জয়নুল আবেদীন একজন বিখ্যাত বাঙালি চিত্রশিল্পী। তিনি শিল্পাচার্য নামে পরিচিত ছিলেন। তাঁর বিখ্যাত চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে- দুর্ভিক্ষ-চিত্রমালা, সংগ্রাম, সাঁওতাল রমণী, ঝড় এবং আরো অনেক ছবি। ১৯৭০ সালে গ্রাম বাংলার উত্সব নিয়ে আঁকেন ৬৫ ফুট দীর্ঘ তাঁর বিখ্যাত ছবি নবান্ন।
বিভিন্ন ভাষায় ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ’র দখল ছিল অসাধারণ ও অসামান্য। উর্দু ভাষার অভিধান প্রকল্পেও তিনি সম্পাদক হিসেবে কাজ করেছেন। পরে পূর্ব পাকিস্তানি ভাষার আদর্শ অভিধান প্রকল্পের সম্পাদক হিসেবে বাংলা একাডেমিতে যোগ দেন। ১৯৬১ - ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত বাংলা একাডেমির ইসলামি বিশ্বকোষ প্রকল্পের অস্থায়ী সম্পাদক পদে নিযুক্ত হন। ১৯৬৩ সালে বাংলা একাডেমি কর্তৃক গঠিত বাংলা একাডেমির পঞ্জিকার তারিখ বিন্যাস কমিটির সভাপতি নিযুক্ত হন। তাঁর নেতৃত্বে বাংলা পঞ্জিকা একটি আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত রূপ পায়।
এই উপসংঘের সদস্য ছিলেন অধ্যাপক আবুল কাশেম, পণ্ডিত তারাপদ ভট্টাচার্য কাব্য-ব্যাকরণ-পুরাণ স্মৃতিতীর্থ ভাগবত শাস্ত্রী, সাহিত্যোপাধ্যায় স্মৃতি-পুরাণ রতœ জ্যোতিঃ শাস্ত্রী; পণ্ডিত অবিনাশ চন্দ্র কাব্য জ্যোতিস্তীর্থ, পণ্ডিত সতীশচন্দ্র শিরোমণি জ্যোর্তিভূষণ এবং বাংলা একাডেমির তৎকালীন পরিচালক সৈয়দ আলী আহসান।
১৯৬৬ সালে ১৭ ফেব্রুয়ারি কমিটি চূড়ান্ত রিপোর্ট পেশ করে। অধ্যক্ষ এম এ হামিদ এই সভায় নিয়মিত অতিথি হিসেবে যোগ দেন।
# বাংলাদেশের রণসঙ্গীত কে রচনা করেন ? উ: বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম # বাংলাদেশের রণসঙ্গিত কোন কবিতার অংশবিশেষ ? উ: চল চল কবিতার # বাংলাদেশের রণসঙ্গিত কোন কাব্যের অন্তর্গত ? উ: সন্ধ্যা সাব্য। # রণসঙ্গীতটি কোন পত্রিকায় প্রখম প্রকাশিত হয় ? উ: শিখা পত্রিকায় # কোন অনুষ্ঠানে রণসঙ্গীতের কত লাইন বাজানো হয় ? উ: ২১ লাইন।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
- পাহাড়পুরে অবস্থিত সোমপুর মহাবিহার (Somapura Mahavihara) বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও বিখ্যাত বৌদ্ধ বিহার। - এটি নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলায় অবস্থিত। - ৮ম শতাব্দীতে পাল বংশের দ্বিতীয় রাজা ধর্মপাল (খ্রিস্টাব্দ 770–810) এই বিহারটি প্রতিষ্ঠা করেন। - ধর্মপাল ছিলেন এক মহান বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী ও শিক্ষানুরাগী রাজা। - তিনি বৌদ্ধ ধর্ম ও শিক্ষার প্রচারের উদ্দেশ্যে এই বিশাল বিহার নির্মাণ করেছিলেন।
প্রাচীনকালে আর্যপূর্ব জনগোষ্ঠীর যে চারটি শাখা এখানে বাস করতো তারা হলো অস্ট্রিক , দ্রাবিড় , নেগ্রিটো ও ভোটসিনিয় । উল্লিখিত চারটি জনগোষ্ঠীর মধ্যে অস্ট্রিক জনগোষ্ঠী থেকে বাঙালি জাতির প্রধান অংশ গঠিত হয়েছে ।
প্রাচীনকালে আর্যপূর্ব জনগোষ্ঠীর যে চারটি শাখা এখানে বাস করতো তারা হলো অস্ট্রিক , দ্রাবিড় , নেগ্রিটো ও ভোটসিনিয় । উল্লিখিত চারটি জনগোষ্ঠীর মধ্যে অস্ট্রিক জনগোষ্ঠী থেকে বাঙালি জাতির প্রধান অংশ গঠিত হয়েছে ।
সম্রাট জালালউদ্দিন আকবরে সময়কাল ছিল ১৫৫৬-১৬০৫ খ্রিস্টাব্দ। তিনি ছিলেন মুঘল সাম্রাজ্যের তৃতীয় সম্রাট। - তাকে মুঘল সাম্রাজ্যের শ্রেষ্ঠ শাসক বলা। পিতা সম্রাট হুমায়ুনের মৃত্যুর পর ১৫৫৬ মাত্র ১৩ বছর বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন। - তিনি ১৫৭৬ সালে বাংলা বিজয় করেন। তাঁর সময়ে সমগ্র বঙ্গ দেশ ‘সুবহ-ই-বাঙ্গালাহ’ নামে পরিচিত ছিল। - তিনি বাংলা সনের প্রবর্তক ছিলেন। বাংলা নববর্ষ ‘পহেলা বৈশাখ’ চালু করেন। - তিনি ‘অমৃতসর স্বর্ণমন্দির’, ‘বুলন্দ দরওয়াজ’ নির্মাণ করেন। - ‘জিজিয়া কর’ ও ‘তীর্থ কর’ স্থগিত করেন সম্রাট আকবর। - তিনি মনসবদারী প্রথার প্রচলন করেন, ‘মনসবদারি প্রথা’ হলে সেনাবাহিনী সংস্কার পরিকল্পনা - তিনি দীন-ই-ইলাহী নামে একেশ্বরবাদ ধর্মমত প্রচলন করেন যার অনুসারী ছিলেন ১৭ (মতান্তরে ১৯ জন) জন। - বাংলায় বার ভূঁইয়াদের অভ্যুত্থান ঘটে আকবরের আমলে। - সম্রাট আকবরের রাজস্বমন্ত্রী ছিলেন— টোডরমল - সরকারি কাজে ফারসি ভাষা চালু করেন - আকবরের সমাধি হল সেকেন্দ্রায়।
