অধিকাংশ ফটোকপি মেশিন সত্যিই স্থির বৈদ্যুতিক পদ্ধতি (জেরোগ্রাফি বা xerography) ব্যবহার করে কাজ করে। সহজ ভাষায় কাজের ধাপগুলো এভাবেই বুঝবে:
প্রথমে মেশিনের ভিতরের ড্রাম বা বেলনটি একটি সমান উচ্চভোল্টেজ দিয়ে চার্জ করা হয়। এরপর কাগজের ওপর থাকা মূল ডকুমেন্টের ছবি লেন্স ও আলোর মাধ্যমে ওই চার্জ করা ড্রামের উপর পড়ানো হয়। যেখানে আলো পড়ে, সেখানে ড্রামের চার্জ হঠাৎ মিটে যায়; যেখানে আলো পড়ে না (অর্থাৎ লেখার কালো অংশ), সেখানে চার্জ থাকে — ফলে ড্রামের ওপর একটি অদৃশ্য ল্যাটেন্ট ইমেজ তৈরি হয়।
তারপর ড্রামের উপর টোনার — কালো পাউডার — ছিটিয়ে দেওয়া হয়; টোনার সেই চার্জ থাকা অংশে আটকে যায় এবং ল্যাটেন্ট ইমেজ দৃশ্যমান হয়। এরপর কাগজকে ড্রামের কাছে নিয়ে আসা হয়; কাগজটি উচ্চ চার্জযুক্ত রোলার দ্বারা টোনারকে আকর্ষণ করে, ফলে টোনার কাগজে স্থানান্তরিত হয়। শেষে কাগজটি গরম রোলারের মধ্যে দিয়ে পাঠিয়ে টোনারকে গলে কাগজে স্থায়ীভাবে চেপে দেয় (ফিউজিং)। আবার ড্রামটি পরিষ্কার করা হয় যাতে পরবর্তী কপির জন্য প্রস্তুত রয়ে যায়।
সংক্ষেপে: চার্জ করা → আলোকপ্রক্ষেপণ (ল্যাটেন্ট ইমেজ) → টোনার দিয়ে ডেভেলপ → কাগজে স্থানান্তর → গরম করে স্থায়ী করা → পরিষ্কার করা।
অ্যাপ/ওয়েবসাইটে রুটিনভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা হচ্ছে।
ব্যাচ-১/পরীক্ষা- ৭৬
কোর্স নামঃ
সাধারণ জ্ঞান ৭০ মার্ক বেসিক ভিউ বই থেকে
টপিকসঃ
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন, সংস্কৃতি ও গণমাধ্যম: এভারেস্ট জয়ীগণ, চলচ্চিত্র, বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশ, বিভিন্ন অঞ্চলের লোকসংগীত, বাউল শিল্পী, চিত্রশিল্পী, জাদুঘর, ভাস্কর্য, বাংলাদেশের খেলাধুলা ও গণমাধ্যম (পেইজ: ৯৩৮-৯৬২)