- তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতি মূলত সক্রিয় ধাতুসমূহ, যেমন ক্ষার ধাতু, মৃৎক্ষার ধাতু (যেমন ক্যালসিয়াম বা Ca) এবং অ্যালুমিনিয়াম (Al) নিষ্কাশনের জন্য ব্যবহৃত হয়। - এই ধাতুগুলি তাদের যৌগ থেকে সহজে বিজারিত হয় না, কারণ তারা অত্যন্ত সক্রিয়। তাই, তাদের গলিত লবণের তড়িৎ বিশ্লেষণের মাধ্যমে বিজারণ সম্পন্ন করা হয়। - অপরদিকে, Ag (রূপা), Au (সোনা) এবং Cu (তামা) তুলনামূলকভাবে কম সক্রিয় ধাতু। - এই ধাতুগুলি অন্য পদ্ধতিতেও নিষ্কাশিত হতে পারে, এবং Ag ও Au খুব কম সক্রিয় হওয়ায় প্রকৃতিতে মুক্ত অবস্থায়ও পাওয়া যায়। - যদিও তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতি এদের বিশুদ্ধকরণের জন্য ব্যবহার করা হয় (তড়িৎ-পরিশোধন), কিন্তু আকরিক থেকে বিজারণের জন্য এটি একমাত্র পদ্ধতি নয়, যেমনটা ক্যালসিয়ামের মতো সক্রিয় ধাতুর ক্ষেত্রে প্রয়োজন।
দুই বা ততোধিক ধাতু পরস্পরের সাথে মিশে যে সমসত্ব বা অসমসত্ব মিশ্রণ উৎপন্ন করে সেই কঠিন ধাতব পদার্থকে সংকর ধাতু বলে। (1) পিতল [Brass] :- তামা [Cu] 60-80% এবং দস্তা [Zn] 40-20 % -এর মিশ্রিত ধাতু সংকর । ব্যবহার : বাসনপত্র, নল, টেলিস্কোপ, মূর্তি, ব্যারোমিটার, বিভিন্ন যন্ত্রের অংশ, জলের কল প্রভৃতি প্রস্তুতিতে পিতলের ব্যবহার হয় ।
(2) কাঁসা [Bell Metal]:- তামা [Cu] 80% এবং টিন [Sn] 20% -এর মিশ্রিত ধাতু সংকর । ব্যবহার : থালা, গ্লাস, মুদ্রা, বাটি, মূর্তি, ঘন্টা প্রভৃতি প্রস্তুতিতে কাঁসার ব্যবহার হয় ।
(3) ব্রোঞ্জ [Bronze]:- তামা [Cu] 75-90% এবং টিন [Sn] 25-10% -এর মিশ্রিত ধাতু সংকর । ব্যবহার : মূর্তি, থালা, যন্ত্রের বিভিন্ন অংশ, বাসনপত্র, মেডেল, মুদ্রা প্রভৃতি প্রস্তুতিতে ব্রোঞ্জের ব্যবহার হয় ।টেলিস্কোপ
- ক্যালসিয়াম (Ca) পর্যায় সারণির গ্রুপ 2 এর ক্ষারীয় ধাতুগুলির মধ্যে একটি । - এটি পৃথিবীর ভূত্বকের পঞ্চম সর্বাধিক প্রচুর উপাদান । - এর পারমাণবিক সংখ্যা ২০ - গলনাঙ্ক ৮৪২° সে. এবং স্ফুটনাঙ্ক ১৪৮৪° সে. - ক্যালসিয়াম মুক্ত অবস্থায় প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যায় না।
সোনা,রুপা,প্লাটিনাম,রোডিয়াম,প্যালাডিয়াম প্রভৃতি ধাতুসমূহ বাতাসের অক্সিজেন দ্বারা সহজে জারিত হয়না অর্থাৎ বেশ নিষ্ক্রিয় অবস্থায় থাকে ,তাই এদের মরিচা পড়ে না।ফলে এদের অভিজাত ধাতুও বলা হয়।
ধাতুকল্প বা অর্ধধাতু অথবা উপধাতু হল একধরনের মৌলিক পদার্থ, যা ধাতু ও অধাতুর মাঝামাঝি বা একই সাথে উভয়ের ধর্ম প্রকাশ করে। উপধাতু ৬ টি। যথা- ১.বোরন (B), ২.সিলিকন (Si), ৩.জামেনিয়াম (Ge), ৪.আরসেনিক (As), ৫.আনটিমনি (Sb), ৬.টেলুরিয়াম (Te)।
- দুই বা ততোধিক ধাতু পরস্পরের সাথে মিশে যে সমসত্ব বা অসমসত্ব মিশ্রণ উৎপন্ন করে সেই কঠিন ধাতব পদার্থকে সংকর ধাতু বলে। - যেমন- পিতল হলো তামা (কপার) ও দস্তার (জিঙ্ক) সংকর ধাতু। - কাঁসা বা ব্রোঞ্জ হলো তামা (কপার) ও টিনের সংকর ধাতু।
