Green money refers to Money used for ecological purposes (concurrency). It is broadly used in the context of green economists, low carbon economy and political Greens. Throughout the Middle East, Green money refers to money from Islamic businesses, Islamic banks, and the religious sector.
প্রশ্নের সাথে অপশনের মিল নাই সম্পুর্ণ ভাবে, তবে US ডলারকে Green money বলা হত কারণ স্বতন্ত্র সবুজ রঙের কারণে।
দহনা মরুভূমি সৌদি আরবের মধ্যাঞ্চলের একটি মরুভূমি। এটি বালুকাময় ভূখণ্ডের একটি করিডোর যা একটি ধনুকের মতো আকৃতি তৈরি করে যা উত্তরে একটি-নাফুদ মরুভূমিকে দক্ষিণে রুব' আল-খালি মরুভূমির সাথে সংযুক্ত করে। এটি ১০০০ কিমি (৬২০ মাইল) এর বেশি লম্বা এবং প্রস্থ ৮০ কিমি (৫০ মাইল) এর বেশি নয়।
- সালভাদর ডালি একজন স্প্যানিশ পরাবাস্তববাদী চিত্রশিল্পী ছিলেন যার জন্ম ১৯০৪ সালে স্পেনের ফিগুরেসে। তিনি তার উদ্ভট এবং প্রায় স্বপ্নের মতো চিত্রকর্মের জন্য পরিচিত, যেগুলোতে প্রায়ই গলানো ঘড়ি, সিগারের মতো পা সহ হাতি এবং অন্যান্য পরাবাস্তব চিত্র দেখানো হয়। - তিনি বিশ শতকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চিত্রশিল্পী। - 'দি পারসিসটেন্স অব মেমোরি' চিত্রকর্মটি ১৯৩১ সালে অঙ্কন করেন।
তার বিখ্যা চিত্রকর্মঃ - The Persistence of Memory (1931) - The Dream of Venus (1932) - The Elephants (1948) - Christ of St. John of the Cross (1951) - The Disintegration of the Persistence of Memory (1952)
ভূটান দক্ষিন এশিয়ার একটি রাজতান্ত্রিক দেশ।ভূটানের অধিবাসীরা নিজেদের দেশকে মাতৃভাষা দোজাংখা ভাষায় বজ্র ড্রাগনের দেশ নামে ডাকে।ভূটানের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর থিম্পু ।
» IMF এর পূর্ণরূপ — International Monetary Fund. » এটি প্রতিষ্ঠা করা হয়৷ ১৯৪৪ সালের ১-২২ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারের ব্রেটন উডসের মাউস ওয়াশিংটন হোটেলে অনুষ্ঠিত ৪৫টি দেশের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে গৃহীত চুক্তির মাধ্যেমে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২৭ ডিসেম্বর ১৯৪৫। তাই একে ব্রেটন উডস্ ইনস্টিটিউশন বলা হয়। » এর কার্যক্রম শুরু করে ১ মার্চ ১৯৪৭। » জাতিসংঘের বিশেষ সংস্থার মর্যাদা লাভ করে – ১৫ নভেম্বর ১৯৪৭। » সদর দপ্তর অবস্থিত— ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র। » ১৯০ তম সদস্য দেশ – Andorra,
রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ছাত্রছাত্রীদের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক এরিস্টটলের রাষ্ট্রচিন্তার সংগে পরিচিত হওয়া বাঞ্ছনীয়।
‘দ্য পলিটিক্স' হল অ্যারিস্টটলের রাজনৈতিক দর্শনের উপর একটি গ্রন্থ। এটি এখন পর্যন্ত লেখা রাজনৈতিক দর্শনের সবচেয়ে প্রভাবশালী কাজগুলির মধ্যে একটি, এবং এটি বহু শতাব্দী ধরে পণ্ডিতদের দ্বারা অধ্যয়ন ও বিতর্কিত হয়েছে।
রাজনীতি ১৩টি বইতে বিভক্ত। প্রথম বইতে, অ্যারিস্টটল রাষ্ট্রকে সংজ্ঞায়িত করেছেন "পরিবার এবং গ্রামের অংশীদারিত্ব যা সবচেয়ে চমৎকার এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ জীবনের লক্ষ্যে।" এরপর তিনি সরকারের বিভিন্ন রূপ নিয়ে আলোচনা করেন, যুক্তি দেন যে সরকারের সর্বোত্তম রূপ হল একটি রাজনীতি, যা গণতন্ত্র এবং অলিগার্কির মিশ্রণ।
অবশিষ্ট বইগুলিতে, অ্যারিস্টটল নাগরিকের ভূমিকা, শিক্ষার গুরুত্ব, রাষ্ট্র ও ব্যক্তির মধ্যে সম্পর্ক এবং রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণগুলি সহ রাজনীতি সম্পর্কিত বিস্তৃত বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।