১৬ই নভেম্বর ২০১৬ ইথিওপিয়ার আদ্দিস আবাবায় বিশ্বের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষায় আন্তঃদেশীয় কমিটির একাদশ বৈঠকে ‘রিপ্রেজেন্টেটিভ লিস্ট অফ ইনট্যানজিয়েবল কালচারাল হেরিটেজ অফ হিউমিনিটি’র তালিকায় বাংলাদেশের মঙ্গল শোভাযাত্রা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। গত শতকের ৮০ এর দশকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের উদ্যোগে পহেলা বৈশাখে এই মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন শুরু হয়।
- মাটির ময়না ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান থেকে ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পূর্বের অশান্ত সময়ের পটভূমিতে যুদ্ধ ও ধর্মের কারণে বিচ্ছিন্ন একটি পরিবারের গল্প অবলম্বনে নির্মিত একটি চলচ্চিত্র। - তারেক মাসুদ পরিচালিত চলচ্চিত্রটি ২০০২ সালে মুক্তি পায়। - ২০০২ সালে প্রথম বাংলাদেশি চলচ্চিত্র হিসাবে মাটির ময়না কান চলচ্চিত্র উৎসবে ডিরেক্টরস ফোর্টনাইট আয়োজনে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র বিভাগে চলচ্চিত্র সমালোচকদের আন্তর্জাতিক ফেডারেশন এর ফিপরেস্কি পুরস্কার লাভ করেন
চাকরি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পেতে নিয়মিত অনুশীলন ও লাইভ পরীক্ষার কোন বিকল্প নেই।
অনুশীলন প্রশ্ন ব্যাংক বিষয়ভিত্তিক, টপিক ও সাবটপিক আকারে সাজানো। ২০০৫ থেকে সব জব সলিউশন ও টপিকভিত্তিক জব সলিউশন বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ, রুটিন ভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, পিডিএফ লেকচার শীট।
✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব শুলুশন্স। ২০০৫-২০২৬ সাল পর্যন্ত টপিক ও সাবটপিক আকারে জব শুলুশন্স প্রশ্ন যোগ করা হয়েছে, ১২তম-২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লে হবে, সব প্রশ্ন ইউনিক সর্বমোট ২৫ হাজার হবে। প্রশ্ন ব্যাংক -> অনুশীলন -> এরপর উপরের ডানে একটা হলুদ বাটন ক্লিক করে job solutions ফিল্টার করে নিবেন। প্রতি সপ্তাহের নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাবটপিক আকারে যোগ করা হয়।
✅ বর্তমান কোর্সঃ
১) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন লেকচারশীট ভিত্তিক ২) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন কলেজ পর্যায় (রাষ্ট্রবিজ্ঞান) ৩) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন কলেজ পর্যায় (সমাজবিজ্ঞান) ৩) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন কলেজ পর্যায় (গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান)
৪) ৫১ তম বিসিএস প্রস্তুতি ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস ৫) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের) ৬) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ) ৭) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতির লং কোর্স (২৭৬ দিন) ৮) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী ৯) স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন
✅ আপকামিং রুটিনঃ - অগ্রদূত বাংলা বই অনুসারে বাংলা সাহিত্য ও ভাষা রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।। - English মাস্টার বই অনুসারে রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে। - ১৯তম নিবন্ধন বাংলা, ইতিহাস ও প্রাণীবিজ্ঞান (স্কুল ও কলেজ পর্যায় আলাদা রুটিনে পরীক্ষা হবে)