পুতুলনাচের ইতিকথা বাঙালি সাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা তৃতীয় উপন্যাস । এটি ১৯৩৬ সালে এটি বই আকারে প্রকাশিত হয়। উপন্যাসটির কেন্দ্রীয় চরিত্র গ্রামের ডাক্তার শশী। ঈশ্বরের প্রতি তার বিশ্বাস নেই। গ্রামের পটভূমিতে শশী, শশীর পিতা, কুসুম-সহ অন্যান্য চরিত্রগুলোর মাঝে বিদ্যমান জটিল সামাজিক সম্পর্ক নিয়ে গড়ে উঠেছে এর কাহিনী ও প্রেক্ষাপট। ক্ষয়িষ্ণু সমাজের প্রেম, বিরহ, দ্বেষ ও পারস্পরিক সহমর্মিতা কে উপজীব্য করে লেখা এই উপন্যাস বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্পদ। পুতুলনাচের ইতিকথায় মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমাজতান্ত্রিক মানসিকতার পরিচয় মেলে।
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার, ‘মানিক’ তাঁর ডাকনাম।
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত গল্প ‘ছোট বকুলপুরের যাত্রী’, প্রাগৈতিহাসিক, পরিস্থিতি, মিহি ও মোটা কাহিনী, সরীসৃপ।
তাঁর রচিত বিখ্যাত উপন্যাসঃ পদ্মা নদীর মাঝি, জননী, চিহ্ন, পুতুল নাচের ইতিকথা, দিবারাত্রির কাব্য, শহরবাসের ইতিকথা ইত্যাদি।