জৈব যৌগের উদাহরণ: - গ্লুকোজ: আমাদের শরীরের শক্তির মূল উৎস। - প্রোটিন: শরীর গঠন ও কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয়। - চর্বি: শরীরে শক্তি সঞ্চয় করে। - ভিটামিন: শরীরের বিভিন্ন কাজে সাহায্য করে। - প্লাস্টিক: বিভিন্ন জিনিস তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।
অজৈব যৌগের উদাহরণ: - সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl): সাধারণ লবণ - পানি (H₂O): একটি মৌলিক দ্রাবক - কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂): বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত গ্যাস - সালফিউরিক অ্যাসিড (H₂SO₄): একটি শক্তিশালী অ্যাসিড - ক্যালসিয়াম কার্বোনেট (CaCO₃): চুনাপাথরের মূল উপাদান - আয়রন অক্সাইড (Fe₂O₃): জং
কীভাবে কাজ করে: ১. কার্বন-১৪ এর সৃষ্টি: মহাকাশীয় রশ্মি বাতাসের নাইট্রোজেন পরমাণুর সাথে মিশে কার্বন-১৪ তৈরি করে। উদ্ভিদ ও প্রাণী এই কার্বন-১৪ শুষে নেয়।
২. কার্বন-১৪ এর ক্ষয়: কার্বন-১৪ ধীরে ধীরে ক্ষয় হয়ে নাইট্রোজেন-১৪ এ পরিণত হয়। এর অর্ধ-জীবন ৫৭৩০ বছর। অর্থাৎ, প্রতি ৫৭৩০ বছরে একটি নমুনার কার্বন-১৪ এর অর্ধেক ক্ষয় হয়।
৩. বয়স নিরূপণ: নমুনায় অবশিষ্ট কার্বন-১৪ মাপলে এবং মূল পরিমাণের সাথে তুলনা করে বয়স নির্ণয় করা হয়।
সীমাবদ্ধতা: কার্বন-১৪ ক্ষয় হওয়ায় বয়স নির্ণয়ের সঠিকতা কমে। ৫০,০০০ বছরের বেশি পুরনো জিনিসপত্রের ক্ষেত্রে কার্বন-১৪ খুব কম থাকে, ফলে বয়স নির্ণয় কঠিন হয়।
- বাস্তুতন্ত্রের জৈব উপাদান হলো - ইউরিয়া। - ইউরিয়া প্রাণীদের প্রস্রাবে থাকা একটি জৈব যৌগ। এটি উদ্ভিদের জন্য নাইট্রোজেনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস।
জৈব যৌগ: - কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন বলা হয় এবং এই হাইড্রোকার্বন ও এদের জাতসমূহকে বলা হয় জৈব যৌগ। যেমন- • মিথেন, • ইথেন, • বেনজিন, • ইউরিয়া, • প্রোপিন, • পেন্টাইন ইত্যাদি। - জৈব যৌগের বিক্রিয়া হতে সাধারণত অনেক বেশি সময় লাগে। - জৈব যৌগসমূহ সাধারণত সমযোজী বন্ধনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
অজৈব যৌগ: - যেকোনো দুই বা ততোধিক মৌলের সমন্বয়ে অজৈব যৌগ গঠিত হয়। যেমন- • পানি, • খাবার লবণ, • খাবার সোডা, • কাপড় কাচার সোডা, • কস্টিক সোডা, • চুন, • মরিচা ইত্যাদি।
হাইড্রোকার্বন: - হাইড্রোকার্বন হলো শুধু কার্বন ও হাইড্রোজেন এর সমন্বয়ে গঠিত যৌগ। যেমন - মিথেন (CH4), ইথিন (C2H4), বেনজিন (C6H6) ইত্যাদি। - যৌগগুলোতে কার্বন আর হাইড্রোজেন ছাড়া আর কোনো মৌল নেই। - হাইড্রোকার্বন মূলত দুই প্রকার। যথা - (i) অ্যালিফেটিক হাইড্রোকার্বন ও (ii) অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বন।
- কেরোসিন, প্রাকৃতিক গ্যাস, মোম এগুলোর মূল উপাদান হাইড্রোকার্বন। - হাইড্রোকার্বন হচ্ছে কার্বন আর হাইড্রোজেনের যৌগ। - তাই যখন এগুলোর দহন ঘটে তখন বাতাসের অক্সিজেনের সাথে এগুলোর বিক্রিয়া হয় এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড, জলীয় বাষ্প, আলো আর তাপশক্তির সৃষ্টি হয়।
