ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ (ফিল্ড অফিসার) - ০২.১১.২০১৬ (80 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যাকাত প্রদানের ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট আত্মীয়-স্বজনকে যাকাত দেওয়া নিষিদ্ধ। ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী, একজন ব্যক্তি তার স্ত্রী এবং নিজ বংশধর বা পূর্বপুরুষদের (বাবা-মা, সন্তান-সন্ততি) যাকাত দিতে পারেন না, কারণ তাদের ভরণপোষণ তার ওপর ফরজ। ভাই যদি অভাবী হন, তবে তাকে যাকাত দেওয়া যায়। কিন্তু এখানে প্রদত্ত উত্তরে কিছুটা অসামঞ্জস্যতা রয়েছে। ফিকহ অনুযায়ী স্ত্রীকে যাকাত দেওয়া যায় না, তবে ভাইকে (যদি অভাবী হয়) দেওয়া যায়। কিন্তু প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তর 'B ও C' (ভাই ও স্ত্রী) ধরে ব্যাখ্যা করলে বুঝতে হবে যে, বিশেষ কোনো প্রেক্ষাপটে বা এই নির্দিষ্ট প্রশ্নের কাঠামো অনুযায়ী তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে, যদিও শরিয়াহর সাধারণ নিয়মে স্ত্রীকে দেওয়া যায় না কিন্তু ভাইকে দেওয়া যায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পবিত্র কুরআনে মানুষের আমল (ভালো ও মন্দ কাজ) লিপিবদ্ধকারী ফেরেশতাদের 'কিরামান কাতেবীন' (Kiraaman Katibin) বা 'সম্মানিত লেখকবৃন্দ' বলা হয়েছে।
সূরা আল-ইনফিতার এর ১০-১২ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে: 'নিশ্চয়ই তোমাদের ওপর তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত আছে। সম্মানিত আমল লেখকবৃন্দ।'
অন্য অপশনগুলোর মধ্যে মুনকার-নাকীর কবরে প্রশ্নকারী ফেরেশতা এবং জিব্রাঈল (আ.) ও মিকাইল (আ.) প্রধান চার ফেরেশতার অন্তর্ভুক্ত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পবিত্র কুরআনের প্রথম নাজিলকৃত আয়াতগুলো হলো সূরা আলাকের প্রথম ৫টি আয়াত। তবে, ওহী নাজিলের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সম্পূর্ণ বা পূর্ণাঙ্গ সূরা হিসেবে সর্বপ্রথম নাজিল হয় 'সূরা ফাতিহা'। এটি মক্কী সূরা এবং কুরআনের একেবারে শুরুতে স্থান পেয়েছে। সূরা আলাক বা মুদ্দাসসিরের অংশবিশেষ আগে নাজিল হলেও পূর্ণাঙ্গ সূরা হিসেবে ফাতিহাই প্রথম।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
'আসাদুল্লাহ' (আল্লাহর সিংহ) উপাধিটি মূলত চতুর্থ খলিফা হযরত আলী (রাঃ)-এর। তাঁর অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বের কারণে মহানবী (সা.) তাকে এই উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন।
অন্যদিকে হযরত হামযা (রাঃ)-কেও 'আসাদুল্লাহ' ও 'আসাদুর রাসূল' বলা হয়। খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ)-এর উপাধি হলো 'সাইফুল্লাহ' (আল্লাহর তরবারি)। যেহেতু অপশনে আলী (রাঃ) আছেন, তাই এটিই সঠিক উত্তর।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
