বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি (সহকারী জেনারেল ম্যানেজার, ওএন্ডএম/পিএন্ডএম/ইএন্ডসি) - ২৭.০২.২০২৬ (80 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- Wien bridge oscillator মূলত low frequencies বা অডিও ফ্রিকোয়েন্সি তৈরি এবং পরিমাপ করতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত 100 Hz থেকে 100 kHz রেঞ্জের মধ্যে কাজ করে, যা অডিও বা লো-মিডিয়াম ফ্রিকোয়েন্সি পাল্লার অন্তর্ভুক্ত।
- উইন ব্রিজ মূলত Capacitance এবং Frequency পরিমাপ করতেও ব্যবহৃত হয়।
- উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সির জন্য সাধারণত LC অসিলেটর ব্যবহৃত হয়, কিন্তু RC অসিলেটর হিসেবে উইন ব্রিজ লো ফ্রিকোয়েন্সিতে অত্যন্ত নির্ভুল ফলাফল প্রদান করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- RC coupling সাধারণত অডিও ভোল্টেজ এমপ্লিফায়ারে ব্যবহৃত হয়, তবে হাই পাওয়ার অ্যাপ্লিকেশনে এটি ব্যবহার করা হয় না।
- এর প্রধান কারণ হলো এর লো এফিসিয়েন্সি (low efficiency)
- RC কাপল সার্কিটে কালেক্টর লোড রেজিস্টরে (Collector load resistor) প্রচুর পরিমাণে ডিসি পাওয়ার (DC power) তাপ হিসেবে অপচয় হয়।
- ফলে মোট সাপ্লাই পাওয়ারের খুব সামান্য অংশই দরকারি এসি আউটপুট পাওয়ার হিসেবে পাওয়া যায়, যার কারণে এর দক্ষতা ২৫% এরও কম হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ადამიანের কান (Human ear) শব্দের তীব্রতা বা পরিবর্তনের প্রতি লগারিদমিক (logarithmic) ভাবে সাড়া দেয়।
- অর্থাৎ, আমরা শব্দের মাত্রাকে রৈখিকভাবে নয়, বরং লগারিদমিক স্কেলে অনুভব করি।
- এই কারণে এমপ্লিফায়ারের গেইন (Gain), অডিও লেভেল এবং নয়েজ পরিমাপের জন্য ডেসিবেল (dB) ইউনিট ব্যবহার করা হয়, যা একটি লগারিদমিক স্কেল।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বেস-বায়াস বা ফিক্সড বায়াস (Base-bias) সার্কিটের প্রধান অসুবিধা হলো এটি ট্রানজিস্টরের কারেন্ট গেইন β (Beta) এর ওপর খুব বেশি নির্ভরশীল
- আমরা জানি, কালেক্টর কারেন্ট $I_C = \beta I_B$।
- তাপমাত্রা পরিবর্তনের সাথে সাথে বা একই মডেলের অন্য ট্রানজিস্টর ব্যবহার করলে β এর মান ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়।
- ফলে ট্রানজিস্টরের অপারেটিং পয়েন্ট বা Q-point অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- একটি ফুল ওয়েভ ব্রিজ রেকটিফায়ারের (Full-wave bridge rectifier) ক্ষেত্রে আউটপুট রিপল ফ্রিকোয়েন্সি ইনপুট ফ্রিকোয়েন্সির দ্বিগুণ হয় ($f_{out} = 2 imes f_{in}$)।
- ইনপুট ফ্রিকোয়েন্সি ৫০ হার্জ (50 Hz) হলে আউটপুট রিপল হওয়া উচিত 100 Hz
- কিন্তু যদি আউটপুটে 50 Hz রিপল পাওয়া যায়, এর অর্থ হলো সার্কিটটি হাফ ওয়েভ রেকটিফায়ারের মতো কাজ করছে।
- ব্রিজ রেকটিফায়ারের চারটির মধ্যে একটি ডায়োড ওপেন (open diode) বা নষ্ট হয়ে গেলে এমনটি ঘটে, কারণ তখন শুধুমাত্র একটি হাফ সাইকেল রেকটিফাই হতে পারে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রেজিস্টিভিটি (Resistivity) পদার্থের একটি অন্তর্নিহিত বা নিজস্ব বৈশিষ্ট্য।
