অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটানো হয় । আলো যখন ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে সংকট কোণের চেয়ে বড় কোণে আপতিত হয়, তখন তা প্রতিসরিত না হয়ে পুরো আলোই প্রতিফলিত হয়ে পুনরায় ঘন মাধ্যমে ফিরে আসে । এই প্রক্রিয়ায় আলোকরশ্মি ক্যাবলের ভেতরে বার বার প্রতিফলিত হয়ে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে তথ্য পরিবহন করে । সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
প্রশ্নে দেয়া হয়েছে কোন পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান (বৈদ্যুতিক চার্জ) প্রবাহিত হতে পারে না। এখানে চারটি অপশন দেওয়া হয়েছে: তামা, লোহা, রুপা, এবং প্লাস্টিক।
- তামা, লোহা এবং রুপা এই তিনটি পদার্থ *ধাতু* এবং এরা ভালোভাবে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করতে পারে। কারণ ধাতুতে অনেক গুণগত ইলেকট্রন থাকে, যেগুলো সহজেই স্থান পরিবর্তন করতে পারে, ফলে আধান প্রবাহিত হয়। - অন্যদিকে, প্লাস্টিক একটি *অপরিবাহী পদার্থ (insulator)*, যার কারণে এতে ইলেকট্রনের স্থানান্তর খুবই কঠিন বা অসম্ভব। তাই প্লাস্টিকের মধ্যে দিয়ে বিদ্যুতের প্রবাহ ঘটে না বা খুবই কম পরিমাণে ঘটে।
তাই, আধান বা বৈদ্যুতিক চার্জ প্রবাহিত হতে পারে না এমন পদার্থ হল প্লাস্টিক।
নিউক্লিয়ার রিঅ্যাকটরের মডারেটরের প্রধান কাজ হলো দ্রুতগতির নিউট্রনগুলোর গতি কমিয়ে ধীরগতি সম্পন্ন নিউট্রনে (thermal neutrons) পরিণত করা যাতে তারা ইউরেনিয়াম ইত্যাদি পারমাণবিক জ্বালানির সাথে কার্যকরীভাবে বিক্রিয়া (বিভাজন) ঘটাতে পারে। অর্থাৎ, মডারেটর দ্রুতগতির নিউট্রনকে ধীর করে নিয়ন্ত্রণ করে চেইন বিক্রিয়াকে স্থিতিশীল এবং কার্যকরভাবে চালিয়ে নিতে সাহায্য করে।
- স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফরমারে মূল উদ্দেশ্য হলো ইনপুট ভোল্টেজকে কমানো। এটি করার জন্য, ট্রান্সফরমারের মুখ্য (প্রাইমারি) কুণ্ডলীতে পাক সংখ্যা গৌণ (সেকেন্ডারি) কুণ্ডলীর পাক সংখ্যার চেয়ে বেশি থাকে। - পাক সংখ্যা কমানোর ফলে সেকেন্ডারি কুণ্ডলীতে প্ররোচিত ভোল্টেজ কমে যায়, যা স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফরমারের বৈশিষ্ট্য। - ফ্যারাডে এর ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ইনডাকশনের নিয়ম অনুযায়ী, ভোল্টেজ অনুপাত কুণ্ডলীর পাক সংখ্যার অনুপাতে নির্ধারিত হয়। - তাই মুখ্য কুণ্ডলীর পাক সংখ্যা বেশি থাকলে আউটপুট ভোল্টেজ ইনপুটের থেকে কম হয়। - এই কারণেই স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফরমারে মুখ্য কুণ্ডলীর পাক সংখ্যা গৌণ কুণ্ডলীর পাক সংখ্যার চেয়ে বেশি হয়।
- ডার্ক ম্যাটার (Dark Matter) হলো এক রহস্যময় পদার্থ যা মহাবিশ্বের মোট ভরের প্রায় ২৭%। - ডার্ক ম্যাটার তড়িৎচুম্বকীয় (electromagnetic) বলের সাথে কোনো মিথস্ক্রিয়া করে না। এর মানে হলো, এটি কোনো ধরনের উদ্দীপনামূলক চৌম্বক বিকিরণ (যেমন, আলো, রেডিও তরঙ্গ, এক্স-রে) তৈরি করে না বা সেগুলোর দ্বারা প্রভাবিতও হয় না। - ডার্ক ম্যাটার সাধারণ পদার্থের মতো আলো শোষণ, প্রতিফলন বা নির্গমন করে না। এ কারণেই একে 'ডার্ক' বা 'অন্ধকার' বলা হয়। আমরা একে সরাসরি দেখতে পাই না, বা কোনো প্রচলিত উপায়ে শনাক্ত করতে পারি না।