'কায়সার' (Caesar) ছিল রোমান বা বাইজান্টাইন সম্রাটদের উপাধি এবং 'কিসরা' (Kisra/Khosrow) ছিল পারস্য বা সাসানীয় সম্রাটদের উপাধি।
প্রশ্নে অপশন ২-এ বলা আছে 'রোমান ও পারস্য সম্রাটের উপাধি', যা সঠিক হওয়ার কথা। কিন্তু প্রদত্ত সঠিক উত্তরে বলা হয়েছে 'কোনটিই নয়'। সম্ভবত প্রশ্নকর্তা বা উত্তরমালায় কোনো ভুল রয়েছে অথবা 'কিসরা' ও 'কায়সার' এর ক্রম উলটপালট (যেমন: কায়সার রোমান এবং কিসরা পারস্য - এভাবে নির্দিষ্ট অর্ডারে না থাকায়) হওয়ার কারণে একে 'কোনটিই নয়' ধরা হয়েছে। তবে ঐতিহাসিকভাবে অপশন ২-ই সঠিক তথ্যের সবচেয়ে কাছাকাছি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বইটির পূর্ণ নাম হলো ‘মোস্তফা চরিত’। মাওলানা আকরাম খাঁ হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনী নিয়ে এই গ্রন্থটি রচনা করেন। এখানে নাম বা বানানে সামান্য ভিন্নতা থাকলেও (প্রশ্নে 'মোস্তফা রচিত' বলা হয়েছে যা মূলত ‘মোস্তফা চরিত’ হবে), সঠিক উত্তর মাওলানা আকরাম খাঁ। এটি বাংলা ভাষায় রচিত রাসুল (সা.)-এর অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি জীবনীগ্ৰন্থ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সাধারণ নিয়মে গবাদি পশুকে যাকাতযোগ্য সম্পদ হিসেবে গণ্য করা হয়, তবে এখানে প্রশ্নটিতে একটি সূক্ষ্ম বিষয় রয়েছে বা প্রশ্নের উত্তরে ভুল থাকতে পারে। ইসলামী বিধান অনুযায়ী, গবাদি পশু (যেমন- উট, গরু, ছাগল) যদি চারণভূমিতে চরে খায় এবং বংশবিস্তার করে, তবে তা যাকাতযোগ্য। কিন্তু ব্যবসায়ের পণ্য, শেয়ার, বন্ড এবং নগদ অর্থ সর্বাবস্থায় যাকাতযোগ্য। অন্যদিকে কারখানার যন্ত্রপাতি বা ফিক্সড অ্যাসেটের ওপর সরাসরি যাকাত আসে না, বরং তা থেকে উপার্জিত আয়ের ওপর যাকাত আসে।
তবে প্রদত্ত উত্তরে ‘গবাদি পশু’ উল্লেখ করা হয়েছে, যা হয়তো বিশেষ সায়েম বা চারণভূমিতে চরে খাওয়া পশুর শর্ত পূরণ না করার প্রেক্ষাপটে বা প্রশ্নকর্তার দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী দেওয়া হয়েছে। বিশুদ্ধ মত অনুযায়ী কারখানার যন্ত্রপাতি যাকাতযোগ্য নয়, কিন্তু গবাদি পশু (শর্তসাপেক্ষে) যাকাতযোগ্য। পরীক্ষার জন্য প্রদত্ত উত্তর ‘গবাদী পশু’ অনুসরণ করাই শ্রেয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইসলামী পরিভাষায় মাহরাম হলেন এমন নিকটাত্মীয় যার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া আজীবনের জন্য হারাম বা নিষিদ্ধ এবং যার সামনে পর্দা করা ফরজ নয় (যেমন- মা, বোন, মেয়ে, খালা, ফুফু ইত্যাদি)।
অপশন ৩-এ থাকা হজ্জের কাপড়কে ‘ইহরাম’ বলা হয়, মাহরাম নয়। তাই সঠিক উত্তর হলো- যার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া নিষিদ্ধ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হাদীসে কুদসী (Hadees-e-Qudsi) হলো এমন এক বিশেষ প্রকারের হাদীস, যার ভাব বা মর্মার্থ আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে নাযিল হয়েছে, কিন্তু ভাষাগত রূপ বা শব্দ চয়ন করেছেন রাসূল (সা.)
