ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি (অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার, গ্রেড-৩) - ০২.০৩.২০১২ (100 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইসলামের তৃতীয় খলিফা হজরত উসমান (রা)-কে 'জামিউল কুরআন' বা 'কুরআন একত্রকারী' বলা হয়।
- তাঁর খিলাফতকালে ইসলামী সাম্রাজ্য ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত হলে বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের মধ্যে কুরআন পাঠের রীতিতে ভিন্নতা দেখা দেয়।
- এই বিভ্রান্তি দূর করতে এবং মুসলিম উম্মাহকে একই পাঠের ওপর ঐক্যবদ্ধ করতে তিনি কুরআনের একটি প্রমিত কপি (মুসহাফ) সংকলন করেন এবং বিভিন্ন অঞ্চলে এর অনুলিপি পাঠিয়ে দেন।
- এই ঐতিহাসিক উদ্যোগের জন্যই তাঁকে 'জামিউল কুরআন' উপাধি দেওয়া হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ইমাম গাজ্জালী (র.)-কে 'হুজ্জাতুল ইসলাম' বা 'ইসলামের প্রমাণ' উপাধি দেওয়া হয়।
- তাঁর পুরো নাম আবু হামিদ মুহম্মদ ইবনে মুহম্মদ আল-গাজ্জালী।
- তিনি একাদশ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট মুসলিম দার্শনিক, ধর্মতাত্ত্বিক ও আইনজ্ঞ ছিলেন।
- তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'ইহ্ইয়াউ উলুমিদ দ্বীন' (ধর্মীয় জ্ঞানের পুনরুজ্জীবন) মুসলিম বিশ্বে অত্যন্ত সমাদৃত।
- দর্শন ও ইসলামী জ্ঞানের সমন্বয়ে তাঁর অসামান্য অবদানের জন্যই তাঁকে এই বিশেষ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- রাসূলুল্লাহ (সা.) যে সকল যুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ করেছেন, সেগুলোকে ইসলামী পরিভাষায় 'গাযওয়া' বলা হয়।
- ঐতিহাসিকদের মতে, রাসূল (সা.)-এর জীবনে সংঘটিত গাযওয়ার সংখ্যা হলো ২৭টি
- এই ২৭টি গাযওয়ার মধ্যে ৯টিতে তিনি সরাসরি যুদ্ধ বা সংঘাতে লিপ্ত হয়েছিলেন।
- তাঁর অংশগ্রহণ করা কয়েকটি উল্লেখযোগ্য যুদ্ধ হলো বদর, উহুদ, খন্দক, খায়বার এবং হুনাইনের যুদ্ধ
- যেসব অভিযানে তিনি নিজে উপস্থিত না থেকে সাহাবীদের প্রেরণ করতেন, সেগুলোকে 'সারিয়া' বলা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ইবনে খালদুন-কে সর্বশ্রেষ্ঠ মুসলিম ঐতিহাসিক এবং আধুনিক সমাজবিজ্ঞানের অন্যতম জনক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
- তাঁর রচিত বিখ্যাত ইতিহাস গ্রন্থ 'কিতাবুল ইবার'-এর ভূমিকা 'আল-মুকাদ্দিমা' ইতিহাস ও সমাজবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এক অনন্য সৃষ্টি।
- অন্যদিকে আল কিন্দি ছিলেন বিখ্যাত মুসলিম দার্শনিক এবং ইবনে সীনা চিকিৎসাবিজ্ঞানে বিশেষ অবদান রাখেন।
- ইতিহাসের দার্শনিক ও বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণের কারণে ইবনে খালদুনকে এই শ্রেষ্ঠত্বের মর্যাদা দেওয়া হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- রাসূল (সা.)-এর উপর যখন ওহী নাযিল হতো, তখন তিনি তা সাহাবীদের দিয়ে লিখিয়ে নিতেন। যারা ওহী লিখতেন, তাদের 'কাতেবে ওহী' বা 'ওহী লেখক' বলা হতো।
- ইতিহাসে মোট ৪২ জনের মতো ওহী লেখকের নাম পাওয়া গেলেও, তাদের মধ্যে ১৪ জন কাতেবে ওহী হিসেবে সবচেয়ে বেশি প্রসিদ্ধ ও নিয়মিত ছিলেন।
- এই ওহী লেখকদের মধ্যে যায়েদ ইবনে সাবিত (রা.) ছিলেন অন্যতম এবং প্রধান।
- পরবর্তীতে খলিফা হযরত আবু বকর (রা.)-এর শাসনামলে তাঁর নেতৃত্বেই পবিত্র কুরআন গ্রন্থাকারে সংকলনের ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালিত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- আদ জাতি ছিল প্রাচীন আরবের একটি অবাধ্য ও শক্তিশালী জাতি, যাদের হেদায়েতের জন্য নবী হুদ (আ.)-কে পাঠানো হয়েছিল।
- তারা অহংকারী হয়ে আল্লাহর অবাধ্যতা করে এবং মূর্তিপূজায় লিপ্ত হয়।
