২০১২ সালের ৪ জুলাই, সুইজারল্যান্ডের CERN ল্যাবরেটরিতে Large Hadron Collider (LHC) এর মাধ্যমে হিগস বোসন কণার আবিষ্কার ঘোষণা করা হয়। এই আবিষ্কারটি পদার্থবিজ্ঞানের স্ট্যান্ডার্ড মডেল-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ নিশ্চিত করে।
হিগস বোসন আবিষ্কারের গুরুত্ব: 1. স্ট্যান্ডার্ড মডেল প্রমাণিত হয়: হিগস বোসন কণা স্ট্যান্ডার্ড মডেলের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, যা ব্যাখ্যা করে কিভাবে মৌলিক কণাগুলি ভর অর্জন করে। এটি Brout-Englert-Higgs (BEH) mechanism এর মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা হয়। 2. মহাবিশ্বের গঠন বোঝা: এই কণার আবিষ্কার মহাবিশ্বের গঠন এবং মৌলিক কণাগুলির ভরের উৎস সম্পর্কে আমাদের বোঝাপড়া আরও গভীর করে। 3. নোবেল পুরস্কার: এই আবিষ্কারের জন্য ২০১৩ সালে ফ্রাঁসোয়া ইংলেয়ার (François Englert) এবং পিটার হিগস (Peter Higgs) কে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।
আবিষ্কারের প্রক্রিয়া: - ATLAS এবং CMS নামে দুটি প্রধান পরীক্ষার মাধ্যমে LHC-তে প্রোটন সংঘর্ষ ঘটানো হয়। এই সংঘর্ষের ফলে ১২৫ গিগা ইলেকট্রন ভোল্ট (GeV) ভরের একটি নতুন কণা শনাক্ত করা হয়, যা হিগস বোসনের বৈশিষ্ট্যের সাথে মিলে যায়।
এই আবিষ্কারটি পদার্থবিজ্ঞানের ইতিহাসে একটি মাইলফলক এবং নতুন পদার্থবিজ্ঞানের অনুসন্ধানের জন্য একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।
অ্যাপ/ওয়েবসাইটে রুটিনভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা হচ্ছে।
ব্যাচ-১/পরীক্ষা- ৭৬
কোর্স নামঃ
সাধারণ জ্ঞান ৭০ মার্ক বেসিক ভিউ বই থেকে
টপিকসঃ
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন, সংস্কৃতি ও গণমাধ্যম: এভারেস্ট জয়ীগণ, চলচ্চিত্র, বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশ, বিভিন্ন অঞ্চলের লোকসংগীত, বাউল শিল্পী, চিত্রশিল্পী, জাদুঘর, ভাস্কর্য, বাংলাদেশের খেলাধুলা ও গণমাধ্যম (পেইজ: ৯৩৮-৯৬২)