এখানে অ্যারিস্টটলের রাজনীতির কিছু মূল বিষয় রয়েছে: - রাষ্ট্র মানুষের একটি স্বাভাবিক এবং প্রয়োজনীয় সংস্থা। - রাষ্ট্রের লক্ষ্য তার নাগরিকদের জন্য সুন্দর জীবন প্রচার করা। - নাগরিক হচ্ছে মানুষের সর্বোচ্চ রূপ। - পুণ্য বিকাশ ও সুন্দর জীবনের জন্য শিক্ষা অপরিহার্য। - রাষ্ট্রের নাগরিকদের মধ্যে সদাচার প্রচারে ভূমিকা রাখতে হবে। - রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণগুলো জটিল ও বিচিত্র।
গ্রীক শব্দ 'মেলা' অর্থ কৃষ্ণ ও ‘নেসাস' অর্থ দ্বীপ হতে মেলানেশিয়া নামকরণ করা হয়েছে যার অর্থ 'কৃষ্ণদ্বীপ'। দক্ষিণ পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের ৪টি স্বাধীন দ্বীপ রাষ্ট্রকে একত্রে মেলানেশিয়া বলে। এরা হলো- পাপুয়া নিউগিনি, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, ভানুয়াতু, ফিজি। স্বাধীন এই চারটি দেশ ব্যতীত মেলোনেশিয়া অঞ্চলে বিভিন্ন দেশের অধীন দ্বীপসমূহ হলো- বিসমার্ক (পাপুয়া নিউগিনি) ও নিউ ক্যালডোনিয়া (ফ্রান্স)।
- দুশানবে তাজিকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমে গিসার উপত্যকায় অবস্থিত। - শহরটির জনসংখ্যা প্রায় ১.২ মিলিয়ন লোক। - দুশানবে একটি অপেক্ষাকৃত নতুন শহর, ১৭ শতকে প্রতিষ্ঠিত। - শহরটি ১৯২৯ সাল পর্যন্ত ডিউশাম্বে (আক্ষরিক অর্থে "সোমবার") নামে পরিচিত ছিল, যখন এটিকে স্তালিনাবাদ নামকরণ করা হয়। - ১৯৬১ সালে শহরের নাম পরিবর্তন করে দুশানবে রাখা হয়। - দুশানবে একটি আধুনিক শহর যেখানে সোভিয়েত যুগের স্থাপত্য এবং আধুনিক ভবন রয়েছে।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
- CIRDAP (Center on Integrated Rural Development for Asia and the Pacific) ১৯৭৯ সালের বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়। এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের পল্লী জনগণের দারিদ্র্য বিমোচন লক্ষ্যে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। - প্রতিষ্ঠাকালীন মূল সদস্য দেশ ছিল ছয়টি। - সদর দপ্তর বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত। এর সদস্য সংখ্যা ১৫।
কংস নদী ভারতের মেঘালয় ও বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত এ নদী কংসাই বা কংসবতী নামেও পরিচিত। ভারতের শিলং মালভূমির পূর্বভাগে তুরার কাছে গারো পাহাড়ে এ নদীর উৎপত্তি। উৎস থেকে দক্ষিণদিকে প্রবাহিত হওয়ার পর জামালপুর জেলার উত্তর ভাগে নালিতাবাড়ী উপজেলা সদরের প্রায় ১৬ কিমি উত্তর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। সেখান থেকে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে সোমেশ্বরী নদীতে মিশেছে। কংস ও সোমেশ্বরীর মিলিত স্রোত বাউলাই নদী নামে পরিচিত। সোর্সঃ বাংলাপিডিয়া
ব্রাহ্মসমাজের তত্ত্ববোধিনী সভার মুখপত্র হিসেবে অক্ষয়কুমার দত্তের সম্পাদনায় এবং দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ১৮৪৩ সালে 'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকা প্রকাশিত হয়। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, রাজনারায়ণ বসু, দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রমুখ এ পত্রিকায় নিয়মিত লিখতেন।
-টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার কালে যেসব পাহাড় গড়ে উঠেছে সেগুলকে টারশিয়ারী য্যগের পাহাড় বলে। -এ সকল পাহাড় বেলে পাথর, স্লেট পাথর ও কর্দমের সংমিশ্রণে গঠিত। -রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ এলাকার পাহাড়গুলো টারশিয়ারী যুগের পাহাড়। -বাংলাদেশের মোট ভূমির প্রায় ১২ শতাংশ এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
