বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড সহকারী সচিব / সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) -২০১৯ (74 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সংবিধানের ১৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ,রাষ্ট্র -
ক) একই পদ্ধতির গণমুখী ও সার্বজনীন শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য এবং আইনের দ্বারা নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত সকল বালক-বালিকাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষাদানের জন্য,
খ) সমাজের প্রয়োজনের সাথে শিক্ষাকে সঙ্গতিপূর্ণ করার জন্য এবং সেই প্রয়োজন সিদ্ধ করার উদ্দেশ্যে যথাযথ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও সদিচ্ছাপ্রণোদিত নাগরিক সৃষ্টির জন্য ,
গ)আইনের দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিরক্ষরতা দূর করার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
জাতিসংঘের Committee for Development Policy (CDP) প্রতি তিন বছর অন্তর স্বল্পোন্নত দেশ (LDC) থেকে উত্তরণের মানদণ্ড পর্যালোচনা করে থাকে।
- ২০২৪ সালের পর্যালোচনায় উত্তরণের জন্য মাথাপিছু স্থূল জাতীয় আয়ের (GNI per capita) সীমা ১,৩০৬ মার্কিন ডলার বা তার বেশি (তিন বছরের গড়) নির্ধারণ করা হয়েছিল।
- এই মানদণ্ডটি ২০২৭ সালের পরবর্তী ত্রিবার্ষিক পর্যালোচনার আগ পর্যন্ত বহাল রয়েছে
- ২০২৬ সালেও LDC থেকে উত্তরণের জন্য নিম্নলিখিত তিনটি প্রধান মানদণ্ড প্রযোজ্য রয়েছে:
১. মাথাপিছু স্থূল জাতীয় আয় (GNI per capita): ১,৩০৬ ডলার বা তার বেশি।
২. মানবসম্পদ সূচক (Human Assets Index - HAI): ৬৬ বা তার বেশি।
৩. অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ভঙ্গুরতা সূচক (Economic and Environmental Vulnerability Index - EVI): ৩২ বা তার কম।
- কোনো দেশ যদি পরপর দুটি পর্যালোচনায় এই তিনটি শর্তের অন্তত দুটি পূরণ করতে পারে, তবে তারা LDC থেকে উত্তরণের যোগ্য বলে বিবেচিত হয়।
- এছাড়া শুধুমাত্র মাথাপিছু আয় যদি নির্ধারিত সীমার তিনগুণ (অর্থাৎ ৩,৯১৮ ডলার) হয়, তবে অন্য সূচক দুটি ছাড়াই উত্তরণ সম্ভব।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮ মে, ২০২৬।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ৬ষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলন ২০২৫ সালের ২-৪ এপ্রিল থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনের সমাপনী দিনে, অর্থাৎ ২০২৫ সালের ৪ এপ্রিল, থাইল্যান্ড বিমসটেক-এর সভাপতিত্ব (Chairmanship) বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করে।
- বাংলাদেশ ২০২৫ সালের ৪ এপ্রিল থেকে পরবর্তী দুই বছরের জন্য (২০২৫-২০২৭) বিমসটেক-এর চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।
- বিমসটেক-এর চেয়ারম্যানশিপ সদস্য দেশগুলোর ইংরেজি নামের বর্ণানুক্রমিক ধারা অনুযায়ী আবর্তিত হয় এবং প্রতি দুই বছর অন্তর পরিবর্তিত হয়।
- সেই ধারাবাহিকতায়, ৭ম বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলন বাংলাদেশে আয়োজিত হওয়ার কথা রয়েছে।
- বিমসটেক-এর সদস্য দেশ ৭টি: বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, নেপাল, ভুটান এবং মিয়ানমার।
- এর স্থায়ী সচিবালয় বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৮ মে, ২০২৬।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি বুলগেরিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরো মুদ্রা গ্রহণ করে এবং ইউরোজোনের ২১তম সদস্য হিসেবে যোগদান করে।
- এর আগে, ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি ক্রোয়েশিয়া ইউরোজোনের ২০তম সদস্য হিসেবে ইউরো গ্রহণ করেছিল।
- ইউরোপীয় কমিশন এবং ইউরোপীয় সেন্ট্রাল ব্যাংকের ২০২৫ সালের জুনের রিপোর্ট অনুযায়ী, বুলগেরিয়া ইউরোজোনে যোগদানের জন্য প্রয়োজনীয় সকল অভিসৃতি মানদণ্ড (convergence criteria) পূরণ করেছে।
- ২৫ জুন, ২০২৫ তারিখে ইউরোপীয় কাউন্সিলের বৈঠকে ইইউ নেতারা বুলগেরিয়ার ইউরো গ্রহণকে স্বাগত জানায় এবং ৮ জুলাই, ২০২৫ তারিখে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট ও কাউন্সিল বুলগেরিয়ার ইউরোজোনে প্রবেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করে।
- ইউরো গ্রহণের মাধ্যমে বুলগেরিয়া তার প্রায় ১৪৫ বছরের পুরনো নিজস্ব মুদ্রা 'লেভ'কে প্রতিস্থাপন করেছে।
- বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) ২৭টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে ২১টি রাষ্ট্র ইউরো মুদ্রা ব্যবহার করছে।
- ইউরোজোনে যোগদানের ফলে বুলগেরিয়ার অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি, লেনদেনের সহজীকরণ, বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি এবং ইউরোপীয় অর্থনীতির সাথে আরও শক্তিশালী সংহতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
- যদিও ইউরো গ্রহণ নিয়ে বুলগেরিয়ার জনসাধারণের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ছিল, যেখানে একটি উল্লেখযোগ্য অংশ মূল্যবৃদ্ধি এবং স্বাধীন আর্থিক নীতি হারানোর বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল।
- বুলগেরিয়া ২০২৪ সালের মার্চ মাসে শেঞ্জেন এরিয়ার (Schengen Area) বিমান ও সমুদ্র সীমান্ত এবং ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি স্থল সীমান্তগুলির জন্য পূর্ণাঙ্গ সদস্যপদ লাভ করেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৮ মে, ২০২৬।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- চাকমা বাংলাদেশের বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবানে এদের বসবাস।
- বৌদ্ধা ধর্মালম্বী চাকমাদের প্রধান উৎসব বিজু (বর্ষবরণ)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বর্তমানে বাংলাদেশের মো. গোলাম সারওয়ার (Md. Golam Sarwar) সার্কের (SAARC) ১৫তম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
- তিনি ২৫ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- সার্কের নিয়ম অনুযায়ী মহাসচিবের মেয়াদ ৩ বছর এবং এটি নবায়নযোগ্য নয়।
- সেই হিসেবে ২০২৬ সালের অক্টোবর মাস পর্যন্ত তার মেয়াদ কার্যকর রয়েছে।
- মো. গোলাম সারওয়ার সার্কের মহাসচিব হিসেবে নিয়োগ পাওয়া তৃতীয় বাংলাদেশী নাগরিক
- তার পূর্বে শ্রীলঙ্কার এসালারুয়ান ভীরাকুন (Esala Ruwan Weerakoon) এই পদে ছিলেন, যার মেয়াদ ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে শেষ হয়েছিল।
- বর্ণানুক্রমিক নীতি অনুযায়ী আফগানিস্তানের পালা থাকলেও, তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি না দেওয়ায় বাংলাদেশকে এই সুযোগ দেওয়া হয়।
- সার্কের সচিবালয় নেপালের কাঠমান্ডুতে (Kathmandu) অবস্থিত।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮ মে, ২০২৬।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সর্বশেষ আপডেট (মে ২০২৬):
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) এর ২০২৪-২৫ অর্থবছরের চূড়ান্ত তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের জিডিপিতে বিভিন্ন খাতের অবদানের হার নিম্নরূপ:
- সেবা খাত (Service Sector): ৫১.২৪% (সর্বোচ্চ অবদানকারী)
- শিল্প খাত (Industry Sector): ৩৭.৬৫%
- কৃষি খাত (Agriculture Sector): ১১.২%
বিগত কয়েক দশকের ধারাবাহিকতায় সেবা খাত বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনীতির বৃহত্তম খাত হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে এবং মোট জিডিপির অর্ধেকেরও বেশি এই খাত থেকে আসে।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৩.৪৯%।
এই অর্থবছরে খাতভিত্তিক প্রবৃদ্ধি ছিল কৃষিতে ২.৪২%, শিল্পে ৩.৭১% এবং সেবায় ৪.৩৫%।
২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর, ২০২৫) জিডিপি প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৪.৫০% হয়েছে।
এই প্রান্তিকে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি ছিল ২.৩০%, শিল্প খাতের ৬.৯৭% এবং সেবা খাতের ৩.৬৭%।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮ মে, ২০২৬।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশ সরকার ২০২৬ সালে মোট ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে 'স্বাধীনতা পুরস্কার' বা 'স্বাধীনতা পদক' প্রদান করেছে।
- এছাড়াও, ৫টি প্রতিষ্ঠানকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে, যার ফলে মোট ২০টি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত হয়েছে।
- এই পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের নাম ৫ মার্চ, ২০২৬ তারিখে ঘোষণা করা হয়েছিল।
- পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানটি ৯ এপ্রিল, ২০২৬ তারিখে হওয়ার কথা থাকলেও, তা পিছিয়ে ১৬ এপ্রিল, ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা যা ১৯৭৭ সাল থেকে প্রদান করা হচ্ছে এবং প্রতি বছর ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।
- পদকপ্রাপ্ত ১৫ জন ব্যক্তি ও ৫টি প্রতিষ্ঠান হলো:
- ব্যক্তিগত পুরস্কারপ্রাপ্তগণ:
- খালেদা জিয়া (মরণোত্তর) স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, নারীশিক্ষা ও দেশগঠনে সামগ্রিক অবদানের জন্য। (তার পক্ষে তার নাতনি ব্যারিস্টার জাইমা রহমান পুরস্কার গ্রহণ করেন)
- মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর) মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য।
- অধ্যাপক জহুরুল করিম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে।
- আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর) সাহিত্যে।
- এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত) সংস্কৃতিতে।
- বশীর আহমেদ (মরণোত্তর) সংস্কৃতিতে।
- জোবেরা রহমান লিনু ক্রীড়ায়।
- ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর) সমাজসেবা/জনসেবায়।
- মো. সাইদুল হক সমাজসেবা/জনসেবায়।
- মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর) সমাজসেবা/জনসেবায়।
- কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর) জনপ্রশাসনে।
- মোহাম্মদ আবদুল বাকী গবেষণা ও প্রশিক্ষণে।
