ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি (প্রবেশনারি অফিসার) - ২৩.০৫.২০০৩ (100 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে পণ্যের মূল্য সুনির্দিষ্ট থাকা একটি অন্যতম শর্ত।
- জিনিসপত্র বিক্রির সময় 'আপনি ইনসাফ করে দিবেন' বা 'যা ইচ্ছে দিন' বলে মূল্য অনিশ্চিত রাখলে লেনদেন ফাসিদ (ত্রুটিপূর্ণ) বা বাতিল বলে গণ্য হয়।
- কারণ এর ফলে পরবর্তীতে ক্রেতা ও বিক্রেতার মাঝে মতবিরোধ ও বিবাদ সৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনা থাকে, যা ইসলামে নিষিদ্ধ (গারার)।
- সুতরাং, এভাবে বিক্রি করা জায়েয নয়, বরং বিক্রির সময় অবশ্যই দরদাম ঠিক করতে হবে
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
BIISS-এর পূর্ণরূপ হলো Bangladesh Institute of International and Strategic Studies। এটি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, নিরাপত্তা ও কৌশলগত বিষয় নিয়ে কাজ করা বাংলাদেশের একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
অন্যদিকে, দেশের অর্থনীতি ও উন্নয়ন নিয়ে কাজ করা অপর একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বায়ত্বশাসিত গবেষণা প্রতিষ্ঠান হলো BIDS (Bangladesh Institute of Development Studies) বা বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৫৭ সালে করাচিতে প্রতিষ্ঠিত পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অফ ডেভেলপমেন্ট ইকনোমিকস বা পাইড (PIDE) ছিল এর পূর্বসূরী।
- ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে এটি ঢাকায় স্থানান্তরিত হয় এবং 'বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ডেভেলপমেন্ট ইকনোমিকস' নাম দেওয়া হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রতিষ্ঠানটি BIDS নাম ধারণ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রাচীনকালে সমতট জনপদ বলতে মূলত বাংলাদেশের বৃহত্তর কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চলকে বোঝানো হতো।
বাংলাদেশের অন্যান্য প্রাচীন জনপদ এবং তাদের বর্তমান অবস্থান:
- বরেন্দ্র: বগুড়া ও দিনাজপুর অঞ্চল।
- বঙ্গ: ঢাকা ও ময়মনসিংহ অঞ্চল।
- হরিকেল: বৃহত্তর সিলেট অঞ্চল।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ম্যানগ্রোভ (Mangrove) হলো সমুদ্র উপকূলবর্তী বন, যা জোয়ারের সময় লবণাক্ত পানি দ্বারা প্লাবিত হয় এবং ভাটার সময় পানি নেমে যায়।
- এই পরিবেশে জন্ম নেওয়া গাছপালাই মূলত লোনাপানির গাছ বা ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ হিসেবে পরিচিত।
- বাংলাদেশের তথা পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট হলো সুন্দরবন, যা বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে দেখা যায়।
- এই বনের প্রধান উদ্ভিদগুলো হলো সুন্দরী, গরান, গেওয়া, গোলপাতা প্রভৃতি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- 'আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি' গানটির প্রথম ১০ চরণ বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গৃহীত।
- এটি প্রথম ১৯০৫ সালে (বাংলা ১৩১২ বঙ্গাব্দ) বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- গানটি ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের প্রেক্ষিতে রচিত হয়েছিল।
- এর রচয়িতা ও সুরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর স্বয়ং এবং এতে বাউল গগন হরকরার সুরের প্রভাব রয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- BIRDEM এর পূর্ণরূপ হলো Bangladesh Institute for Research of Diabetes Endocrine and Metabolic Diseases (মূল নাম: Bangladesh Institute of Research and Rehabilitation in Diabetes, Endocrine and Metabolic Disorders)।