- কোনো পরিবাহী বা অর্ধপরিবাহীর (semiconductor) রেজিস্টিভিটি এর আকার (shape), দৈর্ঘ্য (length) বা প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের ওপর নির্ভর করে না।
- এটি মূলত পদার্থের পারমাণবিক গঠন (atomic structure) এবং তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- Under voltage relays প্রধানত motor protection-এর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- সাপ্লাই ভোল্টেজ নির্দিষ্ট সীমার নিচে নেমে গেলে, লোড সামলাতে গিয়ে মোটরের কারেন্ট গ্রহণ বেড়ে যায়। এর ফলে অতিরিক্ত তাপ সৃষ্টি হয়ে মোটরের ওয়াইন্ডিং পুড়ে যেতে পারে।
- যখন ভোল্টেজ একটি নিরাপদ সীমার চেয়ে কমে যায়, তখন এই রিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সার্কিট ব্রেকারকে সিগন্যাল দিয়ে মোটরকে বৈদ্যুতিক সরবরাহ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়।
- এর ফলে মোটরটি লো-ভোল্টেজ জনিত মারাত্মক ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- একটি circuit breaker-এর রেটিং সাধারণত symmetrical fault (যেমন 3-phase short circuit)-এর ওপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা হয়।
- পাওয়ার সিস্টেমে সিমেট্রিক্যাল ফল্ট হলো সবচেয়ে মারাত্মক অবস্থা এবং এই সময়ে সিস্টেমে সর্বোচ্চ পরিমাণ ফল্ট কারেন্ট প্রবাহিত হয়।
- সার্কিট ব্রেকারটিকে যেহেতু সবচেয়ে চরম অবস্থাটি নিরাপদে সামলাতে হবে, তাই সিস্টেমের সর্বোচ্চ সম্ভাব্য ফল্ট কারেন্ট হিসাব করেই এর রেটিং (ব্রেকিং এবং মেকিং ক্যাপাসিটি) নির্ধারণ করা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সার্কিট ব্রেকারের কন্টাক্টগুলো খোলার সময় যে ক্ষণস্থায়ী বা ট্রানজিয়েন্ট ভোল্টেজ তৈরি হয়, তাকে re-striking voltage বলা হয়।
- আর্ক নেভানোর ঠিক মুহূর্তেই (instant of arc extinction) কন্টাক্টগুলোর আড়াআড়িতে এই উচ্চ কম্পাঙ্কের ভোল্টেজ দেখা যায়।
- এটি প্রধানত সিস্টেমের ক্যাপাসিট্যান্স এবং ইনডাকট্যান্সের কারণে সৃষ্টি হয়।
- যদি re-striking voltage কন্টাক্টগুলোর মধ্যবর্তী ডাই-ইলেকট্রিক শক্তির চেয়ে দ্রুত বৃদ্ধি পায়, তবে কন্টাক্টগুলোর মাঝে পুনরায় আর্ক তৈরি হতে পারে।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- Vacuum Circuit Breaker (VCB) সাধারণত উচ্চ ভোল্টেজ (high voltage) এবং নিম্ন কারেন্ট (low current) সার্কিট ইন্টারাপ্ট করার জন্য সবচেয়ে বেশি পছন্দ করা হয়।
- ভ্যাকিউমের (শূন্যস্থান) ডাই-ইলেকট্রিক শক্তি অত্যন্ত বেশি, যা অত্যন্ত দ্রুত আর্ক নেভাতে (arc quenching) সাহায্য করে।
- এটি অন্যান্য ব্রেকারের তুলনায় দ্রুত কাজ করে এবং ক্যাপাসিটর ব্যাংক সুইচিং-এর মতো নিম্ন কারেন্ট অ্যাপ্লিকেশনে চমৎকার কাজ করে।
