ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি (মেসেঞ্জার কাম গার্ড) - ০৫.০২.২০১৬ (80 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
'The Spirit of Islam' বইটি লিখেছেন বিখ্যাত মুসলিম চিন্তাবিদ ও আইনজ্ঞ সৈয়দ আমীর আলী
তাঁর সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- ১৮৯০-১৯০৪ সাল পর্যন্ত তিনি কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি নিযুক্ত ছিলেন।
- তাঁর উদ্যোগে ১৮৭৭ সালে সেন্ট্রাল ন্যাশনাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠিত হয়, যার মাধ্যমে ভারতীয় মুসলমানদের রাজনৈতিক স্বাতন্ত্রের আন্দোলন শুরু হয়।
- তিনি ব্রিটিশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি স্থাপনের অন্যতম উদ্যোক্তা ছিলেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর ওপর পবিত্র কুরআন দীর্ঘ প্রায় ২৩ বছর (সঠিকভাবে ২২ বছর ৫ মাস ১৪ দিন) ধরে খণ্ড খণ্ড আকারে নাজিল হয়েছে।
- কুরআন সর্বপ্রথম লাওহে মাহফুজ থেকে প্রথম আসমানে কদরের রাতে (রমজান মাসে) একত্রে নাজিল হয়।
- এরপর নবুওয়াতের শুরু থেকে (৪০ বছর বয়সে) ওফাতের আগ পর্যন্ত প্রয়োজন ও প্রেক্ষাপট অনুযায়ী জিবরাঈল (আঃ)-এর মাধ্যমে রাসূল (সাঃ)-এর ওপর নাজিল হতে থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রমজান মাসের রোজা মুসলমানদের ওপর ফরজ করা হয় মদিনায় হিজরতের পরে। নির্দিষ্টভাবে, দ্বিতীয় হিজরি সনের শাবান মাসে রোজা ফরজ হয়। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেন, 'হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর' (সূরা বাকারা: ১৮৩)। এটি ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের একটি এবং প্রাপ্তবয়স্ক ও সুস্থ সকল মুসলমানের জন্য ফরজ ইবাদত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী অজুর ফরজ কাজ মোট ৪টি
এগুলো হলো:
১. সমস্ত মুখমণ্ডল একবার ধৌত করা।
২. দুই হাতের কনুইসহ একবার ধৌত করা।
৩. মাথার চারভাগের একভাগ একবার মসেহ করা।
৪. দুই পায়ের টাখনুসহ একবার ধৌত করা।
অজুতে নিয়ত করা হলো সুন্নত, এটি ফরজ নয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
নামাজ পড়ার বা সিজদা করার নিষিদ্ধ সময় ৩টি
সময়গুলো হলো:
১. সূর্যোদয়ের সময় (সূর্য পুরোপুরি না ওঠা পর্যন্ত)।
২. ঠিক দ্বিপ্রহরের সময় (সূর্য যখন ঠিক মাথার ওপরে থাকে)।
৩. সূর্যাস্ত যাওয়ার সময় (সূর্য হলুদ বর্ণ ধারণ করা থেকে ডুবে যাওয়া পর্যন্ত)।
এই তিন সময়ে যেকোনো নামাজ পড়া বা সিজদা করা মাকরুহে তাহরীমি বা হারাম।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আবুধাবি হলো সংযুক্ত আরব আমিরাত-এর রাজধানী এবং অন্যতম প্রধান শহর।

অন্যান্য বিকল্পের দেশ ও তাদের রাজধানী:
বাহরাইন: এর রাজধানী হলো মানামা।
সৌদি আরব: এর রাজধানী হলো রিয়াদ।
ওমান: এর রাজধানী হলো মাস্কাট।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পবিত্র কুরআনের সূরা আল-আসরে মুমিনদের ৪টি বৈশিষ্ট্যের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
১. ঈমান আনা বা বিশ্বাস স্থাপন করা।
২. সৎকর্ম বা নেক আমল করা।
৩. পরস্পরকে সত্যের উপদেশ দেওয়া।
