৫ জুলাই, ২০২৬
রুটিন দেখুন

Practice More Questions on Our App!

Download our app for free and access thousands of MCQ questions with detailed solutions