সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

উদ্ভিদবিদ্যা

৩৬৮ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
উদ্ভিদের মূল দিয়ে শোষিত পানির অতিরিক্ত অংশ পাতার পত্ররন্ধ্রের মাধ্যমে বাষ্পাকারে বের হয়ে যাওয়াকে প্রস্বেদন বলে । অতিরিক্ত প্রস্বেদনের ফলে উদ্ভিদে পানিশূন্যতা তৈরি হয়ে উদ্ভিদ মারা যেতে পারে, আবার এটি বন্ধ থাকলে উদ্ভিদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই বিজ্ঞানী কার্টিস প্রস্বেদনকে 'Necessary evil' বা প্রয়োজনীয় অমঙ্গল বলেছেন।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও পুষ্টির জন্য সর্বমোট ১৭টি (বা লেকচার অনুযায়ী ১৬টি ) উপাদান অত্যাবশ্যকীয়। এগুলো দুই প্রকার:
- মুখ্য উপাদান (১০টি): C, H, O, N, P, K, Ca, Mg, S, Fe
- গৌণ উপাদান (৭টি): Mn, Cu, B, Zn, Mo, Cl, Ni
এগুলোর যেকোনো একটির অভাবে উদ্ভিদে অভাবজনিত লক্ষণ দেখা দেয়।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
- অভিস্রবণ (Osmosis) প্রক্রিয়ায় শুকনো কিশমিশ পানিতে ভিজিয়ে রাখলে ফুলে ওঠে।
- কিশমিশের ভেতরের শর্করা দ্রবণ ঘন এবং বাইরের পানি পাতলা বা লঘু দ্রবণ।
- অর্ধভেদ্য পর্দা ভেদ করে পানির অণু কম ঘন অঞ্চল থেকে বেশি ঘন কিশমিশের ভেতরে প্রবেশ করে (অন্তঃঅভিস্রবণ)।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
উদ্ভিদের অপরিহার্য বাষ্পমোচন বা প্রস্বেদন প্রক্রিয়াকে 'Necessary Evil' বা 'অতি প্রয়োজনীয় অমঙ্গল' হিসেবে অভিহিত করেছেন বিজ্ঞানী কার্টিস (Curtis)।

প্রস্বেদনকে 'Necessary Evil' বলার কারণ:
- প্রস্বেদনের ফলে জাইলেমবাহিকায় টান পড়ে, যার ফলে মূলরোম কর্তৃক শোষিত পানি ও খনিজ লবণ পাতায় পরিবাহিত হয়।
- এটি পাতার তাপমাত্রা সহনশীল পর্যায়ে রাখে।
- তবে, পানি শোষণের চেয়ে প্রস্বেদনে পানি হারানোর হার বেশি হলে উদ্ভিদের জন্য পানি এবং খনিজের মারাত্মক ঘাটতি দেখা দেয়, যা উদ্ভিদের জন্য ক্ষতিকর।
ব্যাখ্যা (Explanation)
আপনার আপলোড করা সোর্স ফাইলগুলোতে **সামুদ্রিক শৈবাল থেকে অ্যালজিন উৎপাদন এবং বাণিজ্যিক আইসক্রিমে মসৃণকারক (Stabilizer) হিসেবে এর ব্যবহার** সংক্রান্ত নির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে আপনার সোর্স ফাইলগুলোর **Lecture 9**-এ শৈবাল সম্পর্কিত সাধারণ পরিচিতি এবং ক্লোরেল্লা (Chlorella) ও স্পিরুলিনা (Spirulina)-র মতো শৈবালের অর্থনৈতিক ও পুষ্টিগত ব্যবহার নিয়ে আলোচনা রয়েছে। আপনি কি চান আমি ইন্টারনেট থেকে ওয়েব রিসার্চ করে এই প্রশ্নটির সঠিক ব্যাখ্যা ও অ্যালজিনের ব্যবহারের বিবরণ খুঁজে বের করি?
ব্যাখ্যা (Explanation)
মাশরুম চাষের জন্য প্রস্তুতকৃত প্যাকেটজাত বীজকে স্পন বলা হয়। এটি কাঠের গুঁড়া বা ধানে প্রস্তুতকৃত জীবন্ত মাইসেলিয়াম।
অপশনগুলোর পরিচয়:
- হাইফা: ছত্রাকের সূক্ষ্ম সুতার মতো তন্তু।
- মাইসেলিয়াম: হাইফা দ্বারা গঠিত ছত্রাকদেহ।
- স্পোর: ছত্রাকের প্রজনন অণুবীজ।

সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
কিসমিসের ভেতরে ঘন দ্রবণ থাকে এবং বাইরের পানি লঘু দ্রবণ। অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় বৈষম্যভেদ্য পর্দা ভেদ করে পানি কিসমিসের ভেতরে প্রবেশ করে। কোষের ভেতরে দ্রাবক প্রবেশের এই প্রক্রিয়াই হলো অন্তঃঅভিশ্রবণ। ফলে কিসমিস পানি শোষণ করে স্ফীত বা ফুলে ওঠে।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
উদ্ভিদের কাণ্ডের সাথে পাতা বা পত্রবৃন্ত যুক্ত হয়ে উপরিভাগে যে কোণ তৈরি করে, তাকে পত্রকক্ষ বলা হয়।
- এখান থেকে সাধারণত কক্ষমুকুল জন্মায়।
- পত্রমূল পাতার গোড়ার অংশ, পত্রবৃন্ত হলো বোঁটা এবং পর্বসন্ধি থেকে পাতা উৎপন্ন হয়।

সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
মাটির নিচে ভূমির সমান্তরালে বৃদ্ধি পাওয়া এবং সুস্পষ্ট পর্ব, পর্বমধ্য ও শল্কপত্রযুক্ত রূপান্তরিত কাণ্ডকে রাইজোম বলা হয়। যেমন- আদা ও হলুদ ।
অন্যান্য রূপান্তর:
- টিউবার: গোলআলু।
- বাল্ব: পেঁয়াজ, রসুন।
- কর্ন: ওলকচু।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- উদ্ভিদের বিভিন্ন জৈব অম্ল থাকে।
- এগুলো দুই ধরনের হতে পারে: নাইট্রোজেনযুক্ত এবং নাইট্রোজেনবিহীন।
- অ্যামাইনো অ্যাসিড, নিউক্লিক অ্যাসিড ও ইউরিক অ্যাসিড সবই নাইট্রোজেনযুক্ত।
- সাইট্রিক এসিড হলো একটি নাইট্রোজেনবিহীন জৈব অম্ল, যা মূলত ফল এবং উদ্ভিদে উপস্থিত থাকে। এটি উদ্ভিদের শক্তি উৎপাদন ও অন্যান্য বিপাকীয় প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে।
অতএব, নাইট্রোজেনবিহীন জৈব অম্ল হলো সাইট্রিক এসিড।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ছোলা একটি দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ।
- দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের বীজে দুটি বীজপত্র থাকে, যা অঙ্কুরোদ্গমের সময় চারাকে খাদ্য সরবরাহ করে।
- ধান, গম, এবং ভুট্টা হলো একবীজপত্রী উদ্ভিদ, কারণ এদের বীজে একটি মাত্র বীজপত্র থাকে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- যে সকল উদ্ভিদের বীজ ফলের ভেতরে ঢাকা থাকে, তাদের আবৃতবীজী উদ্ভিদ বলা হয়।
- আমের বীজ ফলের মাংসল অংশের ভেতরে আবৃত থাকে, তাই আম একটি আবৃতবীজী উদ্ভিদ।

অন্যদিকে,
- সাইকাস ও পাইনাস হলো নগ্নবীজী উদ্ভিদ, কারণ এদের বীজ অনাবৃত থাকে।
- মস অপুষ্পক উদ্ভিদ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
সঠিক উত্তর: প্রাথমিক উৎপাদক
- সপুষ্পক উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সূর্যের আলো ব্যবহার করে নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে।
- বাস্তুতন্ত্রে এরা উৎপাদক হিসেবে কাজ করে এবং খাদ্য শৃঙ্খলের ভিত্তি তৈরি করে।
- অন্যান্য প্রাণীরা এদের খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে বেঁচে থাকে। একারণে সপুষ্পক উদ্ভিদকে প্রাথমিক উৎপাদক বলা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- Funaria একটি মস জাতীয় (Moss) উদ্ভিদ, যা ব্রায়োফাইটা (Bryophyta) বিভাগভুক্ত।
- এ ধরনের উদ্ভিদের ফুল ও ফল হয় না, এবং এরা স্পোরের মাধ্যমে প্রজনন করে।
- Funaria সাধারণত স্যাঁতসেঁতে জায়গায় জন্মায়।