দেশের বৃহত্তম কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র - পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্ৰ। অবস্থিত পটুয়াখালী। - পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি হয়েছে বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ উদ্যোগে। - ২০১৪ সালে এই সংক্রান্ত চুক্তি হয়েছিল। - উৎপাদন ক্ষমতা ১৩২০ মেগাওয়াট।
- জালালুদ্দীন মুহম্মদ শাহ ছিলেন বাংলার সুলতান। -তিনি রাজা গণেশের পু্ত্র ছিলেন। -তার বাল্য নাম ছিল যদু এবং ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হলে তার নতুন নামকরণ করা হয় জালালুদ্দীন মুহম্মদ। -তিনি দু’পর্যায়ে ১৪১৫ থেকে ১৪১৬ এবং ১৪১৮ থেকে ১৪৩৩ (হিজরি ৮১৮-৩৬) খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাংলা শাসন করেন। -তিনি ইসলাম ধর্মের একজন একনিষ্ঠ সেবক ছিলেন. -ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর থেকে তিনি নিজেকে খাঁটি মুসলমান হিসেবে পরিচয় দিতে বেশি উৎসাহী ছিলেন। -তিনি তাঁর রাজ্যের রাজধানী পাণ্ডুয়া থেকে গৌড়ে স্থানান্তরিত করেন। -তাঁর সময়ে গৌড় একটি সমৃদ্ধ নগরীতে পরিণত হয়। সেখানে মসজিদ, স্নানাগার, জলাশয়, সরাইখানা প্রভৃতি নির্মিত হয়। -তিনি ১৪৩১ খ্রিস্টাব্দে একটা নতুন মুদ্রা চালু করেন। এ মুদ্রায় তিনি নিজেকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ খলিফাত-আল্লাহ/খলিফাতুল্লাহ হিসেবে উল্লেখ করেন।
সংবিধান এর ৭২। (১) অনুচ্ছেদ অনুসারে সরকারী বিজ্ঞপ্তি-দ্বারা রাষ্ট্রপতি সংসদ আহবান , স্থগিত ও ভঙ্গ করিবেন এবং সংসদ আহবানকালে রাষ্ট্রপতি প্রথম বৈঠকের সময় ও স্থান নির্ধারণ করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, সংসদের এক অধিবেশনের সমাপ্তি ও পরবর্তী অধিবেশনের প্রথম বৈঠকের মধ্যে ষাট(৬০) দিনের অতিরিক্ত বিরতি থাকিবে না: তবে আরও শর্ত থাকে যে, এই দফার অধীন তাঁহার দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক লিখিতভাবে প্রদত্ত পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন।]
(২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার বিধানাবলী সত্ত্বেও সংসদ-সদস্যদের যে কোন সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হইবার ত্রিশ দিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ আহবান করা হইবে।
(৩) রাষ্ট্রপতি পূর্বে ভাঙ্গিয়া না দিয়া থাকিলে প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসর অতিবাহিত হইলে সংসদ ভাঙ্গিয়া যাইবে: তবে শর্ত থাকে যে, প্রজাতন্ত্র যুদ্ধে লিপ্ত থাকিবার কালে সংসদের আইন-দ্বারা অনুরূপ মেয়াদ এককালে অনধিক এক বৎসর বর্ধিত করা যাইতে পারিবে, তবে যুদ্ধ সমাপ্ত হইলে বর্ধিত মেয়াদ কোনক্রমে ছয় মাসের অধিক হইবে না।
(৪) সংসদ ভঙ্গ হইবার পর এবং সংসদের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পূর্বে রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, প্রজাতন্ত্র যে যুদ্ধে লিপ্ত রহিয়াছেন, সেই যুদ্ধাবস্থার বিদ্যমানতার জন্য সংসদ পুনরাহবান করা প্রয়োজন, তাহা হইলে যে সংসদ ভাঙ্গিয়া দেওয়া হইয়াছিল, রাষ্ট্রপতি তাহা আহবান করিবেন।
(৫) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার বিধানাবলী-সাপেক্ষে কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা বা অন্যভাবে সংসদ যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সংসদের বৈঠকসমূহ সেইরূপ সময়ে ও স্থানে অনুষ্ঠিত হইবে।
সুত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।