- এই ব্রেকারগুলো অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য এবং এদের জন্য তুলনামূলকভাবে খুব কম রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজন হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- Isolator হলো একটি মেকানিক্যাল সুইচিং ডিভাইস, যা বৈদ্যুতিক সরবরাহ থেকে একটি সার্কিট বা সরঞ্জামকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি মূলত রক্ষণাবেক্ষণ বা নিরাপত্তার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়।
- Isolator-এর কোনো আর্ক-কোয়েনচিং (arc-quenching) ক্ষমতা থাকে না, তাই এটি কেবল no-load বা যখন সার্কিটে কোনো কারেন্ট প্রবাহিত হচ্ছে না, তখনই অপারেট করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
- লোড অবস্থায় এটি বিচ্ছিন্ন করলে বিপজ্জনক বৈদুতিক আর্ক তৈরি হতে পারে, তাই নিরাপত্তার জন্য এটি কারেন্ট না থাকা অবস্থায় ব্যবহার করা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পাওয়ার সিস্টেমের বিভিন্ন উপাদানের (যেমন- জেনারেটর, ট্রান্সফর্মার, ট্রান্সমিশন লাইন) zero sequence impedance সাধারণত different বা আলাদা হয়।
- ব্যালান্সড সিস্টেমে পজিটিভ বা নেগেটিভ সিকোয়েন্স ইম্পিডেন্স সমান হতে পারলেও, জিরো সিকোয়েন্স ইম্পিডেন্স মূলত কারেন্টের রিটার্ন পাথ এবং গ্রাউন্ডিং (grounding/neutral connection)-এর ওপর নির্ভর করে।
- স্টার বা ডেল্টা কানেকশনের ভিন্নতার কারণে প্রতিটি উপাদানের জন্য এই মান ভিন্ন হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে, লাইন ভোল্টেজ, V = 10 kV
বেস পাওয়ার, Sbase = 10,000 kVA = 10 MVA
প্রকৃত রোধ, R = 1 Ω
বেস রোধ (Base Impedance), Zbase = (kV)2 / MVA
Zbase = 102 / 10 = 100 / 10 = 10 Ω
Percentage Resistance, %R = (R / Zbase) × 100%
%R = (1 / 10) × 100% = 10%

শর্টকাট: %R = (kVAbase × R) / (10 × kV2) = (10000 × 1) / (10 × 102) = 10000 / 1000 = 10%।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্টে Economiser এমন একটি ডিভাইস যা চিমনির মাধ্যমে বাইরে যাওয়ার আগে flue gases (exhaust) এর বর্জ্য তাপ ব্যবহার করে বয়লারে প্রবেশ করা feed water কে গরম করে।
- এর ফলে বয়লারের দক্ষতা (efficiency) উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায় এবং প্ল্যান্টের সামগ্রিক জ্বালানি সাশ্রয় হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
একটি ক্যাবলে ডাইইলেকট্রিক স্ট্রেস কন্ডাক্টরের কেন্দ্র থেকে দূরত্বের উপর নির্ভর করে।
- Maximum stress: কন্ডাক্টরের পৃষ্ঠে (conductor surface) ডাইইলেকট্রিক স্ট্রেস সবচেয়ে বেশি থাকে।
- Minimum stress: কন্ডাক্টর থেকে সবচেয়ে দূরে বা ইনসুলেশনের বাইরের অংশে অর্থাৎ lead sheath-এ ডাইইলেকট্রিক স্ট্রেস সবচেয়ে কম (minimum) থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Bulk power consumers বা বড় শিল্প কারখানাগুলোতে সাধারণত 33 kV ভোল্টেজে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। এর কারণ হলো:
- উচ্চ ভোল্টেজে পাওয়ার ট্রান্সমিট করলে লাইনের কারেন্ট কমে যায়, ফলে line loss কম হয়।
- ইন্ডাস্ট্রিয়াল সাব-ট্রান্সমিশন লেভেল হিসেবে 33 kV বেশ সাশ্রয়ী এবং নির্ভরযোগ্য।
