ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি - মেসেঞ্জার কাম গার্ড (অস্থায়ী) - ১৭.১০.২০২৫ (75 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রমজান মাসের রোজা মুসলমানদের ওপর ফরজ করা হয় দ্বিতীয় হিজরি সনের শাবান মাসে। এটি ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের একটি। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেন, 'হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর' (সূরা বাকারা: ১৮৩)। প্রাপ্তবয়স্ক ও সুস্থ সকল মুসলমানের জন্য রমজান মাসে রোজা রাখা ফরয ইবাদত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আল্লাহ তায়ালার একত্ববাদ (তাওহীদ) ও সত্তার পরিচয় সবচেয়ে সুন্দর ও সংক্ষিপ্তভাবে তুলে ধরা হয়েছে সূরা ইখলাস-এ। পবিত্র কুরআনের ১১২ তম এই সূরায় আল্লাহ নিজেকে একক, অমুখাপেক্ষী এবং অতুলনীয় হিসেবে ঘোষণা করেছেন। হাদিস শরীফে এই সূরাটিকে ‘কুরআনের এক-তৃতীয়াংশ’ এর সমান মর্যাদা দেওয়া হয়েছে, কারণ এতে খালেসভাবে আল্লাহর পরিচয় বর্ণিত হয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সূরা ফাতিহা পবিত্র কুরআনের প্রথম সূরা, যাকে ‘উম্মুল কুরআন’ বা ‘কুরআনের জননী’ বলা হয়। কারণ, সূরা ফাতিহায় সমগ্র কুরআনের মূল বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ নিহিত রয়েছে। এছাড়াও এই সরাকে ‘ফাতিহাতুল কিতাব’ (কুরআনের শুরু) এবং ‘আস-সাবউল মাসানি’ (পুনঃপুন পঠিত সাতটি আয়াত) নামেও অভিহিত করা হয়। এটি একটি মক্কী সূরা এবং সালাতের প্রতিটি রাকাতে এই সূরা পাঠ করা অপরিহার্য।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হজ্বের মূল কাজগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করা। ৯ই জিলহজ দ্বিপ্রহরের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করা হজের অন্যতম ফরয বা রুকন। হজের মোট তিনটি ফরয রয়েছে:
১. ইহরাম বাঁধা,
২. ৯ জিলহজ আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করা, এবং
৩. তাওয়াফে জিয়ারত করা।
এই ফরযগুলো আদায় না করলে হজ বাতিল বলে গণ্য হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আল-কুরআন আল্লাহ তাআলার সর্বশেষ আসমানি কিতাব, যা মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর অবতীর্ণ হয়েছে। এই পবিত্র গ্রন্থে মোট ১১৪টি সূরা, ৩০টি পারা এবং ৬২৩৬টি (মতান্তরে ৬৬৬৬টি) আয়াত রয়েছে। ১১৪টি সূরার মধ্যে মাক্কি সূরা ৮৬টি এবং মাদানি সূরা ২৮টি (মতান্তরে ৯২টি ও ২২টি)। এটি মানবজাতির জন্য পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান ও পথনির্দেশিকা।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- রাসুলুল্লাহ (সাঃ)-এর দুধ মাতা ছিলেন বিবি হালিমা (রা.), যিনি বনু সাদ গোত্রের ছিলেন।
- তৎকালীন আরবের প্রথা অনুযায়ী জন্মের পর রাসুল (সাঃ)-কে দুধ পান করানোর জন্য তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয়।
- তিনি রাসুল (সাঃ)-কে প্রায় পাঁচ বছর পর্যন্ত লালন-পালন করেন।