৪. পরস্পরকে ধৈর্যের উপদেশ দেওয়া।
এই ৪টি গুণ যার মধ্যে থাকবে, সে-ই কেবল দুনিয়া ও আখিরাতের ক্ষতি থেকে রক্ষা পাবে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রাসূল (সা.) দশম হিজরিতে বিদায় হজের ভাষণ প্রদান করেন। ৯ জিলহজ তিনি আরাফাতের ময়দানে অবস্থিত জাবালে রহমত (রহমতের পাহাড়)-এ দাঁড়িয়ে এই ঐতিহাসিক ভাষণটি দিয়েছিলেন। এটি ইসলামি ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ, যেখানে মানবাধিকার, সাম্য এবং ভ্রাতৃত্বের পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা দেওয়া হয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মুসলমানদের ওপর পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ লাইলাতুল মিরাজে ফরজ হয়।

- মিরাজের রাতে মহানবি হজরত মুহাম্মদ (সা.) সশরীরে জাগ্রত অবস্থায় মহান আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করেন।

- প্রথমে ৫০ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করা হলেও পরে উম্মতের সুবিধার্থে তা কমিয়ে ৫ ওয়াক্ত করা হয়।

- হিজরতের পূর্বে নবুওয়াতের একাদশ বা দ্বাদশ বর্ষে ২৭ রজব রাতে মিরাজের ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটে।

- ইসলামে কালিমার পর নামাজের স্থান, যা দ্বীনের খুঁটি হিসেবে পরিচিত।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আরবি বা হিজরি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস হলো মহররম
ইসলামি বা হিজরি বর্ষপঞ্জির প্রথম ৪টি মাস ধারাবাহিকভাবে হলো:
- মহররম
- সফর
- রবিউল আউয়াল
- রবিউস্সানী
হিজরি সন গণনা শুরু হয় মহানবি (সা.)-এর মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করার ঐতিহাসিক বছর (৬২২ খ্রিষ্টাব্দ) থেকে এবং এটি প্রবর্তন করেন খলিফা উমর (রা.)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইংরেজি ২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি হিজরি ১৪৩৭ সালের রবিউস্সানী মাসের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- ঐ দিনটি ছিল ২৬ রবিউস্সানী, ১৪৩৭ হিজরি (চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে ২৫ বা ২৬ তারিখ হতে পারে)।
- রবিউস্সানী হলো ইসলামি বা হিজরি বর্ষপঞ্জির চতুর্থ মাস।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
নামাজের মোট ফরজ ১৩টি। এর মধ্যে নামাজের বাইরে (আহকাম) ৭টি এবং নামাজের ভিতরে (আরকান) ৬টি ফরজ রয়েছে।
নামাজের ভিতরের ৬টি ফরজ হলো:
- তাকবিরে তাহরিমা (আল্লাহু আকবার) বলা
- দাঁড়িয়ে নামাজ পড়া
- কিরাত পড়া (কোরআন তেলাওয়াত করা)
- রুকু করা
- দুই সিজদা করা
- শেষ বৈঠকে বসা।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ঈমানে মুফাস্সাল অর্থ বিস্তারিত বিশ্বাস। ঈমানে মুফাস্সালে ৭টি বিষয়ের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করতে হয়।
যথা:
১. আল্লাহ্‌র প্রতি বিশ্বাস
২. ফেরেশতাগণের প্রতি বিশ্বাস
৩. আসমানি কিতাবসমূহের প্রতি বিশ্বাস
৪. নবি ও রাসুলগণের প্রতি বিশ্বাস
৫. আখেরাত বা পরকালের প্রতি বিশ্বাস
৬. তাকদির বা ভাগ্য (ভালো-মন্দ আল্লাহর পক্ষ থেকে হয়)-এর প্রতি বিশ্বাস
৭. মৃত্যুর পর পুনরুত্থানের প্রতি বিশ্বাস।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইসলামী শরীয়তে ওযুর ফরজ বা অবশ্য পালনীয় কাজ হলো ৪টি। পবিত্র কুরআনের সূরা আল-মায়িদার ৬ নং আয়াতে এই ৪টি ফরজের কথা উল্লেখ আছে। এর কোনো একটি অঙ্গ শুকনো থাকলে ওযু হবে না।
ওযুর ৪টি ফরজ হলো:
১. সমস্ত মুখমণ্ডল ধোয়া (চুলের সীমানা থেকে থুতনির নিচ পর্যন্ত এবং এক কানের লতি থেকে অন্য কানের লতি পর্যন্ত)।
২. উভয় হাত কনুইসহ ধোয়া
৩. মাথার এক-চতুর্থাংশ মাসেহ করা
৪. উভয় পা টাখনু (গোড়ালি) সহ ধোয়া
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ)-এর উপর প্রথম ওহী অবতীর্ণ হয় মক্কার অদূরে অবস্থিত জাবালে নূর পর্বতের হেরা গুহায়
- ৪০ বছর বয়সে তিনি এই গুহায় ধ্যানমগ্ন থাকাকালীন ফেরেশতা জিব্রাইল (আঃ) আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রথম ওহী নিয়ে আসেন।
- প্রথম অবতীর্ণ ওহীটি ছিল পবিত্র কুরআনের সূরা আল-আলাকের প্রথম ৫টি আয়াত, যার শুরু হয়েছিল 'ইকরা' (পড়ুন) শব্দের মাধ্যমে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মহিলা সাহাবীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি হাদীস বর্ণনা করেছেন উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাঃ)
- তিনি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর কাছ থেকে মোট ২,২১০টি হাদীস বর্ণনা করেছেন।
- সকল সাহাবীদের (নারী ও পুরুষ) মধ্যে সর্বাধিক হাদীস বর্ণনাকারীদের তালিকায় তাঁর অবস্থান চতুর্থ
- উল্লেখ্য, সামগ্রিকভাবে সবচেয়ে বেশি হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু হুরাইরা (রাঃ), যার বর্ণিত হাদীসের সংখ্যা ৫,৩৭৪টি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
শিরক শব্দের আভিধানিক অর্থ অংশীদার সাব্যস্ত করা, সমকক্ষ মনে করা বা কাউকে শরিক করা। ইসলামী পরিভাষায়, আল্লাহর সত্তা, গুণাবলি, ইবাদত বা ক্ষমতায় অন্য কাউকে অংশীদার করাকে শিরক বলা হয়।
- শিরক হলো তাওহীদ বা একত্ববাদের সম্পূর্ণ বিপরীত। তাওহীদ অর্থ আল্লাহকে এক ও অদ্বিতীয় হিসেবে বিশ্বাস করা।
- ইসলামে শিরক হলো ক্ষমার অযোগ্য এবং সবচেয়ে জঘন্যতম অপরাধ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হযরত মুহাম্মদ (স:)-এর বাণী, কর্ম ও মৌন সম্মতিকে হাদীস বলে। 'সহিহ' আরবি শব্দ, যার বহুবচন হলো সিহাহ (বিশুদ্ধ বা নির্ভুল) আর 'সিত্তা' অর্থ ছয়। অর্থাৎ সিহাহ সিত্তা অর্থ হলো 'বিশুদ্ধ ছয়'।
হাদীসের বিশুদ্ধতম ৬টি গ্রন্থকে একত্রে সিহাহ সিত্তা বলা হয়। এগুলো হলো:
১. সহীহ বুখারী
২. সহীহ মুসলিম
৩. জামে আত-তিরমিযী
৪. সুনানে আবু দাউদ
৫. সুনানে নাসাঈ
৬. সুনানে ইবনে মাজাহ
সুতরাং, মুয়াত্তা শরীফ সিহাহ সিত্তার অন্তর্ভুক্ত নয়। এটি ইমাম মালেক (রঃ) কর্তৃক সংকলিত একটি প্রাচীন ও প্রামাণ্য হাদীস গ্রন্থ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সাইফুল্লাহ (Saifullah) শব্দের অর্থ হলো ‘আল্লাহর তলোয়ার’। এই উপাধিটি প্রখ্যাত সাহাবী খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ)-কে দেওয়া হয়েছিল।