- গামা রশ্মি একটি উচ্চ-শক্তির ফোটন, যা পারমাণবিক কণার সাথে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ইন্টারঅ্যাকশনের মাধ্যমে ছেদন করে, যেখানে আলফা কণা একটি ভারী, চার্জযুক্ত কণা যা পারমাণবিক নিউক্লিয়াসের সাথে সংঘর্ষ করে। - আলফা কণার ছেদন ক্ষমতা সাধারণত গামা রশ্মির তুলনায় অনেক কম, কারণ আলফা কণার ভর বেশি এবং তারা পারমাণবিক নিউক্লিয়াসের সাথে শক্তিশালী পারস্পরিক ক্রিয়া করে, কিন্তু তাদের প্রভাব সীমিত থাকে ছোট দূরত্বে। - গামা রশ্মি, যেহেতু ফোটন, তাই তারা পারমাণবিক স্তরে অনেক বেশি ছেদন করতে পারে। - সাধারণত গামা রশ্মির ছেদন ক্ষমতা আলফা কণার তুলনায় প্রায় ১০০০০ গুণ বেশি হয়।
-যে নিউক্লিয় বিক্রিয়ায় দুটি ক্ষুদ্র নিউক্লিয়াস একত্রিত হয়ে অপেক্ষাকৃত বড় নিউক্লিয়াসযুক্ত ভিন্ন মৌল তৈরি করে তাকে নিউক্লিয় ফিউশন বা নিউক্লিয় সংযোজন বিক্রিয়া বলে।
- সূর্য ও অন্যান্য নক্ষত্রে শক্তির উৎস হচ্ছে নিউক্লিয় ফিউশন বিক্রিয়া।
- নিউক্লিয় ফিউশন নীতির উপর ভিত্তি করে হাইড্রোজেনের আইসোটোপ - ডিউটেরিয়াম, ট্রিটিয়াম ব্যবহার করে হাইড্রোজেন বোমা তৈরি করা হয়।
- আলবার্ট আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্ব (General Theory of Relativity) অনুযায়ী, মহাকর্ষ কোনো বল নয়, বরং এটি স্থান-কালের বক্রতা (Curvature of Spacetime) হিসেবে কাজ করে। - এই তত্ত্বটি নিউটনের মহাকর্ষ তত্ত্বের একটি উন্নত সংস্করণ, যা মহাকর্ষের প্রকৃতি আরও গভীরভাবে ব্যাখ্যা করে। - স্থান (Space) এবং সময় (Time) একত্রে একটি চার-মাত্রিক কাঠামো তৈরি করে, যাকে স্থান-কাল (Spacetime) বলা হয়। - কোনো ভারী বস্তু (যেমন সূর্য বা পৃথিবী) এই স্থান-কালের উপর প্রভাব ফেলে এবং এটি বাঁকিয়ে দেয়। - এই বাঁকানো স্থান-কালের মধ্যে দিয়ে অন্য বস্তু চলতে বাধ্য হয়। - এটি এমনভাবে কাজ করে যেন ভারী বস্তুটি অন্য বস্তুকে আকর্ষণ করছে।
রাবারের চাদরের উদাহরণ: - একটি টানটান রাবারের চাদরের উপর একটি ভারী বল রাখলে চাদরটি বেঁকে যায়। - যদি চাদরের উপর একটি ছোট বল রাখা হয়, তবে সেটি ভারী বলের দিকে গড়িয়ে যায়। - তেমনি, মহাকর্ষ হলো ভারী বস্তুর কারণে স্থান-কালের বক্রতা, যা অন্য বস্তুকে তার দিকে টেনে আনে।
ফোটন কণার শক্তি নির্ধারণ করা হয় প্ল্যাঙ্কের সূত্র অনুযায়ী, E = h ⋅ f
ফ্রিকোয়েন্সি এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্যের মধ্যে সম্পর্ক, f = c / λ
শক্তি ও তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সম্পর্ক, ফ্রিকোয়েন্সি f এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্য λ এর মধ্যে একটি বিপরীত সম্পর্ক রয়েছে। অর্থাৎ, f ∝ 1/λ ফলে, তরঙ্গদৈর্ঘ্য কমলে ফ্রিকোয়েন্সি বৃদ্ধি পায় এবং শক্তি E বৃদ্ধি পায়।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
