জসীমউদ্দীনকে ‘পল্লীকবি’ উপাধি দেওয়া হয় কোন প্রতিষ্ঠান থেকে?

A কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়

B এটি লোকমুখে প্রচলিত

C বাংলা একাডেমি

D ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

Solution

Correct Answer: Option B

জসীমউদ্দীনকে ‘পল্লীকবি’ উপাধিটি কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা সরকারি পর্যায় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদান করা হয়নি। তাঁর অধিকাংশ কবিতার মূল বিষয়বস্তু ছিল বাংলার পল্লী-জননীর রূপ, লোকজ ঐতিহ্য এবং গ্রামীণ মানুষের জীবনযাত্রা। তাঁর লেখনীতে পল্লী প্রকৃতির এমন জীবন্ত চিত্র ফুটে উঠেছে যা পাঠকের হৃদয়ে তাকে পল্লীর কবি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ১৯৩১ সালে তাঁর প্রথম কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ ‘নক্সী কাঁথার মাঠ’ প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই মূলত পাঠকসমাজ ও বোদ্ধামহলে তিনি ‘পল্লীকবি’ হিসেবে পরিচিতি ও খ্যাতি লাভ করেন। তাই সঠিক উত্তরটি হবে: এটি লোকমুখে প্রচলিত

- জসীমউদ্দীন ১৯০৩ সালের ১লা জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছাত্র থাকা অবস্থায় তাঁর রচিত ‘কবর’ কবিতাটি প্রবেশিকা বাংলা সংকলনে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- রবীন্দ্র-ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ১৯৬৯ সালে সম্মানসূচক ডি.লিট উপাধি লাভ করেন।
- ১৯৭৬ সালে তিনি একুশে পদকস্বাধীনতা দিবস পুরস্কারে (মরণোত্তর) ভূষিত হন।

জসীমউদ্দীন রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- রাখালী (১৯২৭),
- নক্সী কাঁথার মাঠ (১৯২৯),
- বালুচর (১৯৩০),
- ধানখেত (১৯৩৩),
- সোজন বাদিয়ার ঘাট (১৯৩৩),
- হাসু (১৯৩৮),
- রঙিলা নায়ের মাঝি (১৯৩৫),
- মা যে জননী কান্দে (১৯৬৩),
- সুচয়নী (১৯৬১),
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে (১৯৭২) ইত্যাদি।

জসীমউদ্দীন রচিত নাটক:
- বেদের মেয়ে (১৯৫১),
- মধুমালা (১৯৫১),
- পল্লীবধূ (১৯৫৬),
- গ্রামের মায়া (১৯৫৯),
- ওগো পুস্পধনু ইত্যাদি।

একই নামে অন্য লেখকের রচনা:
- ‘কবর’ নামে জসীমউদ্দীনের একটি বিখ্যাত কবিতা রয়েছে (রাখালী কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত)।
- ‘কবর’ নামে মুনীর চৌধুরীর একটি বিখ্যাত নাটক রয়েছে (ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক)।

Practice More Questions on Our App!

Download our app for free and access thousands of MCQ questions with detailed solutions