- সাধারণত, একজন প্রাপ্তবয়স্কের চোখের একটি পলক ফেলতে প্রায় .১ সেকেন্ড থেকে .৪ সেকেন্ড সময় লাগে। চোখের পলক ফেলার সময়টি বিভিন্ন কারণে পরিবর্তিত হতে পারে, যেমন:
বয়স: শিশুদের চোখের পলক ফেলার হার প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় বেশি। তাই শিশুদের চোখের একটি পলক ফেলতে সর্বোচ্চ 0.3 সেকেন্ড সময় লাগতে পারে। মানসিক অবস্থা: উদ্বিগ্ন বা চাপের মধ্যে থাকা লোকেদের চোখের পলক ফেলার হার কম হতে পারে। তাই এই ধরনের লোকদের চোখের একটি পলক ফেলতে সর্বোচ্চ 0.4 সেকেন্ড সময় লাগতে পারে। ঔষধ: কিছু ওষুধ চোখের পলক ফেলার হারকে প্রভাবিত করতে পারে। তাই এই ধরনের ওষুধ সেবনে থাকা লোকদের চোখের একটি পলক ফেলতে সর্বোচ্চ 0.4 সেকেন্ড সময় লাগতে পারে।
- গভীর যুক্তিনির্ভর চিন্তাভাবনা এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর আধুনিক মানুষের ধারণা হয়েছে যে জীব সৃষ্টির মূলেই রয়েছে বিবর্তন। - ল্যাটিন শব্দ ‘Evolveri' থেকে বিবর্তন শব্দটি এসেছে। - ইংরেজ দার্শনিক ও শিক্ষাবিদ হার্বার্ট স্পেনসার (Herbert Spencer) প্রথম ইভোলিউশন কথাটি ব্যবহার করেন।
স্নায়ু টিস্যু অতি ক্ষুদ্র অর্গানিজম রূপে প্রায় ৫৫০-৬০০ মিলিওন বছর পূর্বে আবির্ভুত হয়। অধিকাংশ প্রাণির স্নায়ু তন্ত্রের প্রধান দুটি অংশ আছে -কেন্দ্রীয় স্নায়ু তন্ত্র ও প্রান্তীয় স্নায়ু তন্ত্র। কেন্দ্রীয় স্নায়ু তন্ত্র ,মস্তিষ্ক এবং সুষুম্নাকাণ্ড নিয়ে গঠিত।স্নায়ুতন্ত্রের গঠনমূলক ও কার্যকরী একককে নিউরন বা স্নায়ুকোষ বলে।
- তারপিনকে টারপিনও বলে। তারপিনের ইংরেজি Turpentine. - পাইনগাছের বীজের নির্যাস দিয়ে তারপিন তৈরি করা হয়। - পাইন জাতীয় অন্যান্য গাছের রস জ্বাল দিয়েও এটি তৈরি করা যায়। - পেইন্ট পাতলা একটি দ্রাবক যা তারপিন তেল ভিত্তিক পেইন্টগুলি পাতলা করতে ব্যবহৃত হয় এবং তাদের ব্যবহারের পরে পরিষ্কার করা হয়।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
ইউরিয়া (Urea) বা কার্ব্যামাইড (Carbamide) একটি জৈব যৌগ যার রাসায়নিক সংকেত (NH2)2CO। ইউরিয়ার অণুতে দুইটি অ্যামাইন (-NH2) অবশেষ একটি কার্বনিল (-CO-) ফাংশনাল গ্রুপ দ্বারা সংযুক্ত হয়েছে।
আয়োডিন পাওয়া যায় সামুদ্রিক মাছ, লবণ ও শুটকিতে। সামুদ্রিক শৈবালেও আয়োডিন পাওয়া যায়। হ্যালোজেন হলো সামুদ্রিক লবণ উৎপাদক। হ্যালোজেন বলতে ফ্লোরিন, ক্লোরিন, ব্রোমিন ও আয়োডিন এই ৪ টি মৌলকেই বুঝায়। তাই আয়োডিনের প্রধান উৎস সামুদ্রিক শৈবাল।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
- ফলের মিষ্টি গন্ধের জন্য এস্টার নামক জৈব যৌগ দায়ী। - এস্টার হল এক ধরনের রাসায়নিক যৌগ যা কার্বক্সিলিক অ্যাসিড এবং অ্যালকোহলের মধ্যে প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হয়। - বিভিন্ন ফলে বিভিন্ন ধরনের এস্টার থাকে, যা ফলগুলোকে তাদের স্বতন্ত্র গন্ধ প্রদান করে। যেমন: পাকা কলায় অ্যামাইল অ্যাসিটেট নামক এস্টার থাকে, যা কলার মিষ্টি গন্ধের জন্য দায়ী। - ইথার এবং অ্যালকোহলও জৈব যৌগ, তবে তারা ফলের মিষ্টি গন্ধের জন্য দায়ী নয়।