উল্লেখ্য রাষ্ট্রপতি সংসদ আহ্বান স্থগিত ও ভঙ্গ করেন।
- জি আই হল ভৌগলিক নির্দেশক চিহ্ন যা কোন পণ্যের একটি নির্দিষ্ট উৎপত্তিস্থলের কারণে এর খ্যাতি বা গুণাবলী নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়। - একটি GI তে সাধারণত উৎপত্তিস্থলের নাম (শহর, অঞ্চল বা দেশ) অন্তর্ভুক্ত থাকে। - GI এর পূর্ণরুপ হল Geographical indication ভৌগলিক নির্দেশক। - জি আই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান হলো WIPO (world intellectual property organization)। - বাংলাদেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে নিবন্ধন পায়- জামদানি
- বাংলাদেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ৭ মার্চ, ১৯৭৩ সালে। - এ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দল ১৪টি। এতে আওয়ামীলীগ সবকটি আসনে (৩০০) প্রার্থী মনোনীত করে এবং ২৯৩টি আসন লাভ করে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। - সংরক্ষিত ১৫টি নারী আসনেরও সবকটিতে আওয়ামী লীগ জয়লাভ করে
- ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দেশে প্রত্যাবর্তন করেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশ গঠনের কার্যক্রম গ্রহণ করেন। - এ জন্য প্রথমেই একটি সংবিধান প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। - মাত্র নয় মাসের প্রচেষ্টায় ১৯৭২ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়। - বিচারপতি এম ইদ্রিস কে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ করা হয়। - তারপর নতুন সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
১৭ এপ্রিল ,১৯৭১ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণের পর ৬ জন মন্ত্রী নিয়ে মন্ত্রীসভা গঠিত হয়। - রাষ্ট্রপতি নিযুক্ত হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- প্রধানমন্ত্রী এবং প্রতিরক্ষা, তথ্য, সম্প্রচার ও যোগাযোগ, অর্থনৈতিক বিষয়াবলি, পরিকল্পনা বিভাগ, শিক্ষা, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, শ্রম, সমাজকল্যাণ, সংস্থাপন এবং অন্যান্য যেসব বিষয় কারও ওপর ন্যস্ত হয়নি তার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ।
- উপ-রাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। - অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী এম মনসুর আলী। - স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষি মন্ত্রী ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান এবং - পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ছিলেন খন্দকার মুশতাক আহমেদ।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয় এবং অস্থায়ী সরকার গঠন করা হয়। অস্থায়ী সরকার বা মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায়। স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন অধ্যাপক এম ইউসুফ আলী।
স্বাধীনতার__ইশতেহার:
- ঘোষণা ও পাঠ: ৩ মার্চ ১৯৭১
- পাঠের স্থান :পল্টন ময়দান,ঢাকা
- পাঠক ছিলেন : শাজাহান সিরাজ
- ঘোষক :স্বাধীন বাংলাদেশ ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ
স্বাধীনতার__ঘোষণা:
- ঘোষণা : ১৯৭১ সাল ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে । ওয়ারলেস্/ ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে । - ঘোষক : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
-যে সংখ্যাকে p/q আকারে প্রকাশ করা যায় না, সে সংখ্যাকে অমূলদ সংখ্যা বলা হয়(যেখানে p ও q পূর্ণসংখ্যা এবং q ≠ 0)।