অন্য বিকল্পগুলো —
- Agaricus → একটি ছত্রাক (Fungus),
- Spirogyra → একটি শৈবাল (Algae),
- Pteris → একটি ফার্ন বা টেরিডোফাইট (Pteridophyte)।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাঁশ (Bamboo) পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল উদ্ভিদ হিসেবে পরিচিত। কিছু প্রজাতির বাঁশ দিনে প্রায় ৯১ সেন্টিমিটার (প্রায় ৩ ফুট) পর্যন্ত লম্বা হতে পারে।
- এটি একটি ঘাসজাতীয় (Gramineae) উদ্ভিদ, যা কাঠের মতো শক্ত হলেও আসলে ঘাসের পরিবারভুক্ত।
- দ্রুত বৃদ্ধি, দৃঢ়তা ও পরিবেশবান্ধব গুণের জন্য বাঁশকে “Green Gold” বা “সবুজ সোনা” বলা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- উদ্ভিদের পাতায় প্রকাশ-সংস্লেশন (Photosynthesis) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শর্করা (Sugar) তৈরি হয়।
- এই প্রক্রিয়ায় পাতা সূর্যালোক, কার্বন-ডাই-অক্সাইড ও পানি ব্যবহার করে গ্লুকোজ (শর্করা) উৎপন্ন করে এবং অক্সিজেন নির্গত করে।
- পাতার ক্লোরোফিল (Chlorophyll) নামক সবুজ রঞ্জক পদার্থই সূর্যালোক শোষণ করে এই প্রক্রিয়াকে সম্ভব করে তোলে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- সাইকাস (Cycas) উদ্ভিদকে ‘পাম ফার্ন’ (Palm Fern) বলা হয়, কারণ এর চেহারা দেখতে তালের মতো (Palm-like) হলেও এটি প্রকৃতপক্ষে একটি অপুষ্পক উদ্ভিদ (Gymnosperm)।
- এর পাতাগুলো ফার্নের পাতার মতো এবং গঠনগতভাবে প্রাচীন যুগের উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য বহন করে।
- তাই একে “পাম ফার্ন” নামে অভিহিত করা হয়।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- সাইকাস (Cycas) কে ‘লিভিং ফসিল’ বা জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়, কারণ এটি পৃথিবীর প্রাচীনতম উদ্ভিদগুলোর একটি, যা ডাইনোসরের যুগেও (মেসোজোয়িক যুগ) বিদ্যমান ছিল।
- এখনও এর গঠন ও বৈশিষ্ট্যে তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি।
- অর্থাৎ, এটি লুপ্তপ্রায় প্রাগৈতিহাসিক উদ্ভিদের জীবন্ত প্রতিনিধি হিসেবে টিকে আছে।
ব্যাখ্যা (Explanation)

- পাতা হলুদ হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে ক্লোরোসিস (Chlorosis) বলা হয়।
- এটি ঘটে যখন পাতায় ক্লোরোফিলের পরিমাণ কমে যায়, ফলে পাতা তার সবুজ রঙ হারিয়ে হলুদ বা ফ্যাকাশে হয়ে যায়।
- এর কারণ হতে পারে পুষ্টির ঘাটতি (যেমন নাইট্রোজেন, আয়রন, বা ম্যাগনেসিয়ামের অভাব), পানির অভাব, রোগ, বা পরিবেশগত চাপ।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- দীর্ঘ দিবা দৈর্ঘ্যের উদ্ভিদের ফুল ফোটার প্রক্রিয়া (photoperiodism) নির্ভর করে দিনের আলোর সময়কালের উপর। এই উদ্ভিদগুলি যখন দিনের আলোর সময়কাল তাদের প্রয়োজনীয় সীমার চেয়ে বেশি হয়, তখন তারা ফুল ফোটানো শুরু করে।

- এটি বিপরীত হলো স্বল্প দিবা দৈর্ঘ্যের উদ্ভিদ (Short-day plants, যেমন ধান, তুলা) এবং দিবা নিরপেক্ষ উদ্ভিদ (Day-neutral plants, যেমন টমেটো, শসা), যারা দিনের আলোর সময়কালের উপর নির্ভর করে না।
ব্যাখ্যা (Explanation)
ধানের অঙ্কুরোদগম সবচেয়ে মৃদগত হয়।