- কার্বন একটি অধাতু এবং বিজারক পদার্থ। - কার্বনের দানাদার রূপভেদ হলো- গ্রাফাইট ও হীরক। - প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে শক্ত বা কঠিন পদার্থ হীরক।হীরক কাচ কাটতে ব্যবহৃত হয়। - উল্লেখ্য, প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে শক্ত ধাতু টাংস্টেন।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
✔ডিটারজেন্ট হল একটি কৃত্রিম জৈব যৌগ। এটি হল লম্বা শৃঙ্খলযুক্ত বেঞ্জিন সালফিউরিক অ্যাসিডের একটি সোডিয়াম লবণ। এ এর জামা-কাপড় পরিস্কার করার ক্ষমতা সাবানের চেয়ে বেশি। ✔[i] ডিটারজেন্ট বস্তুটি গন্ধহীন, বর্ণহীন অনুদ্বায়ী কঠিন পদার্থ । [ii] এটি কঠিন ও তরল উভয় প্রকারের হয় এবং এটি একটি জৈব লবণ যা জলে সম্পূর্ণ দ্রবণীয় । [iii] সাধারণ অবস্থায় ডিটারজেন্ট প্রশম পদার্থ কিন্তু জলে দ্রবীভূত করলে ক্ষারীয় হয় । এটি খর পানিতে ব্যবহার করা উত্তম।
• অ্যালুমিনিয়াম ধাতুকে মুক্ত অবস্থায় প্রকৃতির মধ্যে পাওয়া যায় না। • যৌগরূপে এই ধাতুকে প্রকৃতির মধ্যে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। • ভূ - পৃষ্ঠের সব ধাতুর মধ্যে অ্যালুমিনিয়াম এর পরিমাণ সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৭% - ৮%। • দ্বিতীয় অবস্থানে আছে লোহা ৫%।
- টেস্টিং সল্ট-এর রাসায়নিক নাম হলো সোডিয়াম মনোগ্লুটামেট। - এটি মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট বা সংক্ষেপে MSG (Monosodium Glutamate) নামেও পরিচিত। - এটি একটি বহুল ব্যবহৃত খাদ্য সংযোজক যা খাবারের স্বাদ বাড়াতে সাহায্য করে। - জাপানিরা এটিকে 'উমামি' বা পঞ্চম স্বাদ হিসেবে বিবেচনা করে, যা মিষ্টি, টক, নোনতা এবং তিতা স্বাদের বাইরে একটি স্বতন্ত্র স্বাদ। - সোডিয়াম বাইকার্বনেট হলো খাবার সোডা বা বেকিং সোডা, যা বেকিং এবং পরিষ্কারের কাজে ব্যবহৃত হয়।
-ইস্পাত লোহা এবং কার্বনের একটি সংকর ধাতু, যেখানে কার্বনের পরিমাণ সাধারণত ওজন অনুসারে ০.০২% এবং ২.১% এর মধ্যে থাকে। -ইস্পাতে কার্বনের নিয়ন্ত্রিত পরিমাণ এটিকে সাধারণ লোহা থেকে আলাদা করে, যা সাধারণত ০.০০৮% এর কম কার্বন ধারণ করে। -ইস্পাতের কার্বন সামগ্রী তার শক্তি, কঠোরতা এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্যকে প্রভাবিত করে।
- বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি, হিটার, টোস্টার ইত্যাদি তাপ উৎপাদক যন্ত্রে কুণ্ডলী বা কয়েল হিসেবে নাইক্রোম (Nichrome) তার ব্যবহৃত হয়। - নাইক্রোম হলো নিকেল (Nickel) ও ক্রোমিয়ামের (Chromium) এক ধরনের সংকর ধাতু, যার গলনাঙ্ক অনেক বেশি (প্রায় ১৪০০° সেলসিয়াস)। - এই তারের রোধ বা রেজিস্ট্যান্স অনেক বেশি হওয়ায় এর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়, কিন্তু তারটি গলে যায় না। - উচ্চ তাপমাত্রায় নাইক্রোম বাতাসের অক্সিজেনের সাথে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে ক্ষয়প্রাপ্ত হয় না বা পুড়ে যায় না, যা দীর্ঘস্থায়ী ব্যবহারের জন্য উপযোগী। - অন্যদিকে, বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্টে টাংস্টেন (Tungsten) তার এবং সাধারণ বিদ্যুৎ পরিবহনে কপার (Copper) বা তামার তার ব্যবহার করা হয়।
তরল পদার্থগুলোর মধ্যে পারদ সর্বাপেক্ষা ভারী।পারদ সর্বাপেক্ষা নিম্নগলনাঙ্কবিশিষ্ট ধাতু।অল্প তাপে এর আয়তন অনেক বৃদ্ধি পায়।তাই থার্মোমিটারে পারদ ব্যবহার করা হয় ।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
⇒ লোহা বা ইস্পাতকে মরিচা পড়ার হাত থেকে রক্ষা করার জন্য এর ওপর দস্তার (Zinc) প্রলেপ দেওয়া হয়। ⇒ দস্তার বা জিংকের এই প্রলেপ দেওয়ার পদ্ধতিকেই ‘গ্যালভানাইজিং’ (Galvanizing) বলা হয়। ⇒ জিংক বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে একটি আস্তরণ তৈরি করে যা ভেতরের লোহাকে সুরক্ষিত রাখে।
⇒ গ্যালভানাইজিং (Galvanizing) হলো লোহা বা ইস্পাতের তৈরি বস্তুকে মরিচা থেকে রক্ষা করার জন্য এর উপর দস্তা বা জিঙ্ক (Zinc) ধাতুর একটি পাতলা আবরণ বা প্রলেপ দেওয়ার প্রক্রিয়া। ⇒ লোহা বাতাসের অক্সিজেন এবং জলীয় বাষ্পের সংস্পর্শে এলে মরিচা তৈরি করে, যা লোহাকে ধীরে ধীরে ক্ষয় করে ফেলে। এই ক্ষয় রোধ করার জন্যই গ্যালভানাইজিং করা হয়। ⇒ দস্তার প্রলেপ লোহাকে দুটি প্রধান উপায়ে রক্ষা করে: ১. সুরক্ষামূলক বাধা (Protective Barrier): দস্তার স্তরটি লোহাকে সরাসরি বাতাস এবং জলীয় বাষ্পের সংস্পর্শে আসতে দেয় না, ফলে মরিচা তৈরি হতে পারে না। ২. তড়িৎরাসায়নিক সুরক্ষা (Electrochemical Protection): দস্তা লোহার চেয়ে বেশি সক্রিয় একটি ধাতু। তাই প্রলেপে কোনো কারণে আঁচড় লেগে লোহা উন্মুক্ত হয়ে গেলেও দস্তা আগে ক্ষয়প্রাপ্ত হয় (অ্যানোড হিসেবে কাজ করে) এবং লোহাকে সুরক্ষিত রাখে। এই প্রক্রিয়াকে "স্যাক্রিফিসিয়াল প্রোটেকশন" (Sacrificial Protection) বলে। ⇒ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত অনেক জিনিস, যেমন—পানির পাইপ, টিনের চাল, পেরেক, গাড়ির যন্ত্রাংশ ইত্যাদিতে মরিচা রোধ করার জন্য গ্যালভানাইজিং করা হয়।
- ভূত্বকে বা ভূপৃষ্ঠে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় অক্সিজেন (প্রায় ৪৬%), যা একটি অধাতু। - কিন্তু ধাতু হিসেবে অ্যালুমিনিয়াম (Al)-এর পরিমাণ সবচেয়ে বেশি (প্রায় ৮.১%)। - ধাতুর দিক থেকে এর পরেই রয়েছে লোহা বা আয়রনের অবস্থান। - তাই সঠিক উত্তর অ্যালুমিনিয়াম।