- এটি বাংলাদেশের একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল, যা ডায়াবেটিস, এন্ডোক্রাইন এবং মেটাবলিক রোগের চিকিৎসা, গবেষণা এবং পুনর্বাসনে কাজ করে।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৮০ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা: জাতীয় অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইব্রাহিম।
- হাসপাতালটি ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত এবং ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (BADAS) অধীনে পরিচালিত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বর্তমান বিশ্বের শীর্ষ ধনী ব্যক্তি হলেন টেসলা (Tesla) এবং স্পেসএক্স (SpaceX)-এর প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক (Elon Musk)।
- ফোর্বস (Forbes) এবং ব্লুমবার্গ বিলিয়নিয়ার্স ইনডেক্স অনুযায়ী তাঁর সম্পদের পরিমাণ বিশ্বের অন্যান্য শীর্ষ ধনীদের চেয়ে সবচেয়ে বেশি।
- তিনি জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম X (সাবেক টুইটার)-এরও মালিক।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- একটি সুস্থ মানুষের জন্য প্রাণিজ আমিষের (Animal protein) আদর্শ চাহিদা ধরা হয় 55 gm/person/year
- তবে নির্দিষ্ট সময়ের পরিসংখ্যান এবং প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে জনপ্রতি প্রাণিজ আমিষের প্রাপ্যতা বা লভ্যতা হলো 33 gm/person/year
- দেশের প্রাণিজ আমিষের এই বিশাল ঘাটতি পূরণে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে Poultry (পোল্ট্রি) খাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- পোল্ট্রি (Poultry) শিল্পে উৎপাদন খরচের প্রায় ৬০-৭০ শতাংশই ব্যয় হয় পোল্ট্রি ফিড (Poultry Feed) বা মুরগির খাবারের পেছনে।
- এই ফিড তৈরির প্রধান উপকরণগুলো (যেমন- ভুট্টা, সয়াবিন মিল ইত্যাদি) মূলত আমদানি নির্ভর
- তাই দেশে Broiler ও ডিমের দাম কমাতে হলে প্রধান পদক্ষেপ হিসেবে Poultry Feed এর Ingredients গুলো দেশে উৎপন্নের জোর প্রচেষ্টা চালানো প্রয়োজন, যা উৎপাদন খরচ কমিয়ে মাংস ও ডিমের বাজার স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করবে।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশে ডেইরী (Dairy) বা দুগ্ধশিল্প উন্নয়নের ক্ষেত্রে বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও এর প্রধান এবং সবচেয়ে বড় বাধা হলো ঘাস উৎপন্ন করার জন্য যথেষ্ট ভূমির অভাব
- গবাদিপশুর সুস্বাস্থ্য ও বেশি দুধ উৎপাদনের জন্য পর্যাপ্ত কাঁচা ঘাস অপরিহার্য।
- কিন্তু বাংলাদেশ একটি অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ দেশ হওয়ায় এখানে গবাদিপশু চরানো বা বাণিজ্যিকভাবে ঘাস চাষের জন্য উন্মুক্ত চারণভূমির মারাত্মক সংকট রয়েছে, ফলে খামারিদের ব্যয়বহুল দানাদার খাদ্যের ওপর নির্ভর করতে হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রশ্নে উল্লেখিত 'Poultry' শব্দটি মূলত টাইপিং ভুলের কারণে 'Poverty' বা দারিদ্র্য হবে।
- বাংলাদেশ থেকে দারিদ্র্য দূর করার জন্য প্রধানত কৃষি এবং মানবসম্পদ উন্নয়ন এর উপর সবচেয়ে বেশি জোর দেওয়া প্রয়োজন।
- কারণ, দেশের একটি বড় অংশ কৃষির উপর নির্ভরশীল। এর পাশাপাশি আধুনিক যুগে আইটি (IT) খাতে দক্ষ জনবল তৈরি করা গেলে তা বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে, যা দীর্ঘমেয়াদী দারিদ্র্য বিমোচনে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশের agriculture sector (কৃষিখাতে) সবচেয়ে দ্রুত ও বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জনকারী উপখাতগুলোর মধ্যে Poultry (পোল্ট্রি) শিল্প অন্যতম।
- এই খাতের বার্ষিক প্রবৃদ্ধির হার প্রায় 15%
