ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিঃ (AO) - ০৪.১১.২০১৩ (99 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
দেওয়া আছে,
মোট মিশ্রণের পরিমাণ = ৬০ লিটার
কেরোসিন ও পেট্রোলের অনুপাত = ৭ : ৩
অনুপাতের রাশিগুলোর যোগফল = ৭ + ৩ = ১০

শুরুতে মিশ্রণে কেরোসিনের পরিমাণ = (৬০ এর ৭/১০) লিটার = ৪২ লিটার
শুরুতে মিশ্রণে পেট্রোলের পরিমাণ = (৬০ এর ৩/১০) লিটার = ১৮ লিটার

মনে করি, মিশ্রণে ‘ক‘ লিটার পেট্রোল মেশাতে হবে।
প্রশ্নমতে,
৪২ : (১৮ + ক) = ৩ : ৭
বা, ৪২ / (১৮ + ক) = ৩ / ৭
বা, ৩(১৮ + ক) = ৪২ × ৭ [আড়গুণন করে]
বা, ৫৪ + ৩ক = ২৯৪
বা, ৩ক = ২৯৪ - ৫৪
বা, ৩ক = ২৪০
বা, ক = ২৪০ / ৩
∴ ক = ৮০

সুতরাং, ৮০ লিটার পেট্রোল মেশাতে হবে।
উত্তর: ৮০

বিকল্প পদ্ধতি (শর্টকাট):
মোট পরিমাণ ৬0 লিটার এবং অনুপাত ৭:৩।
নতুন অনুপাত ৩:৭ হতে হবে। এখানে কেরোসিনের পরিমাণ স্থির থাকবে, শুধু পেট্রোল বাড়বে।
শুরুতে কেরোসিন = ৪২ লি. এবং পেট্রোল = ১৮ লি.
নতুন অনুপাতে কেরোসিন (৩ ভাগ) = ৪২ লিটার
∴ ১ ভাগ = ৪২ / ৩ = ১৪ লিটার
∴ পেট্রোল (৭ ভাগ) হবে = ১৪ × ৭ = ৯৮ লিটার
সুতরাং, অতিরিক্ত পেট্রোল লাগবে = ৯৮ - ১৮ = ৮০ লিটার।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
১ম ক্ষেত্রে সংখ্যাগুলো হলো: ৬, ৮, ১০
∴ ৬, ৮, ১০ এর গাণিতিক গড় = (৬ + ৮ + ১০) / ৩ = ২৪ / ৩ = ৮

২য় ক্ষেত্রে সংখ্যাগুলো হলো: ৭, ৯ এবং অজানা একটি সংখ্যা।
মনে করি, ৩য় সংখ্যাটি = ক
প্রশ্নমতে, এই তিনটি সংখ্যার গড়ও ৮ হবে।
∴ (৭ + ৯ + ক) / ৩ = ৮
বা, ১৬ + ক = ৮ × ৩ [আড়গুণন করে]
বা, ১৬ + ক = ২৪
বা, ক = ২৪ - ১৬
∴ ক = ৮

সুতরাং, নির্ণেয় সংখ্যাটি ৮।
উত্তর:

বিকল্প পদ্ধতি (শর্টকাট):
৬, ৮, ১০ এর গড় ৮ (কারণ সংখ্যাগুলো সমান্তর ধারায় আছে এবং মাঝের সংখ্যাটি গড়)।
দ্বিতীয় সেটের গড়ও ৮ হতে হবে।
সংখ্যাগুলো: ৭, ৯, ?
এখানে, ৭ হলো (৮ - ১) এবং ৯ হলো (৮ + ১)। অর্থাৎ এরা গড় থেকে -১ এবং +১ দূরত্বে আছে, যা পরস্পরকে নাকচ করে দেয়। তাই গড় মান ঠিক রাখতে হলে ৩য় সংখ্যাটি অবশ্যই গড় বা ৮ এর সমান হতে হবে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
দেওয়া আছে,
x + 5y = 16 .......... (i)
এবং x = -3y ........... (ii)

(i) নং সমীকরণে x এর মান বসিয়ে পাই,
-3y + 5y = 16
বা, 2y = 16
বা, y = 16 / 2
∴ y = 8

সুতরাং, y এর মান ৮।
উত্তর:
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
প্রশ্নের তথ্য ও উত্তরের অপশন পর্যালোচনা করে দেখা যাচ্ছে প্রশ্নে প্রদত্ত মান '22 cm' টি মূলত '12.22 cm' হবে যাতে উত্তরটি 611 km হয় (কারণ অপশনে 611 km আছে)।

