গ্যালভানাইজেশন বা গ্যালভানিকরণ হলো মরিচা প্রতিরোধ করার জন্য ইস্পাত বা লোহাতে দস্তার প্রলেপ প্রয়োগ করার প্রক্রিয়া। সর্বাধিক প্রচলিত পদ্ধতি হল উত্তপ্ত-নিমজ্জিত গ্যালভানাইজেশন, এতে প্রলেপ দেওয়ার মত বস্তুগুলি গলিত গরম দস্তাতে নিমজ্জিত করে নেওয়া হয়।
উত্তপ্ত-নিমজ্জিত গ্যালভানাইজেশন পদ্ধতিতে ইস্পাতের বস্তুর পৃষ্ঠতলে দস্তা লোহার মিশ্রধাতুর একটি ঘন, শক্তিশালী স্তর জমা হয়। গাড়ির যন্ত্রাংশের ক্ষেত্রে, যেখানে অতিরিক্ত আলংকারিক রঙের আবরণ প্রয়োগ করা হবে, সেখানে একটি পাতলা তড়িৎ প্রলেপন প্রয়োগ করা হয়।
- ফরমালডিহাইড এর শতকরা 40 ভাগ জলীয় দ্রবণকে ফরমালিন বলে । ফরমালিন শক্তিশালী জীবাণুনাশক হওয়ায় পরীক্ষাগারে মৃত উদ্ভিদ প্রাণীর দেহ সংরক্ষণ এ ব্যবহৃত হয় ।
- আয়নার পশ্চাতে যে ধাতু ব্যবহৃত হয় তা হলো সিলভার (রূপা) এবং মার্কারি (পারদ)।
সিলভার (রূপা): - সিলভার একটি উচ্চ প্রতিফলনশীল ধাতু যা আলোকে খুব ভালভাবে প্রতিফলিত করে। - এটি আয়নার পিছনে একটি পাতলা স্তর হিসেবে প্রয়োগ করা হয়, যা আলোকে প্রতিফলিত করে এবং স্পষ্ট প্রতিবিম্ব তৈরি করে। - সিলভার দীর্ঘস্থায়ী এবং অক্সিডেশন প্রতিরোধী, যা আয়নার জন্য আদর্শ।
মার্কারি (পারদ): - মার্কারি একটি তরল ধাতু যা কক্ষ তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে। - এটি উচ্চ প্রতিফলনশীল এবং একটি মসৃণ, উজ্জ্বল পৃষ্ঠ তৈরি করে। - মার্কারি বিশেষত বক্র আয়না তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, যেখানে এর তরল প্রকৃতি সুবিধাজনক।
- উভয় ধাতুই তাদের উচ্চ প্রতিফলন ক্ষমতার জন্য ব্যবহৃত হয়। - সিলভার সাধারণত সমতল আয়নার জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে মার্কারি বক্র আয়নার জন্য বেশি উপযোগী। - উভয় ধাতুই উচ্চ মানের প্রতিবিম্ব তৈরি করে, যা আয়নার মূল উদ্দেশ্য।
তবে, মনে রাখা প্রয়োজন যে মার্কারির ব্যবহার ক্রমশ কমে আসছে এর বিষাক্ততার কারণে। আধুনিক প্রযুক্তিতে, অন্যান্য নিরাপদ বিকল্প যেমন অ্যালুমিনিয়াম কোটিং বা ডাই-ইলেক্ট্রিক কোটিং ব্যবহার করা হচ্ছে।
- একটি টেন্ডন বা সিনিউ হলো ঘন, শক্ত এবং তন্তুময় যোজক কলা, যা পেশীকে হাড়ের সাথে সংযুক্ত করে এবং উত্তেজনা সহ্য করতে সক্ষম। - লিগামেন্টের সাথে টেন্ডনের সাদৃশ্য রয়েছে; যেহেতু উভয়টিই কোলাজেন দিয়ে তৈরি। - লিগামেন্ট একটি হাড়কে আরেকটি হাড়ের যুক্ত করে আর টেন্ডন পেশিকে হাড়ের সাথে যুক্ত করে।
-কান শ্রবণ ছাড়াও দেহের ভারসাম্য রক্ষার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। -কান দুটি অংশে বিভক্ত: বহিঃকর্ণ এবং অন্তঃকর্ণ। -বহিঃকর্ণ শব্দতরঙ্গগুলিকে ধরে এবং সেগুলিকে অন্তঃকর্ণে পাঠায়। -অন্তঃকর্ণে, শব্দতরঙ্গগুলিকে তরঙ্গে রূপান্তরিত করা হয় যা ভারসাম্য সংক্রান্ত অঙ্গগুলিকে সংকেত পাঠায়। এই সংকেতগুলি মস্তিষ্কে প্রেরণ করা হয়, যা ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য পেশীগুলিকে সংকেত দেয়।