- আমিনা: রাসুল (সাঃ)-এর গর্ভধারিণী মা।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আরবি শব্দ 'তাওবা' (توبة)-এর আভিধানিক অর্থ ফিরে আসা বা প্রত্যাবর্তন করা। ইসলামি পরিভাষায়, তাওবা বলতে অতীতের পাপ কাজের জন্য অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর দিকে ফিরে আসা এবং ভবিষ্যতে পাপ না করার দৃঢ় সংকল্প করাকে বোঝায়। শুধু মৌখিকভাবে মাফ চাওয়া বা চোখের পানি ফেলা তাওবার অংশ হতে পারে, কিন্তু তাওবার মূল শর্ত হলো পাপ বর্জন করা এবং আল্লাহর আনুগত্যে ফিরে আসা।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আধুনিক যুগের অন্যতম প্রভাবশালী তাফসির গ্রন্থ 'তাফসীর ফি যিলালিল কুরআন' (The Shade of the Quran)-এর রচয়িতা হলেন মিশরের প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ সাইয়্যিদ কুতুব। তিনি ১৯০৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৬৬ সালে শহীদ হন। এটি কুরআনের একটি সাহিত্যিক ও তাত্ত্বিক ব্যাখ্যাগ্রন্থ।
অন্যান্য অপশনের লেখকদের বিখ্যাত গ্রন্থ:
- মুফতী মুহাম্মদ শফী (রহ.): মাআরিফুল কুরআন।
- ইবনে কাসীর (রহ.): তাফসীরে ইবনে কাসীর।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- পবিত্র কুরআনের সুরা আল আহযাব-এর ২১ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেছেন, 'লাক্বাদ কানা লাকুম ফি রাসূলিল্লাহি উসওয়াতুন হাসানাহ', যার অর্থ- 'নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য রাসুলুল্লাহ (সাঃ)-এর জীবনে রয়েছে উত্তম আদর্শ'।
- এটি ইসলামের একটি মৌলিক শিক্ষা যে, রাসুল (সাঃ)-এর জীবনই মুসলিমদের জন্য অনুসরণীয় মডেল।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আল্লাহ তায়ালা মানবজাতির হেদায়েতের জন্য যুগে যুগে অনেক আসমানি কিতাব নাজিল করেছেন। এর মধ্যে প্রধান চারটি কিতাব হলো তাওরাত, যাবুর, ইঞ্জিল ও কুরআন। যাবুর কিতাব নাজিল হয় আল্লাহর নবী হযরত দাউদ (আঃ)-এর উপর।
অন্যান্য প্রধান কিতাবগুলো নাজিল হয়:
- তাওরাত: হযরত মুসা (আঃ)-এর উপর।
- ইঞ্জিল: হযরত ঈসা (আঃ)-এর উপর।
- কুরআন: হযরত মুহম্মদ (সাঃ)-এর উপর।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হাদিস শরীফে উল্লেখ আছে, ‘এক মুমিন অপর মুমিনের জন্য আয়না (Mirror) স্বরূপ’। এটি একটি রূপক অর্থ বহন করে।
- আয়না যেমন মানুষের মুখের দাগ বা ত্রুটি কোনো ভণিতা ছাড়াই ধরিয়ে দেয়, তেমনি একজন প্রকৃত মুমিন তার ভাইয়ের দোষ-ত্রুটি ধরিয়ে দেবে যাতে সে নিজেকে সংশোধন করতে পারে।
- আয়না যেমন ময়লা দূর করলে পরিষ্কার প্রতিবিম্ব দেখায়, মুমিনও তার ভাইয়ের চরিত্র সংশোধনে নিঃস্বার্থভাবে সাহায্য করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কারো অনুপস্থিতিতে তার এমন কোনো দোষ-ত্রুটি নিয়ে আলোচনা করা, যা শুনলে সে মনে কষ্ট পাবে, তাকে ইসলামি পরিভায় গীবত বলা হয়।
- গীবত করাকে পবিত্র কুরআনে মৃত ভাইয়ের গোশত খাওয়ার সাথে তুলনা করা হয়েছে, যা অত্যন্ত ঘৃণ্য কাজ।
- বুহতান হলো মিথ্যা অপবাদ দেওয়া, যা গীবতের চেয়েও জঘন্য। আর পরনিন্দা বা নিন্দা সাধারণ অর্থে দোষ চর্চা বোঝালেও গীবত শব্দটি ইসলামি পরিভাষায় সুনির্দিষ্ট অর্থ বহন করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মানুষের মৃত্যুর পর থেকে কিয়ামত বা পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত মধ্যবর্তী সময়কালের জগতকে আলমে বারযাখ বা বারযাখ জগত বলা হয়।
- ‘বারযাখ’ শব্দের অর্থ হলো অন্তরায় বা পর্দা, যা দুনিয়া ও আখিরাতের মাঝখানের একটি অবস্থান।