উল্লেখ্য, 33 KV পর্যন্ত ভোল্টেজের ক্ষেত্রে সাধারণত Pin Insulators ব্যবহৃত হয় এবং এর উপরের ভোল্টেজে অন্যান্য ইনসুলেটর ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ট্রান্সমিশন লাইনে Transposition করা হয় মূলত তিনটি ফেজের ইনডাকট্যান্স এবং ক্যাপাসিট্যান্স সমান করার জন্য। এর ফলে প্রতিটি ফেজে ভোল্টেজ ড্রপ সমান হয় এবং line voltage drop balance হয়। এছাড়া এটি টেলিকমিউনিকেশন লাইনের সাথে ম্যাগনেটিক ইন্টারফারেন্স কমাতেও সাহায্য করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ওভারহেড লাইনে পরিবাহীর তাপমাত্রা (temperature) বৃদ্ধির ফলে পদার্থের স্বাভাবিক ধর্ম অনুযায়ী তারের প্রসারণ ঘটে।
- এই প্রসারণের ফলে তারের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি (increase length) পায়।
- তারের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে লাইনের Sag বা ঝুলের পরিমাণ স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে যায়।
- Sag বেড়ে যাওয়ার ফলে তারের উপর প্রযুক্ত টান বা stress প্রশমিত হয়ে কমে যায় (decrease the stress)
- বিপরীতভাবে, তাপমাত্রা কমে গেলে তার সংকুচিত হয়, ফলে দৈর্ঘ্য কমে এবং stress বেড়ে যায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ওভারহেড ট্রান্সমিশন লাইনে দুটি খুঁটি বা টাওয়ারের সাপোর্ট পয়েন্ট এবং তারের সবচেয়ে নিচু বিন্দুর মধ্যকার উলম্ব দূরত্বকে Sag (ঝুল) বলা হয়।
- ওভারহেড লাইনে পরিমিত Sag রাখা হয় যাতে তারের উপর অতিরিক্ত টান বা safe tension লিমিট অতিক্রম না করে।
- ঋতু পরিবর্তনের কারণে (যেমন শীতকালে তার সংকুচিত হলে) তারের টান অনেক বেড়ে যেতে পারে।
- একদম টানটান করে তার বাঁধা হলে ঠান্ডা আবহাওয়া বা প্রবল বাতাসে অতিরিক্ত টানের (tension) কারণে তার ছিঁড়ে যেতে পারে বা পোল ভেঙে যেতে পারে, তাই তার সুরক্ষিত রাখতে Sag প্রদান করা হয়।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সাসপেনশন ইনসুলেটর (Suspension Insulator) সাধারণত উচ্চ ভোল্টেজের ওভারহেড ট্রান্সমিশন লাইনে ব্যবহার করা হয়।
- 33 KV এর বেশি ভোল্টেজের ক্ষেত্রে পিন টাইপ ইনসুলেটরের ব্যবহার অলাভজনক ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায়, তাই সেখানে সাসপেনশন ইনসুলেটর ব্যবহৃত হয়।
- সাসপেনশন ইনসুলেটরগুলো অনেকগুলো ডিস্ক (disc) নিয়ে গঠিত হয়, যা স্ট্রং টেকসই চেইন বা সাসপেনশনের মাধ্যমে লাইন ও টাওয়ারের সাথে যুক্ত থাকে।
- ভোল্টেজ বেশি হলে প্রয়োজন অনুযায়ী ডিস্কের সংখ্যা বাড়িয়ে নেওয়া যায়, ফলে এটি 33 KV এর ওপরের ভোল্টেজ সহজে সহ্য করতে পারে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- একই ভবনের বিভিন্ন তলায়, অফিস-আদালত, স্কুল-কলেজ, ছোট-বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বা কাছাকাছি ভবনের কম্পিউটারগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপনের জন্য লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN) ব্যবহার করা হয়।