- ধান বীজ অঙ্কুরোদগমে অন্যান্য উদ্ভিদের তুলনায় সময় বেশি নেয়।
- ধানের বীজের বাইরের আবরণটি কঠিন হওয়ার কারণে ভিজে তার নরম হওয়ার জন্য অধিক সময়ের প্রয়োজন হয়।
- এটি অঙ্গ-প্রতঙ্গ থেকে শুরু করে পূর্ণ চারা গজানোর জন্য ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে হয়।
- অন্য উদ্ভিদ যেমন মটরশুঁটি, ছোলা ও সরিষার বীজ সাধারণত দ্রুত অঙ্কুরোদগম করে, কারণ তাদের বীজ তুলনামূলক নরম বা সহজে গজানো যায়।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রতিটি চোখ থেকে একটি নতুন স্বাধীন উদ্ভিদ জন্ম দেয় এমন উদ্ভিদটি হলো আলু। আলুর কাণ্ডে (আলুর গুটি বা চোখ) প্রতিটি চোখ থেকে একটি নতুন আলুর গুটি বা নতুন উদ্ভিদ জন্মগ্রহণ করতে পারে। পেঁয়াজ, আদা এবং রসুন প্রভৃতি উদ্ভিদ পরিবর্তিত কাণ্ড বা গোলে নতুন উদ্ভিদ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে আলুর মত চোখ থেকে স্বতন্ত্র নতুন উদ্ভিদের জন্ম দেওয়ার ক্ষমতা রাখে না।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- শৈবালের দেহকোষে প্রধান রঞ্জক পদার্থ হিসেবে ক্লোরোফিল থাকে।
- শৈবালগুলো মূলত সালোকসংশ্লেষণকারী (photosynthetic) জীব, যার কারণে তাদের কোষে ক্লোরোফিল থাকে যা আলোশোষণ করে খাদ্য তৈরি করতে সাহায্য করে।
- ক্লোরোফিল শৈবালের প্রধান সবুজ রঞ্জক এবং এটি উদ্ভিদের মতই শৈবালের কোষে পাওয়া যায়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান প্রয়োজন, যেগুলিকে অবশ্যিক পুষ্টি উপাদান (essential nutrients) বলা হয়।
- এই পুষ্টি উপাদানগুলোকে সাধারণত দু’ভাগে ভাগ করা হয়:
 ১) ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট (Macronutrients)
 ২) মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট (Micronutrients)

- ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট হল এমন পুষ্টি উপাদান যা উদ্ভিদ তুলনামূলকভাবে বেশি পরিমাণে গ্রহণ করে।
- এদের সংখ্যা হলো ১০টি, এবং এগুলো হলো:
১। নাইট্রোজেন (N)
২। ফসফরাস (P)
৩। পটাশিয়াম (K)
৪। ক্যালসিয়াম (Ca)
৫। ম্যাগনেসিয়াম (Mg)
৬। সালফার (S)
৭। কার্বন (C)
৮। হাইড্রোজেন (H)
৯। অক্সিজেন (O)
১০। ক্লোরিন (Cl) (কখনো কখনো ক্লোরিনকে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট ধরা হয়, তবে অনেক আধুনিক বইয়ে একে ম্যাক্রো হিসাবে ধরা হয়)

তবে মূল ছয়টি — N, P, K, Ca, Mg, S — কে অনেক সময় "primary এবং secondary macronutrients" হিসেবেও চিহ্নিত করা হয়।

তাই পরীক্ষায় নির্দিষ্টভাবে "ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্টের সংখ্যা" জানতে চাইলে সঠিক উত্তর ১০টি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ফসফরাস ক্লোরোফিল উৎপাদনে সাহায্য করে: ক্লোরোফিল হলো এক ধরণের রঞ্জক পদার্থ যা সূর্যালোকের শক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। ফসফরাসের অভাবে ক্লোরোফিলের উৎপাদন কমে যায়, ফলে পাতা বেগুনি রং ধারণ করে।
- ফসফরাস শিকড়ের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে: ফসফরাসের অভাবে শিকড়ের বৃদ্ধি কমে যায়, ফলে গাছ মাটি থেকে পর্যাপ্ত পুষ্টি শোষণ করতে পারে না।
- ফসফরাস প্রোটিন সংশ্লেষণে সাহায্য করে: ফসফরাসের অভাবে প্রোটিন সংশ্লেষণ কমে যায়, ফলে পাতার রঙ পরিবর্তিত হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ধান বায়ুপরাগী উদ্ভীদ।
- দিনের প্রথম ভাগে ধানের স্পাইকলেট উন্মুক্ত হয়।
- এ অবস্থায় পরাগরেণু গর্ভমুণ্ডের উপর ঝরে পড়ে এবং প্রকৃতিগতভাবেই পরাগায়ন ঘটে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ডিনাইট্রিফিকেশন হল একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কিছু নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়া (যেমন Pseudomonas এবং Clostridium) মাটিতে বা পানির মধ্যে নাইট্রেট (NO₃⁻) কে নাইট্রোজেন গ্যাস (N₂) এ রূপান্তরিত করে। এটি একটি অ্যানএ্যারোবিক প্রক্রিয়া (অক্সিজেনের অভাবে ঘটে), যেখানে ব্যাকটেরিয়া নাইট্রেটকে গ্রহন করে এবং এর মাধ্যমে নাইট্রোজেন গ্যাস মুক্ত করে।
- এটি নাইট্রোজেন চক্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, কারণ এটি মাটিতে জমে থাকা অতিরিক্ত নাইট্রোজেনকে মুক্ত করে এবং বাতাসে ফিরিয়ে আনে। এটি এমনভাবে ঘটে যে, পরিবেশে নাইট্রোজেনের ভারসাম্য রক্ষা হয়।
- নাইট্রোজেন ফিক্সেশন (A) বা নাইট্রাইট রিডাকশন (B) প্রক্রিয়াগুলিতে ব্যাকটেরিয়া বা অন্যান্য অণুজীব নাইট্রোজেন বা নাইট্রাইটকে অন্য আণবিক রূপে রূপান্তরিত করে, কিন্তু ডিনাইট্রিফিকেশন মূলত নাইট্রোজেন গ্যাসের রূপে নাইট্রোজেন ক্ষুদ্রায়ন ঘটায়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- অভিস্রবণ (Osmosis) হলো একটি ভৌত প্রক্রিয়া, যেখানে একই দ্রাবক বিশিষ্ট দুটি ভিন্ন ঘনত্বের দ্রবণ একটি অর্ধভেদ্য পর্দা দ্বারা পৃথক থাকলে দ্রাবক কম ঘনত্বের দ্রবণ থেকে বেশি ঘনত্বের দ্রবণের দিকে প্রবাহিত হয়।
- এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে যতক্ষণ না উভয় দ্রবণের ঘনত্ব সমান হয়।

