তরল ও বায়বীয় পদার্থ (26 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সিএফসি (ক্লোরোফ্লোরো কার্বন) এর ট্রেড নাম ফ্রেয়ন। এয়ার কন্ডিশনার, রেফ্রিজারেটর, প্লাস্টিক কারখানা ইত্যাদি থেকে সিএফসি গ্যাস নির্গত হয়। এই গ্যাস পৃথিবীর ঊর্ধ্বাকাশে ওজোন স্তরকে ধ্বংস করে ফাটল সৃষ্টি করে। এর ফলে অতিবেগুনি রশ্মি ও মহাজাগতিক রশ্মি সরাসরি পৃথিবীতে এসে পড়ে এবং নানাবিধ জটিল রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটায়।
যেহেতু সিএফসি ওজোন স্তর ধ্বংসের জন্য দায়ী। এ কারণে সিএফসি'র পরিবর্তে ‘গ্যাজোলিয়াম' নামক মৌলিক পদার্থ ব্যবহার করে পরিবেশবান্ধব ফ্রিজ তৈরি করা হয়। বর্তমানে রেফ্রিজারেটরে পরিবেশবান্ধব R-134a (টেট্রাফ্লুরোইথেন), হাইড্রো ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (HCFC's ) অথবা হাইড্রো ফ্লোরোকার্বন (HFC's) ব্যবহৃত হয়।

অন্যদিকে, ১৯৮৭ সালে মন্ট্রিল প্রটোকলে সিএফসি গ্যাস উৎপাদন নিষিদ্ধ করা হয়। এ চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য বর্তমানে সিএফসি গ্যাসের উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যে সকল পদার্থকে অসম চৌম্বক ক্ষেত্রে স্থাপন। করলে পদার্থটি অপেক্ষাকৃত দুর্বলতর অঞ্চল হতে সবলতর অঞ্চলের দিকে দুর্বলভাবে গতিশীল হয় তাদের প্যারাচৌম্বক পদার্থ বলে। এই সকল পদার্থ শক্তিশালী চুম্বক দ্বারা ক্ষীণভাবে আকৃষ্ট হয়।
যেমন: অ্যালুমিনিয়াম, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, প্লাটিনাম, টিন ইত্যাদি কঠিন পদার্থ, কপার সালফেট, ফেরিক ক্লোরাইড প্রভৃতি যৌগ ও তাদের দ্রবণ এবং অক্সিজেন, বাতাস ইত্যাদি গ্যাসীয় পদার্থ প্যারাচৌম্বক পদার্থের উদাহরণ।

-প্যারাচৌম্বক পদার্থের ধর্মকে প্যারাচৌম্বকত্ব বলে।
-যে সকল পদার্থকে অসম চৌম্বক ক্ষেত্রে স্থাপন করলে পদার্থটি অপেক্ষাকৃত দুর্বলতর অঞ্চল হতে সবলতর অঞ্চলের দিকে তীবভাবে গতিশীল হয় তাকে ফেরোচৌম্বক পদার্থ বলে।
-ফেরোচৌম্বক চুম্বক দ্বারা প্রবলভাবে আকৃষ্ট হয়।
যেমন: লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইস্পাত প্রভৃতি ফেরোচৌম্বক পদার্থের উদাহরণ।

