ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড (ট্রেইনি ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট) - ০৭.০২.২০২৬ (100 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হযরত ওমর (রা.) ছিলেন ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা এবং তাকে সর্বপ্রথম জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্রের প্রবর্তক মনে করা হয়। তিনি বাইতুল মাল থেকে শিশু ও গর্ভবতী মায়েদের জন্য ভাতার ব্যবস্থা করেছিলেন।
তাঁর কিছু যুগান্তকারী পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে:
• হিজরি সনের প্রবর্তন
• ডাক বিভাগ প্রতিষ্ঠা
• আদমশুমারি বা লোকগণনা চালু
• শিশুদের জন্য দুধপানের ভাতা নির্ধারণ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হযরত আবু বকর (রা.) ছিলেন ইসলামের প্রথম খলিফা। মহানবী (সা.)-এর ওফাতের পর আরবের বিভিন্ন স্থানে ভন্ড নবীদের অবির্ভাব ঘটে এবং অনেকে যাকাত দিতে অস্বীকার করে।
এই সংকটময় মুহূর্তে তিনি দৃঢ় পদক্ষেপ নেন এবং রিদ্দার যুদ্ধ বা ধর্মত্যাগীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন। তিনি মুসায়লামা আল-কাযযাবসহ অন্যান্য ভন্ড নবীদের কঠোর হস্তে দমন করে ইসলামি রাষ্ট্রের ঐক্য ও সংহতি রক্ষা করেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইসলামি ইতিহাসে মহররম মাস অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এটিকে ‘আল্লাহর মাস’ বলা হয়।
এই মাসে সংঘটিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা:
• পৃথিবী সৃষ্টি ও কিয়ামত সংঘটিত হওয়ার সময়।
• হযরত আদম (আ.)-এর তওবা কবুল।
• হযরত নূহ (আ.)-এর কিস্তি প্লাবন থেকে মুক্তি।
• হযরত মূসা (আ.) ও বনী ইসরাঈলের ফেরাউনের কবল থেকে মুক্তি।
কারবালার প্রান্তরে ইমাম হোসাইন (রা.)-এর শাহাদাত বরণ (১০ মহররম)।
অন্যান্য মাসের তুলনায় এই মাসে ঐতিহাসিকভাবে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছে বলে একে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
‘কালজয়ী আদর্শ ইসলাম’ বইটির রচয়িতা হলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রভাবশালী ইসলামী চিন্তাবিদ সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী (রহ:)
তাঁর সম্পর্কে কিছু তথ্য:
• তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত মুফাসসির, দার্শনিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।
• তাঁর রচিত বিখ্যাত তাফসির গ্রন্থের নাম ‘তাফহিমুল কুরআন’
• তিনি আধুনিক যুগে ইসলামকে একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান হিসেবে উপস্থাপন করতে অসংখ্য গ্রন্থ রচনা করেছেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী প্রতিশ্রুতি বা ওয়াদা ভঙ্গ করা মুনাফিকের অন্যতম প্রধান লক্ষণ।
হাদিস শরিফে (বুখারি ও মুসলিম) বর্ণিত আছে, মুনাফিকের আলামত তিনটি:
১. কথা বললে মিথ্যা বলে।
২. ওয়াদা করলে ভঙ্গ করে।
৩. আমানত রাখা হলে খিয়ানত করে।