- পবিত্র কুরআনের সূরা আল-হাক্কাহ অনুযায়ী, আল্লাহ তায়ালা তাদের প্রবল ও ধ্বংসাত্মক হিমশীতল বাতাস (সারসার) দ্বারা ধ্বংস করেন।
- এই শাস্তি টানা সাত রাত ও আট দিন স্থায়ী ছিল, যা তাদের সমূলে উৎপাটন করে দেয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ৬২৭ খ্রিস্টাব্দে (৫ম হিজরি) মদিনা আক্রমণের জন্য কুরাইশ ও তাদের মিত্ররা বিশাল বাহিনী গঠন করে, যা খন্দকের যুদ্ধ বা আহযাবের যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- মদিনার প্রতিরক্ষার জন্য বিখ্যাত সাহাবি সালমান ফারসী (রা.) শহরের অরক্ষিত অংশে পরিখা বা খন্দক খননের পরামর্শ দিয়েছিলেন।
- তৎকালীন আরবে পরিখা খনন করে যুদ্ধ করার কৌশলটি সম্পূর্ণ নতুন ছিল, যা তিনি তার মাতৃভূমি পারস্যের (বর্তমান ইরান) যুদ্ধকৌশল থেকে শিখেছিলেন।
- তাঁর এই চমৎকার বুদ্ধিমত্তার ফলেই মুসলিম বাহিনী বিশাল শত্রু বাহিনীর আক্রমণ থেকে মদিনাকে সুরক্ষিত রাখতে সক্ষম হয়েছিল।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মক্কার কুরাইশদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে মহানবী (সা.)-এর নির্দেশে মুসলমানদের একটি দল আবিসিনিয়ায় (বর্তমান ইথিওপিয়া) হিজরত করেন।
- কুরাইশরা তাদের ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করলে, আবিসিনিয়ার ন্যায়পরায়ণ খ্রিষ্টান সম্রাট নাজ্জাশীর দরবারে মুসলমানদের পক্ষে জোরালো ও ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন সাহাবি জাফর ইবনে আবি তালিব (রা.)
- তিনি ভাষণে ইসলামের সৌন্দর্য ও তাওহীদের বাণী তুলে ধরেন এবং সূরা মারইয়াম তিলাওয়াত করেন, যা শুনে সম্রাট নাজ্জাশী অভিভূত হয়ে মুসলমানদের আশ্রয় প্রদান করেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মহানবী (সা)-এর কথা, কাজ ও অনুমোদনকে হাদীস বলা হয়।
- মহানবী (সা)-এর পবিত্র মুখনিঃসৃত বাণীকে কাউলি হাদীস বা কওলী হাদিস বলা হয়।
- তাঁর নিজস্ব কাজ বা কর্মকে ফেলী হাদীস বলা হয়।
- সাহাবীগণের কোনো কথা বা কাজ দেখে মহানবী (সা) চুপ থেকেছেন বা সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন, এমন অনুমোদন বা সম্মতিসূচক হাদীসকে তাকরীরি হাদীস বলা হয়।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- হযরত আনাস (রা.) হতে বর্ণিত একটি বিখ্যাত হাদিস অনুযায়ী, "যার মধ্যে আমানতদারী নেই তার ঈমান নেই।"
- এটি মুসনাদে আহমাদ-এ বর্ণিত একটি নির্ভরযোগ্য হাদিস।
- আমানতদারী হলো কারও কাছে গচ্ছিত সম্পদ, কথা বা দায়িত্ব যথাযথভাবে রক্ষা করা।
- ইসলামে আমানত রক্ষাকে ঈমানের একটি অপরিহার্য অঙ্গ হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং আমানতের খেয়ানত করাকে মুনাফিকের অন্যতম লক্ষণ বলা হয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ইসলামি শরীয়ত ও হাদিস অনুযায়ী, মায়ের পদতলে সন্তানের জান্নাত।
- সুনান আন-নাসায়ী এবং মুসনাদে আহমাদ-এ বর্ণিত একটি বিখ্যাত হাদিসে উল্লেখ করা হয়েছে, নবী কারীম (সা.) এক সাহাবিকে তার মায়ের সেবা করার নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, "তার সেবা করো, কারণ তার পদতলেই জান্নাত।"
- ইসলামে পিতা-মাতার প্রতি দায়িত্ব পালনকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, তবে গর্ভধারণ, লালনপালন ও অপরিসীম কষ্টের কারণে পিতার চেয়ে মায়ের মর্যাদাকে অধিক সম্মানজনক স্থানে রাখা হয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
এই উক্তিটি পবিত্র কুরআনের সূরা আল-আনকাবুত থেকে নেওয়া হয়েছে।
- এটি উক্ত সূরার ৪৫ নম্বর আয়াতের অংশবিশেষ।
- আয়াতটির মূলভাব হলো, নামাজ প্রতিষ্ঠা করলে তা মানুষকে সব ধরনের অশ্লীল ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে।
- সূরা আল-আনকাবুত পবিত্র কুরআনের ২৯তম সূরা
