পর্যায় সারণি (16 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ক্লোরিন গ্যাস একটি হ্যালোজেন মৌল। এটি অধিক তড়িৎ ঋণাত্মক মৌল। বুনসেন দ্বীপে এটি পীতাভ সবুজ বা সবুজাভ হলুদ বর্ণ দেখায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ফ্যারাডের প্রথম সূত্র মাইকেল ফ্যারাডে 1832 সালে তার পরীক্ষা দ্বারা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, তড়িৎ বিশ্লেষণের সময় যেকোন তড়িৎদ্বারে সংঘটিত রাসায়নিক পরিবর্তনের পরিমাণর অথবা কোন তড়িৎদ্বারে উৎপন্ন পদার্থের পরিমাণ তড়িৎ বিশ্লেষ্যের মধ্যদিয়ে প্রবাহিত মোট তড়িতের সমানুপাতিক। ফ্যারাডের দ্বিতীয় সূত্র গলিত বা দ্রবীভূত বিভিন্ন তড়িৎ বিশ্লেষ্যের মধ্য দিয়ে একই পরিমান তড়িৎ প্রবাহ বা একই পরিমান বিদ্যুৎ আধান সমান সময়ের জন্যে প্রবাহিত করলে তবে তড়িৎ দ্বারে জমাকৃত বা দ্রবীভূত পদার্থের ভর ওই পদার্থ সমূহের তড়িৎ রাসায়নিক তুল্যাংকের সমানুপাতিক হবে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
তড়িৎ কোষ ২ প্রকার,  যথাঃ
-তড়িৎ রাসায়নিক কোষ ও তড়িৎ বিশ্লেষ্য কোষ।

তড়িৎ রাসায়নিক কোষ আবার ২ প্রকার, যথাঃ
-এক প্রকোষ্টবিশিষ্ঠ তড়িৎ রাসায়নিক কোষ বা শুষ্ক কোষ বা ড্রাইসেল এবং দুই প্রকোষ্টবিশিষ্ঠ তড়িৎ রাসায়নিক কোষ বা গ্যালভানিক কোষ।

সাধারণ ড্রাইসেলে ইলেকট্রোড হিসেবে কার্বন দন্ড ও দস্তার কৌটা থাকে।এর কিছু বৈশিষ্ট্য-
-এতে তরল ইলেকট্রোডের পরিবর্তে পেষ্ট ব্যবহার করা হয়,
-এর পাত্রটি একটি ইলেকট্রোড নেগেটিভ হিসাবে কাজ করে,
-প্রয়োজনে ইলেকট্রোড ও পানি যোগ করে ব্যবহার করা যায় না। 
-ড্রাইসেল ব্যাটারির তড়িৎচালক বল  ১. ৫ ভোল্ট।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ড্রাইসেলের উপাদান হল অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড এর পেস্ট, কার্বন দন্ড, দস্তার তৈরি পাত্র , ম্যাঙ্গানিজ ডাই অক্সাইড , কয়লার গুড়া, পিতলের টুপি এবং শক্ত কাগজ। ড্রাইসেলের ইলেক্ট্রোড হিসেবে রয়েছে কার্বন দন্ড ও দস্তার কৌটা।

ফ্রিতে ২ লাখ প্রশ্নের টপিক, সাব-টপিক ভিত্তিক ও ১০০০+ জব শুলুশন্স বিস্তারিতে ব্যাখ্যাসহ পড়তে ও আপনার পড়ার ট্র্যাকিং রাখতে সাইটে লগইন করুন।

লগইন করুন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
-পর্যায় সারণীর ১৮তম শ্রেণীর মৌলগুলোকে নিষ্ক্রিয় গ্যাস বা নোবেল গ্যাস বলে।  
-নোবেল গ্যাস গুলো হল : হিলিয়াম, নিয়ন, আর্গন, ক্রিপ্টন , জেনন ইত্যাদি।
-ওজোন নোবেল গ্যাস নয়।ওজোন কড়া গন্ধযুক্ত হালকা নীল রঙের বিষাক্ত একটি গ্যাস। পৃথিবীপৃষ্ঠে ওজোন গ্যাসের কারণে শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন রোগ যেমন ব্রঙ্কাইটিস, এ্যাজমা ইত্যাদি হতে পারে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ভারী পানির রাসায়নিক নাম হলো ডিউটেরিয়াম অক্সাইড
- সাধারণ পানিতে হাইড্রোজেনের (H) দুটি পরমাণু এবং অক্সিজেনের (O) একটি পরমাণু থাকে, যার সংকেত H₂O।
- ভারী পানিতে সাধারণ হাইড্রোজেনের বদলে হাইড্রোজেনের একটি আইসোটোপ 'ডিউটেরিয়াম' (D) ব্যবহৃত হয়।
- হাইড্রোজেনের এই আইসোটোপে একটি প্রোটনের সাথে একটি নিউট্রন থাকে, যার ফলে এর ভর সাধারণ হাইড্রোজেনের চেয়ে বেশি হয় এবং একে 'D' দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- দুটি ডিউটেরিয়াম পরমাণু এবং একটি অক্সিজেন পরমাণু মিলে ভারী পানি গঠন করে, তাই এর সংকেত D₂O
- ১৯৩২ সালে মার্কিন বিজ্ঞানী হ্যারল্ড ইউরে ভারী পানি আবিষ্কার করেন।
- পারমাণবিক চুল্লিতে নিউক্লিয় বিক্রিয়ার গতি মন্থর করতে বা মডারেটর হিসেবে ভারী পানি ব্যবহার করা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
এপসম সল্ট হল এক ধরনের খনিজ লবণ, যা দেখতে যাধারণ লবণের মতো হলেও অনেক বেশি উপকারী। এপসম সল্ট বলা হলেও আসলে কিন্তু এটি লবণ নয়। এর বৈজ্ঞানিক নাম হল ম্যাগনেসিয়াম সালফেট। আর ম্যাগনেসিয়াম সালফেট আমাদের শরীরের জন্য ভালো।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- পর্যায় সারণির প্রথম মৌল হাইড্রোজেন (H)-ই হলো বিশ্বের সবচেয়ে হালকা গ্যাস
- এর পারমাণবিক সংখ্যা ১ এবং পারমাণবিক ভর মাত্র ১.০০৮, যা অন্য সব মৌলের চেয়ে কম।
- এটি বর্ণহীন, গন্ধহীন এবং স্বাদহীন একটি গ্যাস যা অত্যন্ত দাহ্য প্রকৃতির।
- হাইড্রোজেন এতই হালকা যে এটি পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি ভেদ করে বায়ুমণ্ডলের ওপরের দিকে উঠে যায়।
- অন্যদিকে, হিলিয়াম হলো দ্বিতীয় হালকা গ্যাস, তবে এটি হাইড্রোজেনের মতো দাহ্য নয় বরং নিষ্ক্রিয় গ্যাস।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0