রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শব্দের শুরুতে মাত্রাযুক্ত এ-কার ব্যবহার করতেন কেন?
সমাধান
সঠিক উত্তর: Option C
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 'এ' এবং 'অ্যা' - এর উচ্চারণ ভিন্নতা নির্দেশকল্পে 'এ'-কারের মুদ্রণে মাত্রাযুক্ত ও মাত্রাহীন প্রয়োগের প্রচলন করেন।
- শব্দের আদিতে মাত্রাযুক্ত 'এ'-কার থাকলে উচ্চারণ বিবৃত হয়, অর্থাৎ 'অ্যা' ধ্বনি প্রকাশ পায়।
• উদাহরণ:
- মাত্রাযুক্ত 'এ'-কার: যেমন, 'মেলা'-র উচ্চারণ হবে 'ম্যালা', যা 'ঠেলা' শব্দের 'এ' ধ্বনির অনুরূপ। কেমন, যেন, ফেনা ইত্যাদি শব্দেও এই ধ্বনির ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়।
- মাত্রাহীন 'এ'-কার: উচ্চারণ সংবৃত বা স্বাভাবিক 'এ' হয় (যেমন- সেরা, মেয়ে, জেলা)।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- 'এ' উচ্চারণ দীর্ঘ করতে, শব্দের শেষে জোর দিতে, সংস্কৃত নিয়ম অনুসরণ করতে: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ধ্বনির পার্থক্য (এ এবং অ্যা) বোঝানোর জন্যই এই রীতি ব্যবহার করতেন, অন্য কোনো কারণে নয়। তাই এই অপশনগুলো ভুল।
- শব্দের আদিতে মাত্রাযুক্ত 'এ'-কার থাকলে উচ্চারণ বিবৃত হয়, অর্থাৎ 'অ্যা' ধ্বনি প্রকাশ পায়।
• উদাহরণ:
- মাত্রাযুক্ত 'এ'-কার: যেমন, 'মেলা'-র উচ্চারণ হবে 'ম্যালা', যা 'ঠেলা' শব্দের 'এ' ধ্বনির অনুরূপ। কেমন, যেন, ফেনা ইত্যাদি শব্দেও এই ধ্বনির ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়।
- মাত্রাহীন 'এ'-কার: উচ্চারণ সংবৃত বা স্বাভাবিক 'এ' হয় (যেমন- সেরা, মেয়ে, জেলা)।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- 'এ' উচ্চারণ দীর্ঘ করতে, শব্দের শেষে জোর দিতে, সংস্কৃত নিয়ম অনুসরণ করতে: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ধ্বনির পার্থক্য (এ এবং অ্যা) বোঝানোর জন্যই এই রীতি ব্যবহার করতেন, অন্য কোনো কারণে নয়। তাই এই অপশনগুলো ভুল।