- হাশর, মীযান এবং পুলসিরাত হলো কিয়ামত পরবর্তী বিচার দিবসের ধাপ, কিন্তু বারযাখ হলো মৃত্যুর ঠিক পরের অবস্থা।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইসলামি শরীয়ত অনুযায়ী, যেকোনো কাজের ফলাফল বা গ্রহণযোগ্যতা মূলত নিয়ত বা সদিচ্ছার ওপর নির্ভরশীল।
- একটি বিখ্যাত হাদিস হলো: ‘ইন্নামাল আ’মালু বিনিয়্যাত’ অর্থাৎ ‘নিশ্চয়ই কাজের ফলাফল নিয়তের ওপর নির্ভরশীল’।
- কোনো কাজ দেখতে ভালো হলেও যদি নিয়ত খারাপ থাকে, তবে তা আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য হয় না। আবার সৎ উদ্দেশ্যে করা ছোট কাজও অনেক সওয়াবের কারণ হতে পারে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সাইফুল্লাহ (Saifullah) অর্থ হলো ‘আল্লাহর তলোয়ার’। এই উপাধিটি প্রখ্যাত সাহাবী খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ)-কে দেওয়া হয়েছিল।
- তিনি ইসলাম গ্রহণের পূর্বে উহুদের যুদ্ধে কুরাইশদের পক্ষে এবং মুসলমানদের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
- ৬২৯ সালে (মতান্তরে ৬২৭) ইসলাম গ্রহণের পর তিনি বিভিন্ন যুদ্ধে অসাধারণ বীরত্ব প্রদর্শন করেন।
- মুতার যুদ্ধে তার বীরত্বের কারণে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) তাকে এই ‘সাইফুল্লাহ’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর ওপর পবিত্র কুরআন দীর্ঘ প্রায় ২৩ বছর (সঠিকভাবে ২২ বছর ৫ মাস ১৪ দিন) ধরে খণ্ড খণ্ড আকারে নাজিল হয়েছে।
- কুরআন সর্বপ্রথম লাওহে মাহফুজ থেকে প্রথম আসমানে কদরের রাতে (রমজান মাসে) একত্রে নাজিল হয়।
- এরপর নবুওয়াতের শুরু থেকে (৪০ বছর বয়সে) ওফাতের আগ পর্যন্ত প্রয়োজন ও প্রেক্ষাপট অনুযায়ী জিবরাঈল (আঃ)-এর মাধ্যমে রাসূল (সাঃ)-এর ওপর নাজিল হতে থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ওহুদের যুদ্ধ ৩য় হিজরীতে মদিনার অদূরে ওহুদ পাহাড়ের পাদদেশে সংঘটিত হয়েছিল। এই যুদ্ধে মুসলিম বাহিনীর মোট ৭০ জন সাহাবী শাহাদাত বরণ করেন।
তাঁদের মধ্যে রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর প্রিয় চাচা এবং 'সাইয়্যিদুল শুহাদা' (শহীদদের সর্দার) খ্যাত হযরত হামজা (রাঃ)-ও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। এই যুদ্ধে কাফেরদের পক্ষে নিহত হয়েছিল ২২ জন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইসলামি বর্ষপঞ্জি বা হিজরী সন ৬২২ খ্রিষ্টাব্দ থেকে গণনা করা হয়।
- মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করেছিলেন ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে। এই ঐতিহাসিক ঘটনাকে কেন্দ্র করেই হিজরী সন চালু হয়।
- ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হযরত উমর (রাঃ)-এর শাসনামলে (১৭ হিজরী বা ৬৩৮ খ্রিষ্টাব্দে) আনুষ্ঠানিকভাবে হিজরী সন প্রবর্তন করা হয়।
- এটি একটি চান্দ্র বর্ষপঞ্জি, যা চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে গণনা করা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পবিত্র কুরআনের সূরা আলে ইমরান-এর ১০৩ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ বলেছেন: 'তোমরা আল্লাহর রজ্জুকে ঐক্যবদ্ধভাবে ধারণ করো এবং পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না।'
