বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (সহকারী স্টোর কিপার) - ১৬.০৫.২০২৬ (80 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্লেনের এয়ার কন্ডিশনিং এবং কেবিন প্রেসারাইজেশন সিস্টেমে প্রধানত বায়ু (Air) ব্যবহার করা হয়। এর প্রধান কারণগুলো হলো:
- সহজলভ্যতা: প্লেনের টার্বোফ্যান ইঞ্জিন উচ্চ গতিতে বাইরের প্রচুর বায়ু গ্রহণ করতে পারে, যা সংকুচিত ও ঠাণ্ডা করে সিস্টেমে ব্যবহার করা হয়।
- ওজন হ্রাস: বায়ু ব্যবহারের ফলে আলাদা রেফ্রিজারেন্ট বহনের প্রয়োজন হয় না, যা প্লেনের ওজন কমায়।
- নিরাপদ: বায়ু ব্যবহারে কোনো বিষাক্ত বা দাহ্য পদার্থের ঝুঁকি থাকে না, যা সাধারণত ফ্লুরোকার্বন রেফ্রিজারেন্টে (যেমন F-11 বা F-12) থাকতে পারে।
- পরিবেশবান্ধব: এটি কোনো ক্ষতিকর গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন করে না।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক বৃদ্ধিকে গলগণ্ড রোগ বলে। সাধারণত আয়োডিনের ঘাটতির কারণে এ রোগ হয়। গলগণ্ড রোগ নির্ণয় ও সারাতে রেডিও আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।

অন্যান্য রোগগুলোর কারণ:
- রাতকানা: ভিটামিন 'এ' এর অভাবে হয়।
- বেরিবেরি: ভিটামিন 'বি১' (থায়ামিন) এর অভাবে হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
টাইফয়েড হলো একটি পানিবাহিত রোগ। দূষিত পানি বা খাবারের মাধ্যমে সালমোনেলা টাইফি (Salmonella typhi) নামক ব্যাকটেরিয়া শরীরে প্রবেশ করলে এই রোগ হয়।

অন্যান্য রোগগুলোর কারণ:
- ডেঙ্গু জ্বর ও ম্যালেরিয়া: মশাবাহিত রোগ।
- যক্ষ্মা (TB): বায়ুবাহিত রোগ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বিশুদ্ধ জ্বালানি বা পরিবেশবান্ধব জ্বালানি বলতে সেসব জ্বালানিকে বোঝায় যা পোড়ালে পরিবেশে ক্ষতিকর গ্যাস বা ধোঁয়া ছড়ায় না।
- বায়োগ্যাস একটি নবায়নযোগ্য এবং বিশুদ্ধ জ্বালানি, যা পরিবেশ দূষণ করে না।
- অন্যদিকে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল বা কয়লা হলো জীবাশ্ম জ্বালানি, যা পোড়ালে প্রচুর পরিবেশ দূষণ হয়।
তাই কেরোসিনের পরিবর্তে বায়োগ্যাস ব্যবহার করা বিশুদ্ধ জ্বালানির একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আব্দুস সালাম ছিলেন একজন পাকিস্তানি তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী।
তিনি ১৯৭৯ সালে তড়িৎ-চৌম্বকীয় এবং দুর্বল নিউক্লীয় বলের একীভূতকরণ (Electroweak unification theory) আবিষ্কারে অবদানের জন্য পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
তিনি প্রথম পাকিস্তানি এবং বিজ্ঞানে প্রথম মুসলিম হিসেবে নোবেল পুরস্কার জয়ের সম্মান অর্জন করেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে তুরস্ক আধুনিক প্রযুক্তি ও শিল্পায়নের মাধ্যমে ব্যাপক উন্নতি লাভ করেছে।