-যে সকল পদার্থকে অসম চৌম্বক ক্ষেত্রে স্থাপন করলে পদার্থটি অপেক্ষাকৃত সবলতর অঞ্চল হতে দুর্বলতর অঞ্চলের দিকে ক্ষীণভাবে গতিশীল হয় তাকে ডায়াচৌম্বক পদার্থ বলে।
-এ সকল পদার্থ শক্তিশালী চুম্বক দ্বারা ক্ষীণভাবে বিকর্ষিত হয়।
যেমন: তামা, রূপা, সোনা, বিসমাথ, পানি, পারদ ও হাইড্রোজেন ডায়াচৌম্বক পদার্থের উদাহরণ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রতিটি প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য অক্সিজেন প্রয়োজন। যেসব প্রাণী ফুলকার সাহায্যে শ্বাস গ্রহণ করে এবং পানিতে বসবাস করে, সেসব প্রাণীর ক্ষেত্রে দ্রবীভূত অক্সিজেনের গুরুত্ব অনেক। কারণ ফুলকার সাহায্যে বায়ু হতে অক্সিজেন গ্রহণ সম্ভব নয়। তবে পানিতে যে দ্রবীভূত অক্সিজেন থাকে সেটা ফুলকার সাহায্যে সহজেই গ্রহণ করা যায়। পানির উপরিভাগে বায়ু থেকে অক্সিজেন পানিতে দ্রবীভূত হয়।
যে অক্সিজেন পানিতে দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে তাকে দ্রবীভূত অক্সিজেন বলে। এটি দ্রবীভূত অবস্থায় পানির আন্তঃআনবিক স্থানে থাকে। পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ তাপমাত্রা ও চাপের ওপর নির্ভরশীল। সকল জলজ প্রাণীর জীবন ধারণের জন্য পানিতে দ্রবীভূত অবস্থায় অক্সিজেনের উপস্থিতি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। কিছু অক্সিজেন পানির সাথে মিশ্রিত অবস্থায় থাকে। জলজ উদ্ভিদ যখন সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সূর্যালোকের উপস্থিতিতে পানি ও কার্বন ডাই অক্সাইড থেকে খাদ্য (গ্লুকোজ) প্রস্তুত করে তখন বিক্রিয়ায় উৎপন্ন অক্সিজেন পানিতে দ্রবীভূত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আর্কিমিডিসের সূত্র অনুযায়ী, কোন তরলে নিমজ্জিত বস্তুর উপর উর্ধ্বমুখী বল (প্লাবন বল) সেই বস্তু দ্বারা অপসারিত তরলের ওজনের সমান হয়। এই সূত্রটি ভাসমান বস্তুর নীতি বোঝাতে সাহায্য করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
-সকল পদার্থই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণা দ্বারা গঠিত। এই কণাগুলো একে অপরকে আকর্ষণ করে যাকে আন্তঃকণা আকর্ষণ শক্তি বলা হয়।

-কঠিন পদার্থের কণাগুলোর মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল সবচেয়ে অনেক বেশি। এ কারণে কঠিন পদার্থের কণাগুলো খুব কাছাকাছি এবং নির্দিষ্ট অবস্থানে থাকে।তাই এখানে খাবার লবণের আন্তকণা আকর্ষণ বল সবচেয়ে বেশি হবে ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
-আর্কিমিডিসের নীতিঃ
বস্তুকে কোন তরল বা বায়বীয় পদার্থে আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে ডুবালে বস্তুটির ওজন কম মনে হয়। বস্তুটির উপর ক্রিয়াশীল উর্ধ্বচাপজনিত বল বস্তুর ওজনের বিপরীত দিকে ক্রিয়া করে, একে প্লবতা বলে। তাই, কোন কঠিন পদার্থকে তরল বা বায়বীয় পদার্থে ডুবালে ওজন কম মনে হয় যার মূল কারণ প্লবতা। এই হারানো ওজন বস্তু দ্বারা অপসারিত তরল বা বায়বীয় পদার্থের ওজনের সমান।

-আর্কিমিডিসের নীতি তরল ও বায়বীয় পদার্থের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আর্কিমিডিসের নীতির উপর ভিত্তি করে জাহাজ পানিতে ভাসার কারণ, একখণ্ড লোহা পানিতে ডুবে যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ৪° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সর্বাধিক হয়।
- পানির অণুগুলোর মধ্যে হাইড্রোজেন বন্ধনের কারণে ৪° সেলসিয়াসে অণুগুলো সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে থাকে, ফলে ঘনত্ব সর্বাধিক হয়।
- ৪° সেলসিয়াসের নিচে তাপমাত্রা কমলে পানির অণুগুলো বরফের মতো কাঠামো তৈরি করতে শুরু করে, যা ঘনত্ব কমিয়ে দেয়। আবার, ৪° সেলসিয়াসের উপরে তাপমাত্রা বাড়লে অণুগুলোর মধ্যে দূরত্ব বাড়ে, ফলে ঘনত্ব কমে যায়।
- ৪° সেলসিয়াসে পানির ঘনত্ব প্রায় ১ গ্রাম/সিসি বা ১০০০ কেজি/ঘনমিটার হয়। এই তাপমাত্রায় পানির ভর এবং আয়তনের অনুপাত সর্বোচ্চ থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

