ভাববাচ্যের কর্তায় সবসময় নিচের কোন বিভক্তি যুক্ত হয়?
সমাধান
সঠিক উত্তর: Option D
- যে বাচ্যে কর্ম থাকে না এবং বাক্যে ক্রিয়ার অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে ভাববাচ্য বলে।
- ভাববাচ্যের কর্তা প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় না বলে একে অনু্ক্ত কর্তা বলে। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, ভাববাচ্যের কর্তায় সাধারণত ষষ্ঠী (র, এর) বা দ্বিতীয়া (কে, রে) বিভক্তি যুক্ত হয়।
• উদাহরণ:
- ষষ্ঠী বিভক্তি: আমার (আমি + র) খাওয়া হলো না।
- দ্বিতীয়া বিভক্তি: আমাকে (আমি + কে) এখন যেতে হবে।
- দ্বিতীয়া বিভক্তি: তোমাকে এখন পড়তে বসতে হবে।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- প্রথমা বা শূণ্য: কর্তৃবাচ্যের কর্তায় সাধারণত প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি যুক্ত হয়।
- ৪র্থী: সম্প্রদান কারক ছাড়া সাধারণত ৪র্থী বিভক্তির ব্যবহার আধুনিক বাংলায় ২য়া বিভক্তির সমতুল্য।
- ৫মী: অপাদান কারক বোঝাতে ৫মী বিভক্তি (হতে, থেকে) ব্যবহৃত হয়, যা ভাববাচ্যের কর্তায় সাধারণত বসে না।
- ভাববাচ্যের কর্তা প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় না বলে একে অনু্ক্ত কর্তা বলে। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, ভাববাচ্যের কর্তায় সাধারণত ষষ্ঠী (র, এর) বা দ্বিতীয়া (কে, রে) বিভক্তি যুক্ত হয়।
• উদাহরণ:
- ষষ্ঠী বিভক্তি: আমার (আমি + র) খাওয়া হলো না।
- দ্বিতীয়া বিভক্তি: আমাকে (আমি + কে) এখন যেতে হবে।
- দ্বিতীয়া বিভক্তি: তোমাকে এখন পড়তে বসতে হবে।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- প্রথমা বা শূণ্য: কর্তৃবাচ্যের কর্তায় সাধারণত প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি যুক্ত হয়।
- ৪র্থী: সম্প্রদান কারক ছাড়া সাধারণত ৪র্থী বিভক্তির ব্যবহার আধুনিক বাংলায় ২য়া বিভক্তির সমতুল্য।
- ৫মী: অপাদান কারক বোঝাতে ৫মী বিভক্তি (হতে, থেকে) ব্যবহৃত হয়, যা ভাববাচ্যের কর্তায় সাধারণত বসে না।