শ্রীচৈতন্যদেবের বৈষ্ণবধর্ম প্রচারের পর বাংলা সাহিত্যের কোন শাখাটিতে রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমলীলা এবং পরমাত্মা-জীবাত্মার তত্ত্ব প্রধান বিষয় হিসেবে স্থান পায়?
সমাধান
সঠিক উত্তর: Option B
শ্রীচৈতন্যদেবের প্রেমধর্ম প্রচারের প্রভাবে ষোড়শ শতাব্দীতে বাংলা সাহিত্যে বৈষ্ণব সাহিত্য বা বৈষ্ণব পদাবলীর ব্যাপক বিকাশ ঘটে । এই সাহিত্যের মূল উপজীব্য হলো রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা ।
এখানে রূপক হিসেবে-
- কৃষ্ণ হলেন পরমাত্মা (ভগবান বা ঈশ্বর) ।
- রাধা হলেন জীবাত্মা (ভক্ত বা সৃষ্টি) ।
শ্রীচৈতন্যদেব প্রচারিত অচিন্ত্য ভেদাভেদ তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে বৈষ্ণব কবিগণ পরমাত্মা ও জীবাত্মার মিলন এবং গভীর ভক্তিভাবকে কবিতার মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলেন । তাই সঠিক উত্তর বৈষ্ণব সাহিত্য।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
এখানে রূপক হিসেবে-
- কৃষ্ণ হলেন পরমাত্মা (ভগবান বা ঈশ্বর) ।
- রাধা হলেন জীবাত্মা (ভক্ত বা সৃষ্টি) ।
শ্রীচৈতন্যদেব প্রচারিত অচিন্ত্য ভেদাভেদ তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে বৈষ্ণব কবিগণ পরমাত্মা ও জীবাত্মার মিলন এবং গভীর ভক্তিভাবকে কবিতার মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলেন । তাই সঠিক উত্তর বৈষ্ণব সাহিত্য।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