- ইসলাম গ্রহণের পর তিনি বিভিন্ন যুদ্ধে অসাধারণ বীরত্ব প্রদর্শন করেন।
- মুতার যুদ্ধে তার অসামান্য বীরত্বের কারণে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) তাকে এই ‘সাইফুল্লাহ’ উপাধিতে ভূষিত করেন।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
খোলাফায়ে রাশেদীনের চারজন খলিফার ক্রমধারা হলো:
- প্রথম খলিফা: হযরত আবু বকর (রাঃ)
- দ্বিতীয় খলিফা: হযরত ওমর (রাঃ)
- তৃতীয় খলিফা: হযরত ওসমান (রাঃ)
- চতুর্থ খলিফা: হযরত আলী (রাঃ)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মহান আল্লাহ তায়ালা মানবজাতির হেদায়েতের জন্য চারজন শ্রেষ্ঠ নবীর ওপর চারটি প্রধান আসমানি কিতাব নাজিল করেছেন।
- তাওরাত: হযরত মুসা (আঃ)-এর ওপর।
- জাবুর: হযরত দাউদ (আঃ)-এর ওপর।
- ইঞ্জিল: হযরত ঈসা (আঃ)-এর ওপর।
- কুরআন: সর্বশেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পবিত্র কুরআনে মোট ১৪টি সিজদার আয়াত রয়েছে।
এই আয়াতগুলো তেলাওয়াত করলে বা শুনলে তেলাওয়াতকারী ও শ্রোতা উভয়ের ওপর সিজদা করা ওয়াজিব। ইমাম আবু হানিফা (রহ.)-এর মতে সিজদার আয়াতের সংখ্যা ১৪টি, তবে ইমাম শাফিয়ী (রহ.)-এর মতে ১৫টি। আমাদের দেশে ১৪টি হিসেবেই আমল করা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আল কুরআনের সূরা ফাতহ-এর প্রথম আয়াতে হুদায়বিয়ার সন্ধিকে 'ফাতহুম মুবীন' বা 'সুস্পষ্ট বা বড় বিজয়' হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
যদিও বাহ্যিকভাবে এটি মুসলিমদের জন্য অপমানজনক মনে হয়েছিল, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এই সন্ধির ফলেই ইসলাম প্রচারের পথ উন্মুক্ত হয় এবং পরবর্তীতে মক্কা বিজয়ের ভিত্তি স্থাপিত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইসলাম মূলত পাঁচটি স্তম্ভ বা খুঁটির ওপর প্রতিষ্ঠিত, যাকে ইসলামের রুকন বা বুনিয়াদ বলা হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর হাদিস অনুযায়ী ইসলামের ভিত্তি পাঁচটি জিনিসের ওপর রাখা হয়েছে। এগুলো হলো:
১. কালিমা বা ঈমান: আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নেই এবং মুহাম্মদ (সা.) তাঁর বান্দা ও রাসুল—এই সাক্ষ্য দেওয়া।
২. নামাজ (সালাত): প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ কায়েম করা।
৩. যাকাত: সচ্ছল হলে নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পদ দান করা।
৪. হজ: সামর্থ্য থাকলে আল্লাহর ঘরে হজ করা।
৫. রোজা (সাওম): রমজান মাসে রোজা পালন করা।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আরবি শব্দ 'আদল' (عدل) মানে হলো ন্যায়বিচার, ইনসাফ বা কোনো কিছুকে তার যথাযথ স্থানে স্থাপন করা।
- এর ঠিক বিপরীত শব্দ হলো যুলুম (ظُلم) বা জুলুম।
- যুলুম অর্থ হলো অন্যায়, অবিচার বা কোনো কিছুকে তার যথাযথ স্থান থেকে সরিয়ে অন্য স্থানে রাখা।
- ইসলামে 'আদল' প্রতিষ্ঠা করা ফরজ এবং 'যুলুম' করা সম্পূর্ণরূপে হারাম।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইসলামের ইতিহাসে সর্বপ্রথমে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার সৌভাগ্য অর্জন করেন মহানবী (সা.)-এর প্রথমা স্ত্রী হজরত খাদিজা (রা.)
