সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান

৯২ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
রাডার (RADAR) যন্ত্রে তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গ (রেডিও তরঙ্গ) ব্যবহৃত হয় ।
- এটি তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গ পাঠিয়ে বস্তুর অবস্থান, দূরত্ব ও গতিপথ নির্ণয় করে ।
- প্রতিফলিত তরঙ্গ বিশ্লেষণ করে বস্তু শনাক্ত করা হয় ।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
পারমাণবিক বোমা নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়ার ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয় । এই বিক্রিয়ায় একটি ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস ভেঙে প্রায় সমান ভরের দুটি ছোট নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় এবং অনিয়ন্ত্রিত শৃঙ্খল বিক্রিয়ার মাধ্যমে বিপুল শক্তি নির্গত হয় ।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৯০৫ সালে বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন দেখান যে পদার্থ (ভর) ও শক্তি প্রকৃতপক্ষে অভিন্ন । ভরকে শক্তিতে রূপান্তরের এই বিখ্যাত সমীকরণটি হলো E = mc² ।
এখানে,
- E = নির্গত শক্তি
- m = রূপান্তরিত ভর
- c = শূন্যস্থানে আলোর বেগ
এই প্রক্রিয়ায় ভর বিনাশ হয়ে বিপুল শক্তিতে পরিণত হয় ।
সোর্স: এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
- RADAR-এর পূর্ণরূপ হলো Radio Detection And Ranging।
- রাডার যন্ত্র থেকে তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ নিক্ষেপ করা হয় এবং বস্তুতে প্রতিফলিত হয়ে সেই তরঙ্গ রাডারে ফিরে আসে।
- যন্ত্রটি তরঙ্গটিকে বিশ্লেষণ করে বস্তুর উপস্থিতি, দূরত্ব ও দিক সঠিকভাবে নির্ণয় করে।
- রাডারে সাধারণত মাইক্রোওয়েভ বা বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
কোনো বাহ্যিক প্রভাব ছাড়াই ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অদৃশ্য রশ্মি (যেমন- আলফা, বিটা ও গামা) নির্গত হয়ে অন্য মৌলের নিউক্লিয়াসে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা (Radioactivity) বলে।
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে ফরাসি বিজ্ঞানী হেনরি বেকেরেল (Henri Becquerel) সর্বপ্রথম তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন। তাঁর নামানুসারে এর নাম দেওয়া হয় 'বেকেরেল রশ্মি'।
- কয়েকটি পরিচিত তেজস্ক্রিয় পদার্থ হলো: ইউরেনিয়াম, রেডিয়াম, থোরিয়াম, পোলোনিয়াম, কোবাল্ট-60 ইত্যাদি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
Theory of Relativity (আপেক্ষিকতার তত্ত্ব) প্রবর্তন করেন বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন (Albert Einstein)।
এই যুগান্তকারী তত্ত্বের মূল দুটি অংশ রয়েছে:
- Special Theory of Relativity (1905): এখানে তিনি ধারণা দেন যে, শূন্যস্থানে আলোর বেগ সর্বদা ধ্রুব থাকে এবং সময়, দৈর্ঘ্য ও ভর পর্যবেক্ষকের গতির ওপর নির্ভরশীল।
- General Theory of Relativity (1915): এখানে তিনি মাধ্যাকর্ষণকে (gravity) স্থান-কাল (space-time) এর বাঁক বা বিকৃতি হিসেবে ব্যাখ্যা করেন।
ব্যাখ্যা (Explanation)
• ১৮৯৪ সালে ইতালীয় বিজ্ঞানী জি. মার্কনি (গুগলিয়েলমো মার্কনি) বেতার যন্ত্র বা রেডিও (Radio) আবিষ্কার করেন।
• রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে তারবিহীন যোগাযোগ স্থাপনে এই আবিষ্কার ছিল একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।
• আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল টেলিফোন আবিষ্কার করেন।
• জন লগি বেয়ার্ড আবিষ্কার করেন টেলিভিশন।
ব্যাখ্যা (Explanation)
• আলবার্ট আইনস্টাইন ১৯০৫ সালে তাঁর বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্বে পদার্থ ও শক্তির সম্পর্ক বিষয়ক বিখ্যাত সূত্রটি প্রদান করেন।
• সূত্রটি হলো E = mc², যেখানে E হলো শক্তি, m হলো ভর এবং c হলো আলোর গতিবেগ।
• এই সূত্রটি প্রকাশ করে যে, ভর এবং শক্তি মূলত একই জিনিসের ভিন্ন রূপ এবং একটিকে অন্যটিতে রূপান্তর করা সম্ভব।
• খুব সামান্য পরিমাণ ভরের বস্তু থেকেও অকল্পনীয় পরিমাণে শক্তি উৎপাদন করা সম্ভব, যা পারমাণবিক শক্তির মূল ভিত্তি।