- অধ্যাপক এম এ রহিম গবেষণা ও প্রশিক্ষণে।
- অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া গবেষণা ও প্রশিক্ষণে।
- আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু) পরিবেশ সংরক্ষণে।
- প্রতিষ্ঠানগত পুরস্কারপ্রাপ্তগণ:
- ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ মুক্তিযুদ্ধে।
- ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চিকিৎসাবিদ্যায়।
- পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) পল্লী উন্নয়নে।
- গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র সমাজসেবা/জনসেবায়।
- এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ সমাজসেবা/জনসেবায়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮ মে, ২০২৬।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলাদেশে প্রতি বছর ৯ আগস্ট 'জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস' পালন করা হয়।
- ১৯৭৫ সালের ৯ আগস্ট তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বহুজাতিক ব্রিটিশ কোম্পানি শেল অয়েল (Shell Oil) থেকে ৫টি গ্যাসক্ষেত্র (তিতাস, বাখরাবাদ, রশিদপুর, কৈলাশটিলা ও হবিগঞ্জ) মাত্র ৪.৫ মিলিয়ন পাউন্ড স্টার্লিংয়ে রাষ্ট্রীয় মালিকানায় গ্রহণ করেন।
- জ্বালানি স্বনির্ভরতা অর্জনের এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপকে স্মরণীয় করে রাখতে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০১০ সালের ১২ আগস্ট এক পরিপত্রের মাধ্যমে ৯ আগস্টকে 'জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস' হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ২০২৬ সালে বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ২০২৬-২০৫০ সালের জন্য ১৮০ বিলিয়ন ডলারের একটি সমন্বিত জ্বালানি ও বিদ্যুৎ মহাপরিকল্পনা (Energy and Power Master Plan) উন্মোচন করেছে।
- এই মহাপরিকল্পনার প্রাথমিক লক্ষ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধি, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG) সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং আমদানি নির্ভরতা কমাতে শোধনাগার সক্ষমতা বাড়ানো।
- ২০৫০ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ৩০%-৫০% নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশীদারিত্বের উপর জোর দেওয়া হয়েছে, যেখানে সৌর ও বায়ু শক্তি প্রধান ভূমিকা পালন করবে।
- ২০২৬ সাল থেকে বৃহৎ আকারের সৌর প্রকল্প এবং ২০৩৩ সালের পর বায়ুশক্তির উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
- জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধি এবং অপচয় কমানোর উপরও গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে।
- ২০২৬ সালে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (TIB) জ্বালানি খাতে স্বচ্ছতা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি-কেন্দ্রিক নীতি কাঠামোর প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮ মে, ২০২৬।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

- দেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ 'বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১' ।
- এটি ১২ মে, ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে স্পেস-এক্স এর ফ্যালকন-৯ রকেট নিয়ে উৎক্ষেপণ করা হয়।
- এর অবস্থান ১১৯.১ ডিগ্রী পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।
- বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১ এর ৪০ ট্রান্সপন্ডারের মোট ফ্রিকোয়েন্সি ক্ষমতা হলো ১৬০০ মেগাহার্ট এবং এর আয়ুষ্কাল ১৫ বছর এর প্রস্তুতকারক ফ্রান্সের থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেস কোম্পানি।
- এটির সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে বাংলাদেশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিএল)।
- উল্লেখ্য, 'বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১' উৎক্ষেপণের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ ৫৭তম দেশ হিসেবে নিজস্ব স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণকারী দেশের তালিকায় যুক্ত হয়।
- বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১ গাজীপুর ও চট্টগ্রামের বেতবুনিয়ায় অবস্থিত দুটি ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র থেকে নিয়ন্ত্রিত হবে।
- এ দুটির মধ্যে গাজীপুরের গ্রাউন্ড স্টেশনটি প্রধান কেন্দ্র এবং বেতবুনিয়ার স্টেশনটি ব্যাকমাপ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে।

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ধরি, একটি আমের দাম 'ক' এবং একটি কমলার দাম 'খ'।
আরাফাত প্রথমে 50টি আম এবং 30টি কমলা কিনেছিলেন, যার মোট দাম ছিল 420 টাকা।
তাহলে,
50ক + 30খ = 420

আমরা জানি, 1টি কমলা = (2/3)টি আম।
সুতরাং,
50ক + 30 * (2/3)ক = 420
⇒ 50ক + 20ক = 420
⇒ 70ক = 420
⇒ ক = 420 / 70
⇒ ক = 6

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0