-সুতরাং, শ্রবণ ছাড়াও কানের অন্যতম কাজ হল দেহের ভারসাম্য রক্ষা করা।
- ভিটামিন-কে এর রাসায়নিক নাম ফাইলোকুইনোন। - এটি প্রোথ্রোম্বিন নামক প্রোটিন তৈরি করে, যা রক্ত জমাট বাঁধতে সহায়তা করে। - এছাড়াও ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট সিস্টেমেও ভিটামিন কে ব্যবহার করা হয়। - ভিটামিন-কে রক্ত তঞ্চন (Blood Clotting) করার প্রয়োজনীয় প্রোটিন ফিব্রিনোজেন তৈরি করে। - এর অভাবে শরীরে রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্থ হয়। - ভিটামিন কে এসেনশিয়াল ফ্যাটসলিউবল ভিটামিন। - এটি হাড় ও হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখে। - ক্ষতস্থান হতে রক্তপড়া বন্ধ করতে সাহায্য করে। - সবুজ রঙের শাকসবজি, লেটুসপাতা, ফুলকপি, বাঁধাকপি, ডিমের কুসুম প্রভৃতি ভিটামিন কে এর উৎস। - ভিটামিন- ডি এর অভাবে রিকেটস ও অস্টিওম্যালাসিয়া রোগ হতে পারে। - ভিটামিন- এ এর অভাবে রাতকানা রোগ হতে পারে।
- উচ্চ রক্তচাপের জন্য দায়ী গ্রন্থি হচ্ছে অ্যাড্রিনালিন গ্রন্থি । টেনশন করলে শরীরের অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি উদ্দীপ্ত হয়ে ওঠে এবং সেখান থেকে 'অ্যাড্রিনালিন’ নামে বিশেষ এক প্রকার জৈব রাসায়নিক পদার্থ ক্ষরিত হয় । - পিটুইটারি গ্রন্থি মানবদেহের হরমােন উৎপাদনকারী প্রধান গ্রন্থি । - থাইরয়েড গ্রন্থি মূলত বিপাকের কাজ নিয়ন্ত্রণ করে । এই গ্রন্থি থেকে প্রধানত থাইরক্সিন হরমােন নিঃসরিত হয় ।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
✔সিবেসিয়াস গ্রন্থি নামক আণুবীক্ষণিক এক্সক্রনিক গ্রন্থি রয়েছে আমাদের ত্বকে বা চামড়ায়। যা থেকে একধরনের তৈলাক্ত(মেদ) বা মোমের মত রস ক্ষরিত হয় যাকে বলে সিবাম , যা আমাদের ঘামের সাথে মিশে পুরো চামড়ায় ছড়িয়ে যায় এবং চামড়াকে মসৃণ ও জলরোধী রাখে। এর ফলে চামড়া ফাটে না।
✔শীতকালে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কমে যাবার ফলে আমাদের ঘাম কম হয়। যার কারনে সিবেসিয়াস গ্রন্থি থেকে বেরিয়ে আসা তেলতেলে পদার্থ শরীরের চামড়ায় ঠিকমতো ছড়িয়ে পড়তে পারে না। শরীরের শুকনো জায়গাগুলো তখন কুঁচকে গিয়ে ফেটে যায়। শরীরের অন্য জায়গার তুলনায় আমাদের ঠোঁটের চামড়া পাতলা। তাছাড়া ঠোঁটের অবস্থান নাকের ঠিক নিচে থাকার জন্য নিশ্বাসের সাথে বেরিয়ে আসা গরম বাতাস ঠোঁট দুটোকে আরও শুকিয়ে দেয়।
চাকরি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পেতে নিয়মিত অনুশীলন ও লাইভ পরীক্ষার কোন বিকল্প নেই।