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- পারমাণবিক চুল্লিতে ফিশন প্রক্রিয়ায় জ্বালানি হিসেবে সর্বাধিক ব্যবহৃত আইসোটোপ হলো ইউরেনিয়াম-২৩৫ (²³⁵U)।
- প্রকৃতিতে ইউরেনিয়ামের প্রধান তিনটি আইসোটোপ পাওয়া যায়: U234, U235 এবং U238।
- U238 এর পরিমাণ সবচেয়ে বেশি (প্রায় ৯৯.৩%) হলেও এটি স্থিতিশীল এবং সহজে বিভাজিত হয় না।
- অন্যদিকে U235 এর পরিমাণ মাত্র ০.৭% হলেও এটি অস্থিতিশীল হওয়ায় পারমাণবিক শক্তি উৎপাদনে এটিই প্রধান কার্যকর জ্বালানি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটানো হয় । আলো যখন ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে সংকট কোণের চেয়ে বড় কোণে আপতিত হয়, তখন তা প্রতিসরিত না হয়ে পুরো আলোই প্রতিফলিত হয়ে পুনরায় ঘন মাধ্যমে ফিরে আসে । এই প্রক্রিয়ায় আলোকরশ্মি ক্যাবলের ভেতরে বার বার প্রতিফলিত হয়ে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে তথ্য পরিবহন করে ।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রশ্নে দেয়া হয়েছে কোন পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান (বৈদ্যুতিক চার্জ) প্রবাহিত হতে পারে না। এখানে চারটি অপশন দেওয়া হয়েছে: তামা, লোহা, রুপা, এবং প্লাস্টিক।

- তামা, লোহা এবং রুপা এই তিনটি পদার্থ *ধাতু* এবং এরা ভালোভাবে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করতে পারে। কারণ ধাতুতে অনেক গুণগত ইলেকট্রন থাকে, যেগুলো সহজেই স্থান পরিবর্তন করতে পারে, ফলে আধান প্রবাহিত হয়।
- অন্যদিকে, প্লাস্টিক একটি *অপরিবাহী পদার্থ (insulator)*, যার কারণে এতে ইলেকট্রনের স্থানান্তর খুবই কঠিন বা অসম্ভব। তাই প্লাস্টিকের মধ্যে দিয়ে বিদ্যুতের প্রবাহ ঘটে না বা খুবই কম পরিমাণে ঘটে।