প্রকৃতিতে ফ্লোরিন প্রচুর পরিমাণে বিদ্যমান হলেও এটি পৃথক মৌল হিসেবে থাকে না। রাসায়নিকভাবে অত্যন্ত সক্রিয় বলে সবসময়ই এটি অন্যান্য মৌলিক পদার্থের সাথে মিলে যৌগ আকারে বিরাজ করে। সমুদ্র, নদী বা হ্রদের পানি, প্রাণীদের অস্থিতে ও দাঁতে এবং সকল উদ্ভিদে ফ্লোরিন পাওয়া যায়।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
চাকরি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পেতে নিয়মিত অনুশীলন ও লাইভ পরীক্ষার কোন বিকল্প নেই।
অনুশীলন প্রশ্ন ব্যাংক বিষয়ভিত্তিক, টপিক ও সাবটপিক আকারে সাজানো। ২০০৫ থেকে সব জব সলিউশন ও টপিকভিত্তিক জব সলিউশন বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ, রুটিন ভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, পিডিএফ লেকচার শীট।
✅ প্রধান শিক্ষক প্রস্তুতি - লেকচারশীট ভিত্তিকঃ রুটিন আপলোড করা হয়েছে। (২য় ব্যাচ) পরীক্ষা শুরুঃ ৫ ফেব্রুয়ারি। মোট পরীক্ষা – ৮০টি। টপিক ভিত্তিক – ৪০টি। সাবজেক্ট ভিত্তিক – ২০টি। ফুল মডেল টেস্ট – ২৮টি। প্রতিদিন পরীক্ষা ও প্রতি ৩ দিন পরপর ফুল ও বিষয়ভিত্তিক মডেল টেস্ট। সব প্রশ্ন সাজেশন্স ভিত্তিক।
✅ ৫১ তম বিসিএস প্রস্ততি - ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস। ✪ পরীক্ষা শুরুঃ ১০ ফেব্রুয়ারি। ✪ মোট পরীক্ষাঃ ১৬২টি ✪ ডেইলি পরীক্ষাঃ ১০০টি ✪ প্রতি ২টি ডেইলি পরীক্ষার পর ১টি করে রিভিশনের মোট পরীক্ষাঃ ৫০টি ✪ পাক্ষিক রিভিশনঃ ১১টি ✪ প্রতি পরীক্ষায় ৫০টি Exclusive MCQ
✅ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (রুটিনের জন্য পিডিএফ বাটন দেখুন) - পরীক্ষা শুরুঃ ১০ নভেম্বর। - মোট পরীক্ষাঃ ১২৮টি, - টপিক ভিত্তিকঃ ১১২টি, - রিভিশন পরীক্ষাঃ ২২টি, - Vocabulary রিভিশনঃ ৩বার
অ্যাপ এর হোম screen -এ পিডিএফ বাটন ক্লিক করুন, এখান থেকে রুটিন ডাউনলোড করতে পারবেন। রুটিনের তারিখ অনুযায়ী পরীক্ষা রাত ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যেকোন সময় দিতে পারবেন, ফলাফল সাথে সাথে বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ দেওয়া হয়। missed পরীক্ষাগুলো আর্কাইভ থেকে দিতে পারবেন, তবে মেরিট লিস্ট আসবে না, মেরিট লিস্টে থাকতে হলে রুটিন অনুযায়ী নির্দিষ্ট তারিখে দিতে হবে। আর্কাইভ থেকে পরীক্ষা দিতে হলে ভিজিট করুনঃ অ্যাপ এর হোম স্ক্রীনে 'পরীক্ষার সেকশন' বাটনে ক্লিক করুন -> বিসিএস বাটন -> [ফ্রি কোর্স] ৫০তম বিসিএস প্রিলি ২২০ দিনের সেকশনের All Exam বাটন ক্লিক করুন -> এখান Upcoming, Expired ট্যাব পাবেন।
✅ আপকামিং রুটিনঃ - ১০০ দিনের বিসিএস বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি। - অগ্রদূত বাংলা বই অনুসারে বাংলা সাহিত্য ও ভাষা রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।। - English মাস্টার বই অনুসারে রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।