এখানে 'আল্লাহর রজ্জু' বলতে মূলত পবিত্র কুরআন এবং ইসলামের বিধানকে বোঝানো হয়েছে। মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও সংহতি বজায় রাখার জন্য এই আয়াতটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ হিসেবে বিবেচিত হয়।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হাদীস বিশারদ ও সাহাবীদের জীবনীকারদের মতে, সর্বাধিক হাদীস বর্ণনাকারী সাহাবী হলেন আবু হুরাইরা (রাঃ)। তিনি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর কাছ থেকে মোট ৫,৩৭৪টি হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি সর্বদা রাসূল (সাঃ)-এর সান্নিধ্যে থাকতেন এবং আসহাবে সুফফার অন্যতম সদস্য ছিলেন।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে:
- আবদুল্লাহ ইবনে উমার (রাঃ) ২,৬৩০টি হাদীস বর্ণনা করে দ্বিতীয় স্থানে আছেন।
- আয়েশা সিদ্দীকা (রাঃ) ২,২১০টি হাদীস বর্ণনা করে চতুর্থ স্থানে আছেন।
- আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) ১,৬৬০টি হাদীস বর্ণনা করে পঞ্চম স্থানে আছেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হাদীস শাস্ত্র অনুযায়ী একটি হাদীসের দুটি প্রধান অংশ থাকে: ১. সনদ এবং ২. মতন।
- মতন: হাদীসের মূল কথা, বক্তব্য বা টেক্সটকে 'মতন' বলা হয়। অর্থাৎ রাসূল (সা.) যা বলেছেন বা করেছেন তার মূল বিবরণই মতন।
- সনদ: হাদীস বর্ণনাকারীদের ধারাবাহিক বা পর্যায়ক্রমিক সূত্র বা তালিকাকে 'সনদ' বলা হয়। সাহাবী থেকে শুরু করে গ্রন্থকার পর্যন্ত এই চেইনটিই সনদ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইসলামী শরীয়তের পরিভাষায়, সফর অবস্থায় চার রাকাতবিশিষ্ট ফরজ নামাজকে দুই রাকাত আদায় করাকে ‘কসর’ বলা হয়।
- আরবি ‘কসর’ শব্দের অর্থ হলো কম করা বা সংক্ষিপ্ত করা
- কোনো ব্যক্তি তার আবাসস্থল থেকে ৪৮ মাইল (প্রায় ৭৮ কিলোমিটার) বা তার বেশি দূরত্বের সফরের নিয়ত করলে তিনি মুসাফির গণ্য হন এবং তাকে কসর করতে হয়।
- মুসাফির ব্যক্তি জোহর, আসর এবং এশার চার রাকাত ফরজ নামাজ সংক্ষিপ্ত করে দুই রাকাত আদায় করবেন।
- ফজর ও মাগরিবের নামাজের কোনো কসর নেই। এছাড়া গন্তব্যস্থলে ১৫ দিনের কম সময় অবস্থানের নিয়ত করলে কসরের নামাজ পড়তে হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইসলাম একটি আরবি শব্দ, যার মূল অর্থ হলো আত্মসমর্পণ করা, আনুগত্য করা বা অনুগত হওয়া।
- ব্যবহারিক অর্থে, মহান আল্লাহর যাবতীয় আদেশ-নিষেধ বিনা দ্বিধায় মেনে নিয়ে তাঁর কাছে নিজেকে পুরোপুরি সমর্পণ করাই হলো ইসলাম।
- শাব্দিক দিক থেকে এটি 'সিলম' (শান্তি) মূলধাতু থেকেও উদ্ভূত, যার অর্থ শান্তি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইসলাম মূলত পাঁচটি স্তম্ভ বা খুঁটির ওপর প্রতিষ্ঠিত, যাকে ইসলামের রুকন বলা হয়। হাদিস শরিফে রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ইসলামের ভিত্তি পাঁচটি জিনিসের ওপর রাখা হয়েছে। এগুলো হলো:
১. কালিমা বা ঈমান: আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নেই এবং মুহাম্মদ (সা.) তাঁর বান্দা ও রাসুল—এই সাক্ষ্য দেওয়া।
২. নামাজ (সালাত): প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ কায়েম করা।
৩. যাকাত: সচ্ছল হলে নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পদ দান করা।
৪. হজ: সামর্থ্য থাকলে আল্লাহর ঘরে হজ করা।
৫. রোজা (সাওম): রমজান মাসে রোজা পালন করা।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
