নদ-নদী (22 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

ফ্রিতে ২ লাখ প্রশ্নের টপিক, সাব-টপিক ভিত্তিক ও ১০০০+ জব শুলুশন্স বিস্তারিতে ব্যাখ্যাসহ পড়তে ও আপনার পড়ার ট্র্যাকিং রাখতে সাইটে লগইন করুন।

লগইন করুন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
 

মেঘনা নদী বাংলাদেশের গভীর ও প্রশস্ততম নদী এবং অন্যতম বৃহৎ ও প্রধান নদীআসামের পার্বত্য অঞ্চল থেকে জন্ম নিয়ে 'বরাক' নদী আসামের শেরপুরের কাছে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে দুটি শাখায় বিভক্ত হয়েছে। তারপর সিলেট জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ জেলার সীমান্তে মারকুলীতে এই দুই নদী এক হয়ে কালনি নামে কিছুদূর অগ্রসর হয়ে ভৈরব বাজারের কাছে পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে মিলিত হয়ে মেঘনা নাম ধারণ করেছে। তারপর আরো দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হয়ে চাঁদপুরের কাছে পদ্মা নদীতে এসে মিলিত হয়েছে। আরো দক্ষিণে নোয়াখালী,লক্ষ্মীপুর ও ভোলা দ্বীপের মধ্য দিয়ে মেঘনা বঙ্গোপসাগরে পড়েছে। সুরমাসহ মেঘনা নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ৬৫০ মাইল। চাঁদপুরের কাছে পদ্মা-মেঘনার মিলিত ধারাটি মেঘনা নামে পরিচিত। এখান থেকে আনুমানিক ৯০ মাইল দক্ষিণে চারটি মোহনা পথে মেঘনা বঙ্গোপসাগরে মিলেছে। এগুলোর স্থানীয় নাম তেঁতুলিয়া, শাহবাজপুর, সন্দ্বীপ ও হাতিয়া।

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
 

বাঙালি নদীর উৎপত্তি নীলফামারী জেলার তিস্তা নদী থেকে। উৎস থেকে নদীটি ঘাঘট নামে গাইবান্ধায় প্রবাহিত হয়। গাইবান্ধায় এসে এটি দুটি শাখায় বিভক্ত হয়ে যায়- একটি শাখা পশ্চিমে ঘাঘট নামে প্রবাহিত হয়ে শেরপুরে করতোয়া নদীতে গিয়ে পড়ে; অপর শাখা বাঙালি নামে দক্ষিণ দিকে এগিয়ে গিয়ে বগুড়ায় আবারো দুটি শাখায় বিভক্ত হয়। এই শাখা দুটি যথাক্রমে যমুনা ও করতোয়ায় গিয়ে পড়ে। বাঙালি নদীর অনেক শাখা নদী আছে যথা: বেলাল, মানস, মধুখালি, ইছামতি, ভলকা এবং অন্যান্য। এই শাখাগুলো শীতের মৌসুমে শুকিয়ে যায়। সাম্প্রতিককালে তিস্তা নদীর প্রবাহ দূর্বল হয়ে যাওয়ায়, যমুনা বাঙালি নদীর পানির প্রধান উৎসে পরিণত হয়েছে। 

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- প্রাচীন বাংলার অন্যতম প্রধান প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন মহাস্থানগড় 'করতোয়া' নদীর তীরে অবস্থিত এবং এটি ২৫০০ বছরের পুরনো নগরী।
- এটি বগুড়া শহর থেকে আনুমানিক ৮-১০ কিলোমিটার বা ৮ মাইল উত্তরে অবস্থিত।
- মহাস্থানগড়ের প্রাচীন নাম ছিল 'পুণ্ড্রনগর', যা প্রাচীন পুণ্ড্র জনপদের রাজধানী ছিল।
- মৌর্য, গুপ্ত ও পাল যুগে এটি একটি সমৃদ্ধশালী প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ছিল।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশের নদীসমূহ মিলিত হবার স্থান:
পদ্মা ও যমুনা - গোয়ালন্দ, রাজবাড়ি।
পদ্মা ও মেঘনা - চাঁদপুর।
তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র - চিলমারি, কুড়িগ্রাম।
কুশিয়ারা ও সুরমা - আজমিরীগঞ্জ, হবিগঞ্জ।
পুরাতন ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা - ভৈরব বাজার।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সাঙ্গু নদীর (Sangu River) উৎপত্তি  উত্তর আরাকান পাহাড়ে।
- এটি আরাকান ও চট্টগ্রামের মধ্যে সীমান্ত রেখা রচনা করেছে।
- স্থানীয়ভাবে এটি শঙ্খ নদী নামে পরিচিত।
- কর্নফুলীর পর এটি চট্টগ্রাম বিভাগের দ্বিতীয় বৃহত্তম নদী।সাঙ্গু নদী বান্দবান জেলার প্রধানতম নদী। বান্দরবান জেলা শহরও এ নদীর তীরে অবস্থিত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
 

মেঘনা বাংলাদেশের প্রশস্ততম নদী। পূর্ব ভারতের পাহাড় থেকে উদ্ভূত মেঘনা নদী সিলেট অঞ্চল দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে চাঁদপুরের কাছে পদ্মা নদীর সাথে মিলিত হয়ে মেঘনা নামে বঙ্গোপসাগরে প্রবাহিত হয়েছে।

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- পদ্মা নদীর অপর নাম কীর্তিনাশা
- এ নদী যখন রাজা রাজবল্লভের ‘কীর্তি’ বা বিখ্যাত স্থাপনাগুলো গ্রাস করছিল তখন এর নাম হয় ‘কীর্তিনাশা’।
- হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপন্ন গঙ্গা নদী রাজশাহীর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে পদ্মা নাম ধারণ করেছে।
- এই নদীর প্রধান উপনদী মহানন্দা ও পুনর্ভবা।
- এর প্রধান শাখানদীগুলো হলো— গড়াই, বড়াল, আড়িয়াল খাঁ, কুমার, মাথাভাঙ্গা, ভৈরব ইত্যাদি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

ফ্রিতে ২ লাখ প্রশ্নের টপিক, সাব-টপিক ভিত্তিক ও ১০০০+ জব শুলুশন্স বিস্তারিতে ব্যাখ্যাসহ পড়তে ও আপনার পড়ার ট্র্যাকিং রাখতে সাইটে লগইন করুন।

লগইন করুন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বুড়িগঙ্গা নদী ধলেশ্বরী নদীর একটি শাখা নদী।
- ধলেশ্বরী নদী যমুনা নদীর একটি শাখা, যা থেকে সাভারের কাছে বুড়িগঙ্গা নামের একটি স্রোতধারা বের হয়ে ঢাকা শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- ঐতিহাসিক তথ্যানুযায়ী, এক সময় গঙ্গা নদীর একটি স্রোতধারা ধলেশ্বরী হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হতো, পরবর্তীতে এর গতিপথ পরিবর্তনের ফলে বুড়িগঙ্গার উৎপত্তি হয়।
- শীতলক্ষ্যা নদীটি ব্রহ্মপুত্র নদের একটি শাখা নদী, ধলেশ্বরীর নয়।
- ধরলা ব্রহ্মপুত্র নদের একটি উপনদী যা কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- বংশী নদীটি পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে উৎপন্ন হয়ে সাভারের কাছে ধলেশ্বরী নদীতে পতিত হয়েছে, এটি ধলেশ্বরীর উপনদী, শাখা নদী নয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0