মুমিন ব্যক্তি সর্বদা তার কথা ও কাজের মিল রাখে, কিন্তু মুনাফিকরা বাহ্যিকভাবে বিশ্বাসী দাবি করলেও অন্তরে বা কর্মে তার বিপরীত আচরণ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইসলামে দ্বীন কায়েম বা আল্লাহর জমিনে আল্লাহর বিধান প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা চালানোকে ফরয হিসেবে গণ্য করা হয়। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে বলেছেন, 'তোমরা সেই দ্বীনকে প্রতিষ্ঠিত কর এবং তাতে অনৈক্য সৃষ্টি কর না' (সূরা আশ-শূরা: ১৩)। হালাল উপার্জন যেমন অন্যান্য ফরয ইবাদতের পর একটি গুরুত্বপূর্ণ ফরয, তেমনি দ্বীন প্রতিষ্ঠার কাজও মুমিনের জীবনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ও ফরয দায়িত্ব।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
'ইসলামের বুনিয়াদী শিক্ষা' বইটি লিখেছেন বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ ও লেখক সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী (রহঃ)। তিনি বিংশ শতাব্দীর একজন প্রভাবশালী মুসলিম তাত্ত্বিক ছিলেন। বইটি ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলো সহজ ভাষায় উপস্থাপনের জন্য বিখ্যাত এবং এটি ইসলাম সম্পর্কে প্রাথমিক জ্ঞানার্জনের জন্য ব্যাপকভাবে পঠিত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সূরা নিসা পবিত্র কুরআনের চতুর্থ সূরা। 'নিসা' শব্দের অর্থ নারী। এই সূরায় নারীদের অধিকার, উত্তরাধিকার, বিবাহ, এবং পারিবারিক জীবনাচার সম্পর্কে বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নারীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এই সূরার বিধানগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ঐতিহাসিক বালাকোটের যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল ১৮৩১ সালের ৬ মে (প্রশ্নে প্রদত্ত অপশনে ১৯৩১ সাল উল্লেখ থাকলেও সঠিক ঐতিহাসিক সালটি ১৮৩১)। এই যুদ্ধটি সাইয়েদ আহমদ বেরলভী (রহঃ) এবং শিখ বাহিনীর মধ্যে সংঘটিত হয়েছিল। মুসলিম পুনর্জাগরণ ও স্বাধীনতার ইতিহাসে এই যুদ্ধের গুরুত্ব অপরিসীম, যেখানে সাইয়েদ আহমদ বেরলভী ও শাহ ইসমাইল শহীদ (রহঃ) শাহাদাত বরণ করেন।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইসলামি শরীয়ত মোতাবেক পর্দা করা নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্য ফরয। তবে প্রচলিত অর্থে ও প্রাসঙ্গিক অপশন অনুযায়ী, নারীর পর্দার বিধানটি কুরআনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা সুরা নূরে এবং সুরা আহযাবে মুমিন নারীদের নিজেদের আবৃত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। তাই এটি একটি সুনির্দিষ্ট ফরয ইবাদত, যা পালন না করা গুনাহের কাজ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
নারীদের সম্পত্তিতে অংশীদারিত্বের বিষয়টি ইসলাম ধর্মেই সর্বপ্রথম এবং সুস্পষ্টভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ইসলাম নারীদের উত্তরাধিকার আইন (Law of Inheritance) এর মাধ্যমে সম্পত্তির অধিকার দিয়েছে।
অতিরিক্ত তথ্য:
- কুরআনের 'সূরা আন-নিসা'য় নারীদের সম্পত্তির অধিকার সম্পর্কে বিস্তারিত বলা হয়েছে।
- যদিও আধুনিক যুগে অনেক দেশে নারীদের অধিকার স্বীকৃত, কিন্তু প্রাচীন ধর্মগুলোর মধ্যে ইসলামই প্রথম নারীদের এই সুনির্দিষ্ট অর্থনৈতিক অধিকার প্রদান করে।
- প্রদত্ত রেফারেন্সের শিরিন এবাদি (নোবেল বিজয়ী প্রথম মুসলিম নারী) বা নাগিব মাহফুজ সম্পর্কে তথ্যগুলো এই প্রশ্নের বিষয়বস্তুর সাথে সরাসরি প্রাসঙ্গিক নয়, তবে মুসলিম বিশ্বের অর্জনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'রিয়াদুস সালেহীন' হলো একটি বিখ্যাত হাদীস গ্রন্থ।