- তুলনামূলক কম মূলধন ও অল্প সময়ে উৎপাদন সম্ভব হওয়ায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আমিষের চাহিদা পূরণে এই ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের (DLS) ২০২২-২৩ অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী:
মোট পোল্ট্রি (হাঁস+মুরগি): ৩৮ কোটি ৪৪ লাখ ১০ হাজার (৩৮৪.৪১ মিলিয়ন)।
শুধু মুরগি: ৩১ কোটি ৮১ লাখ।
শুধু হাঁস: ৬ কোটি ৬৩ লাখ।
পূর্বের অনেক বই বা তথ্যে ১৬০ মিলিয়ন বা ২০০ মিলিয়নের কথা উল্লেখ ছিল, কিন্তু গত এক দশকে পোল্ট্রি শিল্পে ব্যাপক বিপ্লব ঘটায় এই সংখ্যা এখন ৩৮৪ মিলিয়ন ছাড়িয়ে গেছে। তাই পরীক্ষার জন্য ৩৫০-৪০০ মিলিয়নের মধ্যবর্তী সংখ্যাটিই সবচেয়ে সঠিক।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে rice (ধান/চাল) উৎপাদনের প্রবৃদ্ধির হার ছিল বার্ষিক 2.6%, যা তৎকালীন জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারের চেয়েও বেশি ছিল।
- এই অভাবনীয় প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি ছিল আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সমন্বিত ব্যবহার।
- বিশেষ করে High yielding varieties of rice (উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান), Fertilizer (রাসায়নিক সার) এবং সেচ কাজের জন্য shallow tubewells & power pumps (অগভীর নলকূপ ও পাওয়ার পাম্প) এর ব্যাপক প্রসারের ফলেই কৃষিখাতে এই বৈপ্লবিক পরিবর্তন বা সবুজ বিপ্লব সাধিত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সঠিক উত্তর: 41 Million Tons (প্রকৃত হিসাব: ৪০.৬ মিলিয়ন মেট্রিক টন বা ৪.০৬ কোটি টন)।

১. ২০২৩-২৪ অর্থবছর (প্রকৃত উৎপাদন): বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (BBS) চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী, মোট চাল উৎপাদন ছিল প্রায় ৪০.৭ মিলিয়ন মেট্রিক টন (৪.০৭ কোটি টন)।
২. ২০২৪-২৫ অর্থবছর (সর্বশেষ ডেটা): ২০২৫ সালের জুন মাসের রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশে চাল উৎপাদন হয়েছে প্রায় ৪০.৬ মিলিয়ন মেট্রিক টন। এর মধ্যে বোরো উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২.২৬ কোটি টন।
৩.২০২৫-২৬ অর্থবছর (লক্ষ্যমাত্রা): সরকার ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য মোট খাদ্যশস্য (চাল ও গম) উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ৪৪.১ মিলিয়ন মেট্রিক টন (৪.৪১ কোটি টন)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশের স্বাধীনতার পূর্বে বার্ষিক rice production (চাল উৎপাদন) এর পরিমাণ ছিল 33 Million Tons (৩৩ মিলিয়ন টন)
- কৃষিভিত্তিক দেশ হিসেবে ধান বা চাল উৎপাদন সবসময়ই বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
- স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি, উচ্চ ফলনশীল জাতের বীজ এবং সারের ব্যবহারের ফলে এই উৎপাদনের পরিমাণ ধীরে ধীরে বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ১৪ জুলাই, ১৭৮৯ সালে বাস্তিল দুর্গ আক্রমণের মাধ্যমে French Revolution বা ফরাসি বিপ্লব শুরু হয়।
- এই বিপ্লবের সময়কাল ছিল ১৭৮৯-১৭৯৯ সাল পর্যন্ত।
- রাজা ষোড়শ লুই-এর স্বৈরশাসন এবং অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে সাধারণ জনতা এই বিপ্লব করেছিল।
- ফরাসি বিপ্লবের মূলমন্ত্র ছিল স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব
- দার্শনিক রুশো ও ভলতেয়ার তাঁদের লেখনীর মাধ্যমে এই বিপ্লবের ব্যাপক অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- French Revolution বা ফরাসি বিপ্লব শুরু হয় ১৪ জুলাই, ১৭৮৯ সালে বাস্তিল দুর্গ পতনের মধ্য দিয়ে।
- এই বিপ্লবের সময় France-এর king বা রাজা ছিলেন Louis XVI (ষোড়শ লুই)।
- রাজা ষোড়শ লুইয়ের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে এই বিপ্লব সংঘটিত হয় এবং ১৭৯৩ সালে তাকে গিলোটিনে শিরশ্ছেদ করা হয়।
