বিদ্যুৎ কোষ বিদ্যুৎ কোষ প্রধানত দুই প্রকার— - সাধারণ বিদ্যুৎ কোষ - শুষ্ক বিদ্যুৎ কোষ
শুষ্ক বিদ্যুৎ কোষ শুষ্ক বিদ্যুৎ কোষে দুটি প্রধান ইলেক্ট্রোড ব্যবহৃত হয়—
অ্যানোড (ঋণ মেরু): দস্তার খোল, যা ইলেকট্রন দান করে (অক্সিডেশন ঘটে)।
ক্যাথোড (ধন মেরু): কার্বন দন্ড, যার সাথে পিতলের টুপি লাগানো থাকে। - দস্তার চোঙের ভেতর নিশাদল (অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড), কয়লার গুড়া ও ম্যাঙ্গানিজ ডাই-অক্সাইডের মিশ্রণ সামান্য পানি দিয়ে লেই বা কাদার মতো করে ভরা হয়। এই মিশ্রণ ইলেক্ট্রোলাইট হিসেবে কাজ করে। - কার্বন দন্ডটি চোঙের ভেতরে এমনভাবে বসানো হয় যাতে তা দস্তার খোলকে স্পর্শ না করে। কার্বন দন্ডের চারপাশে গালা বা পিচ দিয়ে সিল করা থাকে।
কার্যপ্রণালী - দস্তার খোল (Zn) ধীরে ধীরে ক্ষয় হতে থাকে এবং ইলেকট্রন দান করে। - উৎপন্ন ইলেকট্রন বাইরের বর্তনী হয়ে কার্বন দন্ডে প্রবাহিত হয়। - কার্বন দন্ডের চারপাশের ম্যাঙ্গানিজ ডাই-অক্সাইড (MnO₂) ইলেকট্রন গ্রহণে সাহায্য করে।
ভোল্টেজ এই কোষ থেকে সাধারণত প্রায় ১.৫ ভোল্ট বিদ্যুৎ পাওয়া যায়।
অ্যাপ/ওয়েবসাইটে রুটিনভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা হচ্ছে।
ব্যাচ-১/পরীক্ষা- ৭৬
কোর্স নামঃ
সাধারণ জ্ঞান ৭০ মার্ক বেসিক ভিউ বই থেকে
টপিকসঃ
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন, সংস্কৃতি ও গণমাধ্যম: এভারেস্ট জয়ীগণ, চলচ্চিত্র, বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশ, বিভিন্ন অঞ্চলের লোকসংগীত, বাউল শিল্পী, চিত্রশিল্পী, জাদুঘর, ভাস্কর্য, বাংলাদেশের খেলাধুলা ও গণমাধ্যম (পেইজ: ৯৩৮-৯৬২)