সাধারণ কুরআনের আয়াত এবং হাদীসে কুদসীর মূল পার্থক্য হলো- কুরআনের শব্দ ও অর্থ উভয়ই আল্লাহর, আর হাদীসে কুদসীর শব্দ রাসূলের কিন্তু বার্তা আল্লাহর।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
শরীয়াহ (Shariah) একটি আরবি শব্দ, যার আভিধানিক অর্থ হলো পথ বা রাস্তা। পারিভাষিক অর্থে এটি দ্বারা ইসলামী জীবনব্যবস্থা, আইন-কানুন বা বিধি-বিধানকে বোঝানো হয়।
যেহেতু অপশন ১-এ ‘বিধি-বিধান’ এবং অপশন ৩-এ ‘আইন’ রয়েছে এবং শরীয়াহ এই দুটি অর্থই প্রকাশ করে, তাই সঠিক উত্তর হবে অপশন ৪ (A ও C), অর্থাৎ বিধি-বিধান ও আইন উভয়ই।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সালাতের আহকাম ও আরকানের মধ্যে রুকু থেকে সোজা হয়ে দাঁড়ানো বা কওমা করা একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ, যা হানাফি মাযহাব অনুসারে ওয়াজিব, ফরজ নয়। অন্যদিকে, কেরাত পড়া, তাকবীরে তাহরীমা বলা এবং রুকু করা—এগুলো সালাতের ফরজ বা আবশ্যিক কাজ। তাই 'রুকু থেকে সোজা হওয়া' ফরজ নয় বরং ওয়াজিব।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইসলামি শরিয়তে মোট ৩টি সময়ে সালাত বা নামাজ আদায় করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এই সময়গুলো হলো:
১. সূর্যোদয়ের সময়: সূর্য উদিত হওয়া শুরু করা থেকে পুরোপুরি উপরে ওঠা পর্যন্ত।
২. দ্বিপ্রহরের সময়: যখন সূর্য ঠিক মাথার ওপর থাকে (জাওয়াল)।
৩. সূর্যাস্তের সময়: সূর্য হলুদ বর্ণ ধারণ করা থেকে ডুবে যাওয়া পর্যন্ত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আল্লাহ তাআলা চারজন প্রধান ফেরেশতাকে বিশেষ বিশেষ দায়িত্ব দিয়েছেন। এর মধ্যে হযরত মিকাইল (আঃ)-এর ওপর দায়িত্ব ন্যস্ত রয়েছে মানুষের রিজিক বণ্টন এবং বৃষ্টি বর্ষণ ও উদ্ভিদ উৎপাদনের ব্যবস্থা করা। আর জিব্রাঈল (আঃ) ওহি বহনকারী, ইস্রাফিল (আঃ) শিঙ্গায় ফুঁক দেওয়ার দায়িত্বে এবং আজরাইল (আঃ) রুহ কবজ করার দায়িত্বে নিয়োজিত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হজ্জ্ব আদায়ের পদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে হজ্জ্ব প্রধানত ৩ প্রকার। এগুলো হলো:
১. হজ্জে ইফরাদ: শুধু হজ্জের ইহরাম বেঁধে হজ্জ আদায় করা (ওমরাহ ছাড়া)।
২. হজ্জে কিরান: একই ইহরামে হজ্জ ও ওমরাহ একত্রে আদায় করা।
৩. হজ্জে তামাত্তু: প্রথমে ওমরাহর ইহরাম বেঁধে তা আদায়ের পর ইহরাম খুলে ফেলা এবং পরে আবার নতুন করে হজ্জের ইহরাম বেঁধে হজ্জ আদায় করা।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
জান্নাতুল বাক্বী হলো মদিনা মুনাওয়ারায় অবস্থিত ইসলামের ইতিহাসের সবচেয়ে প্রসিদ্ধ কবরস্থান, যা মসজিদে নববীর পূর্ব পাশে অবস্থিত। এখানে নবী করীম (সা.)-এর অনেক সাহাবী, তাঁর পবিত্র পরিবারের সদস্যগন (আহলে বাইত) এবং অসংখ্য বুজুর্গ ব্যক্তি শায়িত আছেন। এটি কোনো জান্নাত বা মসজিদের নাম নয়, বরং একটি ঐতিহাসিক কবরস্থান।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
'সহীহাইন' (الصحيحين) একটি আরবি শব্দ, যার অর্থ হলো 'দুটি বিশুদ্ধ গ্রন্থ'
ইসলামি পরিভাষায়, হাদীস শাস্ত্রের দুটি সর্বাধিক বিশুদ্ধ এবং নির্ভরযোগ্য গ্রন্থ—সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমকে একত্রে 'সহীহাইন' বলা হয়।