- এই বিপ্লবের মূল স্লোগান ছিল "সাম্য, স্বাধীনতা ও ভ্রাতৃত্ব"
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- Penicillin (পেনিসিলিন) এক ধরনের এন্টিবায়োটিক, যা পেনিসিলিয়াম ছত্রাক থেকে আবিষ্কৃত হয়।
- ২৮ সেপ্টেম্বর, ১৯২৮ সালে স্কটিশ অণুজীব বিজ্ঞানী Alexander Fleming (আলেকজান্ডার ফ্লেমিং) পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন।
- ১৯৪২ সালে মানুষের শরীরের উপযোগী হিসেবে পেনিসিলিন তৈরি করেন জার্মান বংশোদ্ভূত ইংরেজ প্রাণ রসায়নবিদ আর্নেস্ট চেইন
- অন্যান্যদের মধ্যে Banting, F ইনসুলিন আবিষ্কার করেন এবং Harvey রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া বর্ণনা করেন।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ফাউন্টেন পেন (Fountain Pen) বা ঝরনা কলম আবিষ্কার করেন আমেরিকান উদ্ভাবক Waterman (লুইস এডসন ওয়াটারম্যান)।
- ১৮৮৪ সালে তিনি এই কলমের পেটেন্ট লাভ করেন।
- অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে: Newton মাধ্যাকর্ষণ সূত্র, Goodyear রাবারের ভলকানাইজেশন এবং Gutenberg ছাপাখানা বা প্রিন্টিং প্রেস আবিষ্কার করেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
অ্যারোপ্লেন বা উড়োজাহাজের আবিষ্কারক হলেন Wright Brothers (রাইট ভ্রাতৃদ্বয় - অরভিল রাইট এবং উইলবার রাইট)। তারা ১৯০৩ সালে প্রথমবারের মতো সফলভাবে ইঞ্জিনচালিত বিমান ওড়ান।

বিমান চলাচল সম্পর্কিত কিছু তথ্য:
- বেসরকারিভাবে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের প্রথম বিমান চলাচল সংস্থার নাম অ্যারো বেঙ্গল
- অ্যারো বেঙ্গল এয়ার লাইন্সের প্রথম ফ্লাইট ১৭ জুলাই, ১৯৯৫ সালে ঢাকা ও বরিশালের মধ্যে চালু হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রেডিও বা বেতার যন্ত্রের আবিষ্কারক হলেন ইতালীয় বিজ্ঞানী Guglielmo Marconi (গুগলিয়েলমো মার্কোনি)। তিনি ১৮৯৫ সালে প্রথম সফলভাবে রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে তারবিহীন সংকেত প্রেরণ করেন।

অন্যান্য বিজ্ঞানীদের আবিষ্কার:
- Galileo: আধুনিক টেলিস্কোপের উন্নতিসাধন করেন।
- Waterman: ফাউন্টেন পেন (Fountain pen) আবিষ্কার করেন।
- James Watt: বাষ্পীয় ইঞ্জিন (Steam engine) আবিষ্কার করেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
স্কটিশ বিজ্ঞানী Alexander Graham Bell (আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল) ১৮৭৫ সালে টেলিফোন আবিষ্কার করেন।

- টেলিফোন একটি বহুল ও জনপ্রিয় যোগাযোগ মাধ্যম, যার সাহায্যে দেশে-বিদেশে কথাবার্তা বলা, বার্তা বা ফ্যাক্সবার্তা পাঠানো, কম্পিউটার যোগাযোগ এবং ই-মেইল আদান-প্রদান প্রভৃতি করা হয়।
- অন্যান্য অপশনের মধ্যে Marconi রেডিও আবিষ্কার করেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মানবদেহের পাঁচটি ইন্দ্রিয় বা Five Senses হলো: Touch (স্পর্শ), Taste (স্বাদ), Smell (ঘ্রাণ), Sight (দৃষ্টি) এবং Hearing (শ্রবণ)।

- এগুলো যথাক্রমে ত্বক, জিহ্বা, নাক, চোখ এবং কান-এর মাধ্যমে কাজ করে।
- অপশন ২-এ মানবদেহের বিভিন্ন তন্ত্রের (Systems) নাম দেওয়া হয়েছে।
- অপশন ৩ ও ৪-এ শারীরিক অঙ্গের নাম দেওয়া হয়েছে, মূল অনুভূতির (Senses) নয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সূর্যের সবচেয়ে নিকটতম গ্রহ (Planet) হলো Mercury বা বুধ। এটি সৌরজগতের সবচেয়ে ছোট গ্রহ।

অন্যান্য অপশন সম্পর্কে তথ্য:
- Jupiter (বৃহস্পতি): সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ।
- Venus (শুক্র): সবচেয়ে উত্তপ্ত এবং পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ।
- Moon (চাঁদ): এটি কোনো গ্রহ নয়, বরং পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আমাদের সৌরজগতের (Solar system) সবচেয়ে বড় গ্রহ (Planet) হলো Jupiter বা বৃহস্পতি