- Cathode Ray Tube হতে মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর মৃদু রঞ্জন রশ্মি তৈরি হয়। - ইলেকট্রনসমূহ অতিউচ্চ বিভবে থাকার কারণে এ Cathode Ray Tube থেকে খুব সামান্য পরিমাণ এক্স-রে নির্গত হয়।
-গেজ বোসন হল এক ধরণের বোসন কণা যা মৌলিক বলের বাহক হিসেবে কাজ করে। • গেজ বোসন কণার স্পিন হলো 1। • এই কণাগুলো হলো- গণ্ডুওন (g), ফোটন (y) এবং w ও Z বোসন। • গণ্ডুওন: কণা হলো সবল নিউক্লিয় বলবাহী কণা। এর নিশ্চল ভর শূন্য। • ফোটন: এই কণা তাড়িতচৌম্বক বল বহন করে। এর নিশ্চল ভর শূন্য। • W ও Z বোসন : w+, w- এবং z° এই তিনটি বোসন কণা দুর্বল নিউক্লিয় বলের বাহক। এ কণাগুলোর ভর আছে।
• প্রথম স্বীকার্য - স্থির বা গতিশীল সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক সূত্রসমূহ অপরিবর্তিত থাকে । • দ্বিতীয় স্বীকার্য - শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের জন্য একই এবং তা আলোর উৎস বা পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল নয়।
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব দুটি মৌলিক স্বীকার্যের উপর প্রতিষ্ঠিত। - ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন এই দুটি স্বীকার্য প্রদান করেন।
- এক্স-রে এক ধরনের তাড়িত চৌম্বক বিকিরণ। এর সাহায্যে প্রাপ্ত ফটোগ্রাফ দ্বারা শরীরের কোনো ভাঙা হাড়, ক্ষত বা অবাঞ্ছিত বস্তুর উপস্থিতি বোঝা যায়। - ১৮৯৫ সালে জার্মান পদার্থ বিজ্ঞানী রন্টজেন এক্সরে আবিষ্কার করেন।
- কোয়ান্টাম ডট হল সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরি ক্ষুদ্র কণা, সাধারণত কয়েক নানোমিটারের ব্যাস। - এগুলির আকার এত ছোট যে ইলেকট্রন এবং হোলগুলি কণাটির মধ্যে আটকে পড়ে এবং কোয়ান্টাম অবস্থায় চলে যায়। - এই কোয়ান্টাম অবস্থাগুলি কোয়ান্টাম ডটগুলিকে তাদের অনন্য বৈশিষ্ট্যগুলি প্রদান করে, যেমন: -আকার নির্ভরশীল আলোক শোষণ এবং নির্গমন -উচ্চ শক্তি দক্ষতা -দীর্ঘ দীপ্তি।
-কোয়ান্টাম ডটের আবিষ্কার ও সংশ্লেষণের জন্য ২০২৩ সালে রসায়নে নোবেল পুরষ্কার অর্জন করেন- ১. অ্যালেক্সি ইয়াকিমভ(সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন) ২. মুঙ্গি বাওয়েন্ডি(ফ্রান্স) ৩. লুই ব্রুস(যুক্তরাষ্ট্র)
- Attosecond হল সময়ের একটি একক যা এক সেকেন্ডের এক বিলিয়ন ভাগের এক ভাগ। - এটি একটি অত্যন্ত ছোট সময়কাল, যা অনেকগুলি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়াগুলির সময়কালের সাথে তুলনীয়। - উদাহরণস্বরূপ, একটি পরমাণুতে একটি ইলেকট্রনের কক্ষপথের সম্পূর্ণ বিপ্লব ঘটে প্রায় 220 attoseconds সময়ের মধ্যে।
উল্লেখ্য, Attosecond নিয়ে গবেষণার জন্য ২০২৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার অর্জন করেন- ১. পিয়ের আগোস্তিনি(যুক্তরাষ্ট্র) ২. ফেরেন্স ক্রাউজ(হাঙ্গেরি) ৩. অ্যান লিয়ের(ফ্রান্স)।