- সাধারণত ১ কিলোমিটারের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক খুব ভালোভাবে কাজ করে।
- ছোট পরিসরে ডেটা শেয়ারিং ও কমিউনিকেশন নিশ্চিত করতে LAN সবচেয়ে কার্যকর।
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় কমিউনিকেশন মিডিয়া হিসেবে সাধারণত ক্যাবল ব্যবহার করা হয় এবং এর স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE 802
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ডেটাবেস ট্রানজ্যাকশনের ACID প্রপার্টি হলো চারটি মূল বৈশিষ্ট্যের সমষ্টি, যা ডেটাবেসের নির্ভরযোগ্যতা ও স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে।
- ACID এর পূর্ণরূপ হলো:
১. Atomicity (অ্যাটোমিসিটি): একটি ট্রানজ্যাকশনের সব কাজ সম্পূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে, নতুবা কোনো কাজই সম্পন্ন হবে না (All or Nothing)।
২. Consistency (কনসিস্টেন্সি): ট্রানজ্যাকশনের আগে ও পরে ডেটাবেস একটি সঠিক ও রুলস অনুযায়ী বৈধ (valid) অবস্থায় থাকবে。
৩. Isolation (আইসোলেশন): একাধিক ট্রানজ্যাকশন একসাথে চললেও একটির কাজ অন্যটিকে প্রভাবিত করবে না।
৪. Durability (ডিউরেবিলিটি): ট্রানজ্যাকশন সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত হবে, সিস্টেম ফেল করলেও তা নষ্ট হবে না।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- একটি Real Time Operating System (RTOS) ইনপুট ডেটা নেওয়ার সাথে সাথে অত্যন্ত দ্রুত এবং নির্দিষ্ট সময়ের মাঝে (actual time) আউটপুট বা রিয়্যাক্ট প্রদান করে।
- এই ধরনের সিস্টেমে টাইম ডেডলাইন খুব কঠোরভাবে মেনে চলা হয়, যেমন: এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল, রোবোটিক্স বা মিসাইল সিস্টেমে।
- অন্যদিকে Batch Processing বা Time sharing সিস্টেমে এমন তাৎক্ষণিক রেসপন্সের নিশ্চয়তা থাকে না।
- তাই যে সিস্টেম actual time-এ read এবং react করে থাকে, তাকে Real Time System বলা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- একটি Pure Inductive Circuit (যাতে রেজিস্ট্যান্স শূন্য), কারেন্ট সবসময় অ্যাপ্লায়েড এসি ভোল্টেজ থেকে 90° এঙ্গেলে পিছিয়ে (lags) থাকে।
- প্রশ্নে যেহেতু জানতে চাওয়া হয়েছে কারেন্ট কত ডিগ্রি লিড (leads) করে, তাই পিছনের দিকে থাকা বা ল্যাগিং অবস্থাকে নেগেটিভ দিয়ে বোঝানো হয়।
- অর্থাৎ, কারেন্ট ভোল্টেজের তুলনায় -90° লিড (leads) করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ল্যাম্পের রেজিস্ট্যান্স বের করার সূত্র হলো: R = V^2 / P
- 100W ল্যাম্পের রেজিস্ট্যান্স: R1 = (220^2) / 100 = 484 Ω
- 220W ল্যাম্পের রেজিস্ট্যান্স: R2 = (220^2) / 220 = 220 Ω
- প্রাপ্ত মান থেকে দেখা যায়, কম পাওয়ারের (100W) ল্যাম্পের রেজিস্ট্যান্স বেশি
- সিরিজে সংযুক্ত কারেন্ট সমান থাকায়, যে ল্যাম্পের রেজিস্ট্যান্স বেশি তার আড়াআড়িতে ভোল্টেজ ড্রপ বেশি হয় (V = IR)।