শিরক শব্দের আভিধানিক অর্থ অংশীদার সাব্যস্ত করা, সমকক্ষ মনে করা বা কাউকে শরিক করা। ইসলামী পরিভাষায়, আল্লাহর সত্তা, গুণাবলি, ইবাদত বা ক্ষমতায় অন্য কাউকে অংশীদার করাকে শিরক বলা হয়।
- শিরক হলো তাওহীদ বা একত্ববাদের বিপরীত।
- এটি ইসলামের দৃষ্টিতে ক্ষমার অযোগ্য এবং জঘন্যতম অপরাধ।
- প্রশ্নে প্রদত্ত উদাহরণটি ব্যাকরণগত (শিরঃ+ছেদ), কিন্তু মূল বিষয় ইসলাম সম্পর্কিত। তাই ধর্মীয় ব্যাখ্যাই প্রাধান্য পাবে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পুরুষদের জন্য মসজিদে গিয়ে জামায়াতের সাথে নামাজ আদায় করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হানাফি মাজহাবের বিশুদ্ধ ও প্রবল মত অনুযায়ী, সক্ষম পুরুষদের জন্য জামায়াতে নামাজ আদায় করা ওয়াজিব বা আবশ্যক।
বিনা ওজরে জামায়াত তরক করা গুনাহের কাজ। রাসুলুল্লাহ (সঃ) জামায়াত ত্যাগকারীদের ব্যাপারে কঠোর সতর্কতা উচ্চারণ করেছেন। তবে কোনো কোনো ফকিহ একে ‘সুন্নাতে মুয়াক্কাদা’ বলেছেন, যা গুরুত্বের দিক দিয়ে ওয়াজিবের কাছাকাছি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আক্ষরিক অর্থে ইসলাম বা আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণের সূচনা হয়েছে পৃথিবীর প্রথম মানুষ ও প্রথম নবী হযরত আদম (আঃ)-এর মাধ্যমে। তাই তিনি ইসলামের আদি প্রবর্তক।
মূলত আল্লাহ তায়ালা যুগে যুগে যত নবী-রাসূল পাঠিয়েছেন, সকলের ধর্মের মূল ভিত্তি ছিল এক ও অভিন্ন—তা হলো তাওহীদ বা একত্ববাদ এবং আল্লাহর আনুগত্য। হযরত মুহাম্মদ (সঃ) হলেন সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী, যার মাধ্যমে ইসলাম পূর্ণতা লাভ করেছে। তিনি নতুন কোনো ধর্মের আবিষ্কারক নন, বরং পূর্ববর্তী নবিদের দ্বীনের পূর্ণাঙ্গ রূপদানকারী।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আরবি 'দ্বীন' (دِين) শব্দের আভিধানিক অর্থ আনুগত্য, কর্মফল বা ধর্ম। তবে ইসলামি পরিভাষায় দ্বীন বলতে কেবল পূজা-উপাসনা বা ধর্মকে বোঝায় না, বরং এটি মানুষের সামগ্রিক জীবন বিধান বা Complete Code of Life-কে নির্দেশ করে।
দ্বীন মানুষের ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয়—জীবনের সকল দিককে অন্তর্ভুক্ত করে। এ প্রসঙ্গেই আল্লাহ তায়ালা কুরআনে বলেছেন, "নিঃসন্দেহে আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য একমাত্র দ্বীন বা জীবন ব্যবস্থা হলো ইসলাম।"
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সহিহ বুখারি ও মুসলিম শরীফে বর্ণিত একটি বিখ্যাত হাদিস অনুসারে, মুনাফিকের চিহ্ন তিনটি
চিহ্নগুলো হলো:
১. যখন কথা বলে, মিথ্যা বলে;
২. যখন ওয়াদা করে, তা ভঙ্গ করে; এবং
৩. যখন তার কাছে আমানত রাখা হয়, তখন সে তার খিয়ানত করে
ইসলামের পরিভাষায়, যে ব্যক্তি মুখে ঈমানের কথা স্বীকার করে কিন্তু অন্তরে অবিশ্বাস লালন করে, তাকেই মুনাফিক বা কপটচারী বলা হয়।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পবিত্র কুরআনে মোট ১৪টি সিজদার আয়াত রয়েছে। এই আয়াতগুলো তেলাওয়াত করলে বা শুনলে তেলাওয়াতকারী ও শ্রোতা উভয়ের ওপর সিজদা করা ওয়াজিব
উল্লেখ্য, ইমাম আবু হানিফা (রহ.)-এর মতে সিজদার আয়াতের সংখ্যা ১৪টি, তবে ইমাম শাফিয়ী (রহ.)-এর মতে ১৫টি। আমাদের দেশে হানাফি মাজহাবের অনুসারী বেশি হওয়ায় ১৪টি হিসেবেই আমল করা হয়।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0