বাংলা গান (73 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
 রামপ্রসাদ সেন বাংলা ভক্তিগীতি, বিশেষত শ্যামাসঙ্গীতের একজন শ্রেষ্ঠ রূপকার ছিলেন। তিনি মাতৃরূপে শক্তি সাধনার এক নতুন ধারা তৈরি করেন। তাঁর হাত ধরেই বাংলা সঙ্গীতে 'রামপ্রসাদী সুর' নামে একটি স্বতন্ত্র ধারার প্রতিষ্ঠা হয়, যা তাঁর গানের ভক্তিভাব, রাগ এবং বাউল সুরের সংমিশ্রণে এক গভীর আবেগময় রূপ লাভ করে।

- নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায় রামপ্রসাদের প্রতিভায় মুগ্ধ হয়ে তাঁকে 'কবিরঞ্জন' উপাধি এবং একশত বিঘা নিষ্কর জমি দান করেন।
- শ্যামাসঙ্গীতের পাশাপাশি তিনি আগমনী গানের ধারাটিরও প্রবর্তক ছিলেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

'একলা চলো রে' গানটির সম্পূর্ণ প্রথম লাইন হলো "যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলো রে"। এটি একটি বিখ্যাত বাংলা দেশাত্মবোধক গান। গানটির রচয়িতা এবং সুরকার হলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

এই গানটি ১৯০৫ সালে 'ভাণ্ডার' পত্রিকায় "একা" শিরোনামে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল এবং এটি তাঁর 'গীতবিতান' কাব্যগ্রন্থের 'স্বদেশ' পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত। গানটি বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনের সময় স্বদেশী কর্মীদের অনুপ্রাণিত করার জন্য রচিত হয়েছিল। এটি আজও সাহস, আত্মবিশ্বাস এবং প্রতিকূলতার মুখে একাই এগিয়ে যাওয়ার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়।

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
‘তোমার প্রেম যদি পাথর হয়’ গানটির গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সৈয়দ শামসুল হক:
- তিনি ১৯৩৫ সালে কুড়িগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত 'সব্যসাচী' লেখক হিসেবে সমধিক পরিচিত।
- তাঁর লেখা জনপ্রিয় গান ‘হায়রে মানুষ রঙীন ফানুস’।
- তাঁর জীবনের প্রথম মঞ্চনাটক- ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’।
- তিনি ২০১৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত কাব্যনাট্য:
- নূরলদীনের সারাজীবন,
- পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়,
- এখানে এখন।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- তাস,
- শীত বিকেল,
- আনন্দের মৃত্যু,
- প্রাচীন বংশের নিঃস্ব সন্তান,
- জলেশ্বরীর গল্পগুলো।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাউল গান বাংলার ঐতিহ্যবাহী লোকায়ত সংগীতের একটি অনন্য ধারা।
- এটি বাউল সম্প্রদায়ের নিজস্ব সাধন সংগীত।
- বাউল গানে আবহমান বাংলার প্রকৃতি, মাটি, মানুষ, জীবন জিজ্ঞাসা, সাম্য ও মানবতার বাণী ফুটে ওঠে।
- এ গানের স্রষ্টা লালন শাহ।
- মানবতার ইতিহাসে বাউল সংগীতের অপরিসীম সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যগত গুরুত্ব বিবেচনায় জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা UNESCO ২৭ নভেম্বর, ২০০৫ সালে বাউল গানকে A masterpieces of the Oral and Intangible Heritage of Humanity হিসেবে ঘোষণা করে।
- পরবর্তীতে ২০০৮ সালে ইউনেস্কোর অপরিমেয় সাংস্কৃতিক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত Intergovernmental Committee এর তৃতীয় অধিবেশনে বাংলাদেশের বাউল সংগীতকে Intangible Cultural Heritage of Humanity হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

বর্তমানে ইউনেস্কো ঘোষিত বাংলাদেশের অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সংখ্যা ৫টি। এগুলো হলোঃ
- বাউল গান (২০০৮),
- জামদানি বুনন শিল্প (২০১৩),
- পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬) এবং
- সিলেটের শীতল পাটি বুনন শিল্প (০৬ ডিসেম্বর, ২০১৭)।
- ঢাকার রিকশা ও রিকশাচিত্র ৬ ডিসেম্বর ২০২৩
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- দ্বিজেন্দ্রলাল রায় ডি. এল. রায় নামেও পরিচিত।
- তিনি একজন কবি, নাট্যকার ও গীতিকার।
- তিনি বাংলা সমবেত কণ্ঠসঙ্গীতের প্রবর্তক।
- তিনি ‘পূর্ণিমা সম্মেলন’ (১৯০৫) সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা।
- এছাড়াও তিনি বাংলা প্যারোডি গানের পথিকৃৎ।

