গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেড (রিসিপশনিস্ট) - ২২.০৮.২০২৬ (80 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
World Economic Forum (WEF) হলো একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা, যা ১৯৭১ সালের ২৪ জানুয়ারি সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় প্রতিষ্ঠিত হয় ।
এই সংস্থার সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হলো এর বাৎসরিক সম্মেলন, যা প্রতি বছরের জানুয়ারি মাসে সুইজারল্যান্ডের বরফঢাকা পাহাড়ি শহর দাভোসে অনুষ্ঠিত হয় । এই সম্মেলনে বিশ্বের বড় বড় নেতারা একত্রিত হয়ে বিভিন্ন বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
নওগাঁ জেলার বদলগাছী থানার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত ঐতিহাসিক সোমপুর বিহার। এর প্রতিষ্ঠাতা পাল রাজবংশের দ্বিতীয় ও শ্রেষ্ঠ রাজা ধর্মপাল
বিহারটির গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ নিম্নরূপ:
- ৮ম শতকে রাজা ধর্মপাল এটি নির্মাণ করেন।
- এটি প্রাচীন বাংলার স্থাপত্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন এবং ভারতীয় উপমহাদেশের সবচেয়ে বড় বৌদ্ধ বিহার।
- ১৯৮৫ সালে এটি ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পশ্চিম আফ্রিকার দেশ সিয়েরালিওন ২০০২ সালে বাংলা ভাষাকে তাদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে মর্যাদা দেয়। এর কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:
- দীর্ঘ গৃহযুদ্ধে সিয়েরালিওনে শান্তি ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী বাহিনী অত্যন্ত প্রশংসনীয় ও বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের এই অসামান্য অবদান ও বীরত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও সম্মান জানাতেই দেশটির তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আহমেদ তেজান কাব্বাহ বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেন।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশের বাইরে প্রথম শহীদ মিনারটি স্থাপিত হয় যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টারের ওল্ডহ্যামে, ১৯৯৭ সালে ।
ভাষা শহীদদের স্মরণে বিদেশের মাটিতে নির্মিত শহীদ মিনারগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
- যুক্তরাজ্য: ১৯৯৭ সালে ওল্ডহ্যামে প্রথম শহীদ মিনার নির্মিত হয় ।
- ওমান: মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ওমানেই প্রথম শহীদ মিনার গড়ে ওঠে ।
- জাপান: বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে প্রথম শহীদ মিনারটি নির্মিত হয় জাপানের টোকিওতে ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কলম্বিয়া দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের উত্তর-পশ্চিম অংশে অবস্থিত একটি রাষ্ট্র। দেশটির সরকারি নাম 'প্রজাতন্ত্রী কলম্বিয়া'। এর উত্তরে ক্যারিবীয় সাগর, পশ্চিমে প্রশান্ত মহাসাগর এবং রাজধানী হলো বোগোতা। এটি দক্ষিণ আমেরিকার একমাত্র দেশ যার প্রশান্ত ও আটলান্টিক উভয় মহাসাগরেই উপকূল রয়েছে।
সোর্সঃ প্রফেসর'স MCQ Review।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ হলো সেন্টমার্টিন । এটি বঙ্গোপসাগরে কক্সবাজার জেলার টেকনাফে অবস্থিত । প্রচুর নারিকেল গাছ থাকায় স্থানীয়ভাবে এই দ্বীপটিকে নারিকেল জিঞ্জিরা বলা হয়ে থাকে ।