-পূর্ণবর্গ নয় এরূপ যে কোনাে স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গমূল কিংবা তার ভগ্নাংশ একটি অমূলদ সংখ্যা। যেমন√2 = 1.414213..., √3 = 1.732 ..., √5 = 2.2360..., ইত্যাদি অমূলদ সংখ্যা।
-কোনাে অমূলদ সংখ্যাকে দুইটি পূর্ণ সংখ্যার অনুপাত হিসেবে প্রকাশ করা যায় না।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
৬০ থেকে ৮০ মধ্যবর্তী বৃহত্তম মৌলিক সংখ্যা = ৭৯ ৬০ থেকে ৮০ মধ্যবর্তী ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যা = ৬১ ৬০ থেকে ৮০ মধ্যবর্তী বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যার অন্তর হবে, ৭৯ - ৬১ = ১৮
চাকরি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পেতে নিয়মিত অনুশীলন ও লাইভ পরীক্ষার কোন বিকল্প নেই।
অনুশীলন প্রশ্ন ব্যাংক বিষয়ভিত্তিক, টপিক ও সাবটপিক আকারে সাজানো। ২০০৫ থেকে সব জব সলিউশন ও টপিকভিত্তিক জব সলিউশন বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ, রুটিন ভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, পিডিএফ লেকচার শীট।
২০০৫-২০২৬ সাল পর্যন্ত টপিক ও সাবটপিক আকারে জব শুলুশন্স প্রশ্ন যোগ করা হয়েছে, ১২তম-২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লে হবে, সব প্রশ্ন ইউনিক সর্বমোট ২৫ হাজার হবে। প্রশ্ন ব্যাংক -> অনুশীলন -> এরপর উপরের ডানে একটা হলুদ বাটন ক্লিক করে job solutions ফিল্টার করে নিবেন। প্রতি সপ্তাহের নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাবটপিক আকারে যোগ করা হয়।
✅ প্রধান শিক্ষক প্রস্তুতি - লেকচারশীট ভিত্তিকঃ রুটিন আপলোড করা হয়েছে। (২য় ব্যাচ) পরীক্ষা শুরুঃ ৫ ফেব্রুয়ারি। মোট পরীক্ষা – ৮০টি। টপিক ভিত্তিক – ৪০টি। সাবজেক্ট ভিত্তিক – ২০টি। ফুল মডেল টেস্ট – ২৮টি। প্রতিদিন পরীক্ষা ও প্রতি ৩ দিন পরপর ফুল ও বিষয়ভিত্তিক মডেল টেস্ট। সব প্রশ্ন সাজেশন্স ভিত্তিক।
✅ ৫১ তম বিসিএস প্রস্ততি - ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস। ✪ পরীক্ষা শুরুঃ ১০ ফেব্রুয়ারি। ✪ মোট পরীক্ষাঃ ১৬২টি ✪ ডেইলি পরীক্ষাঃ ১০০টি ✪ প্রতি ২টি ডেইলি পরীক্ষার পর ১টি করে রিভিশনের মোট পরীক্ষাঃ ৫০টি ✪ পাক্ষিক রিভিশনঃ ১১টি ✪ প্রতি পরীক্ষায় ৫০টি Exclusive MCQ
✅ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (রুটিনের জন্য পিডিএফ বাটন দেখুন) - পরীক্ষা শুরুঃ ১০ নভেম্বর। - মোট পরীক্ষাঃ ১২৮টি, - টপিক ভিত্তিকঃ ১১২টি, - রিভিশন পরীক্ষাঃ ২২টি, - Vocabulary রিভিশনঃ ৩বার
অ্যাপ এর হোম screen -এ পিডিএফ বাটন ক্লিক করুন, এখান থেকে রুটিন ডাউনলোড করতে পারবেন। রুটিনের তারিখ অনুযায়ী পরীক্ষা রাত ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যেকোন সময় দিতে পারবেন, ফলাফল সাথে সাথে বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ দেওয়া হয়। missed পরীক্ষাগুলো আর্কাইভ থেকে দিতে পারবেন, তবে মেরিট লিস্ট আসবে না, মেরিট লিস্টে থাকতে হলে রুটিন অনুযায়ী নির্দিষ্ট তারিখে দিতে হবে। আর্কাইভ থেকে পরীক্ষা দিতে হলে ভিজিট করুনঃ অ্যাপ এর হোম স্ক্রীনে 'পরীক্ষার সেকশন' বাটনে ক্লিক করুন -> বিসিএস বাটন -> [ফ্রি কোর্স] ৫০তম বিসিএস প্রিলি ২২০ দিনের সেকশনের All Exam বাটন ক্লিক করুন -> এখান Upcoming, Expired ট্যাব পাবেন।
✅ আপকামিং রুটিনঃ - ১০০ দিনের বিসিএস বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি। - অগ্রদূত বাংলা বই অনুসারে বাংলা সাহিত্য ও ভাষা রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।। - English মাস্টার বই অনুসারে রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।