- সিরিজে 440V সাপ্লাই দিলে 100W ল্যাম্পটির এক্রসে ভোল্টেজ তার রেটেড ভোল্টেজের (220V) চেয়ে অনেক বেশি হয়ে যায়, যার ফলে অতিরিক্ত পাওয়ার ডেসপেশনের কারণে 100W ল্যাম্পটি ফিউজ হয়ে যাবে
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- Capacitive reactance এর গাণিতিক সূত্র হলো, X_c = 1 / (2πfC)
- সূত্র থেকে দেখা যায়, X_c এর মান ফ্রিকোয়েন্সি (f) এবং ক্যাপাসিট্যান্স (C) উভয়ের সাথেই ব্যস্তানুপাতিক (inversely proportional)
- তাই ফ্রিকোয়েন্সি বৃদ্ধি পেলে ক্যাপাসিটিভ রিঅ্যাক্ট্যান্স কমে যায় এবং ফ্রিকোয়েন্সি কমলে ক্যাপাসিটিভ রিঅ্যাক্ট্যান্স বৃদ্ধি পায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ট্রান্সফরমারের তাপমাত্রা বৃদ্ধি মূলত এর লস বা ক্ষতির উপর নির্ভরশীল
- একটি ট্রান্সফরমারের মোট ক্ষতি দুটি অংশের সমষ্টি: কপার লস (Active power loss) এবং আয়রন লস (Reactive power related)
- ট্রান্সফরমারের রেটিং সবসময় অ্যাপারেন্ট পাওয়ার (kVA বা MVA) এককে প্রকাশ করা হয়, কিলোওয়াটে নয়।
- কারণ ট্রান্সফরমারের কপার লস কারেন্টের সাথে এবং আয়রন লস ভোল্টেজের সাথে সম্পর্কিত, কিন্তু পাওয়ার ফ্যাক্টরের উপর নির্ভর করে না।
- এই দুটি লস বা ক্ষতির সমষ্টিই ট্রান্সফরমারের তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রধান কারণ
- যেহেতু অ্যাপারেন্ট পাওয়ার (Apparent power) ভোল্টেজ এবং কারেন্টের গুণফলকে নির্দেশ করে, তাই ট্রান্সফরমারের তাপমাত্রা বৃদ্ধি সরাসরি অ্যাপারেন্ট পাওয়ারের সমানুপাতিক হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ট্রান্সফরমারে যখন কোনো লোড সংযুক্ত থাকে না, তখন তাকে নো-লোড (No-load) অবস্থা বলা হয়।
- ট্রান্সফরমারের দক্ষতার সূত্র হলো: Efficiency = (Output Power / Input Power) × 100%
- নো-লোড অবস্থায় ট্রান্সফরমার কোনো আউটপুট পাওয়ার বা শক্তি সরবরাহ করে না, অর্থাৎ আউটপুট পাওয়ার শূন্য থাকে।
- সেকেন্ডারিতে কোনো লোড না থাকার কারণে আউটপুট পাওয়ার শূন্য হওয়ায়, উপরের সূত্র অনুযায়ী ট্রান্সফরমারের দক্ষতা বা Efficiency শূন্য হবে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে, ইনপুট পাওয়ার, P = 4 kW = 4000 W
প্রাইমারি ভোল্টেজ, Vp = 100 V
আমরা জানি, P = Vp × Ip
বা, Ip = P / Vp
বা, Ip = 4000 / 100
বা, Ip = 40 A
সুতরাং, প্রাইমারি কারেন্ট 40 A।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ট্রান্সফরমার ফ্যারাডের তড়িৎচৌম্বকীয় আবেশ (Electromagnetic induction) নীতির উপর ভিত্তি করে কাজ করে, যার জন্য পরিবর্তনশীল চৌম্বকীয় ফ্লাক্স প্রয়োজন।
- এসি (AC) প্রবাহ সময়ের সাথে দিক ও মান পরিবর্তন করে, যা পরিবর্তনশীল চৌম্বকীয় ফ্লাক্স তৈরি করে। তাই ট্রান্সফরমার শুধুমাত্র a.c. only তে কাজ করে।
- ডিসি (DC) তে কারেন্টের মান স্থির থাকে, তাই ট্রান্সফরমারের কোরে কোনো পরিবর্তনশীল ফ্লাক্স উৎপন্ন হয় না।
- ট্রান্সফরমারে ডিসি সাপ্লাই দিলে প্রাইমারি কয়েলের ইম্পিডেন্স কমে যায়, ফলে অতিরিক্ত কারেন্ট প্রবাহিত হয়ে কয়েল পুড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0