এই দুটি কিতাবের অধিকাংশ আসমানি বর্ণনা এবং হাদীস পণ্ডিতদের সর্বসম্মতিক্রমে সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচিত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হিজরতের পর মদিনায় পৌঁছে নবী করীম (সা.) সর্বপ্রথম যে গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করেন, তা হলো মসজিদে নববী নির্মাণ
তিনি শুধু এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনই করেননি, বরং সাধারণ শ্রমিকদের মতো সাহাবীদের সাথে ইট ও পাথর বহন করে নির্মাণ কাজে সশরীরে অংশগ্রহণ করেছিলেন। এটি মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের কেন্দ্রবিন্দু ছিল।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে যে, একাকী সালাত আদায় করার চেয়ে জামাতে সালাত আদায় করা অনেক বেশি মর্যাদাপূর্ণ।
সহীহ বুখারী ও মুসলিমের হাদীস অনুযায়ী, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: 'জামাতে সালাত আদায়ের ফজিলত একাকী আদায়ের চেয়ে সাতাশ গুণ বেশি।' (কোনো কোনো বর্ণনায় ২৫ গুণের কথাও এসেছে, তবে ২৭ গুণ বেশি প্রসিদ্ধ ও বিশুদ্ধতর)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পবিত্র কুরআনের সূরা আলে-ইমরানের ৯৬ নম্বর আয়াত অনুসারে, মানবজাতির ইবাদতের জন্য পৃথিবীতে সর্বপ্রথম যে ঘরটি নির্মিত হয়েছিল, তা হলো মক্কায় অবস্থিত কাবা শরীফ (বাইতুল্লাহ)
হযরত আদম (আ.) বা ফেরেশতাদের মাধ্যমে সর্বপ্রথম এর ভিত্তি স্থাপিত হয়, যা পরবর্তীকালে হযরত ইব্রাহিম (আ.) ও ইসমাইল (আ.) পুনর্নির্মাণ করেন। তাই এটিই পৃথিবীর প্রাচীনতম মসজিদ।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হিজরী সন গণনা করা হয় চাঁদের আবর্তনের ওপর ভিত্তি করে, যাকে 'চন্দ্রবর্ষ' বলা হয়।
সৌরবর্ষ (যেমন ইংরেজি ক্যালেন্ডার) সাধারণত ৩৬৫ দিনে হয়, কিন্তু চন্দ্রবর্ষ বা হিজরী বর্ষ চাঁদের হিসেবে হওয়ার কারণে তা প্রতি বছর প্রায় ১০-১১ দিন কমে যায়।
গড় হিসেবে একটি হিজরী বা চন্দ্রবর্ষ ৩৫৪ দিন বা ৩৫৫ দিনে পূর্ণ হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
'উম্মুল কুরা' (أم القرى) অর্থ হলো 'শহর বা জনপদ সমূহের মা'। এটি পবিত্র মক্কা নগরীর একটি সম্মানসূচক নাম। পবিত্র কুরআনের সূরা আল-আনআমের ৯২ নম্বর আয়াতে এবং সূরা আশ-শূরা'র ৭ নম্বর আয়াতে মক্কাকে এই নামে অভিহিত করা হয়েছে। কারণ, মক্কা হলো মুসলিম বিশ্বের আধ্যাত্মিক কেন্দ্র এবং এখান থেকেই ইসলামের আলোর প্রসার ঘটেছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
'যাতুন নিতাকাইন' বা 'যুননাকাতাইন' (দুই ফিতা বা কোমরবন্ধের অধিকারিণী) হলো হযরত আবু বকর (রাঃ)-এর কন্যা আসমা (রাঃ)-এর উপাধি। মদিনায় হিজরতের সময় তিনি নিজের কোমরবন্ধের কাপড় ছিঁড়ে দুই টুকরো করে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এবং আবু বকর (রাঃ)-এর জন্য খাবার ও পানির মশকের মুখ বেঁধেছিলেন। এই অসীম সাহসিকতা ও বুদ্ধিমত্তার জন্য নবী করীম (সাঃ) তাঁকে এই উপাধি প্রদান করেন এবং জান্নাতে এর বিনিময়ে দুটি কোমরবন্ধের সুসংবাদ দেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রাথমিক যুগে পবিত্র কুরআন লিখিত হতো নুক্তা বা হরকত (স্বরচিহ্ন) ছাড়া। পরবর্তীতে অনারব বা আজমিদের জন্য কুরআন পাঠ সহজ ও নির্ভুল করার লক্ষ্যে উমাইয়া শাসনামলে ইরাকের গভর্নর হাজ্জাজ বিন ইউসুফ-এর নির্দেশে বা তত্ত্বাবধানে কুরআনে যবর, জের, পেশ বা হরকত সংযোজন করা হয়। এটি কুরআন পঠনের বিশুদ্ধতা রক্ষায় একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ ছিল।