সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

ভাষা-dump

১৭৬৮ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
'করণ' শব্দের অর্থ যন্ত্র, সহায়ক বা উপায়।
কর্তা যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে করণ কারক বলে।
যেমন: 'নীরা কলম দিয়ে লেখে'— এখানে 'কলম' হলো ক্রিয়া সম্পাদনের মাধ্যম।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা আধারের সমস্ত অংশ জুড়ে কোনো বস্তু ব্যাপ্ত থাকলে তাকে অভিব্যাপক আধারাধিকরণ বলে।
যেমন: "তিলে তেল আছে"—এখানে তিলের সম্পূর্ণ অংশ জুড়েই তেল বিস্তৃত থাকে।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত বা দূরীভূত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে ।
'পাপকে ঘৃণা কর' বাক্যে পাপ থেকে বিরত থাকা বোঝাচ্ছে, তাই এটি অপাদান কারক ।
- মূল শব্দ 'পাপ' + বিভক্তি 'কে' (দ্বিতীয়া বিভক্তি) ।
তাই 'পাপকে' পদটি অপাদানে দ্বিতীয়া ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, অ-কারান্ত ও ব্যঞ্জনান্ত শব্দের শেষে প্রথমা বিভক্তিতে বহুবচন বোঝাতে 'রা' স্থানে 'এরা' বিভক্তি যুক্ত হয় ।
উদাহরণ:
- লোক (অ-কারান্ত) + এরা = লোকেরা
- বিদ্বান (ব্যঞ্জনান্ত) + এরা = বিদ্বানেরা