- এই সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হওয়ায় এটি একটি মাক্কী সূরা হিসেবে পরিচিত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পবিত্র কুরআনের সর্বপ্রথম নাজিলকৃত আয়াতগুলো হলো সূরা আলাকের প্রথম ৫টি আয়াত। তবে ওহী নাজিলের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সম্পূর্ণ বা পূর্ণাঙ্গ সূরা হিসেবে সর্বপ্রথম নাজিল হয় 'সূরা ফাতেহা'
- এটি একটি মক্কী সূরা এবং কুরআনের একেবারে শুরুতে স্থান পেয়েছে।
- সূরা আলাক বা মুদ্দাসসিরের অংশবিশেষ আগে নাজিল হলেও পূর্ণাঙ্গ সূরা হিসেবে ফাতেহাই প্রথম অবতীর্ণ হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
"নিশ্চয় অপব্যয়কারীরা শয়তানের ভাই"—এটি পবিত্র কুরআনের সূরা বনী ইসরাইল (যা সূরা আল-ইসরা নামেও পরিচিত)-এর ২৭ নম্বর আয়াতের অংশ।
- এই আয়াতে আল্লাহ তায়ালা অপব্যয় বা অযথা খরচ করতে কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন।
- অপব্যয়কারীকে শয়তানের সাথে তুলনা করা হয়েছে, কারণ শয়তান যেমন আল্লাহর অকৃতজ্ঞ, অপব্যয়কারীও তেমনি আল্লাহর দেওয়া সম্পদের অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পবিত্র কুরআনের সূরা আল-ফাতহ্-এ 'বায়আতুর রিদওয়ান' বা রিদওয়ানের শপথের কথা উল্লেখ আছে।
- এই সূরার ১৮ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তায়ালা এই শপথের কথা বলেছেন।
- ৬ষ্ঠ হিজরিতে হুদাইবিয়ার সন্ধির সময় সাহাবিগণ একটি গাছের নিচে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর হাতে জীবন বাজি রেখে যে শপথ গ্রহণ করেছিলেন, তা-ই ইসলামী ইতিহাসে বায়আতুর রিদওয়ান নামে পরিচিত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পবিত্র কুরআনের সূরা আন-নমল হলো একমাত্র সূরা যেখানে দুইবার 'বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম' রয়েছে।
- সূরার শুরুতে একবার।
- ৩০তম আয়াতে আরেকবার (যেখানে হযরত সুলাইমান (আ.) রানি বিলকিসকে চিঠি লিখেছিলেন এবং চিঠির শুরুতে বিসমিল্লাহ ব্যবহার করেছিলেন)।
উল্লেখ্য, সূরা তওবার শুরুতে কোনো বিসমিল্লাহ নেই।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পবিত্র কুরআনে একমাত্র সাহাবী হিসেবে জায়েদ ইবনে হারিসা (রা.)-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
- পবিত্র কুরআনের সূরা আহযাবের ৩৭ নম্বর আয়াতে তাঁর নাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইসলামের প্রথম খলিফা হযরত আবু বকর (রা.) যাকাত অস্বীকারকারীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন।
- মহানবী (সা.)-এর ওফাতের পর আরবের বিভিন্ন স্থানে অনেকে যাকাত দিতে অস্বীকার করে এবং ভন্ড নবীদের আবির্ভাব ঘটে।
- এই সংকটময় মুহূর্তে তিনি দৃঢ় পদক্ষেপ নেন এবং যাকাত অস্বীকারকারী ও ধর্মত্যাগীদের বিরুদ্ধে রিদ্দার যুদ্ধ বা ধর্মত্যাগীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন।
- তিনি মুসায়লামা আল-কাযযাবসহ অন্যান্য ভন্ড নবীদের কঠোর হস্তে দমন করে ইসলামি রাষ্ট্রের ঐক্য ও সংহতি রক্ষা করেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পবিত্র কুরআনে 'যাকাত' শব্দটি মোট ৩২ বার উল্লেখ করা হয়েছে।
- এর মধ্যে ২৮ বার নামাজের (সালাত) সাথে একত্রে এসেছে।
- বাকি ৪ বার পৃথকভাবে উল্লেখিত হয়েছে।
- এই পরিসংখ্যানটি ইসলামে যাকাতের অপরিসীম গুরুত্ব এবং নামাজের সাথে এর গভীর সম্পর্কের ইঙ্গিত দেয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
উল্লেখিত বাণীটি একটি হাদিসে কুদসী
- হাদীসে কুদসী (Hadees-e-Qudsi) হলো এমন এক বিশেষ প্রকারের হাদীস, যার ভাব বা মর্মার্থ আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে নাযিল হয়েছে, কিন্তু ভাষাগত রূপ বা শব্দ চয়ন করেছেন রাসূল (সা.)