ফ্রিতে ২ লাখ প্রশ্নের টপিক, সাব-টপিক ভিত্তিক ও ১০০০+ জব শুলুশন্স বিস্তারিতে ব্যাখ্যাসহ পড়তে ও আপনার পড়ার ট্র্যাকিং রাখতে সাইটে লগইন করুন।

লগইন করুন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- পানিকে বরফে পরিণত করলে আয়তনে বাড়ে এবং বরফকে পানিতে পরিনত করলে আয়তন কমে। এটা পানির একটি ব্যতিক্রম চরিত্র

- পদার্থকে তরল থেকে কঠিনে পরিণত করলে আয়তন কমে। কিন্তু পানির ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। পানিকে বরফে পরিণত করলে আয়তন বাড়ে। এজন্য শীত প্রধান দেশে পানির পাইপ ফেটে যায় যখন পানি বরফে পরিণত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

ফ্রিতে ২ লাখ প্রশ্নের টপিক, সাব-টপিক ভিত্তিক ও ১০০০+ জব শুলুশন্স বিস্তারিতে ব্যাখ্যাসহ পড়তে ও আপনার পড়ার ট্র্যাকিং রাখতে সাইটে লগইন করুন।

লগইন করুন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- হাইড্রোজেন বা উদজান সবচেয়ে হালকা মৌলিক পদার্থ।
- এটি পর্যায় সারণীর প্রথম উপাদান মৌল।
- এর পারমাণবিক সংখ্যা ১ ও প্রতীক H।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- পৃষ্ঠটান হচ্ছে তরল পদার্থের স্থিতি স্থাপক প্রবণতা, যা তরলকে সম্ভাব্য সর্বনিম্ন ক্ষেত্রফল প্রদান করে।
- পানির একটি ছোট ফোঁটা পানির পৃষ্ঠটান গুনের জন্য গোলাকৃতির হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

একটা রাসায়নিক পদার্থ থাকে যেটা এই গোটা ব্যবস্থা মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হতে থাকে। এটাকে রেফ্রিজারেন্ট বলে। এই রাসায়নিক পদার্থ হিসেবে ইউজ করা হয় ক্লোরোফ্লুরোকার্বন বা ফ্রেয়ন বা টেট্রাফ্লুরোইথেন, হাইড্রোক্লোরোফ্লুরোকার্বন অথবা হাইড্রোফ্লুরোকার্বন।
✿ রেফ্রিজারেটরে ব্যবহৃত তরলের নাম ফ্রেয়ন ও অ্যামোনিয়া।
✿ রেফ্রিজারেটরে কম্প্রেসারের কাজ ফ্রেয়নকে সংকুচিত করে এর তাপ ও তাপমাত্রা বাড়ানো।
✿ রেফ্রিজারেটরে কনেডেনসারের কাজ ফ্রেয়নকে ঘনীভূত করা।
✿ রেফ্রিজারেটরে ইভাপোরেটরের কাজ ফ্রেয়নকে বাস্পীভূত করা।

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সাধারণত পানিকে বরফে পরিণত করলে এর আয়তন বেড়ে যায় কারণ পানি অপেক্ষা বরফের হাইড্রোজেন বন্ধন দৈর্ঘ্য বরাবর কিছুটা বৃদ্ধি পায়। ফলে এদের মধ্যবর্তী ফাকাস্থান বেশি হয়। যেকারণে সমায়তন পানিকে বরফে পরিণত করলে আয়তন বাড়ে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

ডিজেল বা গ্যাস অয়েলের কার্বন শিকলের দৈর্ঘ্য C13 থেকে C18 পর্যন্ত ।  ডিজেলকে পোড়ালে সালফার ডাই-অক্সাইড তৈরি হয় । অন্যদিকে পেট্রোল,অকটেন ও   সিএনজিকে জ্বালানি রূপে পোড়ালে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস তৈরি হয় । এদের কার্বন শিকলের   দৈর্ঘ্য হলো, পেট্রোল = Cথেকে C12' অকটেন = Cএবং সিএনজি (Compressed Natural Gases) = C1'  যা ডিজেলের তুলনায় ছোট শিকল । 

সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0