অভিস্রবণ প্রধানত দুই প্রকার:

- অন্তঃঅভিস্রবণ (Endosmosis): যখন দ্রাবক কোষের বাইরে থেকে ভেতরে প্রবেশ করে। উদাহরণ: কিসমিস পানিতে ভিজিয়ে রাখলে ফুলে ওঠা।
- বহিঃঅভিস্রবণ (Exosmosis): যখন দ্রাবক কোষের ভেতর থেকে বাইরে চলে যায়। উদাহরণ: আঙ্গুর ঘন চিনির দ্রবণে রাখলে চুপসে যাওয়া।
বিসিএস প্রাইমারি
ব্যাখ্যা (Explanation)
- কোনো জীবের বৈজ্ঞানিক নাম দেওয়া সংক্রান্ত নীতিমালা তৈরি, ব্যাখ্যা ও প্রয়োগকে জীবের বৈজ্ঞানিক নামকরণ বলা হয়।
- দ্বিপদ নামকরণ: কোনো জীবের গণ (Genus) নামের শেষে একটি প্রজাতিক (Species) পদ যুক্ত করে দু'টি পদের (শব্দের) মাধ্যমে ICN বা ICZN এর নীতিমালা অনুসারে একটি নির্দিষ্ট প্রজাতির জন্যে একটি নির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক নাম প্রদান করাকে বলা হয় দ্বিপদ নামকরণ। 
- সুইডিশ বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস ১৭৫৩ সালে সর্বপ্রথম Plantarum বইতে বর্ণিত সকল উদ্ভিদ প্রজাতির জন্যে দ্বিপদ নাম প্রদান করেন।

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- ক্লোরোপ্লাস্ট হলো উদ্ভিদ কোষের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু, যেখানে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া সংঘটিত হয়।
- সালোকসংশ্লেষণ মূলত দুটি পর্যায়ে বিভক্ত: আলোক পর্যায় এবং অন্ধকার পর্যায়।

আলোক পর্যায়:
- এই পর্যায়ে সূর্যালোকের শক্তি ব্যবহার করে ATP এবং NADPH তৈরি হয়।
- এই প্রক্রিয়া ক্লোরোপ্লাস্টের থাইলাকয়েড মেমব্রেনে ঘটে।
- থাইলাকয়েড হলো ক্লোরোপ্লাস্টের ভেতরে থাকা থলে আকৃতির গঠন, যা একটির উপর আরেকটি স্তূপাকারে সাজানো থাকে। এই স্তূপকে গ্রানা বলা হয়।
- থাইলাকয়েড মেমব্রেনে ক্লোরোফিল এবং অন্যান্য ফটোসিন্থেটিক রঞ্জক পদার্থ থাকে, যা সূর্যালোক শোষণ করে।

অন্ধকার পর্যায় (ক্যালভিন চক্র):
- এই পর্যায় ক্লোরোপ্লাস্টের স্ট্রোমা অংশে ঘটে।
- এখানে আলোক পর্যায়ে উৎপন্ন ATP এবং NADPH ব্যবহার করে কার্বন ডাই-অক্সাইড থেকে গ্লুকোজ তৈরি হয়।
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।