দেওয়া আছে,
মানচিত্রে ১ সে.মি. দূরত্ব = বাস্তবে ৫০ কি.মি. দূরত্ব
∴ প্রদত্ত স্কেল অনুযায়ী,
মানচিত্রে ১ সে.মি. = ৫০ কি.মি.
∴ মানচিত্রে ১২.২২ সে.মি. = (৫০ × ১২.২২) কি.মি.
= ৬১১.০০ কি.মি.
= ৬১১ কি.মি.

(বি:দ্র: প্রশ্নে যদি ২২ সে.মি. থাকতো, তবে উত্তর হতো ৫০ × ২২ = ১১০০ কি.মি.)। কিন্তু প্রদত্ত অপশন অনুযায়ী সঠিক উত্তর ৬১১ কি.মি.।
উত্তর: 611 km
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
দেওয়া আছে,
a + b = 10 .......... (i)
a - b = 20 .......... (ii)

এখন, (i) ও (ii) নং সমীকরণ যোগ করে পাই,
a + b + a - b = 10 + 20
বা, 2a = 30
বা, a = 30 / 2
∴ a = 15

আবার, (i) নং সমীকরণে a এর মান বসিয়ে পাই,
15 + b = 10
বা, b = 10 - 15
∴ b = -5

এখন,
a / b = 15 / (-5)
= -3

সুতরাং, নির্ণেয় মান -3।
উত্তর: -3
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পবিত্র কুরআনের সূরা আন-নমল হলো একমাত্র সূরা যেখানে দুইবার 'বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম' রয়েছে।
১. সূরার শুরুতে একবার।
২. ৩০তম আয়াতে আরেকবার (যেখানে হযরত সুলাইমান (আ.) রানি বিলকিসকে চিঠি লিখেছিলেন এবং চিঠির শুরুতে বিসমিল্লাহ ব্যবহার করেছিলেন)।
উল্লেখ্য, সূরা তওবার শুরুতে কোনো বিসমিল্লাহ নেই।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পবিত্র কুরআনের সর্বপ্রথম নাজিলকৃত আয়াতগুলো হলো সূরা আলাকের প্রথম ৫টি আয়াত। তবে, ওহী নাজিলের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সম্পূর্ণ বা পূর্ণাঙ্গ সূরা হিসেবে সর্বপ্রথম নাজিল হয় 'সূরা ফাতিহা'
এটি মক্কী সূরা এবং কুরআনের একেবারে শুরুতে স্থান পেয়েছে। সূরা আলাক বা মুদ্দাসসিরের অংশবিশেষ আগে নাজিল হলেও পূর্ণাঙ্গ সূরা হিসেবে ফাতিহাই প্রথম।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কুরআন শব্দটি আরবি 'ক্বারউন' বা 'ক্বিরাআতুন' শব্দমূল থেকে এসেছে, যার অর্থ পাঠ করা বা পড়া। পারিভাষিক অর্থে, যা বারবার বা সর্বাধিক পঠিত হয় তাকে কুরআন বলা হয়।
সারা বিশ্বে কুরআন মাজিদই একমাত্র গ্রন্থ যা সবচেয়ে বেশি পড়া ও তিলাওয়াত করা হয়, তাই এর নাম সার্থক।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আল্লাহ তা'আলা মানবজাতির হেদায়াতের জন্য যুগে যুগে আসমানি কিতাব পাঠিয়েছেন। এর মধ্যে চারটি প্রধান কিতাবের একটি হলো তওরাত
এই কিতাবটি মহান আল্লাহ বনী ইসরাইলের নবী হযরত মুসা (আ.)-এর ওপর নাজিল করেন।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইসলামি বিশ্বাস অনুযায়ী আল্লাহ তা'আলা ফেরেশতাদের বিভিন্ন দায়িত্ব প্রদান করেছেন। এর মধ্যে প্রধান চারজন ফেরেশতার দায়িত্ব নিম্নরূপ:
১. হযরত মীকাইল (আ.): মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর জীবিকা বন্টন এবং আবহাওয়া (বৃষ্টি, বাতাস) পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত।
২. হযরত জিবরাইল (আ.): মাবুদ ও বান্দার (নবী-রাসূল) মধ্যে বার্তাবাহক।
৩. হযরত আযরাইল (আ.): প্রাণ হরণের দায়িত্বে (মালাকুল মাউত)।
৪. হযরত ইসরাফিল (আ.): শিঙায় ফুঁ দেওয়ার দায়িত্বে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আল্লাহর একত্ববাদ ও পরিচয় সম্পর্কিত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও পূর্ণাঙ্গ সূরা হলো সূরা ইখলাস
- এই সূরায় বলা হয়েছে: 'বলুন, তিনিই আল্লাহ, এক ও অদ্বিতীয়। আল্লাহ কারো মুখাপেক্ষী নন, সকলেই তাঁর মুখাপেক্ষী। তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয়নি। আর তাঁর সমতুল্য কেউ নেই।'
- এটি পবিত্র কুরআনের ১১২ তম সূরা।
- রাসূলুল্লাহ (সা.) এই সূরাটিকে কুরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমান মর্যাদা দিয়েছেন কারণ এতে তাওহীদের বিশুদ্ধতম বর্ণনা রয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইসলামের ইতিহাসে হযরত উসমান (রা.) এবং তাঁর সহধর্মিণী হযরত রুকাইয়া (রা.) (রাসূল সা.-এর কন্যা) ছিলেন প্রথম দম্পতি যারা আল্লাহর পথে সস্ত্রীক হিজরত করেছিলেন।
- তাঁরা মক্কা থেকে আবিসিনিয়ায় (বর্তমান ইথিওপিয়া) হিজরত করেন।
- নবুওয়াতের ৫ম বছরে কুরাইশদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে এই হিজরত সংঘটিত হয়েছিল।
- মহানবী (সা.) তাঁদের সম্পর্কে বলেছিলেন, লুত (আ.)-এর পর উসমানই প্রথম ব্যক্তি যিনি পরিবারসহ আল্লাহ তায়ালার রাহে হিজরত করেছেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আরবি শব্দ 'আদল' (عدل) মানে হলো ন্যায়বিচার, ইনসাফ বা কোনো কিছুকে তার যথাযথ স্থানে স্থাপন করা।
- এর ঠিক বিপরীত শব্দ হলো যুলুম (ظُلم)।
- যুলুম অর্থ হলো অন্যায়, অবিচার বা কোনো কিছুকে তার যথাযথ স্থান থেকে সরিয়ে অন্য স্থানে রাখা।
- ইসলামে 'আদল' প্রতিষ্ঠা করা ফরজ এবং 'যুলুম' করা হারাম।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আমানতের খিয়ানত করা অর্থাৎ বিশ্বাস ভঙ্গ করা মুনাফিকের একটি অন্যতম স্পষ্ট লক্ষণ।
- ইসলামের পরিভাষায়, যে ব্যক্তি মুখে ঈমানের কথা স্বীকার করে কিন্তু অন্তরে অবিশ্বাস লালন করে, তাকে মুনাফিক বা কপটচারী বলা হয়।
- সহিহ বুখারি ও মুসলিম শরীফে বর্ণিত একটি বিখ্যাত হাদিস অনুসারে, মুনাফিকের চিহ্ন তিনটি।
- চিহ্নগুলো হলো: ১. যখন কথা বলে, মিথ্যা বলে; ২. যখন ওয়াদা করে, তা ভঙ্গ করে এবং ৩. যখন তার কাছে আমানত রাখা হয়, তখন সে তার খিয়ানত করে।
- সুতরাং, কারও কাছে গচ্ছিত কোনো বস্তু, অর্থ বা কথার আমানত রক্ষা না করা নিফাকি বা কপটতার পরিচায়ক।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রমজান মাসের শেষ দশ দিনে মসজিদে ইতিকাফ করা সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ কিফায়া
- 'সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ কিফায়া' অর্থ হলো, একটি মহল্লা বা সমাজের পক্ষ থেকে যদি অন্তত একজন ব্যক্তিও এই ইবাদত পালন করে, তবে সবার পক্ষ থেকে দায়িত্ব আদায় হয়ে যাবে এবং কেউ গুনাহগার হবে না।
- কিন্তু যদি সমাজের বা মহল্লার কেউ ইতিকাফ না করে, তবে সবাই সুন্নাত তরক করার জন্য দায়ী হবে।
- রাসূলুল্লাহ (সা.) ও তাঁর সাহাবীগণ রমজানের শেষ দশকে নিয়মিত ইতিকাফ করতেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
‘ইসরা’ অর্থ হলো নৈশভ্রমণ এবং ‘মিরাজ’ শব্দের অর্থ হলো উর্ধ্বগমন বা সিঁড়ি। মহান আল্লাহ তা'আলা নবুওয়াতের একাদশ সালে রজব মাসের ২৬ তারিখ দিবাগত রাতে অর্থাৎ ২৭ তারিখে হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে মসজিদে হারাম থেকে মসজিদে আকসা এবং সেখান থেকে উর্ধ্বাকাশে ভ্রমণ করান।
এই অলৌকিক ভ্রমণকে ইসলামি পরিভাষায় ‘ইসরা ও মিরাজ’ বলা হয়। একে শবে মেরাজও বলা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আখিরাত বা পরকাল অনন্ত অসীম। মৃত্যুর পরপরই আখিরাতের জীবন শুরু হয়। তাই মৃত্যুর পর থেকে কিয়ামত বা পুনরুত্থান পর্যন্ত মধ্যবর্তী সময়কে ‘বারযাখ’ বলা হয়।
বারযাখ হলো দুনিয়া ও আখিরাতের মাঝখানে একটি পর্দা বা অন্তরায়। এটিই হলো পরকালীন জীবনের প্রথম স্তর বা ধাপ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াতে (আয়াত ২২-২৪) মহান আল্লাহর অনেকগুলো গুণবাচক নাম বা 'আসমাউল হুসনা' উল্লেখ আছে।
এর মধ্যে শেষ দুই আয়াতে (আয়াত ২৩ ও ২৪) যথাক্রমে আল্লাহ তায়ালার ১০টি গুণবাচক নাম উল্লেখ করা হয়েছে। নামগুলো হলো: আল-মালিক, আল-কুদ্দুস, আস-সালাম, আল-মুমিন, আল-মুহাইমিন, আল-আজিজ, আল-জাব্বার, আল-মুতাকাব্বির (আয়াত ২৩) এবং আল-খালিক্ব, আল-বারিউ, আল-মুসাওয়ির (আয়াত ২৪)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইসলামে জ্ঞান অর্জনকে অত্যাবশ্যকীয় ঘোষণা করা হয়েছে। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, "জ্ঞান অন্বেষণ করা প্রত্যেক মুসলিম (নর-নারী) এর উপর ফরজ" (ইবনে মাজাহ)।
সঠিক ও ভুলের পার্থক্য বোঝার জন্য এবং সঠিক পথে জীবন পরিচালনার জন্য দ্বীনি জ্ঞান অর্জন করা ফরজ ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রশ্নোক্ত আয়াতটি পবিত্র কুরআনের সূরা বাকারার ২৭৬ নম্বর আয়াত। এই আয়াতে আল্লাহ তায়ালা সুদ ও সাদাকার বিপরীতমুখী ফলাফল বর্ণনা করেছেন।
আল্লাহ বলেন: "আল্লাহ সুদকে নিশ্চিহ্ন করেন এবং দান-সাদাকাকে বর্ধিত করেন।" (সূরা বাকারা: ২৭৬)। এখানে সুদকে বরকতহীন এবং সাদাকাকে সম্পদ বৃদ্ধির মাধ্যম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, 'আস-সালাতু মিরাজুল মুমিনীন' অর্থাৎ সালাত মুমিনের জন্য মিরাজ
মিরাজ শব্দের অর্থ ঊর্ধ্বগমন বা সোপান। মহানবী (সা.) যেমন মিরাজের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলার সান্নিধ্য লাভ করেছিলেন, তেমনি একজন মুমিন বান্দা সালাতের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য ও সান্নিধ্য লাভ করে থাকেন। এজন্য সালাতকে মুমিনের মিরাজ বলা হয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পবিত্র কুরআনের সূরা আল-হুজুরাত-এর ১০ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তায়ালা ঘোষণা করেছেন— 'নিশ্চয়ই মুমিনগণ পরস্পর ভাই ভাই, কাজেই তোমরা তোমাদের দুই ভাইয়ের মধ্যে মীমাংসা করে দাও'।
এটি মুসলিম উম্মাহর ভ্রাতৃত্ববোধ ও ঐক্য প্রতিষ্ঠার মূল ভিত্তি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বিখ্যাত মুসলিম ইতিহাসবিদ ও সমাজবিজ্ঞানী আবদুর রহমান ইবনে খালদুন ১৩৩২ খ্রিস্টাব্দে তিউনিসিয়াতে জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি আধুনিক সমাজবিজ্ঞান ও ইতিহাসের দর্শনের জনক হিসেবে পরিচিত। তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ হলো 'আল-মুকাদ্দিমা'।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হাদীসের দুটি প্রধান অংশ থাকে: ১. সনদ এবং ২. মতন।
- মতন: হাদীসের মূল কথা বা শব্দাবলীকে 'মতন' বলা হয়। অর্থাৎ রাসূল (সা.) যা বলেছেন বা করেছেন তার মূল বিবরণই মতন।
- সনদ: হাদীস বর্ণনাকারীদের ধারাবাহিক বা পর্যায়ক্রমিক তালিকাকে 'সনদ' বলা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রাসূল (সাঃ)-এর উপর যখন ওহী নাযিল হতো, তখন তিনি তা সাহাবীদের দিয়ে লিখিয়ে নিতেন। যারা ওহী লিখতেন, তাদের 'কাতেবে ওহী' বা 'ওহী লেখক' বলা হতো।
মোট ৪২ জন সাহাবী ওহী লেখার কাজে নিয়োজিত ছিলেন, যার মধ্যে যায়েদ ইবনে সাবিত (রাঃ) ছিলেন অন্যতম এবং প্রধান।
পরবর্তীতে খলিফা হযরত আবু বকর (রাঃ)-এর শাসনামলে তাঁর নেতৃত্বেই পবিত্র কুরআন গ্রন্থাকারে সংকলনের ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালিত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আল কুরআনের সুরা ফাতহ-এর প্রথম আয়াতে হুদায়বিয়ার সন্ধিকে 'ফাতহুম মুবীন' বা 'সুস্পষ্ট বা বড় বিজয়' হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
যদিও বাহ্যিকভাবে এটি মুসলিমদের জন্য অপমানজনক মনে হয়েছিল, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এই সন্ধির ফলেই ইসলাম প্রচারের পথ উন্মুক্ত হয় এবং পরবর্তীতে মক্কা বিজয়ের ভিত্তি স্থাপিত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পবিত্র কুরআনে একমাত্র সাহাবী হিসেবে জায়েদ ইবনে হারিসা (রা.)-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
সুরা আহযাবের ৩৭ নম্বর আয়াতে তাঁর নাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে।
(নোট: আপনার দেওয়া সঠিক উত্তরে 'জায়েদ ইবনে সাবিত' উল্লেখ থাকলেও প্রকৃত সঠিক উত্তর 'জায়েদ ইবনে হারিসা'। প্রশ্নপত্রে ভুল থাকলে সঠিক তথ্যটি জানা জরুরি।)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পবিত্র আল কুরআনে সর্বমোট ২৫ জন নবীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
এর মধ্যে ১৮ জন নবীর নাম সুরা আনআমে একত্রে এবং বাকিদের নাম কুরআনের বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে এসেছে। তবে হাদিস অনুযায়ী পৃথিবীতে মোট নবীর সংখ্যা ১ লক্ষ ২৪ হাজার বা ২ লক্ষ ২৪ হাজার।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পবিত্র কুরআনে মোট ১৪টি সিজদার আয়াত রয়েছে।
এই আয়াতগুলো তেলাওয়াত করলে বা শুনলে তেলাওয়াতকারী ও শ্রোতা উভয়ের ওপর সিজদা করা ওয়াজিব। ইমাম আবু হানিফা (রহ.)-এর মতে সিজদার আয়াতের সংখ্যা ১৪টি, তবে ইমাম শাফিয়ী (রহ.)-এর মতে ১৫টি। আমাদের দেশে ১৪টি হিসেবেই আমল করা হয়।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী যাকাত ফরজ হওয়ার জন্য স্বর্নের নিসাব হলো সাড়ে সাত তোলা (বা ৮৫/৮৭.৪৮ গ্রাম)।
কারো কাছে যদি পূর্ণ এক বছর যাবত এই পরিমাণ বা তার চেয়ে বেশি সোনা গচ্ছিত থাকে, তবে তাকে তার মোট সম্পদের ২.৫% যাকাত হিসেবে প্রদান করতে হবে। রৌপ্যের ক্ষেত্রে এই নিসাব হলো সাড়ে বায়ান্ন তোলা।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0