- CERN(the European Organization for Nuclear Research) হল একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা কেন্দ্র যা সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত। - এটি বিশ্বের বৃহত্তম এবং সবচেয়ে শক্তিশালী কণা পদার্থবিদ্যা পরীক্ষাগার। - CERN-এর প্রধান কাজ হল বোসন কণাগুলির গবেষণা করা, যা মহাবিশ্বের গঠন এবং বিবর্তনকে বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। - CERN-এর গবেষণার ফলে 2012 সালে হ্যাড্রন সংঘর্ষক (LHC)-এ হিগস বোসন কণা আবিষ্কৃত হয়।
- হিগস বোসন বা ঈশ্বর কনার সর্বপ্রথম ধারণা দেন সত্যেন্দ্রনাথ বসু ১৯২৪ সালে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা ল্যাবে গবেষণা করার সময়। এই তত্ত্ব অনুসারে, বোসন কণাগুলি একই শক্তির স্তরে থাকতে পারে এবং একই স্থানে থাকতে পারে। - আইনস্টাইন এই তত্ত্বটিকে সমর্থন করেন এবং এটিকে আরও বিকাশ করেন। তিনি বোস-আইনস্টাইন পরিসংখ্যান ব্যবহার করে ফোটন কণাগুলির আচরণ ব্যাখ্যা করেন।
- বোসন কণার সাথে সত্যেন্দ্রনাথ বসু এবং আলবার্ট আইনস্টাইনের নাম জড়িত। - হিগস বোসন বা ঈশ্বর কনার সর্বপ্রথম ধারণা দেন সত্যেন্দ্রনাথ বসু ১৯২৪ সালে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা ল্যাবে গবেষণা করার সময়। এই তত্ত্ব অনুসারে, বোসন কণাগুলি একই শক্তির স্তরে থাকতে পারে এবং একই স্থানে থাকতে পারে। - আইনস্টাইন এই তত্ত্বটিকে সমর্থন করেন এবং এটিকে আরও বিকাশ করেন। তিনি বোস-আইনস্টাইন পরিসংখ্যান ব্যবহার করে ফোটন কণাগুলির আচরণ ব্যাখ্যা করেন।
-গ্রামোফোন বা কলের গান একটি রেকর্ডকৃত গান শোনার যন্ত্র। -এটি প্রকৃতপক্ষে ১৮৭৭ সালে টমাস আলভা এডিসন কর্তৃক আবিষ্কৃত ফনোগ্রাফ-যা একটি শব্দ পুনরুৎপাদন বা কার্যত পুনঃশ্রবণ যন্ত্র।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
-বিটা রশ্মি বা বিটা বিকিরণও (প্রতীক β) বলা হয়, একটি উচ্চ-শক্তি, উচ্চ-গতির ইলেকট্রন বা পজিট্রন যা বিটা ক্ষয় প্রক্রিয়া চলাকালীন সময়ে পারমাণবিক নিউক্লিয়াসের তেজস্ক্রিয় ক্ষয়ের মাধ্যমে নির্গত হয়।
-বিটা রশ্মির বেগকে থামিয়ে দেয়ার জন্য 0.3 cm পুরুত্বের অ্যালুমিনিয়াম পাতের প্রয়োজন হয়।
চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক্সরের অবদান নিচে বর্ণনা করা হল- ১. স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে ফাটল, ভেঙে যাওয়া হাড় ইত্যাদি এক্সরের সাহায্যে খুব সহজেই সনাক্ত করা যায়। ২. মুখমন্ডলীর যে কোনো ধরনের রোগ নির্ণয়ে এক্সরের ব্যবহার অনেক যেমন- দাঁতের গোড়ায় ঘা এবং ক্ষয় নির্ণয়ে এক্সরে ব্যবহৃত হয়। ৩. পেটের এক্সরের সাহায্যে অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা সনাক্ত করা যায়। ৪. এক্সরের সাহায্যে পিত্ত থলি ও কিডনির পাথরকে সনাক্ত করা যায়। ৫. বুকের এক্সরের সাহায্যে ফুসফুসের রোগ যেমন- যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, ফুসফুসের ক্যান্সার ইত্যাদি নির্ণয় করা যায়। ৬. চিকিৎসার কাজেও এক্সরে ব্যবহার করা যায়। এটি ক্যান্সার কোষকে মেরে ফেলতে পারে। রেডিওথেরাপি প্রয়োগ করে ক্যান্সারের চিকিৎসা করা যায়।
ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করতেন যে, পদার্থবিজ্ঞান সম্পর্কে যা জানা দরকার তার অধিকাংশই তারা জেনে ফেলেছেন। নিউটনের গতিসূত্র ও তাঁর বিশ্বজনীন মহাকর্ষ সূত্র, তড়িৎ বিজ্ঞান ও চৌম্বক বিজ্ঞানকে একত্রিত করে ম্যাক্সওয়েলের তাত্ত্বিক কাজ এবং তাপগতিবিদ্যার সূত্র এবং গতি তত্ত্ব অনেক বৈচিত্র্যময় প্রতিভাসের ব্যাখ্যায় সফলতা লাভ করেছে। বিংশ শতাব্দীর সূচনা লগ্নে দুটি তত্ত্ব পদার্থবিজ্ঞানের জগৎকে কাঁপিয়ে দেয়। এগুলো হলো ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক প্রদত্ত কোয়ান্টাম তত্ত্ব এবং ১৯০৫ সালে বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইন প্রদত্ত আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব। দুটি ধারণাই প্রকৃতি সম্পর্কে আমাদের উপলব্ধিতে সুগভীর প্রভাব ফেলেছে। কয়েক দশকের সাধনায় এই তত্ত্বগুলো পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞান, নিউক্লিয় পদার্থবিজ্ঞান এবং ঘনীভূত পদার্থের পদার্থবিজ্ঞানের উন্নয়ন, বিকাশ ও তত্ত্বকে প্রেরণা জোগায়।
আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা তাই ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্ল্যাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্বের আবিষ্কারের মাধ্যমে। এই তত্ত্বের সাহায্যে তিনি কালো বস্তুর বিকিরণের শক্তি কোয়ান্টায়নের কথা বলেন। আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের জগতে আরেকটি বিপ্লব আনেন অ্যালবার্ট আইনস্টাইন তাঁর আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব ও আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রবর্তনের মাধ্যমে।
আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা হলো কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞান, আপেক্ষিকতা তত্ত্ব, পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞান, নিউক্লিয় পদার্থবিজ্ঞান, পরিসাংখ্যিক (Statistical) বলবিজ্ঞান, কঠিনাবস্থার পদার্থবিজ্ঞান (Solid state physics) প্রভৃতি।
এক্সরে হলো এক ধরনের তাড়িত চৌম্বক বিকিরণ যা দ্রুতগতি সম্পন্ন ইলেকট্রন দ্বারা কোনো ধাতব পাতকে আঘাত করে উৎপন্ন করা যায়। এতে টাংস্টেন ধাতুর কুন্ডলী ব্যবহার করা হয়।
আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের উদ্ভব ঘটে ঊনবিংশ শতাব্দীতে। এই শতাব্দীতে, বিজ্ঞানীরা আলো, তাপ, তড়িৎ, চৌম্বক এবং মহাকর্ষের মতো প্রাকৃতিক ঘটনাগুলির ব্যাখ্যার জন্য নতুন তত্ত্বগুলি বিকাশ করেছিলেন। এই তত্ত্বগুলির ফলে পদার্থবিজ্ঞানের একটি নতুন যুগের সূচনা হয়েছিল, যা আজও অব্যাহত রয়েছে।
ঊনবিংশ শতাব্দীর আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের কিছু উল্লেখযোগ্য অবদানগুলির মধ্যে রয়েছে:
আইজাক নিউটনের মহাকর্ষের সূত্র: নিউটন তার মহাকর্ষের সূত্রগুলির মাধ্যমে মহাবিশ্বে বস্তুর আচরণকে ব্যাখ্যা করেছিলেন। এই সূত্রগুলি গত দুই শতাব্দীর বেশি সময় ধরে পদার্থবিজ্ঞানের অন্যতম মৌলিক তত্ত্ব ছিল।
মাইকেল ফ্যারাডে এবং জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েলের তড়িৎ এবং চৌম্বক ক্ষেত্রগুলির তত্ত্ব: ফ্যারাডে এবং ম্যাক্সওয়েল তড়িৎ এবং চৌম্বক ক্ষেত্রগুলির একটি একীভূত তত্ত্ব বিকাশ করেছিলেন। এই তত্ত্বটি তড়িৎচুম্বকত্বের নীতিগুলিকে ব্যাখ্যা করে এবং আজও পদার্থবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
