- যেখানে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। - এই সমাসে সাধারণত বিশেষণ (Adjective) পদটি পূর্বে বসে এবং বিশেষ্য (Noun) পদটি পরে বসে। - NCTB এবং বাংলা একাডেমি প্রণীত ব্যাকরণ অনুযায়ী, কর্মধারয় সমাসে পরপদের (দ্বিতীয় পদটির) অর্থই মুখ্য থাকে।
• উদাহরণ: - নীল যে আকাশ = নীলাকাশ (এখানে 'নীল' হলো বিশেষণ এবং 'আকাশ' হলো বিশেষ্য)। - মহান যে নবি = মহানবি (এখানে 'মহান' বিশেষণ এবং 'নবি' বিশেষ্য)। - কাঁচা অথচ মিঠা = কাঁচামিঠা (এখানে দুটিই বিশেষণ, যা কর্মধারয় সমাসের আরেকটি নিয়ম)।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা: - বহুব্রীহি সমাস: এই সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে, অন্য কোনো তৃতীয় অর্থ প্রধান হয়ে ওঠে। যেমন: বীণা পানিতে যার = বীণাপাণি (সরস্বতী দেবী)। এখানে বিশেষণ ও বিশেষ্যের মিলন হতে পারে, কিন্তু পরপদের অর্থ প্রধান থাকে না। - দ্বন্দ্ব সমাস: এই সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয়েরই অর্থ সমানভাবে প্রাধান্য পায়। এতে সাধারণত দুটি পদ ‘ও’, ‘এবং’, ‘আর’ দ্বারা যুক্ত থাকে। যেমন: মা ও বাবা = মা-বাবা। - তৎপুরুষ সমাস: এই সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে। এটি বিভক্তি নির্ভর সমাস, বিশেষণ-বিশেষ্যের সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে নয়। যেমন: বিপদকে আপন্ন = বিপদাপন্ন (২য়া তৎপুরুষ)।
অ্যাপ/ওয়েবসাইটে রুটিনভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা হচ্ছে।
পরীক্ষা-১৫৪
কোর্স নামঃ
৫১ তম বিসিএস প্রস্ততি - ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস।
টপিকসঃ
ইংরেজি সাহিত্য বিভিন্ন লেখকের স্বীকৃতি ও উপাধি, ইংরেজি বই অবলম্বনে কতিপয় বাংলা গ্রন্থ।