তাঁর উল্লেখযোগ্য গানঃ
- “ধনধান্য পুষ্পেভরা আমাদের এই বসুন্ধরা।”
- “বঙ্গ আমার! জননী আমার! ধাত্রী আমার! আমার দেশ।”
- “যেদিন সুনীল জলধি হইতে উঠিলে জননী ভারতবর্ষ।”
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ১৮৬৩ সালের ১৯ জুলাই, পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগরে দ্বিজেন্দ্রলাল রায় জন্ম গ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা কার্তিকেয়চন্দ্র রায়।
- দ্বিজেন্দ্রলাল রায় ডি. এল. রায় নামেও পরিচিত।
- তিনি একজন কবি, নাট্যকার ও গীতিকার। তিনি বাংলা সমবেত কণ্ঠসঙ্গীতের প্রবর্তক।
- এছাড়াও তিনি বাংলা প্যারোডি গানের পথিকৃৎ।
- তিনি ‘পূর্ণিমা সম্মেলন’ (১৯০৫) সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা।
- ১৯১৩ সালের ১৭ই মে, কলকাতায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

 উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম:
●  নাটক: ঐতিহাসিক নাটক-
- তারাবাঈ (১৯০৩),
- রাজা প্রতাপসিংহ (১৯০৫),
- দুর্গাদাস (১৯০৬),
- সোহরাব রুস্তম (১৯০৮) ,
- নূরজাহান (১৯০৮),
- মেবার পতন (১৯০৮),
- সাজাহান (১৯০৯),
- চন্দ্রগুপ্ত (১৯১২),
- সিংহল বিজয় (১৯১৫)।

● প্রহসন নাটক-
- একঘরে (১৮৮৯),
- কল্কি অবতার (১৮৯৫),
- বিরহ (১৮৯৭),
- এ্যহস্পর্শ (১৯০১),
- প্রায়শ্চিত্ত (১৯০২) ,
- পুনর্জন্ম (১৯১১),
- আনন্দ-বিদায় (১৯১২)।

● পৌরাণিক নাটক-
- পাষাণী (১৯০০),
- সীতা (১৯০৮) ,
- ভীষ্ম (১৯১৪)।

● সামাজিক নাটক-
- পরপারে (১৯১২),
- বঙ্গনারী (১৯১৬)।

● কাব্যগ্রন্থ:
-  আর্যগাথা (১৮৮৪),
- The Lyrics of India (১৮৮৬ ),
- আষাঢ়ে (১৮৯৯),
- হাসির গান (১৯০০),
- মন্দ্র (১৯০২) ,
- আলেখ্য (১৯০৭),
- ত্রিবেণী (১৯১২)।

● গান:
- “ধনধান্য পুষ্পেভরা আমাদের এই বসুন্ধরা।”
- “বঙ্গ আমার! জননী আমার! ধাত্রী আমার! আমার দেশ।”
- “যেদিন সুনীল জলধি হইতে উঠিলে জননী ভারতবর্ষ।”
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- একুশে ফেব্রুয়ারী নিয়ে প্রথম গান 'ভুলবো না ভুলবো না, একুশে ফেব্রুয়ারী' এর রচয়িতা আ.ন.ম গাজীউল হক।
- 'বাংলা বিনে গতি নাই' আবদুল লতিফ এর ভাষা আন্দোলনভিত্তিক গান।
- 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' গানটির রচয়িতা  আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী।
- ভাষা আন্দোলনভিত্তিক গান 'ওরা আমার মুখের ভাষা কাইরা নিতে চায়' এর রচয়িতা ও সুরকার আব্দুল লতিফ।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ১৯৫৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলাদেশের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র 'মুখ ও মুখোশ' সিনেমাটির পরিচালক আব্দুল জব্বার খান আর সংগীত পরিচালক সমর দাস।
- মুক্তিযুদ্ধের অসামান্য গান ‘পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে’, ‘নোঙ্গর তোলো তোলো’, ‘মাগো ভাবনা কেন’ শিরোনামের গানের সুরকার হলেন সমর দাস।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
লালন ফকির ১৭৭২ সালে (১১৭৯ বঙ্গাব্দের ১ কার্তিক) ঝিনাইদহ জেলার হরিশপুর গ্রামে (মতান্তরে ভাঁড়রা গ্রাম, কুমারখালী, কুষ্টিয়া) জন্মগ্রহণ করেন । তিনি ছিলেন বাউল সাধনার প্রধান গুরু, বাউল গানের শ্রেষ্ঠ রচয়িতা ও গায়ক । বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী এই বাঙালি লালন সাঁই, লালন শাহ ও মহাত্না লালন নামেও পরিচিত ।