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পবিত্র কুরআনের সূরা ত্বোয়া-হা (আয়াত ২০) এবং সূরা আল-আ'রাফ (আয়াত ১০৭)-এর বর্ণনা অনুযায়ী, আল্লাহ তা'আলার নির্দেশে মুসা (আঃ) যখন তাঁর হাতের লাঠি মাটিতে নিক্ষেপ করতেন, তখন অলৌকিকভাবে তা জীবন্ত ও বিশাল সাপের আকৃতি ধারণ করত। এটি ছিল ফিরআউনের জাদুকরদের মোকাবেলায় মুসা (আঃ)-কে প্রদত্ত একটি বিশেষ মুজিজা বা অলৌকিক নিদর্শন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
'সিহাহ সিত্তাহ' (আরবি: الصحاح الستة) শব্দটির অর্থ হলো 'ছয়টি বিশুদ্ধ'। ইসলামি পরিভাষায়, আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের নিকট সর্বাপেক্ষা বিশুদ্ধ ও নির্ভরযোগ্য বলে বিবেচিত ৬টি হাদীস গ্রন্থকে একত্রে সিহাহ সিত্তাহ বলা হয়।
গ্রন্থগুলো হলো:
১. সহীহ বুখারী
২. সহীহ মুসলিম
৩. জামে তিরমিযী
৪. সুনানে আবু দাউদ
৫. সুনানে নাসাঈ
৬. সুনানে ইবনে মাজাহ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মক্কায় কাফিরদের অমানুষিক নির্যাতনের মুখে মহানবী (সা.)-এর নির্দেশে নবুওয়তের পঞ্চম বছরে মুসলমানদের একটি দল প্রথম আবিসিনিয়ায় (বর্তমান ইথিওপিয়া) হিজরত করে। সেই সময়কার আবিসিনিয়ার ন্যায়পরায়ণ খ্রিস্টান রাজা নাজ্জাশীর আশ্রয়ে তারা নিরাপদে ধর্ম পালন করতে পারবে বলে মহানবী (সা.) তাদের সেখানে পাঠান।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বিদায় হজ্জ ১০ম হিজরিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা ইংরেজি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ৬৩২ খ্রিষ্টাব্দে পড়ে। এটি ছিল মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনের শেষ হজ্জ, যেখানে তিনি আরাফাতের ময়দানে লক্ষাধিক সাহাবীর উপস্থিতিতে এক ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেছিলেন। এই ভাষণে তিনি ইসলামের পূর্ণতা ঘোষণা করেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হজ্জের আনুষ্ঠানিক প্রচলন শুরু হয় হযরত ইব্রাহীম (আ.)-এর সময় থেকে। আল্লাহর নির্দেশে তিনি কাবা ঘর পুনর্নির্মাণ করেন এবং মানুষের মাঝে হজ্জের ঘোষণা দেন। কুরআনের সুরা হজ্জের ২৭ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাকে হজ্জের ঘোষণা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন, যা আজ পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পবিত্র কুরআনের সুরা তাওবার ৬০ নম্বর আয়াতে যাকাত বন্টনের সুনির্দিষ্ট ৮টি খাতের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এগুলো হলো: ১. ফকির, ২. মিসকিন, ৩. যাকাত আদায়কারী কর্মচারী, ৪. নওমুসলিমদের মন জয় করা, ৫. দাসমুক্তি, ৬. ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি, ৭. আল্লাহর পথে জিহাদ এবং ৮. মুসাফির।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আল-কুরআনের অনেকগুলো নাম রয়েছে যা এর বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে। যেমন:
কিতাবুল্লাহ: আল্লাহর কিতাব বা গ্রন্থ।
হুদা: পথনির্দেশ বা হেদায়েত।
ফোরকান: সত্য ও মিথ্যার পার্থক্যকারী।
যেহেতু এই তিনটি নামই আল-কুরআনের পরিচিত নাম, তাই সঠিক উত্তর হবে 'সব কটি'
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0