- আকার ও ভরের দিক থেকে এটি সৌরজগতের অন্যান্য সমস্ত গ্রহের সম্মিলিত ভরের চেয়েও প্রায় আড়াই গুণ বড়।
- অপরদিকে, সৌরজগতের সবচেয়ে ছোট গ্রহ হলো Mercury বা বুধ এবং লাল গ্রহ বলা হয় Mars বা মঙ্গল-কে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পৃথিবীর Gravitational force বা অভিকর্ষ বলের কারণে যেকোনো বস্তুকে উপরের দিকে ছুঁড়ে মারলে তা পুনরায় মাটিতে ফিরে আসে।
- স্যার আইজ্যাক নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র অনুযায়ী, পৃথিবী তার ভরকেন্দ্রের দিকে প্রতিটি বস্তুকে আকর্ষণ করে। টেনিস বলের ক্ষেত্রেও এই অভিকর্ষজ ত্বরণ কাজ করে বলে বলটি উপরে যাওয়ার পর আকর্ষণ বলের প্রভাবে নিচে পড়ে যায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ফারেনহাইট (Fahrenheit) থার্মোমিটারে Lowest point বা নিম্ন স্থিরাঙ্ক (স্বাভাবিক চাপে বিশুদ্ধ বরফ গলার তাপমাত্রা) হলো 32° F
- অপরদিকে, Highest point বা ঊর্ধ্ব স্থিরাঙ্ক (স্বাভাবিক চাপে বিশুদ্ধ পানি ফোটার তাপমাত্রা) হলো 212° F
- উল্লেখ্য, পানির Triple Point নির্ধারিত হয় 0.01°C বা 273.16 K-এ। এটিকে ফারেনহাইটে রূপান্তর করলে তা প্রায় 32.02°F হয়, যা সাধারণত 32°F হিসেবেই রাউন্ড করে ধরা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্যাসেজে বিজ্ঞানীরা একটি ধ্বংসাবশেষকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ডুবে যাওয়া USS Harvard বলে দাবি করেছেন, কিন্তু ঐতিহাসিকরা তা নিয়ে সন্দিহান কারণ উন্নত সোনার (sonar) প্রযুক্তি এটিকে নির্দিষ্টভাবে ঐ জাহাজ হিসেবে শনাক্ত করতে পারেনি।
অপশন বিশ্লেষণ:
- যদি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ঐ একই এলাকায় আরও অন্যান্য জাহাজ ডুবে থাকে, তবে বিজ্ঞানীরা সাবমেরিনের সাহায্যে যে ধ্বংসাবশেষটি পেয়েছেন তা USS Harvard না হয়ে অন্য যেকোনো জাহাজের হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকে।
- এই তথ্যটি মূলত বিজ্ঞানীদের নিশ্চিত দাবিকে প্রশ্নের মুখে ফেলে দেয় এবং ঐতিহাসিকদের সন্দেহের যৌক্তিকতাকে জোরালো করে।
(বি.দ্র.: যৌক্তিকভাবে এই অপশনটি ঐতিহাসিকদের যুক্তিকে সমর্থন বা Strengthen করে। তবে যেহেতু এটি বিজ্ঞানীদের মূল দাবিকে সরাসরি দুর্বল করে দেয়, তাই প্রদত্ত উত্তরের সাপেক্ষে এটিই প্রাসঙ্গিক)।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্যাসেজটিতে বলা হয়েছে, গ্রিনহাউস ইফেক্টের (Greenhouse Effect) কারণে বিশ্বের কিছু অংশে খরা, বন্যা ও ভূমিক্ষয় বৃদ্ধি পাবে, তবে অন্যান্য কিছু অঞ্চলে (যেমন: জাপানের হোক্কাইডো, আইসল্যান্ড, ফিনল্যান্ড) কৃষিজ উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।
উপরের এই বক্তব্য হতে নিচের অপশনগুলো বিশ্লেষণ করা হলো:
- অপশন 1: শুধুমাত্র আইসল্যান্ড ও ফিনল্যান্ডের ক্ষেত্রে Pasture land বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে, পুরো বিশ্বের জন্য এটি প্রযোজ্য নয়। তাই এটি সাধারণ অনুমান হিসেবে সঠিক নয়।
- অপশন 2: গ্রিনহাউস ইফেক্ট বিশ্বের নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলে (certain areas only) ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। প্যাসেজের "However, there will be benefits to other areas of the world..." লাইনটি থেকে এটি সরাসরি Assume করা যায়। তাই এটিই সঠিক উত্তর।
- অপশন 3: মরুভূমি প্লাবিত হওয়ার কোনো তথ্য প্যাসেজে দেওয়া নেই।
- অপশন 4: জাপানের শুধুমাত্র 'Hokkaido' দ্বীপে চাল উৎপাদন চারগুণ বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে, সামগ্রিকভাবে পুরো জাপানে নয়। তাই এটিও সঠিক অনুমান নয়।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0