- হেরা গুহায় প্রথম ওহী প্রাপ্তির পর রাসুল (সা.) যখন ভীতসন্ত্রস্ত অবস্থায় বাড়ি ফেরেন, তখন খাদিজা (রা.) তাঁকে সান্ত্বনা দেন এবং তাঁর নবুওয়াতের ওপর সর্বপ্রথম ঈমান আনেন।
- নারী-পুরুষ, স্বাধীন-দাস নির্বিশেষে সকলের মধ্যে তিনিই প্রথম ইসলাম গ্রহণকারী।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পবিত্র কুরআনের প্রথম নাজিলকৃত আয়াতগুলো হলো সূরা আলাক-এর প্রথম ৫টি আয়াত। হেরা গুহায় মহানবী (সা.)-এর ওপর এগুলো অবতীর্ণ হয়।
- তবে, ওহী নাজিলের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সম্পূর্ণ বা পূর্ণাঙ্গ সূরা হিসেবে সর্বপ্রথম নাজিল হয় 'সূরা ফাতিহা'। এটি একটি মক্কী সূরা এবং কুরআনে কারিমের বিন্যাসে এটি সর্বপ্রথম স্থান পেয়েছে।
- যদিও সূরা আলাক বা মুদ্দাসসিরের কিছু অংশ আগে নাজিল হয়েছিল, কিন্তু সেগুলো খণ্ডাকারে ছিল, পূর্ণাঙ্গ সূরা হিসেবে ফাতিহাই প্রথম।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইসলামের ইতিহাসে নির্মিত সর্বপ্রথম মসজিদ হলো মসজিদে কুবা বা কুবা মসজিদ।
- মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করার সময় মদিনার অদূরে কুবা নামক স্থানে অবস্থানকালে সাহাবিদের নিয়ে এই মসজিদটি নির্মাণ করেন।
- এটি মদিনা মুনাওয়ারায় অবস্থিত। কুরআন মাজিদে এই মসজিদকে 'তাকওয়ার ওপর প্রতিষ্ঠিত মসজিদ' হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- আরবি 'সাহু' শব্দের অর্থ হলো ভুল করা বা ভুলে যাওয়া
- নামাজের ভেতরে ভুলবশত কোনো ওয়াজিব কাজ ছুটে গেলে কিংবা কোনো ফরজ বা ওয়াজিব আদায়ে বিলম্ব হলে তার ক্ষতিপূরণস্বরূপ নামাজের শেষে যে অতিরিক্ত সিজদা দিতে হয়, তাকে সিজদায়ে সাহু বলা হয়।
- ভুলবশত সুন্নাত ছুটে গেলে সিজদায়ে সাহু ওয়াজিব হয় না এবং নামাজ শুদ্ধ হয়ে যায়।
- তবে নামাজের কোনো ফরজ ছুটে গেলে কিংবা ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো ওয়াজিব ছেড়ে দিলে সিজদায়ে সাহু দিলেও নামাজ শুদ্ধ হয় না, বরং নামাজ পুনরায় পড়া আবশ্যক।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- আরবি 'কসর' শব্দের অর্থ হলো কম করা বা সংক্ষিপ্ত করা
- ইসলামী শরীয়তের পরিভাষায়, সফর অবস্থায় চার রাকাতবিশিষ্ট ফরজ নামাজকে দুই রাকাত আদায় করাকে 'কসর' বলা হয়। তাই সফরে থাকাকালে কসরের নামাজ পড়তে হয়।
- কোনো ব্যক্তি তার আবাসস্থল থেকে ৪৮ মাইল (প্রায় ৭৮ কিলোমিটার) বা তার বেশি দূরত্বের সফরের নিয়ত করলে তিনি মুসাফির গণ্য হন।
- মুসাফির ব্যক্তি জোহর, আসর এবং এশার চার রাকাত ফরজ নামাজ সংক্ষিপ্ত করে দুই রাকাত আদায় করবেন।
- ফজর ও মাগরিবের নামাজের কোনো কসর নেই, এগুলো পূর্ণাঙ্গভাবেই আদায় করতে হয়।
- গন্তব্যস্থলে ১৫ দিনের কম সময় অবস্থানের নিয়ত করলে কসরের নামাজ পড়তে হয়।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0