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
যে পদ বাক্যের মধ্যে থাকা অন্য কোনো পদের (সাধারণত বিশেষ্য, সর্বনাম বা ক্রিয়াপদ) দোষ, গুণ, সংখ্যা, পরিমাণ, অবস্থা ইত্যাদি প্রকাশ করে, তাকে বিশেষণ পদ বলে।
• উদাহরণ:
- বিশেষ্যের বিশেষণ: 'নীল আকাশ' - এখানে 'নীল' শব্দটি 'আকাশ' (বিশেষ্য) এর অবস্থা প্রকাশ করছে।
- সর্বনামের বিশেষণ: 'সে খুব মেধাবী' - এখানে 'মেধাবী' শব্দটি 'সে' (সর্বনাম) এর গুণ প্রকাশ করছে।
- ক্রিয়ার বিশেষণ: 'ঘোড়াটি দ্রুত দৌড়ায়' - এখানে 'দ্রুত' শব্দটি 'দৌড়ায়' (ক্রিয়া) এর অবস্থা প্রকাশ করছে। (এটিকে ক্রিয়া-বিশেষণও বলা হয়)।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- বিশেষ্য পদ: যে পদ দ্বারা কোনো কিছুর নাম বোঝায়।
- সর্বনাম পদ: বিশেষ্যের পরিবর্তে যে পদ ব্যবহৃত হয়।
- অব্যয় পদ: লিঙ্গ, বচন বা বিভক্তিভেদে যে পদের কোনো পরিবর্তন হয় না।
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাক্যে ব্যবহৃত বিভক্তিযুক্ত শব্দ ও ধাতুকে পদ বলে। পদ প্রধানত দুই প্রকার: সব্যয় পদ ও অব্যয় পদ। সব্যয় পদ চার প্রকার: বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম ও ক্রিয়া। সুতরাং, পদ মোট পাঁচ প্রকার।
• উদাহরণ:
'ছেলেরা ফুটবল খেলে' - এখানে 'ছেলে' শব্দের সাথে 'রা' বিভক্তি যুক্ত হয়ে 'ছেলেরা' পদে পরিণত হয়েছে।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- কারক: বাক্যের ক্রিয়াপদের সাথে নামপদের সম্পর্ককে কারক বলে।
- সমাস: পরস্পর অর্থসঙ্গতিপূর্ণ দুই বা ততোধিক পদের একপদে পরিণত হওয়াকে সমাস বলে।
- প্রত্যয়: শব্দ বা ধাতুর শেষে যেসব বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তাকে প্রত্যয় বলে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
একই বিশেষ্য পদ (যেমন কোনো ব্যক্তির নাম) বাক্যে বা অনুচ্ছেদে বারবার ব্যবহার করলে তা শুনতে শ্রুতিকটু লাগে এবং ভাষার সৌন্দর্য নষ্ট হয়। ভাষার সাবলীলতা রক্ষা এবং এই শ্রুতিকটুতা দূর করার জন্য বিশেষ্যের পুনরাবৃত্তি দূর করা সর্বনাম পদের মূল উদ্দেশ্য।
• উদাহরণ:
"রহিম ভালো ছেলে, রহিম স্কুলে যায়" না বলে আমরা বলি "রহিম ভালো ছেলে, সে স্কুলে যায়"। এখানে 'সে' হলো সর্বনাম যা বিশেষ্যের পুনরাবৃত্তি রোধ করেছে।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা বা ব্যাকরণের নিয়ম রক্ষা করা সর্বনামের কাজ হলেও, এর প্রধান ও মূল উদ্দেশ্য হলো বিশেষ্যের বারবার ব্যবহার বা পুনরাবৃত্তি রোধ করা।
ব্যাখ্যা (Explanation)
যে পদ দ্বারা কোনো নির্দিষ্ট উপাদানের নাম বোঝায়, তাকে বস্তুবাচক বা দ্রব্যবাচক বিশেষ্য বলে। এই জিনিসগুলোকে সাধারণত সংখ্যা দিয়ে গণনা করা যায় না, বরং নির্দিষ্ট একক দিয়ে ওজন বা পরিমাপ করতে হয়।
• উদাহরণ:
'চাউল', 'চিনি', 'কাঠ', 'পানি' ইত্যাদি হলো নির্দিষ্ট বস্তু বা উপাদানের নাম।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- সংজ্ঞাবাচক: যে বিশেষ্য দিয়ে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, স্থান বা বিষয়ের নাম বোঝায় (যেমন: নজরুল, ঢাকা)।
- সমষ্টিবাচক: যে বিশেষ্য দিয়ে কোনো দল বা সমষ্টি বোঝায় (যেমন: জনতা, সভা)।
- গুণবাচক: যে বিশেষ্য দিয়ে কোনো বস্তুর দোষ বা গুণের নাম বোঝায় (যেমন: সততা)।
ব্যাখ্যা (Explanation)
যে বিশেষ্য পদ দ্বারা ক্রিয়ার ভাব বা কাজের নাম বোঝায়, তাকে ভাববাচক বিশেষ্য (Verbal Noun) বলে।
• উদাহরণ:
- শয়ন: শোয়া নামক কাজটি বা ক্রিয়ার ভাবকে বোঝাচ্ছে।
- গমন: যাওয়া নামক কাজটি বা ক্রিয়ার ভাবকে বোঝাচ্ছে।
একইভাবে, ভোজন (খাওয়ার কাজ), দর্শন (দেখার কাজ), শ্রবণ (শোনার কাজ) ইত্যাদিও ভাববাচক বিশেষ্য।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- সংজ্ঞাবাচক: নির্দিষ্ট ব্যক্তি, স্থান বা বস্তুর নাম বোঝায়।
- গুণবাচক: দোষ, গুণ বা ধর্মের নাম বোঝায়।
- অবস্থাবাচক: কোনো কিছুর অবস্থা বা পরিস্থিতি নির্দেশ করে (যেমন: যৌবন, বার্ধক্য)।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাক্য সংকোচন বা এক কথায় প্রকাশ বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- যে নারী অতি উজ্জ্বল ও ফর্সা, তাকে এক কথায় মহাশ্বেতা বলা হয়।

• নারী সম্পর্কিত আরো কিছু এক কথায় প্রকাশ:
- যে নারী প্রিয় কথা বলে = প্রিয়ংবদা।
- যে নারী নিজে বর বরণ করে নেয় = স্বয়ংবরা।
- যে নারীর কোন সন্তান হয় না = বন্ধ্যা।
- যে নারীর হাসি কুটিলতাবর্জিত = শুচিস্মিতা।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- সুহাসিনী: যে নারীর হাসি সুন্দর।
- শ্বেতাঙ্গী: যে নারীর অঙ্গ শ্বেত বা সাদা রঙের।
- গৌরবর্ণা: যে নারীর গায়ের রঙ গৌর বা ফর্সা।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- যে নারীর স্বামী ও পুত্র জীবিত, তাকে এক কথায় বীরা বা পুরন্ধ্রী বলা হয়। এটি বাংলা একাডেমির অভিধান ও ব্যাকরণ দ্বারা স্বীকৃত।