তাই, আধান বা বৈদ্যুতিক চার্জ প্রবাহিত হতে পারে না এমন পদার্থ হল প্লাস্টিক।
ব্যাখ্যা (Explanation)
নিউক্লিয়ার রিঅ্যাকটরের মডারেটরের প্রধান কাজ হলো দ্রুতগতির নিউট্রনগুলোর গতি কমিয়ে ধীরগতি সম্পন্ন নিউট্রনে (thermal neutrons) পরিণত করা যাতে তারা ইউরেনিয়াম ইত্যাদি পারমাণবিক জ্বালানির সাথে কার্যকরীভাবে বিক্রিয়া (বিভাজন) ঘটাতে পারে। অর্থাৎ, মডারেটর দ্রুতগতির নিউট্রনকে ধীর করে নিয়ন্ত্রণ করে চেইন বিক্রিয়াকে স্থিতিশীল এবং কার্যকরভাবে চালিয়ে নিতে সাহায্য করে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফরমারে মূল উদ্দেশ্য হলো ইনপুট ভোল্টেজকে কমানো। এটি করার জন্য, ট্রান্সফরমারের মুখ্য (প্রাইমারি) কুণ্ডলীতে পাক সংখ্যা গৌণ (সেকেন্ডারি) কুণ্ডলীর পাক সংখ্যার চেয়ে বেশি থাকে।
- পাক সংখ্যা কমানোর ফলে সেকেন্ডারি কুণ্ডলীতে প্ররোচিত ভোল্টেজ কমে যায়, যা স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফরমারের বৈশিষ্ট্য।
- ফ্যারাডে এর ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ইনডাকশনের নিয়ম অনুযায়ী, ভোল্টেজ অনুপাত কুণ্ডলীর পাক সংখ্যার অনুপাতে নির্ধারিত হয়।
- তাই মুখ্য কুণ্ডলীর পাক সংখ্যা বেশি থাকলে আউটপুট ভোল্টেজ ইনপুটের থেকে কম হয়।
- এই কারণেই স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফরমারে মুখ্য কুণ্ডলীর পাক সংখ্যা গৌণ কুণ্ডলীর পাক সংখ্যার চেয়ে বেশি হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ডার্ক ম্যাটার (Dark Matter) হলো এক রহস্যময় পদার্থ যা মহাবিশ্বের মোট ভরের প্রায় ২৭%।
- ডার্ক ম্যাটার তড়িৎচুম্বকীয় (electromagnetic) বলের সাথে কোনো মিথস্ক্রিয়া করে না। এর মানে হলো, এটি কোনো ধরনের উদ্দীপনামূলক চৌম্বক বিকিরণ (যেমন, আলো, রেডিও তরঙ্গ, এক্স-রে) তৈরি করে না বা সেগুলোর দ্বারা প্রভাবিতও হয় না।
- ডার্ক ম্যাটার সাধারণ পদার্থের মতো আলো শোষণ, প্রতিফলন বা নির্গমন করে না। এ কারণেই একে 'ডার্ক' বা 'অন্ধকার' বলা হয়। আমরা একে সরাসরি দেখতে পাই না, বা কোনো প্রচলিত উপায়ে শনাক্ত করতে পারি না।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- গামা রশ্মি একটি উচ্চ-শক্তির ফোটন, যা পারমাণবিক কণার সাথে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ইন্টারঅ্যাকশনের মাধ্যমে ছেদন করে, যেখানে আলফা কণা একটি ভারী, চার্জযুক্ত কণা যা পারমাণবিক নিউক্লিয়াসের সাথে সংঘর্ষ করে।
- আলফা কণার ছেদন ক্ষমতা সাধারণত গামা রশ্মির তুলনায় অনেক কম, কারণ আলফা কণার ভর বেশি এবং তারা পারমাণবিক নিউক্লিয়াসের সাথে শক্তিশালী পারস্পরিক ক্রিয়া করে, কিন্তু তাদের প্রভাব সীমিত থাকে ছোট দূরত্বে।
- গামা রশ্মি, যেহেতু ফোটন, তাই তারা পারমাণবিক স্তরে অনেক বেশি ছেদন করতে পারে।
- সাধারণত গামা রশ্মির ছেদন ক্ষমতা আলফা কণার তুলনায় প্রায় ১০০০০ গুণ বেশি হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
-যে নিউক্লিয় বিক্রিয়ায় দুটি ক্ষুদ্র নিউক্লিয়াস একত্রিত হয়ে অপেক্ষাকৃত বড় নিউক্লিয়াসযুক্ত ভিন্ন মৌল তৈরি করে তাকে নিউক্লিয় ফিউশন বা নিউক্লিয় সংযোজন বিক্রিয়া বলে।

- সূর্য ও অন্যান্য নক্ষত্রে শক্তির উৎস হচ্ছে নিউক্লিয় ফিউশন বিক্রিয়া।

- নিউক্লিয় ফিউশন নীতির উপর ভিত্তি করে হাইড্রোজেনের আইসোটোপ - ডিউটেরিয়াম, ট্রিটিয়াম ব্যবহার করে হাইড্রোজেন বোমা তৈরি করা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- আলবার্ট আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্ব (General Theory of Relativity) অনুযায়ী, মহাকর্ষ কোনো বল নয়, বরং এটি স্থান-কালের বক্রতা (Curvature of Spacetime) হিসেবে কাজ করে।
- এই তত্ত্বটি নিউটনের মহাকর্ষ তত্ত্বের একটি উন্নত সংস্করণ, যা মহাকর্ষের প্রকৃতি আরও গভীরভাবে ব্যাখ্যা করে।
- স্থান (Space) এবং সময় (Time) একত্রে একটি চার-মাত্রিক কাঠামো তৈরি করে, যাকে স্থান-কাল (Spacetime) বলা হয়।
- কোনো ভারী বস্তু (যেমন সূর্য বা পৃথিবী) এই স্থান-কালের উপর প্রভাব ফেলে এবং এটি বাঁকিয়ে দেয়।
- এই বাঁকানো স্থান-কালের মধ্যে দিয়ে অন্য বস্তু চলতে বাধ্য হয়।
- এটি এমনভাবে কাজ করে যেন ভারী বস্তুটি অন্য বস্তুকে আকর্ষণ করছে।