অনুশীলন প্রশ্ন ব্যাংক বিষয়ভিত্তিক, টপিক ও সাবটপিক আকারে সাজানো। ২০০৫ থেকে সব জব সলিউশন ও টপিকভিত্তিক জব সলিউশন বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ, রুটিন ভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, পিডিএফ লেকচার শীট।
২০০৫-২০২৬ সাল পর্যন্ত টপিক ও সাবটপিক আকারে জব শুলুশন্স প্রশ্ন যোগ করা হয়েছে, ১২তম-২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লে হবে, সব প্রশ্ন ইউনিক সর্বমোট ২৫ হাজার হবে। প্রশ্ন ব্যাংক -> অনুশীলন -> এরপর উপরের ডানে একটা হলুদ বাটন ক্লিক করে job solutions ফিল্টার করে নিবেন। প্রতি সপ্তাহের নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাবটপিক আকারে যোগ করা হয়।
✅ প্রধান শিক্ষক প্রস্তুতি - লেকচারশীট ভিত্তিকঃ রুটিন আপলোড করা হয়েছে। (২য় ব্যাচ) পরীক্ষা শুরুঃ ৫ ফেব্রুয়ারি। মোট পরীক্ষা – ৮০টি। টপিক ভিত্তিক – ৪০টি। সাবজেক্ট ভিত্তিক – ২০টি। ফুল মডেল টেস্ট – ২৮টি। প্রতিদিন পরীক্ষা ও প্রতি ৩ দিন পরপর ফুল ও বিষয়ভিত্তিক মডেল টেস্ট। সব প্রশ্ন সাজেশন্স ভিত্তিক।
✅ ৫১ তম বিসিএস প্রস্ততি - ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস। ✪ পরীক্ষা শুরুঃ ১০ ফেব্রুয়ারি। ✪ মোট পরীক্ষাঃ ১৬২টি ✪ ডেইলি পরীক্ষাঃ ১০০টি ✪ প্রতি ২টি ডেইলি পরীক্ষার পর ১টি করে রিভিশনের মোট পরীক্ষাঃ ৫০টি ✪ পাক্ষিক রিভিশনঃ ১১টি ✪ প্রতি পরীক্ষায় ৫০টি Exclusive MCQ
✅ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (রুটিনের জন্য পিডিএফ বাটন দেখুন) - পরীক্ষা শুরুঃ ১০ নভেম্বর। - মোট পরীক্ষাঃ ১২৮টি, - টপিক ভিত্তিকঃ ১১২টি, - রিভিশন পরীক্ষাঃ ২২টি, - Vocabulary রিভিশনঃ ৩বার
অ্যাপ এর হোম screen -এ পিডিএফ বাটন ক্লিক করুন, এখান থেকে রুটিন ডাউনলোড করতে পারবেন। রুটিনের তারিখ অনুযায়ী পরীক্ষা রাত ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যেকোন সময় দিতে পারবেন, ফলাফল সাথে সাথে বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ দেওয়া হয়। missed পরীক্ষাগুলো আর্কাইভ থেকে দিতে পারবেন, তবে মেরিট লিস্ট আসবে না, মেরিট লিস্টে থাকতে হলে রুটিন অনুযায়ী নির্দিষ্ট তারিখে দিতে হবে। আর্কাইভ থেকে পরীক্ষা দিতে হলে ভিজিট করুনঃ অ্যাপ এর হোম স্ক্রীনে 'পরীক্ষার সেকশন' বাটনে ক্লিক করুন -> বিসিএস বাটন -> [ফ্রি কোর্স] ৫০তম বিসিএস প্রিলি ২২০ দিনের সেকশনের All Exam বাটন ক্লিক করুন -> এখান Upcoming, Expired ট্যাব পাবেন।
✅ আপকামিং রুটিনঃ - ১০০ দিনের বিসিএস বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি। - অগ্রদূত বাংলা বই অনুসারে বাংলা সাহিত্য ও ভাষা রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।। - English মাস্টার বই অনুসারে রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।