উৎস ও ব্যবহারের প্রাথমিক বিভাজন অনুযায়ী পদ প্রধানত কত প্রকার?
সমাধান
সঠিক উত্তর: Option B
- উৎস ও ব্যবহারের প্রাথমিক বিভাজন অনুযায়ী পদ প্রধানত দুই প্রকার।
১. অব্যয় পদ
২. সব্যয় পদ
পদের অন্যান্য শ্রেণীবিভাগ:
- প্রশ্ন যদি হয় 'পদ মোট কত প্রকার?' তবে উত্তর হবে পাঁচ প্রকার।
যথা: ১. বিশেষ্য, ২. বিশেষণ, ৩. সর্বনাম, ৪. ক্রিয়া এবং ৫. অব্যয়।
(নোট: এনসিটিবি-র নতুন বাংলা ব্যাকরণ বইয়ে পদ বা শব্দশ্রেণিকে আট ভাগে ভাগ করা হলেও, প্রথাগত ও প্রাথমিক বিভাজনে এটি মূলত সব্যয় ও অব্যয়—এই দুই ভাগে বিভক্ত।)
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- তিন প্রকার, চার প্রকার বা পাঁচ প্রকার: পদের প্রাথমিক বিভাজন হিসেবে এগুলো সঠিক নয়। পাঁচ প্রকার হলো প্রথাগত ব্যাকরণে পদের মোট শ্রেণীবিভাগ।
১. অব্যয় পদ
২. সব্যয় পদ
পদের অন্যান্য শ্রেণীবিভাগ:
- প্রশ্ন যদি হয় 'পদ মোট কত প্রকার?' তবে উত্তর হবে পাঁচ প্রকার।
যথা: ১. বিশেষ্য, ২. বিশেষণ, ৩. সর্বনাম, ৪. ক্রিয়া এবং ৫. অব্যয়।
(নোট: এনসিটিবি-র নতুন বাংলা ব্যাকরণ বইয়ে পদ বা শব্দশ্রেণিকে আট ভাগে ভাগ করা হলেও, প্রথাগত ও প্রাথমিক বিভাজনে এটি মূলত সব্যয় ও অব্যয়—এই দুই ভাগে বিভক্ত।)
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- তিন প্রকার, চার প্রকার বা পাঁচ প্রকার: পদের প্রাথমিক বিভাজন হিসেবে এগুলো সঠিক নয়। পাঁচ প্রকার হলো প্রথাগত ব্যাকরণে পদের মোট শ্রেণীবিভাগ।