বিস্তারিত:
- রিয়াদুস সালেহীন: এটি ইমাম নববী (রহ.) কর্তৃক সংকলিত একটি বিশুদ্ধ হাদীস গ্রন্থ, যা বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত সমাদৃত।
- আসান ফেকাহ: এটি হাদীস গ্রন্থ নয়, বরং এটি ফেকাহ বা ইসলামি আইনশাস্ত্র বিষয়ক একটি বই।
তাই সঠিক উত্তর হলো 'রিয়াদুস সালেহীন' (অপশন ১)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইসলামী অর্থনীতির মূল ভিত্তি হলো যাকাত। এটি ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের একটি এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করার প্রধান হাতিয়ার।
অন্যান্য অপশন সম্পর্কে:
- উশর: এটিও এক প্রকার যাকাত, তবে এটি ফসলের ওপর প্রযোজ্য।
- জিজিয়া: এটি ইসলামী রাষ্ট্রে বসবাসরত অমুসলিমদের ওপর আরোপিত নিরাপত্তা কর।
যদিও উশর ও জিজিয়া ইসলামী অর্থনীতির অংশ, কিন্তু যাকাতই হলো এই ব্যবস্থার প্রাণকেন্দ্র বা মূল ভিত্তি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মাওলানা সফিউর রহমান মোবারকপুরী রচিত বিশ্ববিখ্যাত সিরাত গ্রন্থের নাম 'আর-রাহীকুল মাখতূম'
গ্রন্থটি সম্পর্কে তথ্য:
- ১৯৭৯ সালে রাবেতা আলাম আল ইসলামি আয়োজিত বিশ্বব‍্যাপী সিরাত প্রতিযোগিতায় ১১৮২টি পান্ডুলিপির মধ্যে এই গ্রন্থটি মিয়াঁমার (তৎকালীন বার্মা) থেকে পাঠানো পান্ডুলিপি হিসেবে প্রথম স্থান অধিকার করে।
- এটি মূলত আরবি ভাষায় রচিত এবং পরবর্তীতে বহু ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
- অপশনে থাকা 'সিরাত ইবনে হিশাম' হলো প্রাচীনতম সিরাত গ্রন্থগুলোর একটি, যা ইবনে হিশাম রচনা করেছেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ঐতিহাসিক মক্কা বিজয় সংঘটিত হয়েছিল ৮ম হিজরী সনের ২০শে রমজান।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- এই বিজয়ের মাধ্যমে মক্কার কুরাইশদের আধিপত্যের অবসান ঘটে এবং কাবা ঘর মূর্তিমুক্ত হয়।
- মহানবী (সাঃ) প্রায় ১০ হাজার সাহাবী নিয়ে মক্কায় প্রবেশ করেন।
- এটি ছিল রক্তপাতহীন এক মহাবিজয়।
- ৬ষ্ঠ হিজরীতে হুদাইবিয়ার সন্ধি এবং ১০ম হিজরীতে বিদায় হজ্জ অনুষ্ঠিত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি হলো বাংলাদেশের প্রথম শরিয়া’হ ভিত্তিক ব্যাংক। এই ব্যাংকটি ১৩ মার্চ ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ৩০ মার্চ ১৯৮৩ সালে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রথম শরিয়া ভিত্তিক ব্যাংক হিসেবে কার্যক্রম শুরু করে।
অন্যদিকে প্রদত্ত ব্যাখ্যায় পূবালী ব্যাংক ও উত্তরা ব্যাংক সম্পর্কে বলা হয়েছে, যা ১৯৮৩ সালে বিরাষ্ট্রীয়করণ বা বেসরকারিকরণ করা হয়েছিল, কিন্তু সেগুলো শরিয়া ভিত্তিক হিসেবে প্রথম নয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পবিত্র কুরআনের সূরা আল-বাকারার ২৭৫ নম্বর আয়াতে সুদের (রিবা) বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি এবং নিষেধাজ্ঞা এসেছে।
- এই আয়াতে আল্লাহ তায়ালা সুদখোরদের অবস্থা এবং সুদের অবৈধতা সম্পর্কে স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন।
- আয়াতে বলা হয়েছে, 'আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল করেছেন এবং সুদকে হারাম করেছেন'।
