ইসলামি ব্যাংক অফিসার (ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার -ক্যাশ) - ০১.১১.২০২৫ (100 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- পবিত্র কুরআনের সূরা আল-বাকারা, সূরা আলে ইমরান এবং সূরা আন-নিসা, এই তিনটি সূরাতেই সুদ (রিবা) সম্পর্কিত আলোচনা করা হয়েছে।
- সূরা আল-বাকারার ২৭৫ থেকে ২৮০ নম্বর আয়াতে সুদকে কঠোরভাবে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে এবং এর ভয়াবহতা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা রয়েছে।
- সূরা আলে ইমরানের ১৩০ নম্বর আয়াতে মুমিনদেরকে চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ গ্রহণ করতে নিষেধ করা হয়েছে।
- সূরা আন-নিসার ১৬১ নম্বর আয়াতে সুদ গ্রহণকে একটি গর্হিত কাজ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং এটিকে কাফিরদের বৈশিষ্ট্য হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ‘রাসুল (সাঃ) এর বিপ্লবী জীবন’ গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন আবু সলিম মুহাম্মদ আবদুল হাই
- তিনি ছিলেন একজন স্বনামধন্য বাংলাদেশী ইসলামী চিন্তাবিদ, আলেম এবং লেখক।
- এই গ্রন্থটিতে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর জীবনের বিপ্লবী ও যুগান্তকারী দিকগুলো তুলে ধরা হয়েছে।
- প্রসঙ্গত, নঈম সিদ্দিকী রচিত বিখ্যাত জীবনীগ্রন্থ হলো ‘মানবতার বন্ধু মুহাম্মদ রাসুলুল্লাহ (সাঃ)’, এবং গোলাম মোস্তফা রচিত জীবনীগ্রন্থের নাম ‘বিশ্বনবী’।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- এই উক্তিটি পবিত্র কোরআনের সূরা আল-আনকাবুত থেকে নেওয়া হয়েছে।
- এটি উক্ত সূরার ৪৫ নম্বর আয়াতের অংশবিশেষ।
- আয়াতটির মূলভাব হলো, নামাজ প্রতিষ্ঠা করলে তা মানুষকে সব ধরনের অশ্লীল ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে।
- সূরা আল-আনকাবুত পবিত্র কোরআনের ২৯তম সূরা
- এই সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হওয়ায় এটি একটি মাক্কী সূরা হিসেবে পরিচিত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ইসলামী শরীয়তের পরিভাষায়, সফর অবস্থায় চার রাকাতবিশিষ্ট ফরজ নামাজকে দুই রাকাত আদায় করাকে 'কসর' বলা হয়।
- আরবি 'কসর' শব্দের অর্থ হলো কম করা বা সংক্ষিপ্ত করা
- কোনো ব্যক্তি তার আবাসস্থল থেকে ৪৮ মাইল (প্রায় ৭৮ কিলোমিটার) বা তার বেশি দূরত্বের সফরের নিয়ত করলে তিনি মুসাফির গণ্য হন।
- মুসাফির ব্যক্তি জোহর, আসর এবং এশার চার রাকাত ফরজ নামাজ সংক্ষিপ্ত করে দুই রাকাত আদায় করবেন।
- ফজর ও মাগরিবের নামাজের কোনো কসর নেই, এগুলো পূর্ণাঙ্গভাবেই আদায় করতে হয়।
- গন্তব্যস্থলে ১৫ দিনের কম সময় অবস্থানের নিয়ত করলে কসরের নামাজ পড়তে হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বছরে মোট পাঁচ দিন রোজা রাখা হারাম বা নিষিদ্ধ।
- এই দিনগুলো হলো ঈদুল ফিতরের ১ দিন এবং ঈদুল আযহার ১ দিন
- বাকি তিন দিন হলো আইয়ামে তাশরিকের দিনগুলো, যা জিলহজ মাসের ১১, ১২ ও ১৩ তারিখ।
- ঈদুল আযহার পরের এই তিন দিনকেও ঈদের আনন্দের অংশ হিসেবে গণ্য করা হয়, তাই এ সময়ে রোজা রাখা নিষেধ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

- ইসলামী শিক্ষানুযায়ী, মুনাফিক অর্থাৎ যারা মুখে ইসলাম গ্রহণ করলেও মনে অবিশ্বাস পোষণ করে, তাদের অবস্থান জাহান্নামের সবচেয়ে নীচ স্তরে হবে।
- আল্লাহ তায়ালা কুরআনে বলেছেন—
“নিশ্চয়ই মুনাফিকরা জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে থাকবে।” (সূরা আন-নিসা: আয়াত ১৪৫)

অতএব, জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তানে অবস্থান করবে মুনাফিকরা

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ইসলাম ধর্মে যেকোনো ধরনের অশ্লীল ও নির্লজ্জ কাজ সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ বা হারাম।
- আল্লাহতায়ালা পবিত্র কুরআনে মন্দ ও অশ্লীল কাজকে সুস্পষ্টভাবে হারাম ঘোষণা করেছেন।
- সূরা আল-আ'রাফ এর ৩৩ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, "আমার পালনকর্তা তো প্রকাশ্য ও গোপনীয় অশ্লীল বিষয়সমূহ হারাম করেছেন"।
- অশ্লীলতা পরিবার, সমাজ ও নৈতিকতায় মারাত্মক অবক্ষয় সৃষ্টি করে, তাই এটি বর্জনীয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- আরবীতে একটি বহুল প্রচলিত প্রবাদ হলো 'হুব্বুল ওয়াতান মিনাল ঈমান'
- এর অর্থ হলো, 'স্বদেশপ্রেম ঈমানের অঙ্গ'
- যদিও এটি সরাসরি হাদিস হিসেবে প্রমাণিত নয়, এর অর্থ ইসলামিক ভাবধারার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।
- হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) নিজ জন্মভূমি মক্কাকে অত্যন্ত ভালোবাসতেন, যা তাঁর হিজরতের সময়ের বেদনাপ্লুত উক্তি থেকে বোঝা যায়।
- দেশের প্রতি কর্তব্য পালন, এর উন্নতি ও সুরক্ষার জন্য কাজ করাকে ইসলাম উৎসাহিত করে, যা ঈমানেরই একটি অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- আমানতের খিয়ানত করা অর্থাৎ বিশ্বাস ভঙ্গ করা মুনাফিকের একটি অন্যতম স্পষ্ট লক্ষণ।
- ইসলামের পরিভাষায়, যে ব্যক্তি মুখে ঈমানের কথা স্বীকার করে কিন্তু অন্তরে অবিশ্বাস লালন করে, তাকে মুনাফিক বা কপটচারী বলা হয়।
- সহিহ বুখারি ও মুসলিম শরীফে বর্ণিত একটি বিখ্যাত হাদিস অনুসারে, মুনাফিকের চিহ্ন তিনটি।
- চিহ্নগুলো হলো: যখন সে কথা বলে, মিথ্যা বলে; যখন ওয়াদা করে, তা ভঙ্গ করে এবং যখন তার কাছে আমানত রাখা হয়, তখন সে তার খিয়ানত করে।
- সুতরাং, কারও কাছে গচ্ছিত কোনো বস্তু, অর্থ বা কথার আমানত রক্ষা না করা নিফাকি বা কপটতার পরিচায়ক।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে নামাজ অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদত।
- নামাজ আদায়ের জন্য শরীর, পোশাক এবং নামাজের স্থান পবিত্র হওয়া অপরিহার্য, যাকে তাহারাত বা পবিত্রতা বলা হয়।
- অযু হলো নামাজের অন্যতম প্রধান পূর্বশর্ত; অযু ছাড়া নামাজ শুদ্ধ হয় না।
- বৃহত্তর অপবিত্রতা থেকে পবিত্র হওয়ার জন্য গোসল ফরজ হয়, যা তখন নামাজের পূর্বশর্তে পরিণত হয়।
- কুলি করা এবং নাক পরিষ্কার করা অযুর গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ, তবে এগুলো স্বতন্ত্র শর্ত নয়।
- পুরুষদের জন্য টুপি পরিধান করা মুস্তাহাব বা সুন্নাহ, কিন্তু এটি নামাজের জন্য বাধ্যতামূলক কোনো শর্ত নয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ইসলামের মহানবী হযরত মুহাম্মদ (ﷺ) এর একটি বিখ্যাত হাদিস অনুসারে,
- যে ব্যক্তি দুনিয়াতে কোনো মুসলিমের দোষ গোপন রাখে, আল্লাহ তা'আলা দুনিয়া ও আখিরাতে তার দোষ গোপন রাখেন।
- বিশেষ করে, কিয়ামতের কঠিন দিনে আল্লাহ তার পাপসমূহ গোপন করে তাকে ক্ষমা করে দেবেন
- এই কাজটি মুসলিমদের মধ্যে পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব, সম্মান ও আস্থা বৃদ্ধি করে।
- এটি সমাজকে গীবত, অপবাদ এবং হিংসা-বিদ্বেষের মতো মন্দ কাজ থেকে রক্ষা করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর ব্যক্তিগত উটনীর নাম ছিল আল-কাসওয়া
- তিনি এই উটনীতে চড়েই মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করেছিলেন।
- মদিনায় প্রবেশের পর কাসওয়া যেখানে বসে পড়েছিল, সেখানেই মসজিদে নববী নির্মাণ করা হয়।
- এই উটনীটি তিনি হযরত আবু বকর (রাঃ) এর কাছ থেকে কিনেছিলেন।
- মহানবী (সাঃ) বিদায় হজ্জের ভাষণও এর পিঠে বসেই দিয়েছিলেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ইসলাম ধর্মে ইবাদত কবুল হওয়ার অন্যতম প্রধান শর্ত হলো হালাল বা বৈধ উপার্জন।
- অন্যান্য ফরয ইবাদতের পর প্রত্যেক সক্ষম মুসলমানের জন্য হালাল জীবিকা অন্বেষণ করা একটি গুরুত্বপূর্ণ ফরয
- রাসূলুল্লাহ (সা.) একটি হাদিসে বলেছেন, "ফরয ইবাদতগুলোর পর হালাল রুজি অন্বেষণ করাও একটি ফরয"।
- হারাম খাদ্য ও উপার্জন দ্বারা ইবাদত এবং দোয়া কবুল হয় না।
- নিজের এবং পরিবারের ভরণপোষণের জন্য বৈধ উপায়ে আয় করাকে ইসলাম সওয়াবের কাজ হিসেবে গণ্য করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- উক্তিটি পবিত্র কোরআনের সূরা আল-বাকারার ১৮৭ নম্বর আয়াতের অংশবিশেষ।
- আয়াতে ব্যবহৃত 'ভূষণ' বা 'পোশাক' (আরবীতে 'লিবাস') শব্দটি রূপক অর্থে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ককে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
- পোশাক যেমন মানুষের শরীরকে আবৃত করে, বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করে এবং সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
- তেমনি স্বামী-স্ত্রীও একে অপরের দোষ-ত্রুটি গোপন রাখে, বিপদ থেকে সুরক্ষা দেয় এবং পরস্পরের জন্য সম্মান ও মর্যাদার কারণ হয়।
- এই আয়াতটি স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার গভীর ভালোবাসা, ঘনিষ্ঠতা এবং একে অপরের পরিপূরক হওয়ার তাৎপর্য তুলে ধরে।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- 'বাংলার মুসলমানদের ইতিহাস' একটি উল্লেখযোগ্য এবং বহুল পঠিত ঐতিহাসিক গ্রন্থ।
- এই বইটির রচয়িতা হলেন আব্বাস আলী খাঁন
- আব্বাস আলী খাঁন ছিলেন একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ, লেখক ও ইসলামী চিন্তাবিদ
- তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমির হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
- তার রচিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য বইয়ের মধ্যে রয়েছে 'জামায়াতে ইসলামীর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস' ও 'মাওলানা মওদূদী: একটি জীবন, একটি ইতিহাস'।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- পবিত্র কুরআনের সূরা আত-তাওবার ৬০ নম্বর আয়াত অনুযায়ী যাকাত বন্টনের খাত ৮টি
- খাতগুলো হলো: ফকির, মিসকিন, যাকাত আদায়কারী, অনুরাগী ব্যক্তি (নওমুসলিম), দাসমুক্তি, ঋণগ্রস্ত, আল্লাহর পথে সংগ্রামকারী এবং মুসাফির
- যাকাত শব্দের অর্থ পরিশুদ্ধ করা বা বৃদ্ধি পাওয়া; এটি ইসলামের পঞ্চম স্তম্ভের একটি
- নিসাব পরিমাণ (সাড়ে সাত তোলা স্বর্ণ বা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার সমমূল্য) সম্পদের উপর শতকরা ২.৫% হারে যাকাত প্রদান করা ফরজ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- রাসূলুল্লাহ (সাঃ) যে সকল যুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ করেছেন, সেগুলোকে ইসলামী পরিভাষায় 'গাযওয়া' বলা হয়।
- ঐতিহাসিকদের মতে, রাসূল (সাঃ) এর জীবনে সংঘটিত গাযওয়ার সংখ্যা হলো ২৭টি
- এই ২৭টি গাযওয়ার মধ্যে ৯টিতে তিনি সরাসরি যুদ্ধ বা সংঘাতে লিপ্ত হয়েছিলেন।
- তাঁর অংশগ্রহণ করা কয়েকটি উল্লেখযোগ্য যুদ্ধ হলো বদর, উহুদ, খন্দক, খায়বার এবং হুনাইনের যুদ্ধ
- যেসব অভিযানে তিনি নিজে উপস্থিত না থেকে সাহাবীদের প্রেরণ করতেন, সেগুলোকে 'সারিয়া' বলা হয়।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- পবিত্র কুরআনের ৮৩ নম্বর সূরা আল-মুতাফফিফীন-এ ওজনে বা মাপে কম দেওয়ার ভয়াবহ পরিণতির কথা বলা হয়েছে।
- 'মুতাফফিফীন' শব্দের অর্থ হলো "পরিমাপে কম প্রদানকারীগণ"
- এই সূরার প্রথম আয়াতেই (৮৩:১) আল্লাহ তায়ালা এদের জন্য "ওয়াইল" অর্থাৎ মহাধ্বংস বা কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
- সূরায় এমন ব্যক্তিদের নিন্দা করা হয়েছে যারা অন্যের থেকে নেওয়ার সময় পূর্ণ মাপে নেয়, কিন্তু দেওয়ার সময় প্রতারণা করে কম দেয়।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0