চাকরি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পেতে নিয়মিত অনুশীলন ও লাইভ পরীক্ষার কোন বিকল্প নেই।
অনুশীলন প্রশ্ন ব্যাংক বিষয়ভিত্তিক, টপিক ও সাবটপিক আকারে সাজানো। ২০০৫ থেকে সব জব সলিউশন ও টপিকভিত্তিক জব সলিউশন বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ, রুটিন ভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, পিডিএফ লেকচার শীট।
২০০৫-২০২৬ সাল পর্যন্ত টপিক ও সাবটপিক আকারে জব শুলুশন্স প্রশ্ন যোগ করা হয়েছে, ১২তম-২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লে হবে, সব প্রশ্ন ইউনিক সর্বমোট ২৫ হাজার হবে। প্রশ্ন ব্যাংক -> অনুশীলন -> এরপর উপরের ডানে একটা হলুদ বাটন ক্লিক করে job solutions ফিল্টার করে নিবেন। প্রতি সপ্তাহের নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাবটপিক আকারে যোগ করা হয়।
✅ প্রধান শিক্ষক প্রস্তুতি - লেকচারশীট ভিত্তিকঃ রুটিন আপলোড করা হয়েছে। (২য় ব্যাচ) পরীক্ষা শুরুঃ ৫ ফেব্রুয়ারি। মোট পরীক্ষা – ৮০টি। টপিক ভিত্তিক – ৪০টি। সাবজেক্ট ভিত্তিক – ২০টি। ফুল মডেল টেস্ট – ২৮টি। প্রতিদিন পরীক্ষা ও প্রতি ৩ দিন পরপর ফুল ও বিষয়ভিত্তিক মডেল টেস্ট। সব প্রশ্ন সাজেশন্স ভিত্তিক।
✅ ৫১ তম বিসিএস প্রস্ততি - ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস। ✪ পরীক্ষা শুরুঃ ১০ ফেব্রুয়ারি। ✪ মোট পরীক্ষাঃ ১৬২টি ✪ ডেইলি পরীক্ষাঃ ১০০টি ✪ প্রতি ২টি ডেইলি পরীক্ষার পর ১টি করে রিভিশনের মোট পরীক্ষাঃ ৫০টি ✪ পাক্ষিক রিভিশনঃ ১১টি ✪ প্রতি পরীক্ষায় ৫০টি Exclusive MCQ
✅ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (রুটিনের জন্য পিডিএফ বাটন দেখুন) - পরীক্ষা শুরুঃ ১০ নভেম্বর। - মোট পরীক্ষাঃ ১২৮টি, - টপিক ভিত্তিকঃ ১১২টি, - রিভিশন পরীক্ষাঃ ২২টি, - Vocabulary রিভিশনঃ ৩বার
অ্যাপ এর হোম screen -এ পিডিএফ বাটন ক্লিক করুন, এখান থেকে রুটিন ডাউনলোড করতে পারবেন। রুটিনের তারিখ অনুযায়ী পরীক্ষা রাত ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যেকোন সময় দিতে পারবেন, ফলাফল সাথে সাথে বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ দেওয়া হয়। missed পরীক্ষাগুলো আর্কাইভ থেকে দিতে পারবেন, তবে মেরিট লিস্ট আসবে না, মেরিট লিস্টে থাকতে হলে রুটিন অনুযায়ী নির্দিষ্ট তারিখে দিতে হবে। আর্কাইভ থেকে পরীক্ষা দিতে হলে ভিজিট করুনঃ অ্যাপ এর হোম স্ক্রীনে 'পরীক্ষার সেকশন' বাটনে ক্লিক করুন -> বিসিএস বাটন -> [ফ্রি কোর্স] ৫০তম বিসিএস প্রিলি ২২০ দিনের সেকশনের All Exam বাটন ক্লিক করুন -> এখান Upcoming, Expired ট্যাব পাবেন।
✅ আপকামিং রুটিনঃ - ১০০ দিনের বিসিএস বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি। - অগ্রদূত বাংলা বই অনুসারে বাংলা সাহিত্য ও ভাষা রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।। - English মাস্টার বই অনুসারে রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।