- এছাড়া সূরা বাকারার ২৭৬-২৮০ আয়াতেও সুদ প্রসঙ্গ আলোচিত হয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সাধারণ ব্যাংকিং সুদ বা ঋণের বিপরীতে সময়ের ভিত্তিতে যে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হয়, তাকে ইসলামী পরিভাষায় রিবা আল নাসিয়া (Riba al-Nasiyah) বলা হয়।
- 'নাসিয়া' শব্দের অর্থ বিলম্ব বা মেয়াদ। অর্থাৎ, ঋণ পরিশোধে বিলম্ব বা মেয়াদের কারণে যে অতিরিক্ত অর্থ ধার্য করা হয়।
- এটি জাহেলী যুগের প্রচলিত সুদ ছিল, যা আধুনিক ব্যাংকিং সুদের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
- অন্যদিকে 'রিবা আল ফজল' হলো একই জাতীয় পণ্যের কম-বেশি বিনিময়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পবিত্র কুরআন দীর্ঘ ২৩ বছর (মতান্তরে ২২ বছর ৫ মাস ১৪ দিন) ধরে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর নাজিল হয়।
- কুরআন নাজিল শুরু হয় ৬১০ খ্রিস্টাব্দে হেরা গুহায়।
- সম্পূর্ণ কুরআন একসাথে নাজিল হয়নি, বরং প্রয়োজন ও পটভূমি অনুযায়ী অল্প অল্প করে অবতীর্ণ হয়েছে।
- এর মধ্যে মক্কী জীবন ছিল প্রায় ১৩ বছর এবং মাদানী জীবন ছিল ১০ বছর।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পবিত্র কুরআনের প্রথম নাজিলকৃত আয়াতগুলো হলো সূরা আলাকের প্রথম ৫টি আয়াত। তবে, ওহী নাজিলের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সম্পূর্ণ বা পূর্ণাঙ্গ ও অখণ্ড সূরা হিসেবে সর্বপ্রথম নাজিল হয় 'সূরা ফাতিহা'
- এটি মক্কী সূরা এবং কুরআনের একেবারে শুরুতে স্থান পেয়েছে।
- সূরা আলাক বা মুদ্দাসসিরের অংশবিশেষ আগে নাজিল হলেও পূর্ণাঙ্গ সূরা হিসেবে ফাতিহাই প্রথম।
- সূরা ফাতিহাকে 'উম্মুল কুরআন' বা কুরআনের জননী বলা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আয়াতুল কুরসী পবিত্র কুরআনের সর্ববৃহৎ সূরা আল-বাকারার ২৫৫ নম্বর আয়াত
- এই আয়াতটিকে কুরআনের শ্রেষ্ঠ আয়াত হিসেবে গণ্য করা হয়।
- এতে মহান আল্লাহর একত্ববাদ, ক্ষমতা এবং মহত্বের বর্ণনাসহ ১০টি বিশেষ বাক্য বা নির্দেশ রয়েছে।
- হাদিস অনুযায়ী, প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসী পাঠকারী এবং জান্নাতের মধ্যে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো বাধা থাকে না।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মূল্যবোধ হলো একটি জাতির বা সমাজের মানুষের আচরণ ও চিন্তাধারার মাপকাঠি, যা তাদেরকে অন্যদের থেকে আলাদা করে।
- যদিও পরিবেশ, খেলাধুলা বা পোশাক-পরিচ্ছদ বাহ্যিক পার্থক্য তৈরি করে, কিন্তু একটি জাতির গভীরতম পরিচয় ও স্বকীয়তা ফুটে ওঠে তাদের বিশ্বাস, নীতি ও মূল্যবোধের মাধ্যমে।
- নৈতিক মূল্যবোধ যেমন- সত্য বলা, ন্যায়বিচার ও পরোপকার ইত্যাদি চর্চার ধরণ একেক জাতিকে একেকভাবে সংজ্ঞায়িত করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আইনের প্রাচীনতম উৎস বা ভিত্তি হলো প্রথা (Customs)।
- প্রাচীনকালে যখন লিখিত আইন বা বিচার ব্যবস্থা ছিল না, তখন মানুষ সমাজের প্রচলিত প্রথা, রীতিনীতি ও অভ্যাস মেনেই সমাজ পরিচালনা করত।
- কালক্রমে রাষ্ট্র এই প্রথাগুলোর মধ্য থেকে যেগুলো যুক্তিসঙ্গত ও জনকল্যাণকর, সেগুলোকে আইনের স্বীকৃতি দেয়। তাই প্রথাই আইনের আদি ও অকৃত্রিম উৎস।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যেকোনো দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের এবং সমাজ, রাষ্ট্র, অর্থনীতি ও রাজনীতির উৎকর্ষের অন্যতম মাপকাঠি হলো সুশাসন