- পবিত্র কুরআন এবং হাদীসে কুদসীর মূল পার্থক্য হলো: কুরআনের শব্দ ও অর্থ উভয়ই আল্লাহর, কিন্তু হাদীসে কুদসীর শব্দ রাসূলের হলেও এর মূল বার্তা সম্পূর্ণ আল্লাহর।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কিবলা পরিবর্তনের ঐতিহাসিক ঘটনাটি ঘটেছিল ২য় হিজরী সনের শাবান মাসে
- এর আগে মুসলমানরা বায়তুল মুকাদ্দাসের দিকে মুখ করে নামাজ আদায় করতেন।
- মহান আল্লাহর আদেশে মদিনায় বনু সালিম গোত্রের মসজিদে নামাজরত অবস্থায় রাসূলুল্লাহ (সা.) বাইতুল্লাহ বা কাবা শরীফের দিকে মুখ ফিরিয়ে নেন।
- পরবর্তীতে এই ঐতিহাসিক মসজিদটি 'মসজিদে কিবলাতাইন' বা দুই কিবলার মসজিদ নামে পরিচিতি লাভ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আযান প্রবর্তন করা হয় ২য় হিজরি সনে
- মদিনায় হিজরতের পর নামাজের সময় নির্ধারণ নিয়ে সাহাবীদের মধ্যে আলোচনা হয়।
- পরবর্তীতে হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে যায়েদ (রা.) স্বপ্নের মাধ্যমে আযানের বাক্যগুলো জানতে পারেন।
- এরপর রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর নির্দেশে হযরত বেলাল (রা.) সর্বপ্রথম আযান দেন এবং তিনিই ইসলামের প্রথম মুয়াজ্জিন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায় জানাযার নামাজ হলো ফরযে কিফায়া
- এর অর্থ হলো, সমাজের কিছু সংখ্যক মানুষ যদি এই নামাজ আদায় করে নেয়, তবে সবার পক্ষ থেকে দায়িত্ব আদায় হয়ে যাবে।
- কিন্তু যদি কেউ আদায় না করে, তবে সমাজের সবাই গুনাহগার হবে।
- এটি মূলত মৃত ব্যক্তির জন্য মাগফিরাত ও দোয়ার উদ্দেশ্যে অনুষ্ঠিত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দোয়ায়ে কুনুত বিশেষত বিতর নামাজের শেষ রাকাতে (তৃতীয় রাকাতে) রুকুতে যাওয়ার আগে পড়তে হয়।
- 'কুনুত' শব্দের অর্থ হলো বিনয় ও আনুগত্য প্রকাশ করা বা নিরবতা পালন করা।
- এশার নামাজের পর বিতর নামাজ আদায় করা ওয়াজিব এবং এতে দোয়ায়ে কুনুত পাঠ করাও ওয়াজিব।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
খুসুফের নামাজ চন্দ্রগ্রহণ কালে পড়তে হয়।
- আরবি 'খুসুফ' (خسوف) শব্দের অর্থ হলো চন্দ্রগ্রহণ।
- চন্দ্রগ্রহণের সময় আল্লাহ তাআলার মহত্ত্ব স্মরণ করে একাকী যে নামাজ আদায় করা হয়, তাকে 'সালাতুল খুসুফ' বা খুসুফের নামাজ বলা হয়।
- অন্যদিকে, সূর্যগ্রহণের সময় যে নামাজ পড়া হয় তাকে 'সালাতুল কুসুফ' (كسوف) বলা হয়, যা সাধারণত জামাতের সাথে আদায় করা সুন্নত।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0