• নারী সম্পর্কিত আরো কিছু এক কথায় প্রকাশ:
- যে নারীর স্বামী ও পুত্র নেই = অবীরা।
- যে নারীর বিয়ে হয় না (আইবুড়ো অর্থে) = অনূঢ়া।
- যে নারীর (মেয়ের) বিয়ে হয় নি = কুমারী।
- যে নারীর সম্প্রতি বিয়ে হয়েছে = নবোঢ়া।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- সধবা: যে নারীর স্বামী বেঁচে আছে।
- সুভগা: যে নারী স্বামীর সোহাগ পায় বা আদর পায়।
- কল্যাণী: যে নারী কল্যাণময়ী বা মঙ্গলজনক।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ক্ষ একটি যুক্তবর্ণ যা ক্ + ষ এর সমন্বয়ে গঠিত। বাংলা ব্যাকরণের নিয়মানুসারে এটি একটি বিশিষ্ট রূপ।

• আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ যুক্তবর্ণ:
- ষ্ণ = ষ্ + ণ
- জ্ঞ = জ্ + ঞ
- ঞ্জ = ঞ তৃ+ জ
- ক্ষ্ম = ক্ষ্ + ম = ক্ + ষ্ + ম

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- ক্ + খ, খ্ + ষ, ক্ + স: এগুলো ব্যাকরণগতভাবে 'ক্ষ' এর সঠিক গঠন নয়, এগুলো ভুল অপশন।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বর্গের ১ম ও ৩য় ধ্বনি হলো অল্পপ্রাণ এবং ১ম ও ২য় ধ্বনি হলো অঘোষ। অর্থাৎ, বর্গের প্রথম ধ্বনিটি একইসাথে অঘোষ এবং অল্পপ্রাণ হয়ে থাকে।
- চ হলো চ-বর্গের ১ম ধ্বনি, তাই এটি অঘোষ অল্পপ্রাণ।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- খ: এটি ক-বর্গের ২য় ধ্বনি, তাই এটি অঘোষ মহাপ্রাণ।
- ঘ: এটি ক-বর্গের ৪র্থ ধ্বনি, তাই এটি ঘোষ মহাপ্রাণ।
- জ: এটি চ-বর্গের ৩য় ধ্বনি, তাই এটি ঘোষ অল্পপ্রাণ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 'এ' এবং 'অ্যা' - এর উচ্চারণ ভিন্নতা নির্দেশকল্পে 'এ'-কারের মুদ্রণে মাত্রাযুক্ত ও মাত্রাহীন প্রয়োগের প্রচলন করেন।
- শব্দের আদিতে মাত্রাযুক্ত 'এ'-কার থাকলে উচ্চারণ বিবৃত হয়, অর্থাৎ 'অ্যা' ধ্বনি প্রকাশ পায়।