আলবার্ট আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা তত্ত্ব: আইনস্টাইন তার আপেক্ষিকতা তত্ত্বগুলির মাধ্যমে মহাবিশ্বের একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করেছিলেন। এই তত্ত্বগুলি আমাদের মহাবিশ্বের সময় এবং স্থানের প্রকৃতি সম্পর্কে আমাদের বোঝার উপর গভীর প্রভাব ফেলেছে।
- নিকোলাস কোপার্নিকাস ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৪৭৩ সালে পোল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন। - তিনি মূলত একজন জ্যোর্তিবিজ্ঞানী ছিলেন। - তিনিই প্রথম ধারণা দেন যে, পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরে।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
- ১৯৩৮ সালে ওটো হান ও স্ট্রেসম্যান প্রমাণ করেন যে, নিউক্লিয়াস ফিশনযোগ্য। - ফিশনের ফলে একটি বড় ভর সংখ্যা বিশিষ্ট নিউক্লিয়াস ভেঙ্গে প্রায় সমান ভর বিশিষ্ট দুটি নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় এবং প্রচুর শক্তি উৎপাদিত হয়। - এই তত্ত্ব প্রয়োগ করে নিউক্লিয় বোমা ও নিউক্লিয় চুল্লীর উদ্ভাবন হয়।
চাকরি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পেতে নিয়মিত অনুশীলন ও লাইভ পরীক্ষার কোন বিকল্প নেই।
অনুশীলন প্রশ্ন ব্যাংক বিষয়ভিত্তিক, টপিক ও সাবটপিক আকারে সাজানো। ২০০৫ থেকে সব জব সলিউশন ও টপিকভিত্তিক জব সলিউশন বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ, রুটিন ভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, পিডিএফ লেকচার শীট।
২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।
▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন। ↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।
★ বর্তমান চলমান কোর্স
১) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক ২) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা নতুন ৩) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা নতুন ৪) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান ৫) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান ৬) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস ৭) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের) ৮) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ) ৯) স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন ১০) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী
➤ আপকামিং কোর্স ও রুটিন
✦ ১৯তম নিবন্ধন শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৬ষ্ঠ ব্যাচ)
◆ অগ্রদূত বাংলা বই অনুসারে বাংলা সাহিত্য ও ভাষা — রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে। ◆ English মাস্টার বই অনুসারে রুটিন — টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে। ◆ ১৯তম নিবন্ধন — ইতিহাস ও প্রাণীবিজ্ঞান (স্কুল ও কলেজ পর্যায় আলাদা রুটিনে পরীক্ষা হবে)।