বাউল সম্রাট খ্যাত লালন শাহ অন্যতম গানের মধ্যে রয়েছে:
- ‘বাড়ির কাছে আরশী নগর’
- ‘কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়, তাইতো জাত ভিন্ন বলায়’
- ‘তিন পাগলের মেলা’
- ‘সময় গেলে সাধন হবে না’,
- ‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়’
- ‘আমার ঘরখানায় কে বিরাজ করে’
- ‘মিলন হবে কত দিনে’।

উল্লেখ্য ২৫ নভেম্বর ২০০৫ ইউনেস্কো বাউল গানকে 'A masterpiece of the Oral and Intangible Heritage Humanity' হিসেবে যে স্বীকৃতি দিয়েছে, তার মূলে রয়েছে লালনের গান । 
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ভাওয়াইয়া মূলত বাংলাদেশের রংপুর এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারে ও আসামের গোয়ালপাড়ায় প্রচলিত এক প্রকার পল্লীগীতি। এসকল গানের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এ গানগুলোতে স্থানীয় সংস্কৃতি, জনপদের জীবনযাত্রা, তাদের কর্মক্ষেত্র, পারিবারিক ঘটনাবলী ইত্যাদির সার্থক প্রয়োগ ঘটেছে।

যেমনঃ গরুর গাড়ি চালক বা গাড়িয়ালকে উদ্দেশ্য করে বলছে -
ও কি গাড়িয়াল ভাই,
কত রব আমি পন্থের দিকে চাঞা রে।
যেদিন গাড়িয়াল উজান যায়।

আবার রংপুরের ঐতিহ্যবাহী চিড়িয়াখানা নিয়েঃ
মিয়া ভাই একনা কতা কবার চাও,
অংপুর মুই যাবার চাও,
চিড়িয়াখানা দেখিয়া আনু হয়।