সোর্সঃ প্রফেসর'স MCQ Review।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
১৮৫৯ সালে সলফারিনো যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে সুইজ ব্যবসায়ী হেনরি ডুনান্ট অত্যন্ত ব্যথিত হন । এরই পরিপ্রেক্ষিতে যুদ্ধাহতদের সেবার উদ্দেশ্যে ১৮৬৩ সালে তিনি রেডক্রস (ICRC) প্রতিষ্ঠা করেন ।
রেডক্রস সম্পর্কিত কিছু তথ্য:
- প্রতিষ্ঠাতা: হেনরি ডুনান্ট
- প্রতিষ্ঠা সাল: ১৮৬৩
- সদর দপ্তর: সুইজারল্যান্ডের জেনেভা
- নোবেল শান্তি পুরস্কার: সর্বোচ্চ ৩ বার লাভ করেছে ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশের বৃহত্তম হাওর হলো হাকালুকি
এটি মূলত সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত এবং এর আয়তন প্রায় ১৮,১১৫ হেক্টর
- বর্ষাকালে এটি একটি বিশাল জলাশয়ে পরিণত হয়।
- হাকালুকি হাওর বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান একটি ইসিএ (ECA) এলাকা।
সোর্সঃ প্রফেসর'স MCQ Review
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কেনিয়া পূর্ব আফ্রিকার একটি দেশ, তাই এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়।
ইউরোপের উত্তরাঞ্চলের দেশগুলোকে নিয়ে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চল গঠিত । মূলত প্রধান স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলো হলো:
- নরওয়ে
- ডেনমার্ক
- সুইডেন
এছাড়াও ফিনল্যান্ড এবং আইসল্যান্ডকেও বিস্তৃত অর্থে এই অঞ্চলের অংশ হিসেবে ধরা হয় ।

সোর্স: বেসিক ভিউ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
'শাহনামা' মহাকাব্যটি ফারসি কবি ফেরদৌসী কর্তৃক ফারসি ভাষায় রচিত ।
এটি পারস্য তথা ইরানের জাতীয় মহাকাব্য হিসেবে পরিচিত। সুলতান মাহমুদের গজনি রাজসভায় কবি ফেরদৌসী দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছর কঠোর সাধনা করে এই বিখ্যাত মহাকাব্যটি রচনা করেন । এতে প্রাচীন পারস্যের রাজাদের গৌরবগাথা ও ইতিহাস ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ফারসি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এই নিদর্শনটি বিশ্বের অন্যতম সর্ববৃহৎ মহাকাব্য।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ করে ।
এর আগে ১৯৭২ সালের ১৭ অক্টোবর বাংলাদেশ জাতিসংঘের স্বীকৃতি পায় এবং পর্যবেক্ষকের মর্যাদা লাভ করে । ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের সাথে আরও দুটি দেশ—গ্রানাডা এবং গিনি বিসাউ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেছিল ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
গ্রিক ঐতিহাসিক হেরোডোটাস-কে ইতিহাসের জনক বা পিতা বলা হয় ।
- তিনি প্রথম তাঁর গবেষণার কাজে গ্রিক শব্দ 'Historia' ব্যবহার করেন, যার অর্থ অনুসন্ধান বা গবেষণা ।
- খ্রিস্টপূর্ব ৫ম শতকে তিনি গ্রিস ও পারস্যের মধ্যকার যুদ্ধ নিয়ে তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'The Histories' রচনা করেন ।
- অপশনের অন্যান্যদের পরিচিতি:
- থুসিডাইডিস হলেন বৈজ্ঞানিক ইতিহাসের জনক ।
- এরিস্টটল হলেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯২১ সালের ১ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয় । ১৯২০ সালের ভারতীয় আইনসভায় পাস হওয়া আইনের ভিত্তিতে এর যাত্রা শুরু হয় ।