রাবারের চাদরের উদাহরণ:
- একটি টানটান রাবারের চাদরের উপর একটি ভারী বল রাখলে চাদরটি বেঁকে যায়।
- যদি চাদরের উপর একটি ছোট বল রাখা হয়, তবে সেটি ভারী বলের দিকে গড়িয়ে যায়।
- তেমনি, মহাকর্ষ হলো ভারী বস্তুর কারণে স্থান-কালের বক্রতা, যা অন্য বস্তুকে তার দিকে টেনে আনে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
ফোটন কণার শক্তি নির্ধারণ করা হয় প্ল্যাঙ্কের সূত্র অনুযায়ী, E = h ⋅ f

ফ্রিকোয়েন্সি এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্যের মধ্যে সম্পর্ক, f = c / λ

শক্তি ও তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সম্পর্ক,
ফ্রিকোয়েন্সি f এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্য λ এর মধ্যে একটি বিপরীত সম্পর্ক রয়েছে। অর্থাৎ, f ∝ 1/λ
​
ফলে, তরঙ্গদৈর্ঘ্য কমলে ফ্রিকোয়েন্সি বৃদ্ধি পায় এবং শক্তি E বৃদ্ধি পায়।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতির নাম ও ব্যবহারঃ
১. হাইড্রোমিটার: তরলের আপেক্ষিক ঘনত্ব পরিমাপক যন্ত্র।
২. অডিওমিটার: শ্রবণশক্তি পরীক্ষা করা হয়।
৩. ব্যারোমিটার: বায়ুর চাপ মাপক যন্ত্র।
৪. ক্যালরিমিটার: তাপের পরিমাপ করা হয়।
৫. ম্যানোমিটার: গ্যাসের চাপ মাপক যন্ত্র।
৬. বেকম্যান থার্মোমিটার: এর দ্বারা তাপমাত্রার সামান্যতম পরিবর্তনকে লিপিবদ্ধ করা হয়।
৭. ক্লিনিক থার্মোমিটার: মানবদেহের তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়।
৮. ফ্যাদোমিটার: সমুদ্রের গভীরতা পরিমাপতে এই যন্ত্র ব্যবহৃত হয়।
৯. ডায়নামোমিটার: বৈদ্যুতিক ক্ষমতা মাপা হয়।
১০. স্পিডোমিটার: চলমান বস্তুর গতি নির্ধারণে ব্যবহার করা হয়।
১১. অ্যামমিটার: তড়িৎপ্রবাহ পরিমাপে ব্যবহৃত হয়।
১২. হাইগ্রোমিটার: বায়ুমণ্ডলের আপেক্ষিক আর্দ্রতা পরিমাপক যন্ত্র।
১৩. মাইক্রোমিটার: অতি সূক্ষ্ম বস্তুর মাপ নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়।
১৪. রেডিও মিটার: তাপ বিকিরণ সংক্রান্ত গবেষণার কাজে ব্যবহৃত হয়।
১৫. ফটোমিটার: আলােকের তীব্রতা পরিমাপে ব্যবহৃত হয়।
১৬. কম্পিউটার: বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষণ ও জটিল গণনায় ব্যবহৃত হয়।
১৭. পেরিস্কোপ: সমুদ্রের তলদেশ থেকে সমুদ্রতলের ওপর অবধি বস্তুর অবস্থান নির্ণয় করা হয়।
১৮. রেইনগেজ: বৃষ্টিপাত পরিমাপ করতে এই যন্ত্র ব্যবহৃত হয়।
১৯. অণুবীক্ষণ যন্ত্র: অত্যন্ত ক্ষুদ্রবস্তু বিবর্ধিত অবস্থায় ধরা পড়ে।
২০. পেসমেকার: হৃৎপিণ্ডের সাহায্যকারী যন্ত্র
২১. অডিওফোন: দুর্বল শ্রবণ ক্ষমতার উন্নতি করতে এই যন্ত্র ব্যবহৃত হয়।
২২. এন্ডোস্কোপ: মানুষের দেহের কোনাে ফাপা অস্ত্র সম্পর্কে পরীক্ষা করা যায়।
২৩. বায়নোকুলার: দূরের বস্তুকে বৃহৎ আকারে দেখতে পাই।
২৪. সিসমোগ্রাফ: ভূমিকম্পের তীব্রতা লিপিবদ্ধ করার যন্ত্র।
২৫. স্টেথোস্কোপ: হার্ট ও ফুসফুসের শব্দ শােনার যন্ত্র।
২৬. ভার্নিয়ার স্কেল: অতি ক্ষুদ্ৰ দৈৰ্ঘ্য মাপা হয়।
২৭. হেলিওমিটার: সূর্যের ব্যাসের পরিবর্তন পরিমাপ করা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- Cathode Ray Tube হতে মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর মৃদু রঞ্জন রশ্মি তৈরি হয়।  
- ইলেকট্রনসমূহ অতিউচ্চ বিভবে থাকার কারণে এ Cathode Ray Tube থেকে খুব সামান্য পরিমাণ এক্স-রে নির্গত হয়। 
ব্যাখ্যা (Explanation)
-গেজ বোসন হল এক ধরণের বোসন কণা যা মৌলিক বলের বাহক হিসেবে কাজ করে।
• গেজ বোসন কণার স্পিন হলো 1।
• এই কণাগুলো হলো- গণ্ডুওন (g), ফোটন (y) এবং w ও Z বোসন।
• গণ্ডুওন: কণা হলো সবল নিউক্লিয় বলবাহী কণা। এর নিশ্চল ভর শূন্য।
• ফোটন: এই কণা তাড়িতচৌম্বক বল বহন করে। এর নিশ্চল ভর শূন্য।
• W ও Z বোসন : w+, w- এবং z° এই তিনটি বোসন কণা দুর্বল নিউক্লিয় বলের বাহক। এ কণাগুলোর ভর আছে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের স্বীকার্য:

• প্রথম স্বীকার্য - স্থির বা গতিশীল সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক সূত্রসমূহ অপরিবর্তিত থাকে ।
• দ্বিতীয় স্বীকার্য - শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের জন্য একই এবং তা আলোর উৎস বা পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল নয়।


- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব দুটি মৌলিক স্বীকার্যের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন এই দুটি স্বীকার্য প্রদান করেন।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- এক্স-রে এক ধরনের তাড়িত চৌম্বক বিকিরণ। এর সাহায্যে প্রাপ্ত ফটোগ্রাফ দ্বারা শরীরের কোনো ভাঙা হাড়, ক্ষত বা অবাঞ্ছিত বস্তুর উপস্থিতি বোঝা যায়।
- ১৮৯৫ সালে জার্মান পদার্থ বিজ্ঞানী রন্টজেন এক্সরে আবিষ্কার করেন।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- কোয়ান্টাম ডট হল সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরি ক্ষুদ্র কণা, সাধারণত কয়েক নানোমিটারের ব্যাস।
- এগুলির আকার এত ছোট যে ইলেকট্রন এবং হোলগুলি কণাটির মধ্যে আটকে পড়ে এবং কোয়ান্টাম অবস্থায় চলে যায়।
- এই কোয়ান্টাম অবস্থাগুলি কোয়ান্টাম ডটগুলিকে তাদের অনন্য বৈশিষ্ট্যগুলি প্রদান করে,
যেমন:
-আকার নির্ভরশীল আলোক শোষণ এবং নির্গমন
-উচ্চ শক্তি দক্ষতা
-দীর্ঘ দীপ্তি।

