মমতাজউদ্দীন আহমেদ ছিলেন প্রখ্যাত নাট্যকার, নির্দেশক, অভিনেতা ও ভাষাসৈনিক। স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের নাট্য আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ। মুক্তিযুদ্ধ নির্ভর নাটক রচনা করে বিশিষ্ট এই নাট্যকার জন্মগ্রহণ করেন – ১৮ জানুয়ারি, ১৯৩৫ সালে।
তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে রয়েছেঃ
– ‘এই সেই কণ্ঠস্বর’ (১৯৮৪),
- ‘হৃদয়ঘটিত ব্যাপার স্যাপার’ (১৯৭৭),
- ’স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা’ (১৯৭৬),
- ’কি চাহ শঙ্খ চিল’,
- ‘প্রেম বিবাহ সুটকেশ’,
- ’সাত ঘাটের কানাকটি’ (১৯৯১),
- ‘একই নাটক চার রকম’
- ‘হাস্যলাস্য ভাষা’,
- ‘নাট্যত্রয়ী’,
- ’ক্ষত বিক্ষত’,
- ‘রঙ্গপঞ্চাদশ’,
- ‘রাক্ষসী’ এবং
- ‘রাজ অনুস্বরের পালা’ প্রভৃতি।
তার রচিত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে ঃ
– ‘এক যে জোজো এক যে মধুমতী’,
- এবং ‘সজল তোমার ঠিকানা’ প্রভৃতি।
নব নাটকের মধ্যে রয়েছেঃ
– ‘জমীদার দর্পণ’,
- ‘রাক্ষুসী দুইবোন’,
- ’লাল সবুজের পালা’,
- ‘জোহরা’,
- ’বিরাজ বউ’ এবং
- ‘বিপরীত স্রোত’ প্রভৃতি।
তাঁর উল্লেখযোগ্য সম্পাদনার মধ্যে রয়েছেঃ
– ‘লালসালু ও সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ’,
- কপালকুন্ডলা’,
- ‘নীলদর্পণ’,
- ‘আলাওলের কাব্যের গদ্যরূপ’,
- ‘মধুসূদনের প্রহসন’,
- ’সিরাজউদ্দৌলা’ এবং
- ‘শাহনামা কাব্যের গদ্যরূপ’ প্রভৃতি।
উল্লেখ্য, তাঁর লেখা নাটক ‘কি চাহ শঙ্খ চিল’ এবং ’রাজা অনুস্বরের পালা’ পাঠ্যসূচিতে তালিকাভুক্ত হয়েছে – রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের।