ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি (মেসেঞ্জার কাম গার্ড, গ্রেড-২) - ২১.০৯.২০১২ (80 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হযরত হামজা (রা.) উহুদ যুদ্ধে শহীদ হন।
- উহুদ যুদ্ধ হিজরি ৩য় সনে (৬২৫ খ্রিষ্টাব্দে) সংঘটিত হয়।
- তিনি ছিলেন রাসূল (সা.)-এর আপন চাচা এবং দুধভাই।
- তাঁর অসাধারণ বীরত্বের কারণে তাঁকে 'আসাদুল্লাহ' বা 'আল্লাহর সিংহ' উপাধি দেওয়া হয়েছিল।
- যুদ্ধের ময়দানে ওয়াহশী ইবনে হারব নামক এক হাবশী দাসের বর্শার আঘাতে তিনি শাহাদাত বরণ করেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সাইফুল্লাহ (Saifullah) অর্থ হলো 'আল্লাহর তলোয়ার'। এই উপাধিটি প্রখ্যাত সাহাবী খালিদ বিন ওয়ালিদ (রা.)-কে দেওয়া হয়েছিল।
- তিনি ইসলাম গ্রহণের পূর্বে উহুদের যুদ্ধে কুরাইশদের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
- ৬২৯ সালে (মতান্তরে ৬২৭ সালে) ইসলাম গ্রহণের পর তিনি বিভিন্ন যুদ্ধে অসাধারণ বীরত্ব প্রদর্শন করেন।
- মুতার যুদ্ধে তাঁর অসামান্য বীরত্বের কারণে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) তাঁকে 'সাইফুল্লাহ' উপাধিতে ভূষিত করেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আরবি 'আসমা' শব্দটি 'ইসম' (নাম)-এর বহুবচন এবং 'হুসনা' অর্থ সুন্দরতম। তাই 'আসমাউল হুসনা' অর্থ হলো 'সুন্দরতম নামসমূহ' বা 'আল্লাহর সুন্দর নামসমূহ'।
- পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন: 'আর আল্লাহর জন্যই রয়েছে সুন্দর সুন্দর নাম। অতএব তোমরা তাঁকে সেই সকল নামেই ডাকো।' (সূরা আল-আরাফ: ১৮০)।
- প্রসিদ্ধ একটি হাদিস অনুযায়ী, আল্লাহর ৯৯টি গুণবাচক নাম রয়েছে, যা আসমাউল হুসনা নামে পরিচিত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পবিত্র কুরআনের প্রথম নাজিলকৃত আয়াতগুলো হলো সূরা আলাক-এর প্রথম ৫টি আয়াত। হেরা গুহায় মহানবী (সা.)-এর ওপর এগুলো অবতীর্ণ হয়।
- তবে, ওহী নাজিলের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সম্পূর্ণ বা পূর্ণাঙ্গ সূরা হিসেবে সর্বপ্রথম নাজিল হয় 'সূরা ফাতিহা'
- যদিও সূরা আলাক বা সূরা মুদ্দাসসিরের কিছু অংশ আগে নাজিল হয়েছিল, কিন্তু সেগুলো খণ্ডাকারে ছিল; পূর্ণাঙ্গ সূরা হিসেবে সূরা ফাতিহাই প্রথম।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ওহুদের যুদ্ধ ৩য় হিজরিতে মদিনার অদূরে ওহুদ পাহাড়ের পাদদেশে সংঘটিত হয়েছিল। এই যুদ্ধে মুসলিম বাহিনীর মোট ৭০ জন সাহাবী শাহাদাত বরণ করেন।
তাঁদের মধ্যে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর প্রিয় চাচা এবং 'সাইয়্যিদুশ শুহাদা' (শহীদদের সর্দার) খ্যাত হযরত হামজা (রা.) অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। অন্যদিকে এই যুদ্ধে কাফেরদের পক্ষে নিহত হয়েছিল ২২ জন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইসলামি শরিয়তে সুদ (Riba) গ্রহণ, প্রদান এবং এর সাথে যেকোনো ধরনের সম্পৃক্ততা চরমভাবে নিষিদ্ধ (হারাম)।
- আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনের সূরা আল-বাকারার ২৭৮-২৭৯ নম্বর আয়াতে সুদের কারবারের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন।
- আয়াতে বলা হয়েছে, "হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সুদের যা বকেয়া আছে তা ছেড়ে দাও... আর যদি তোমরা তা না করো, তবে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ থেকে যুদ্ধের ঘোষণা শুনে নাও।"
- শিরক বা চুরির মতো অন্যান্য বড় গুনাহের ক্ষেত্রে কঠিন শাস্তির কথা বলা হলেও, সুদের মতো অন্য কোনো গুনাহের বিরুদ্ধে আল্লাহ সরাসরি যুদ্ধের ঘোষণা দেননি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আধুনিক বিশ্বে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে প্রথম ইসলামী ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু হয় মিশরে
- ১৯৬৩ সালে মিশরের মিত গামার (Mit Ghamr) নামক স্থানে 'মিত গামার সেভিংস ব্যাংক' (Mit Ghamr Savings Bank) নামে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়, যা ড. আহমাদ আল নাজ্জার-এর উদ্যোগে চালু হয়েছিল।
- যদিও এটি পরীক্ষামূলক ছিল, তবুও এটিকে আধুনিক ইসলামী ব্যাংকিংয়ের পথিকৃৎ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৭৫ সালে দুবাইতে 'দুবাই ইসলামী ব্যাংক' প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক ধারার ইসলামী ব্যাংকিং শুরু হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ষষ্ঠ হিজরীর জিলকদ মাসে (মার্চ ৬২৮ খ্রিষ্টাব্দে) মদিনার মুসলিম এবং মক্কার কুরাইশদের মধ্যে হুদায়বিয়ার সন্ধি নামক একটি ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই ঐতিহাসিক সন্ধিপত্রের লেখক ছিলেন ইসলামের চতুর্থ খলিফা হযরত আলী (রা.)
- মক্কার অদূরে 'হুদায়বিয়া' নামক স্থানে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ায় একে হুদায়বিয়ার সন্ধি বলা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আরবি 'সাহু' শব্দের অর্থ হলো ভুল করা বা ভুলে যাওয়া
- নামাজের ভেতরে ভুলবশত কোনো ওয়াজিব কাজ ছুটে গেলে কিংবা কোনো ফরজ বা ওয়াজিব আদায়ে বিলম্ব হলে তার ক্ষতিপূরণস্বরূপ নামাজের শেষে যে অতিরিক্ত সিজদা দিতে হয়, তাকে সিজদায়ে সাহু বলা হয়।
- ভুলবশত সুন্নাত ছুটে গেলে সিজদায়ে সাহু ওয়াজিব হয় না এবং নামাজ শুদ্ধ হয়ে যায়।
- তবে নামাজের কোনো ফরজ ছুটে গেলে কিংবা ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো ওয়াজিব ছেড়ে দিলে সিজদায়ে সাহু দিলেও নামাজ শুদ্ধ হয় না, বরং নামাজ পুনরায় পড়া আবশ্যক।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর পবিত্র কুরআন দীর্ঘ প্রায় ২৩ বছর (সঠিকভাবে ২২ বছর ৫ মাস ১৪ দিন) ধরে খণ্ড খণ্ড আকারে নাজিল হয়েছে।
- কুরআন সর্বপ্রথম লাওহে মাহফুজ থেকে প্রথম আসমানে কদরের রাতে (রমজান মাসে) একত্রে নাজিল হয়।
- এরপর নবুওয়াতের শুরু থেকে (৪০ বছর বয়সে) ওফাতের আগ পর্যন্ত প্রয়োজন ও প্রেক্ষাপট অনুযায়ী জিবরাঈল (আ.)-এর মাধ্যমে রাসূল (সা.)-এর ওপর নাজিল হতে থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
'বিশ্বনবী' গ্রন্থটির রচয়িতা কবি গোলাম মোস্তফা। এটি হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র জীবনের ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি অসাধারণ জীবনীমূলক গ্রন্থ। বাংলা সাহিত্যে ইসলামি আদর্শ ও মুসলিম ঐতিহ্যের রূপায়ণে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

কবি গোলাম মোস্তফার সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
কাব্যগ্রন্থ: রক্তরাগ, সাহারা, হাস্নাহেনা, বুলবুলিস্তান, বনি আদম, কাব্য কাহিনী ইত্যাদি।
স্বীকৃতি: তাঁর সাহিত্যকর্মের জন্য তাঁকে 'কাব্য সুধাকর' ও 'সিতারা-ই-ইমতিয়াজ' উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিল।

অন্যান্য অপশনগুলোর প্রাসঙ্গিক তথ্য:
মওলানা আকরম খাঁ: তিনিও মহানবী (সা.)-এর জীবনী লিখেছেন, তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থটির নাম 'মোস্তফা চরিত'। (পরীক্ষায় অনেক সময় 'বিশ্বনবী' ও 'মোস্তফা চরিত' নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়)।
সৈয়দ আলী আহসান: বাংলাদেশের একজন খ্যাতিমান কবি, শিক্ষাবিদ ও সমালোচক। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্য 'একক সন্ধ্যায় বসন্ত'
স্যার সৈয়দ আহমদ: তিনি উপমহাদেশের বিখ্যাত শিক্ষাব্রতী, সমাজ সংস্কারক এবং আলীগড় আন্দোলনের প্রাণপুরুষ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- 'মুত্তাফাকুন আলাইহি' (مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ) একটি আরবি পরিভাষা, যার আভিধানিক অর্থ হলো 'একমত হওয়া' বা 'ঐকমত্য পোষণ করা'।
- হাদীসশাস্ত্রের পরিভাষায়, যে হাদীস একই সাহাবী থেকে ইমাম বুখারী (র.) এবং ইমাম মুসলিম (র.) উভয়েই নিজ নিজ সহীহ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন, তাকে 'মুত্তাফাকুন আলাইহি' বলা হয়।
- সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমকে একত্রে 'সহীহাইন' বা দুইটি বিশুদ্ধ গ্রন্থ বলা হয়।
- 'মুত্তাফাকুন আলাইহি' হিসেবে বর্ণিত হাদীসগুলো ইসলামী পন্ডিতদের নিকট বিশুদ্ধতার সর্বোচ্চ স্তরের বলে গণ্য হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ইসলামের প্রথম মুয়াজ্জিন হলেন হযরত বেলাল (রা)
- তিনি একজন হাবশি ক্রীতদাস ছিলেন, যিনি ইসলাম গ্রহণ করার কারণে নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন।
- রাসুলুল্লাহ (সা) তাঁকে মসজিদে নববীতে আজান দেওয়ার বিশেষ দায়িত্ব প্রদান করেন। তাঁর সুমধুর কণ্ঠ ও ইসলামের প্রতি অকৃত্রিম নিবেদনের জন্য তিনি ইতিহাসে চিরস্মরণীয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা স্পষ্টভাবে এরশাদ করেছেন, 'নিশ্চয়ই সালাত অশ্লীল ও গর্হিত কাজ থেকে বিরত রাখে।' (সূরা আল-আনকাবুত, আয়াত: ৪৫)।
একজন মুমিন যখন দিনে পাঁচবার আল্লাহর সামনে দাঁড়িয়ে নিজের দাসত্ব ও জবাবদিহিতার কথা স্মরণ করে, তখন তার অন্তরে আল্লাহর ভয় জাগ্রত হয়। এই ভয়ই তাকে বাস্তব জীবনে অন্যায়, অশ্লীলতা ও পাপাচার থেকে দূরে থাকতে সাহায্য করে।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
'সিহাহ সিত্তাহ' (আরবি: الصحاح الستة) শব্দটির অর্থ হলো 'ছয়টি বিশুদ্ধ'। ইসলামি পরিভাষায়, আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের নিকট সর্বাপেক্ষা বিশুদ্ধ ও নির্ভরযোগ্য বলে বিবেচিত ৬টি হাদীস গ্রন্থকে একত্রে সিহাহ সিত্তাহ বলা হয়।
গ্রন্থগুলো হলো:
১. সহীহ বুখারী
২. সহীহ মুসলিম
৩. জামে তিরমিযী
৪. সুনানে আবু দাউদ
৫. সুনানে নাসাঈ
৬. সুনানে ইবনে মাজাহ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হযরত উসমান (রা)-এর উপাধি হলো 'যুন-নুরাইন' (বা প্রচলিত বানানে 'জিল্লুরাইন' / 'জিন্নুরাইন'), যার অর্থ 'দুই জ্যোতির অধিকারী'
তাঁকে এই উপাধি দেওয়ার মূল কারণ হলো, তিনি মহানবী (সা)-এর দুই কন্যা—প্রথমে রুকাইয়া (রা) এবং তাঁর ইন্তেকালের পর উম্মে কুলসুম (রা)-কে পর্যায়ক্রমে বিবাহ করেছিলেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আল্লাহ তাআলা মানবজাতির হেদায়াতের জন্য যুগে যুগে আসমানি কিতাব পাঠিয়েছেন। এর মধ্যে চারটি প্রধান কিতাবের একটি হলো তওরাত
এই কিতাবটি মহান আল্লাহ বনী ইসরাইলের নবী হযরত মুসা (আ.)-এর ওপর নাজিল করেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হাদিস শরীফে উল্লেখ আছে, 'এক মুমিন অপর মুমিনের জন্য আয়না (Mirror) স্বরূপ'। এটি একটি রূপক অর্থ বহন করে।
- আয়না যেমন মানুষের মুখের দাগ বা ত্রুটি কোনো ভণিতা ছাড়াই ধরিয়ে দেয়, তেমনি একজন প্রকৃত মুমিন তার ভাইয়ের দোষ-ত্রুটি ধরিয়ে দেবে যাতে সে নিজেকে সংশোধন করতে পারে।
- আয়না যেমন ময়লা দূর করলে পরিষ্কার প্রতিবিম্ব দেখায়, মুমিনও তার ভাইয়ের চরিত্র সংশোধনে নিঃস্বার্থভাবে সাহায্য করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কারো অনুপস্থিতিতে তার এমন কোনো দোষ-ত্রুটি নিয়ে আলোচনা করা, যা শুনলে সে মনে কষ্ট পাবে, তাকে ইসলামি পরিভাষায় গীবত বলা হয়।
- গীবত করাকে পবিত্র কুরআনে মৃত ভাইয়ের গোশত খাওয়ার সাথে তুলনা করা হয়েছে, যা অত্যন্ত ঘৃণ্য কাজ।
- বুহতান হলো মিথ্যা অপবাদ দেওয়া, যা গীবতের চেয়েও জঘন্য। আর পরনিন্দা বা নিন্দা সাধারণ অর্থে দোষ চর্চা বোঝালেও গীবত শব্দটি ইসলামি পরিভাষায় সুনির্দিষ্ট অর্থ বহন করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রাথমিক যুগে পবিত্র কুরআন লিখিত হতো নুক্তা বা হরকত (স্বরচিহ্ন) ছাড়া। পরবর্তীতে অনারব বা আজমিদের জন্য কুরআন পাঠ সহজ ও নির্ভুল করার লক্ষ্যে উমাইয়া শাসনামলে ইরাকের গভর্নর হাজ্জাজ বিন ইউসুফ-এর নির্দেশে বা তত্ত্বাবধানে কুরআনে যবর, জের, পেশ বা হরকত সংযোজন করা হয়। এটি কুরআন পঠনের বিশুদ্ধতা রক্ষায় একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ ছিল।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
তাকওয়া শব্দের অর্থ হলো আল্লাহভীতি বা পরহেজগারি। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা তাকওয়া অর্জনের জন্য রোজা বা সাওম-কে বিশেষভাবে নির্দেশ করেছেন।
- সুরা বাকারার ১৮৩ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, 'হে মুমিনগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর; যেন তোমরা তাকওয়া (খোদভীতি) অর্জন করতে পারো।'
- রোজা মানুষকে পানাহার ও কামাচার থেকে বিরত রেখে আত্মশুদ্ধি ও আত্মসংযমের শিক্ষা দেয়, যা তাকওয়া অর্জনের সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আমানতের খিয়ানত করা অর্থাৎ বিশ্বাস ভঙ্গ করা মুনাফিকের একটি অন্যতম স্পষ্ট লক্ষণ।
- ইসলামের পরিভাষায়, যে ব্যক্তি মুখে ঈমানের কথা স্বীকার করে কিন্তু অন্তরে অবিশ্বাস লালন করে, তাকে মুনাফিক বা কপটচারী বলা হয়।
- সহিহ বুখারি ও মুসলিম শরীফে বর্ণিত হাদিস অনুসারে, মুনাফিকের চিহ্ন তিনটি।
- চিহ্নগুলো হলো: যখন সে কথা বলে, মিথ্যা বলে; যখন ওয়াদা করে, তা ভঙ্গ করে এবং যখন তার কাছে আমানত রাখা হয়, তখন সে তার খিয়ানত করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মানুষের মৃত্যুর পর থেকে কিয়ামত বা পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত মধ্যবর্তী সময়কালের জগতকে আলমে বারযাখ বা বারযাখ জগত বলা হয়।
- ‘বারযাখ’ শব্দের অর্থ হলো অন্তরায় বা পর্দা, যা দুনিয়া ও আখিরাতের মাঝখানের একটি অবস্থান।
- হাশর, মীযান এবং পুলসিরাত হলো কিয়ামত পরবর্তী বিচার দিবসের ধাপ, কিন্তু বারযাখ হলো মৃত্যুর ঠিক পরের অবস্থা।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আল্লাহ তায়ালার একত্ববাদ (তাওহীদ) ও সত্তার পরিচয় সবচেয়ে সুন্দর ও সংক্ষিপ্তভাবে তুলে ধরা হয়েছে সূরা ইখলাস-এ।
- পবিত্র কুরআনের ১১২ তম এই সূরায় আল্লাহ নিজেকে একক, অমুখাপেক্ষী এবং অতুলনীয় হিসেবে ঘোষণা করেছেন।
- হাদিস শরীফে এই সূরাটিকে ‘কুরআনের এক-তৃতীয়াংশ’ এর সমান মর্যাদা দেওয়া হয়েছে, কারণ এতে খালেসভাবে আল্লাহর পরিচয় বর্ণিত হয়েছে।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইসলামের তৃতীয় খলিফা হজরত ওসমান (রা)-কে 'জামিউল কুরআন' বা 'কুরআন একত্রকারী/সংকলক' বলা হয়
- তাঁর খিলাফতকালে ইসলামী সাম্রাজ্য ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত হলে বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের মধ্যে কুরআন পাঠের রীতিতে ভিন্নতা দেখা দেয়।
- এই বিভ্রান্তি দূর করতে এবং মুসলিম উম্মাহকে একই পাঠের ওপর ঐক্যবদ্ধ করতে তিনি কুরআনের একটি প্রমিত কপি (মুসহাফ) সংকলন করেন এবং বিভিন্ন অঞ্চলে এর অনুলিপি পাঠিয়ে দেন।
- এই ঐতিহাসিক উদ্যোগের জন্যই তাঁকে 'জামিউল কুরআন' উপাধি দেওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0