- এটি ৩টি অনুষদ, ১২টি বিভাগ, ৬০ জন শিক্ষক ও ৮৭৭ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে যাত্রা শুরু করে ।
- প্রথম উপাচার্য ছিলেন স্যার ফিলিপ জোসেফ হার্টগ
- প্রতিষ্ঠাকালীন ৩টি আবাসিক হল ছিল সলিমুল্লাহ মুসলিম হল, জগন্নাথ হল ও ঢাকা হল ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ১৮৫৭ সালের ঐতিহাসিক সিপাহি বিদ্রোহের পর শেষ মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফরকে বন্দি করে ব্রিটিশরা।
- বন্দি করার পর তাকে মায়ানমারের রেঙ্গুনে (বর্তমান ইয়াঙ্গুন) সপরিবারে নির্বাসনে পাঠানো হয়।
- ১৮৬২ সালের ৭ নভেম্বর নির্বাসিত অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন এবং সেখানেই তাকে সমাহিত করা হয়।
- সম্রাট বাহাদুর শাহ ছিলেন ভারত উপমহাদেশের বিশাল মুঘল সাম্রাজ্যের সর্বশেষ সম্রাট।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রাচীনকালে বাংলা কোনো একক রাষ্ট্র ছিল না, বরং অনেকগুলো ছোট ছোট অঞ্চলে বিভক্ত ছিল। এগুলোকে জনপদ বলা হতো।
- পুণ্ড্র, গৌড়রাঢ় হলো প্রাচীন বাংলার বিখ্যাত কয়েকটি জনপদের নাম।
- অন্যদিকে, মৌর্য কোনো জনপদের নাম নয়, এটি ছিল প্রাচীন ভারতের একটি বিখ্যাত রাজবংশ বা সাম্রাজ্য, যার প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য।
তাই মৌর্য বাংলার প্রাচীন জনপদের নাম নয়।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাপিডিয়া হলো বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় বিশ্বকোষ। এটি প্রকাশের মূল উদ্যোক্তা ও বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি
২০০৩ সালে প্রথম প্রকাশিত এই বিশ্বকোষটি তৈরিতে সোসাইটি দেশের বিশিষ্ট গবেষকদের যুক্ত করেছিল। এর প্রধান সম্পাদক ছিলেন প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ প্রফেসর সিরাজুল ইসলাম। মূলত বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সমাজ ও সংস্কৃতিকে বিশ্বের কাছে সঠিকভাবে তুলে ধরার উদ্দেশ্যেই তারা এই মহতী কাজটি সম্পন্ন করে।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত হলো ১০:৬ বা ৫:৩। পতাকার মাঝের লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হলো দৈর্ঘ্যের পাঁচ ভাগের এক ভাগ। অর্থাৎ পতাকার দৈর্ঘ্য ১০ হলে লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে
দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধের অনুপাত হিসেব করলে দাঁড়ায়:
- দৈর্ঘ্য = ১০
- প্রস্থ = ৬
- ব্যাসার্ধ = ২
এদের অনুপাত ১০:৬:২ কে সরলীকরণ করলে দাঁড়ায় ৫:৩:১। তাই সঠিক উত্তরটি হলো ৫:৩:১
সোর্সঃ Basic View (New Edition)

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশ ১৯৯৭ সালে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত আইসিসি ট্রফিতে চ্যাম্পিয়ন হয় ।
- এই ঐতিহাসিক জয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো ১৯৯৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে ।
- ১৯৯৭ সালে আইসিসি ট্রফিজয়ী জাতীয় ক্রিকেট দলের কোচ ছিলেন গর্ডন গ্রিনিজ, এই সাফল্যের পর তাকে বাংলাদেশের সম্মানসূচক নাগরিকত্ব দেওয়া হয় ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