-কোয়ান্টাম ডটের আবিষ্কার ও সংশ্লেষণের জন্য ২০২৩ সালে রসায়নে নোবেল পুরষ্কার অর্জন করেন-
১. অ্যালেক্সি ইয়াকিমভ(সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন)
২. মুঙ্গি বাওয়েন্ডি(ফ্রান্স)
৩. লুই ব্রুস(যুক্তরাষ্ট্র)
ব্যাখ্যা (Explanation)
- Attosecond হল সময়ের একটি একক যা এক সেকেন্ডের এক বিলিয়ন ভাগের এক ভাগ।
- এটি একটি অত্যন্ত ছোট সময়কাল, যা অনেকগুলি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়াগুলির সময়কালের সাথে তুলনীয়।
- উদাহরণস্বরূপ, একটি পরমাণুতে একটি ইলেকট্রনের কক্ষপথের সম্পূর্ণ বিপ্লব ঘটে প্রায় 220 attoseconds সময়ের মধ্যে।

উল্লেখ্য, Attosecond নিয়ে গবেষণার জন্য ২০২৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার অর্জন করেন-
১. পিয়ের আগোস্তিনি(যুক্তরাষ্ট্র)
২. ফেরেন্স ক্রাউজ(হাঙ্গেরি)
৩. অ্যান লিয়ের(ফ্রান্স)।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- CERN(the European Organization for Nuclear Research) হল একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা কেন্দ্র যা সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম এবং সবচেয়ে শক্তিশালী কণা পদার্থবিদ্যা পরীক্ষাগার।
- CERN-এর প্রধান কাজ হল বোসন কণাগুলির গবেষণা করা, যা মহাবিশ্বের গঠন এবং বিবর্তনকে বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- CERN-এর গবেষণার ফলে 2012 সালে হ্যাড্রন সংঘর্ষক (LHC)-এ হিগস বোসন কণা আবিষ্কৃত হয়।

- হিগস বোসন বা ঈশ্বর কনার সর্বপ্রথম ধারণা দেন সত্যেন্দ্রনাথ বসু ১৯২৪ সালে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা ল্যাবে গবেষণা করার সময়। এই তত্ত্ব অনুসারে, বোসন কণাগুলি একই শক্তির স্তরে থাকতে পারে এবং একই স্থানে থাকতে পারে।
- আইনস্টাইন এই তত্ত্বটিকে সমর্থন করেন এবং এটিকে আরও বিকাশ করেন। তিনি বোস-আইনস্টাইন পরিসংখ্যান ব্যবহার করে ফোটন কণাগুলির আচরণ ব্যাখ্যা করেন।
ব্যাখ্যা (Explanation)

- বোসন কণার সাথে সত্যেন্দ্রনাথ বসু এবং আলবার্ট আইনস্টাইনের নাম জড়িত।
- হিগস বোসন বা ঈশ্বর কনার সর্বপ্রথম ধারণা দেন সত্যেন্দ্রনাথ বসু ১৯২৪ সালে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা ল্যাবে গবেষণা করার সময়। এই তত্ত্ব অনুসারে, বোসন কণাগুলি একই শক্তির স্তরে থাকতে পারে এবং একই স্থানে থাকতে পারে।
- আইনস্টাইন এই তত্ত্বটিকে সমর্থন করেন এবং এটিকে আরও বিকাশ করেন। তিনি বোস-আইনস্টাইন পরিসংখ্যান ব্যবহার করে ফোটন কণাগুলির আচরণ ব্যাখ্যা করেন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
-গ্রামোফোন বা কলের গান একটি রেকর্ডকৃত গান শোনার যন্ত্র।
-এটি প্রকৃতপক্ষে ১৮৭৭ সালে টমাস আলভা এডিসন কর্তৃক আবিষ্কৃত ফনোগ্রাফ-যা একটি শব্দ পুনরুৎপাদন বা কার্যত পুনঃশ্রবণ যন্ত্র।

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
-বিটা রশ্মি বা বিটা বিকিরণও (প্রতীক β) বলা হয়, একটি উচ্চ-শক্তি, উচ্চ-গতির ইলেকট্রন বা পজিট্রন যা বিটা ক্ষয় প্রক্রিয়া চলাকালীন সময়ে পারমাণবিক নিউক্লিয়াসের তেজস্ক্রিয় ক্ষয়ের মাধ্যমে নির্গত হয়।

-বিটা রশ্মির বেগকে থামিয়ে দেয়ার জন্য 0.3  cm পুরুত্বের অ্যালুমিনিয়াম পাতের প্রয়োজন হয়।
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।