তিস্তা ও ধরলা দুইটি নদী রংপুর অঞ্চলের। 
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ১৯৫৭ সালে 'দৈনিক মর্নিং নিউজ' এ সাংবাদিকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন।
- তার রচিত কাব্যগ্রন্থ-প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে,রৌদ্র করোটিতে,বিধ্বস্ত নীলিমা ইত্যাদি।
- শামসুর রাহমানের কবিতাগুলো হলোঃ তোমাকে পাওয়ার জন্যে হে স্বাধীনতা, স্বাধীনতা তুমি, মধুস্মৃতি, রক্তাক্ত প্রান্তর ইত্যাদি ।
- প্রতিটি কবিতায় স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন আবেগ ও প্রত্যাশা ব্যক্ত হয়েছে ।
- ১৯৭১ সালে শহীদদের উদ্দেশ্য এই গ্রন্থটি উৎসর্গ করা হয়েছে ।
- 'মৈনাক' ছদ্মনামে কবিতা লিখতেন শামসুর রহমান।
- এছাড়াও তিনি যুদ্ধকালে 'মজলুম আদিব' ছদ্মনামেও কবিতা লিখেছিলেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- "তুমি কি দেখেছ কভু জীবনের পরাজয়" ১৯৬৮ সালে বাংলা ভাষায় রচিত একটি চলচ্চিত্র সংগীত।
- এটা ১৯৬৮ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে নারায়ণ ঘোষ মিতা'র পরিচালনায় মুক্তি প্রাপ্ত বাংলা চলচ্চিত্র এতোটুকু আশা ছায়াছবির জনপ্রিয় গান।
- এই গানের গীতিকার ড. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান।
- সত্য সাহা'র সুর ও সঙ্গীত পরিচালনায় বাংলাদেশের প্রখ্যাত সংগীত শিল্পী আব্দুল জব্বার এই গানে কণ্ঠ দেন।
- চলচ্চিত্রে এই গানের চিত্রায়ণে ঠোঁট মিলান আলতাফ,গানের চিত্রায়নে এ টি এম শামসুজ্জামানও ছিলেন।
- তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন-এর রেকর্ডিং স্টুডিওতে এই গানের রেকর্ড করা হয়েছিল।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- শ্যামাসংগীত কালী-বিষয়ক বাংলা ভক্তিগীতির একটি জনপ্রিয় ধারা। এই শ্রেণীর সঙ্গীত শাক্তপদাবলির একটি বিশিষ্ট পর্যায়
- শ্যামাসঙ্গীতের ধারাটি বিকাশলাভ করে খ্রিষ্টীয় অষ্টাদশ শতাব্দীতে।
- শ্যামাসঙ্গীতের শ্রেষ্ঠ কবিদের মধ্যে রয়েছেন প্রাঙ্গন তরফদার ও রামপ্রসাদ সেন।
- এই দুই দিকপাল শ্যামাসংগীতকার ছাড়াও অষ্টাদশ ও ঊনবিংশ শতাব্দীতে বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট পদকর্তা এই ধারায় সংগীতরচনা করে শাক্তসাহিত্য ও সর্বোপরি শাক্তসাধনাকে জনপ্রিয় করে তোলেন। এঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য – কৃষ্ণচন্দ্র রায়, শম্ভুচন্দ্র রায়, নরচন্দ্র রায়, হরুঠাকুর অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি, রামনিধি গুপ্ত (নিধুবাবু), কালী মির্জা, দাশরথি রায় (দাশুরায়) প্রমুখ।
- অনেক মুসলমান কবিও শ্যামাসঙ্গীতের ধারায় নিজ নিজ কৃতিত্ব স্থাপন করে গেছেন, এদের মধ্যে অন্যতম হলেন বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- শাক্তসাধক বা সিদ্ধ পুরুষদের লেখা সাধন সংগীতকেই শাক্ত পদাবলি বলা হয়। রামপ্রসাদ সেন বাংলা সাহিত্যে শাক্তপদের প্রবর্তক ।
- তার নামে প্রচারিত পদের সংখ্যা তিন শতাধিক।
- তার পদগুলো– শাক্ত পদাবলি, শ্যামা সঙ্গীত ও রামপ্রসাদী নামে পরিচিত।
- তার গানে মুগ্ধ হয়ে রাজা কৃষ্ণচন্দ্র তাকে ‘কবিরঞ্জন’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
- তার উল্লেখযোগ্য কবিতাগ্রন্থ : বিদ্যাসুন্দর, কালীকীর্তন।
- 'আমি কি দুঃখেরে ডরাই' - তার উক্তি।
- তার বিখ্যাত গান
"মনরে কৃষি কাজ জান না
এমন মানবজমিন রইল পতিত
আবাদ করলে ফলতো সোনা।"

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আখড়াই এক প্রকার লোকসঙ্গীত। আঠারো শতকে নদীয়ার শান্তিপুরে বৈষ্ণবদের আখড়ায় এর উৎপত্তি। মহারাজ নবকৃষ্ণ দেবের সভাগায়ক কলুই চন্দ্র সেনকে এই গানের উদ্ভাবক বলে ধরা হয়। রামনিধি গুপ্ত ছিলেন এই গানের শ্রেষ্ঠ গায়ক।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- গোবিন্দ হালদার ১৯৩০ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁয়ে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি একজন বাঙালি গীতিকার।
- তাঁর রচিত প্রথম কবিতা ছিল ‘আর কতদিন’।
- তিনি প্রায় সাড়ে তিন হাজার কবিতা ও গান লিখেছেন।
- তাঁর প্রকাশিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ দূর দিগন্ত।

- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতারে সম্প্রচারিত তার লেখা গানসমূহ মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত করতো।
• মুক্তিযুদ্ধের সময় তার রচিত উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে-
- মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি,
- এক সাগর রক্তের বিনিময়ে,
- পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে,
- লেফট রাইট লেফট রাইট,
- হুঁশিয়ার হুঁশিয়ার,
- পদ্মা মেঘনা যমুনা,