\(1\) হতে \(30\) পর্যন্ত মোট মৌলিক সংখ্যা রয়েছে ১০টি ।
মৌলিক সংখ্যা হলো এমন সব সংখ্যা, যাদেরকে কেবল \(1\) এবং ওই সংখ্যা ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দ্বারা ভাগ করা যায় না ।
সহজে হিসাব করার জন্য নিচে \(1\) হতে \(30\) পর্যন্ত সংখ্যার বিভাজন দেওয়া হলো:
- \(1\) থেকে \(10\) পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা আছে ৪টি: \(2, 3, 5, 7\)
- \(11\) থেকে \(20\) পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা আছে ৪টি: \(11, 13, 17, 19\)
- \(21\) থেকে \(30\) পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা আছে ২টি: \(23, 29\)
অতএব, \(1\) হতে \(30\) পর্যন্ত মোট মৌলিক সংখ্যা = \(4 + 4 + 2 = 10\)টি ।
- সঠিক উত্তর: অপশন ৩: ১০টি
সোর্সঃ খাইরুল বেসিক গণিত
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ধরি, \(\frac{১}{২}\) এর \(x\%\) হলো \(\frac{৩}{৪}\) ।
প্রশ্নমতে:
\[\frac{১}{২} \times x\% = \frac{৩}{৪}\]
বা, \[\frac{১}{২} \times \frac{x}{১০০} = \frac{৩}{৪}\]
বা, \[\frac{x}{২০০} = \frac{৩}{৪}\]
বা, \[x = \frac{৩}{৪} \times ২০০\]
বা, \[x = ৩ \times ৫০\]
বা, \[x = ১৫০\]
অতএব, \(\frac{১}{২}\) এর \(১৫০\%\) হলো \(\frac{৩}{৪}\)।

বিকল্প সংক্ষিপ্ত নিয়ম:
শতকরা নিয়মে সাজানোর ক্ষেত্রে, যার সাথে তুলনা করা হয় তাকে নিচে এবং যাকে তুলনা করা হয় তাকে উপরে রেখে ১০০ দিয়ে গুণ করতে হয় ।
এখানে \(\frac{১}{২}\)-এর সাথে তুলনা করে \(\frac{৩}{৪}\)-এর শতকরা মান বের করতে হবে।
অতএব, নির্ণেয় শতকরা হার:
\[\frac{\frac{৩}{৪}}{\frac{১}{২}} \times ১০০\%\]
\[= ( \frac{৩}{৪} \times \frac{২}{১} ) \times ১০০\%\]
\[= \frac{৩}{২} \times ১০০\%\]
\[= ৩ \times ৫০\%\]
\[= ১৫০\%\]
অতএব, নির্ণেয় মান হলো \(১৫০\%\)।
- সঠিক উত্তর: অপশন ৪: ১৫০%
সোর্সঃ খাইরুল বেসিক গণিত
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে, মোট ছাত্রের সংখ্যা \(৬০\) জন।
এবং ফেল করা ছাত্রের সংখ্যা \(৪২\) জন।
তাহলে, পাস করা ছাত্রের সংখ্যা হলো: \(৬০ - ৪২ = ১৮\) জন।
এখন সমীকরণটি থেকে পাসের হার বের করার জন্য পাস করা ছাত্রের সংখ্যাকে মোট ছাত্রের সংখ্যা দিয়ে ভাগ করে \(১০০\%\) দিয়ে গুণ করতে হবে।
পাসের হার নির্ণয়ের হিসাব: \[\frac{১৮}{৬০} \times ১০০\%\]
- এখানে, \(১৮\) ও \(৬০\)-কে \(৬\) দিয়ে ভাগ (কাটাকাটি) করে পাই: \[\frac{১৮}{৬০} = \frac{৩}{১০}\]
- এবার এই ভগ্নাংশটিকে \(১০০\%\) দিয়ে গুণ করলে নির্ণেয় মান পাওয়া যায়: \[\frac{৩}{১০} \times ১০০\% = ৩০\%\]
অতএব, নির্ণেয় পাসের হার \(৩০\%\)।
- সঠিক উত্তর: অপশন ৩: \(৩০\%\)
সোর্সঃ খাইরুল বেসিক গণিত
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে, শতকরা মানটি হলো: \[১৩ \frac{৩}{৪}\%\]
এটি একটি মিশ্র ভগ্নাংশ। সমীকরণের মানটি সরল করার জন্য প্রথমে এটিকে অপ্রকৃত ভগ্নাংশে রূপান্তর করতে হবে।
- মিশ্র ভগ্নাংশকে রূপান্তর করে পাই: \[১৩ \frac{৩}{৪} = \frac{(১৩ \times ৪) + ৩}{৪} = \frac{৫৫}{৪}\]
সুতরাং, শতকরা মানটি দাঁড়ায়: \[\frac{৫৫}{৪}\%\]
শতকরা (\(\%\)) চিহ্নটি তুলে দেওয়ার জন্য সংখ্যাটিকে \(১০০\) দ্বারা ভাগ করতে হয়, যা শতকরা হিসাবের সাধারণ নিয়ম