- সুশাসনের শিক্ষা নিশ্চিত করে যে রাষ্ট্রীয় সম্পদ সঠিকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত আছে।
- এটি স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি উন্নত সমাজ গঠন করে, যা কেবল নৈতিক বা মূল্যবোধ শিক্ষার মাধ্যমে পুরোপুরি অর্জন সম্ভব নয়, এর জন্য প্রয়োজন প্রায়োগিক সুশাসনের জ্ঞান।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মূল্যবোধ শিক্ষা মানুষকে প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে।
- এটি অর্জনকারী ব্যক্তি অন্যের মতামতের প্রতি সহনশীল হয়।
- ভালো-মন্দ বিচার করার মতো বিবেকবোধ তার মধ্যে জাগ্রত থাকে।
- সে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে নিয়ম-কানুন মেনে চলে অর্থাৎ শৃঙ্খলিত জীবন যাপন করে।
- তাই সঠিক উত্তরটি হলো 'সবগুলো'।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশের হাজ্বীরা সাধারণত তামাত্তু হজ্জ করে থাকেন।
- হজ্জ তিন প্রকার: ইফরাদ, কিরান এবং তামাত্তু।
- তামাত্তু হজ্জ হলো: হজ্জের মাসসমূহে (শাওয়াল, জিলকদ, জিলহজ) প্রথমে শুধু ওমরাহর ইহরাম বেঁধে ওমরাহ পালন করে ইহরাম খুলে ফেলা এবং পরে জিলহজ মাসের ৮ তারিখে মক্কা থেকে হজ্জের নতুন ইহরাম বেঁধে হজ্জ পালন করা। বাংলাদেশ থেকে হজ্জ যাত্রীরা সাধারণত এই পদ্ধতিটিই অনুসরণ করেন কারণ এটি পালন করা তুলনামূলক সহজ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হজ্জ পালনের সময় সাফা ও মারওয়া পাহাড়দ্বয়ের মধ্যবর্তী স্থানে দৌড়ানো বা দ্রুত হাঁটাকে সাঈ বলা হয়। এটি হজ্জের একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল বা ওয়াজিব।
অন্য অপশনগুলো ভুল হওয়ার কারণ:
- মিনার মধ্যে: শয়তানকে কঙ্কর নিক্ষেপ ও পশু কুরবানি করা হয়।
- আরাফা-মুযদালিফার মধ্যে: অবস্থান করা হয় কিন্তু সাঈ করা হয় না।
- কাবা ঘরের চারপাশে: তাওয়াফ করা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হজ্জের ওয়াজিব আমল মোট ৭টি। এগুলো ছুটে গেলে দম (পশু কোরবানি) দিয়ে ক্ষতিপূরণ দিতে হয়। ওয়াজিবগুলো হলো:
১. মুজদালিফায় অবস্থান করা
২. সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের মাঝে সাঈ করা
৩. ১০, ১১ ও ১২ই জিলহজ মিনায় শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ করা
৪. বিদায়ী তাওয়াফ করা (বহিরাগতদের জন্য)
৫. মাথার চুল মুণ্ডানো বা ছাঁটা
৬. কুরবানি করা (কিরান ও তামাত্তু হজ্জ আদায়কারীর জন্য)
৭. দম বা কোরবানি হরম শরীফের সীমানার মধ্যে করা।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হজ্জ ফরজ হওয়ার জন্য নির্দিষ্ট কিছু শর্ত রয়েছে, যার মধ্যে সামাজিক মর্যাদা অন্তর্ভুক্ত নয়। আল্লাহ তায়ালার কাছে সব মানুষ সমান, তাই হজ্জ পালনে সামাজিক স্ট্যাটাস কোনো বাধা বা শর্ত নয়।
হজ্জ ফরজ হওয়ার মূল শর্তগুলো হলো:
- মুসলিম হওয়া
- জ্ঞানববুদ্ধিসম্পন্ন (আকেল) ও প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া
- শারীরিক সক্ষমতা: হজ্জের সফরে কষ্ট সহ্য করার মতো স্বাস্থ্য থাকা।
- অর্থনৈতিক সক্ষমতা: হজ্জের খরচ ও পরিবারের ভরণপোষণের ব্যবস্থা থাকা।
- নিরাপদ ভ্রমণপথ: যাতায়াত ব্যবস্থা নিরাপদ হওয়া।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0