- তিনি ভারতের আকাশবাণী বেতারের তালিকাভুক্ত গীতিকার ছিলেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
‘সব ক’টা জানালা খুলে দাও না’ ১৯৮২ সালে প্রকাশিত বাংলা ভাষায় রচিত একটি দেশাত্মবোধক সঙ্গীত। স্বাধীনতা দিবসের জন্য বাংলাদেশ টেলিভিশনের নির্মিত বিশেষ অনুষ্ঠানের জন্য প্রস্তুতকৃত এই সঙ্গীত বা গানের গীতিকার নজরুল ইসলাম বাবু। আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের সুর ও সঙ্গীত পরিচালনায় এই গানে কণ্ঠ দেন সাবিনা ইয়াসমিন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেবী বিষয়ক এক প্রকার গানকে মালসী গান বলে। কখনো দুর্গাপুজার আগমনী বা শাক্ত সংগীতকেও মালসী বলে। এ গান নৃত্য সহযোগে পরিবেশন করা হয়। এটি বৃহত্তর বগুড়া জেলার প্রচলিত লোকসংগীত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- নিশীতে যাইও ফুলবনে রে ভ্রমরা , নিশীতে যাইও ফুলবনে-  এ গানটির রচয়িতা শেখ ভানু
- ।এই কালজয়ী গানটি দেশে বিদেশে সর্বজনীন জনপ্রিয়তার লাভ করেছে ।
- গানটি পৃথিবীর অনেক ভাষায় রূপান্তরিত হয়েছে ।এই বিখ্যাত গানটির কথা আরো দুজন কবিকে উৎসাহী করেছে বলে অনেক গবেষকদের ধারণা ।
- তাদের দুজনেরই কিছু কথা রদবদল আছে ।এ যেন এক ফুল-তিন মালী ।একটি গান,তিনজন গীতিকারঃশেখ ভানু,রাধারমণ দত্ত,ও জসীম উদ্দীন ।
- শেখ ভানুর লিখিত দুটি বই আছে যা (১) আশরারুল এশক (২) পুথিঁ শেখ ভানু ।
- এ বই গুলো বাজারে নেই । তবে তাকে নিয়ে গবেষকরা গবেষণা করায় তার কাব্য গুলোর অনেকাংশ সংরক্ষণ হয়েছে।
- এ দার্শনিক কবিকে নিয়ে সৈয়দ মোস্তফা কামাল, দেওয়ান নুরুল আনোয়ার চৌধুরী, ডঃ আসরাফ সিদ্দীকি, মোস্তফা জামান আব্বাসী নন্দলাল শর্মা, তরফদার মোহাম্মদ ইসমাইলের মতো গুনি জনেরা গবেষণা করেছেন।
- সুফী দার্শনিক কবি শেখ ভানু শিরোনামে একটি গ্রন্থ ২০০৪ সালে প্রকাশ করা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সিলেট অঞ্চলে নাচযুক্ত একধরণের কাহিনীমূলক গানকে ধামাইল বা ধামালী বলে। যে কোনো মঙ্গলিক অনুষ্ঠানে বিশেষ করে বিয়েত অনুষ্ঠানে এই গানের প্রচলন সমধিক। এ গান সাধারণত মেয়েরা গেয়ে থাকে। রামায়ণ দত্তকে এই গানের গুরু বলে মান্য করা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
'বন্দে মাতরম'- গানটির রচয়িতা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। এটি সংস্কৃত-বাংলা মিশ্রভাষায় লিখিত। সংস্কৃত 'বন্দে মাতরম' কথাটির অর্থ 'বন্দনা করি মায়ের'। গানটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়-এর আনন্দমঠ উপন্যাসে সংযোজিত হয়েছে। উপন্যাসটি ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের পটভূমিকায় সন্ন্যাসী বিদ্রোহের কাহিনী অবলম্বনে রচিত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পঞ্চকবির গানের পাঁচজন কবি তারাই যাঁরা একাধারে সুরকার, গীতিকার, এবং গায়ক। এরা হলেন- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, অতুলপ্রসাদ সেন, রজনীকান্ত সেন, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলা গানে ঠুংরি ধারার প্রবর্তক অতুলপ্রসাদ সেন। উল্লেখ্য যে বাংলায় ঠুংরি হীতধারার প্রথম প্রচলন করেন লক্ষনৌর বিশিষ্ট সঙ্গীতজ্ঞ নবাব ওয়াজেদ আলী শাহ। অতুলপ্রসাদ সেনের গানের সংখ্যা প্রায়২০৬ টি। কাকলি, কয়েকটি গান, গীতিগুঞ্জ প্রভৃতি তাঁর গানের সংকলন।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পল্লীকবি জসীম উদ্‌দীন গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী অনেক গান রচনা করেছেন।
তার মধ্যে উল্লেখযোগ্যঃ
  • আমায় ভাসাইলি রে
  • নিশিতে যাইও ফুলবনে ও ভোমরা
  • আমার সোনার ময়না পাখি
  • নদীর কূল নাই কিনার নাই ইত্যাদি। 

সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0