- নিয়ম অনুযায়ী মানটি দাঁড়ায়: \[\frac{৫৫}{৪}\% = \frac{৫৫}{৪} \times \frac{১}{১০০}\]
- গুণ করার পর পাই: \[= \frac{৫৫}{৪০০}\]
এখন, ভগ্নাংশটির লব ও হর উভয়কে \(৫\) দিয়ে ভাগ (লঘিষ্ঠকরণ) করে পাই:
- লবকে \(৫\) দিয়ে ভাগ করলে পাই: \(৫৫ \div ৫ = ১১\)
- হরকে \(৫\) দিয়ে ভাগ করলে পাই: \(৪০০ \div ৫ = ৮০\)
অতএব, নির্ণেয় সরল ভগ্নাংশটি হলো: \[\frac{১১}{৮০}\]
- সঠিক উত্তর: অপশন ১: \(\frac{১১}{৮০}\)
সোর্সঃ খাইরুল বেসিক গণিত
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বৃত্তের পরিধির যেকোনো দুটি বিন্দুর সংযোজক সরলরেখাকে জ্যা (Chord) বলা হয়।
যখন কোনো জ্যা বৃত্তের কেন্দ্র দিয়ে গমন করে বা কেন্দ্রকে ছেদ করে, তখন সেই বিশেষ জ্যা-কে ব্যাস (Diameter) বলা হয়।
ব্যাস সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
- ব্যাস হলো বৃত্তের বৃহত্তম জ্যা
- বৃত্তের কেন্দ্র থেকে পরিধি পর্যন্ত দূরত্বকে ব্যাসার্ধ (Radius) বলে।
- বৃত্তের ব্যাস হলো ব্যাসার্ধের দ্বিগুণ। অর্থাৎ, ব্যাসার্ধ \(r\) এবং ব্যাস \(d\) হলে:
\[d = 2r\]
সুতরাং, বৃত্তের কেন্দ্র ছেদকারী জ্যা-কে ব্যাস বলা হয়।
- সঠিক উত্তর: অপশন ১: ব্যাস
সোর্সঃ খাইরুল বেসিক গণিত
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
০, ১, ২ এবং ৩ দ্বারা গঠিত চার অংকের বৃহত্তম এবং ক্ষুদ্রতম সংখ্যা গঠন করার নিয়ম নিম্নরূপ:
১. চার অংকের বৃহত্তম সংখ্যা: বৃহত্তম সংখ্যা গঠন করার জন্য অংকগুলোকে বড় থেকে ছোট ক্রমে সাজাতে হবে।
এখানে অংকগুলোর বড় থেকে ছোট ক্রম হলো: \(৩ > ২ > ১ > ০\)।
অতএব, গঠিত চার অংকের বৃহত্তম সংখ্যাটি হলো: \(৩২১০\)
২. চার অংকের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা: ক্ষুদ্রতম সংখ্যা গঠন করার জন্য সাধারণত অংকগুলোকে ছোট থেকে বড় ক্রমে সাজাতে হয়।
এখানে অংকগুলোর ছোট থেকে বড় ক্রম হলো: \(০ < ১ < ২ < ৩\)।
কিন্তু যেকোনো সংখ্যার শুরুতে বা বামে \(০\) বসালে সেটি চার অংকের সংখ্যা না হয়ে তিন অংকের সংখ্যা (যেমন: \(০১২৩\) বা \(১২৩\)) হয়ে যায়। কারণ সংখ্যার শুরুতে থাকা শূন্যের কোনো সার্থক মান থাকে না।
তাই ক্ষুদ্রতম সংখ্যা গঠনের ক্ষেত্রে শুরুতে \(০\) বাদে সবচেয়ে ছোট সার্থক অংক \(১\) বসাতে হবে, এবং এর ঠিক পরেই দ্বিতীয় স্থানে \(০\) বসাতে হবে।
অতএব, গঠিত চার অংকের ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি হলো: \(১০২৩\)
এখন, এই বৃহত্তম এবং ক্ষুদ্রতম সংখ্যার বিয়োগফল নির্ণয় করতে হবে।
বিয়োগফলটি হলো:
\[৩২১০ - ১০২৩ = ২১৮৭\]
অতএব, নির্ণেয় বিয়োগফল হলো \(২১৮৭\)।
- সঠিক উত্তর: অপশন ৪: \(২ ১৮৭\)
সোর্সঃ খাইরুল বেসিক গণিত
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যেকোনো ত্রিভুজের বাহুগুলোর মধ্যে বৃহত্তম বাহুটিকে অতিভুজ ধরা হয়।
এখানে দেওয়া বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য হলো: \(১৭\) সে.মি., \(১৫\) সে.মি. এবং \(৮\) সে.মি. ।
বৃহত্তম বাহু অর্থাৎ অতিভুজের দৈর্ঘ্য = \(১৭\) সে.মি.।
পীথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী, সমকোণী ত্রিভুজের ক্ষেত্রে অতিভুজের বর্গ অন্য দুই বাহুর বর্গের সমষ্টির সমান হতে হবে । অর্থাৎ:
\[\text{অতিভুজ}^২ = \text{ভূমি}^২ + \text{লম্ব}^২\]
এখন আমরা বাহুগুলোর বর্গের মান বের করে যাচাই করি:
- বৃহত্তম বাহুর বর্গ: \[১৭^২ = ২৮৯\]
- অপর দুই বাহুর বর্গের সমষ্টি: \[১৫^২ + ৮^২ = ২২৫ + ৬৪ = ২৮৯\]
যেহেতু আমরা দেখতে পাচ্ছি: \[১৭^২ = ১৫^২ + ৮^২\]
অর্থাৎ, বাহু তিনটি পীথাগোরাসের উপপাদ্য সম্পূর্ণভাবে মেনে চলে।
সুতরাং, ১৭ সে.মি., ১৫ সে.মি., ৮ সে.মি. বাহু বিশিষ্ট ত্রিভুজটি একটি সমকোণী ত্রিভুজ
- সঠিক উত্তর: অপশন ৩: সমকোণী
সোর্সঃ খাইরুল বেসিক গণিত
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে, সংখ্যা দুইটির অনুপাত \(৭:৫\) এবং ল.সা.গু \(১৪০\) ।
সমীকরণটি সমাধানের জন্য আমাদের সংখ্যা দুইটির গ.সা.গু বের করতে হবে।
সাধারণ নিয়ম (লিখিত পরীক্ষার জন্য):
ধরি, সংখ্যা দুইটি যথাক্রমে \(৭x\) এবং \(৫x\) ।
এখানে, সংখ্যা দুইটির সাধারণ উৎপাদক বা গ.সা.গু হলো \(x\) ।
সুতরাং, সংখ্যা দুইটির ল.সা.গু হবে: \[৭ \times ৫ \times x = ৩৫x\]
প্রশ্নানুযায়ী, ল.সা.গু দেওয়া আছে \(১৪০\) ।
অতএব, আমরা লিখতে পারি: \[৩৫x = ১৪০\]
বা, \[x = \frac{১৪০}{৩৫}\]
বা, \[x = ৪\]
যেহেতু আমরা সংখ্যা দুইটির গ.সা.গু \(x\) ধরেছিলাম, তাই নির্ণেয় গ.সা.গু হলো \(৪\) ।
শর্টকাট নিয়ম (এমসিকিউ পরীক্ষার জন্য):
আমরা জানি, দুটি সংখ্যার অনুপাত ও ল.সা.গু দেওয়া থাকলে গ.সা.গু বের করার সূত্রটি হলো:
\[\text{গ.সা.গু} = \frac{\text{ল.সা.গু}}{\text{অনুপাতদ্বয়ের গুণফল}}\]
সূত্রে মান বসিয়ে পাই: \[\text{গ.সা.গু} = \frac{১৪০}{৭ \times ৫}\]
বা, \[\text{গ.সা.গু} = \frac{১৪০}{৩৫}\]
বা, \[\text{গ.সা.গু} = ৪\]
অতএব, সংখ্যা দুইটির গ.সা.গু হলো \(৪\) ।
- সঠিক উত্তর: অপশন ১: \(৪\)
সোর্সঃ খাইরুল বেসিক গণিত
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ধরি, চিনির পূর্বমূল্য ছিল ১০০ টাকা।
চিনির মূল্য ১০% কমে যাওয়ায় চিনির বর্তমান মূল্য হবে: \[১০০ - ১০ = ৯০\text{ টাকা}\]
চিনি বাবদ মোট খরচ অপরিবর্তিত বা একই রাখতে হলে খরচ আগের মতোই ১০০ টাকা রাখতে হবে।
অর্থাৎ, বর্তমানে ৯০ টাকার চিনিতে ব্যবহার বাড়াতে হবে: \[১০০ - ৯০ = ১০\text{ টাকা}\]
এখন, ঐকিক নিয়ম অনুযায়ী পাই:
৯০ টাকায় চিনির ব্যবহার বাড়াতে হবে ১০ টাকা।
১ টাকায় চিনির ব্যবহার বাড়াতে হবে \(\frac{১০}{৯০}\) টাকা।
শতকরা বা ১০০ টাকায় চিনির ব্যবহার বাড়াতে হবে: \[\frac{১০ \times ১০০}{৯০}\text{ টাকা}\]
\[= \frac{১০০}{৯}\text{ টাকা}\]
\[= ১১\frac{১}{৯}\%\]
অতএব, চিনির ব্যবহার শতকরা \(১১\frac{১}{৯}\%\) বাড়ালে চিনি বাবদ খরচ একই থাকবে।
- সঠিক উত্তর: অপশন ৪: \(১১\frac{১}{৯}\%\)
সোর্সঃ খাইরুল বেসিক গণিত

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আমরা জানি, যেকোনো ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি \(180^\circ\) বা দুই সমকোণ ।
উদ্দীপকে ত্রিভুজটির দুইটি কোণের পরিমাণ দেওয়া আছে \(28^\circ\) এবং \(62^\circ\)।
কোণ দুইটির যোগফল: \[28^\circ + 62^\circ = 90^\circ\]
সুতরাং, ত্রিভুজটির তৃতীয় বা অপর কোণটি হবে: \[180^\circ - 90^\circ = 90^\circ\]
যে ত্রিভুজের একটি কোণ \(90^\circ\) বা এক সমকোণ, তাকে সমকোণী ত্রিভুজ বলে ।
যেহেতু এই ত্রিভুজটির একটি কোণ \(90^\circ\) বা সমকোণ, তাই ত্রিভুজটি একটি সমকোণী ত্রিভুজ
- সঠিক উত্তর: অপশন ১: সমকোণী
সোর্সঃ খায়রুল'স বেসিক ম্যাথ
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0