• উদাহরণ:
- মাত্রাযুক্ত 'এ'-কার: যেমন, 'মেলা'-র উচ্চারণ হবে 'ম্যালা', যা 'ঠেলা' শব্দের 'এ' ধ্বনির অনুরূপ। কেমন, যেন, ফেনা ইত্যাদি শব্দেও এই ধ্বনির ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়।
- মাত্রাহীন 'এ'-কার: উচ্চারণ সংবৃত বা স্বাভাবিক 'এ' হয় (যেমন- সেরা, মেয়ে, জেলা)।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- 'এ' উচ্চারণ দীর্ঘ করতে, শব্দের শেষে জোর দিতে, সংস্কৃত নিয়ম অনুসরণ করতে: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ধ্বনির পার্থক্য (এ এবং অ্যা) বোঝানোর জন্যই এই রীতি ব্যবহার করতেন, অন্য কোনো কারণে নয়। তাই এই অপশনগুলো ভুল।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ড. মুহম্মদ এনামুল হকের মতে বৈশিষ্ট্যের বিচারে বা পদের অর্থের প্রাধান্যের ভিত্তিতে সমাস চার ভাগে বিভক্ত।
- এগুলো হলো: ১. পূর্বপদপ্রধান সমাস (অব্যয়ীভাব), ২. পরপদপ্রধান সমাস (তৎপুরুষ, কর্মধারয়, দ্বিগু), ৩. উভয়পদপ্রধান সমাস (দ্বন্দ্ব) এবং ৪. অন্যপদপ্রধান সমাস (বহুব্রীহি)।
- বাংলা একাডেমি ও এনসিটিবি (NCTB) অনুমোদিত আধুনিক ব্যাকরণ বইগুলোতে সমাসের এই চার প্রকার শ্রেণিবিভাগকেই প্রধান হিসেবে ধরা হয়, যা ড. এনামুল হকের মতের সুস্পষ্ট প্রতিফলন।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ব্যাকরণে সমাস শব্দটির অর্থ হলো সংক্ষেপণ, মিলন বা একাধিক পদের একপদীকরণ।
- পরস্পর অর্থসঙ্গতি আছে এমন দুই বা ততোধিক পদের এক পদে পরিণত হওয়াকে সমাস বলে।
• উদাহরণ: 'সিংহ চিহ্নিত আসন' মিলে হয় 'সিংহাসন'।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- বিশ্লেষণ ও সম্প্রসারণ: এটি সমাসের কাজ নয়, বরং ব্যাসবাক্যের কাজ।
- বর্ণের সাথে বর্ণের মিলন: পাশাপাশি দুটি বর্ণের মিলনকে সন্ধি বলে।
- পদের সাথে পদের বিচ্ছেদ: সমাসে মূলত পদের মিলন ঘটে, বিচ্ছেদ নয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের বানানে মূর্ধন্য 'ষ' এর সঠিক ব্যবহারের নিয়মকে ষ-ত্ব বিধান বলে।
- বাংলা ভাষায় খাঁটি বাংলা বা বিদেশি শব্দে মূর্ধন্য 'ষ' ধ্বনির ব্যবহার নেই। কেবল তৎসম শব্দের বানান অবিকৃত রাখার জন্য এই নিয়মটি জানা জরুরি।
• উদাহরণ: কষ্ট, বৃষ্টি, মনুষ্য ইত্যাদি শব্দে ষ-ত্ব বিধান অনুযায়ী মূর্ধন্য-ষ ব্যবহৃত হয়।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- ণ-ত্ব বিধান: তৎসম শব্দের বানানে মূর্ধন্য 'ণ' ব্যবহারের নিয়ম।
- উপসর্গ: যেসব অর্থহীন শব্দাংশ শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে।
- প্রত্যয়: ধাতু বা শব্দের শেষে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠনকারী বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের বানানে দন্ত্য 'ন'-এর জায়গায় মূর্ধন্য 'ণ' ব্যবহারের সঠিক নিয়মকে ণ-ত্ব বিধান বলে।
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সংস্কৃত শব্দের সঠিক বানান লেখার জন্য এই নিয়ম জানা খুবই জরুরি। দেশি, বিদেশি বা তদ্ভব শব্দে এই নিয়ম খাটে না।
• উদাহরণ: ঋণ, তৃণ, বর্ণ ইত্যাদি শব্দে এই নিয়ম মেনে মূর্ধন্য 'ণ' ব্যবহার করা হয়।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- ষ-ত্ব বিধান: তৎসম শব্দের বানানে মূর্ধন্য 'ষ' ব্যবহারের নিয়ম।
- উপসর্গ: শব্দের আদিতে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠনকারী অব্যয় বা শব্দাংশ।
- প্রত্যয়: শব্দের বা ধাতুর শেষে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠনকারী প্রত্যয় বা বর্ণসমষ্টি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলায় বহুবচন করতে যেকোনো একটি বহুবচনবাচক শব্দ বা প্রত্যয় ব্যবহার করতে হয়।
- 'সব ছাত্রগণ' শব্দে 'সব' ও 'গণ' দুটি বহুবচনবাচক চিহ্ন একসাথে ব্যবহৃত হয়েছে।
- একই সাথে দুটি বহুবচনবাচক চিহ্ন ব্যবহারের ফলে এখানে বাহুল্যজনিত অপপ্রয়োগ ঘটেছে।
এর শুদ্ধ রূপ হবে 'সব ছাত্র' অথবা 'ছাত্রগণ'।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বিদ্বান শব্দটি দিয়েই পুরো জ্ঞানী সমাজকে বোঝানো যায়। তাই নতুন করে 'গণ' বা 'দের' এর মতো বহুবচন যুক্ত করার প্রয়োজন নেই।
- বিদ্বানকে সকলে শ্রদ্ধা করে বাক্যটি সম্পূর্ণ নির্ভুল।
- 'বিদ্বানদেরকে' ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ এবং 'বিদ্বানগণকে' বাহুল্য দোষে দুষ্ট।
- শেষ বাক্যে 'সকল' না হয়ে 'সকলে' হবে।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ব্যাকরণে একই সাথে দুইবার বহুবচনবাচক শব্দ বা প্রত্যয় ব্যবহার করলে বাহুল্য-দোষ হয়।
- 'সকল' এবং 'রা/গণ' দুটিই বহুবচনের রূপ।
- তাই 'সকল ছাত্ররা' বা 'সব ছাত্রগণ' বাক্যগুলো অশুদ্ধ।
- সঠিক বাক্যটি হলো: সকল ছাত্রই উপস্থিত আছে, যেখানে কেবল 'সকল' দিয়ে বহুবচন বোঝানো হয়েছে।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।