- তুরস্ক একটি ইউরেশিয়ান রাষ্ট্র, যার কিছু অংশ ইউরোপে এবং বৃহত্তর অংশ এশিয়া মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি ইউরোপ ও এশিয়ার সংযোগস্থলে (বসফরাস প্রণালী দ্বারা বিচ্ছিন্ন) অবস্থিত হওয়ায় আধুনিক যন্ত্রপাতি ও ইউরোপীয় প্রযুক্তির সরাসরি প্রভাব এখানে পড়েছে, যা দেশটির দ্রুত উন্নয়নে সহায়ক হয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কয়লা উৎপাদনে বিশ্বে প্রথম স্থানে রয়েছে চীন
- চীন বিশ্বের বৃহত্তম কয়লা উত্তোলন ও ব্যবহারকারী দেশ।
- দেশটি বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং শিল্প খাতে কয়লার ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল।
- কার্বন নিঃসরণ কমানোর প্রতিশ্রুতি দিলেও, বিপুল জ্বালানি চাহিদা মেটাতে চীনে কয়লার ব্যাপক ব্যবহার অব্যাহত রয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কিয়োটো প্রটোকল-এর মূল লক্ষ্য হলো গ্রিনহাউস গ্যাস (যেমন: $CO_{2}$) নিঃসরণ কমানো এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ করা।
- জাতিসংঘের উদ্যোগে ১৯৯৭ সালের ১১ ডিসেম্বর জাপানের কিয়োটো শহরে এই প্রটোকল গৃহীত হয় এবং ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৫ সালে এটি কার্যকর হয়।
- এই চুক্তির অন্যতম দিক ছিল কার্বন ট্রেড চালু করা এবং উন্নত দেশসমূহের গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ ৫.২% হ্রাস করা।
- বাংলাদেশ কিয়োটো প্রটোকল স্বাক্ষর করে ২০০১ সালে এবং কার্যকর করে ২০০৫ সালে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মরক্কোর রাজধানীর নাম রাবাত (Rabat)।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে:
- আদ্দিস আবাবা হলো ইথিওপিয়ার রাজধানী।
- কায়রো হলো মিশরের রাজধানী।
- নাইপিদো হলো মিয়ানমারের রাজধানী।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক হল্যান্ড (Holland)-এর মতে আইনের প্রধান উৎস ৬টি। যথা: ১. প্রথা (Custom), ২. ধর্ম (Religion), ৩. বিচারকের রায়, ৪. বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা, ৫. ন্যায়বোধ এবং ৬. আইনসভা বা আইন পরিষদ (Legislation)।
- সংবিধান হলো রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন, যা আইনের একটি অন্যতম প্রধান ভিত্তি বা উৎস।
- ধর্ম আইনের অন্যতম প্রাচীন উৎস। যেমন: মুসলিম আইন বা হিন্দু আইন মূলত ধর্মভিত্তিক।
- যদিও 'প্রথা' আইনের একটি প্রাচীন উৎস, তবে সমাজের সকল প্রচলিত রীতি-নীতি আইনের মর্যাদা পায় না। যে রীতি-নীতিগুলো রাষ্ট্র কর্তৃক ব্যাপকভাবে স্বীকৃত ও অনুমোদিত হয়ে আইনি রূপ লাভ করে, কেবল সেগুলোই প্রথাগত আইনে পরিণত হয়। তাই সাধারণ অর্থে বিচ্ছিন্ন সকল 'প্রচলিত রীতি-নীতি' আইনের সরাসরি উৎস নয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মালাক্কা প্রণালী বঙ্গোপসাগর ও জাভা সাগরকে সংযুক্ত করেছে।
- অন্যদিকে, সুন্দা প্রণালী ভারত মহাসাগর ও জাভা সাগরকে সংযুক্ত করেছে। এটি ইন্দোনেশিয়ার জাভা এবং সুমাত্রা দ্বীপের মধ্যে অবস্থিত।
- বেরিং প্রণালী উত্তর মহাসাগর ও বেরিং সাগরকে (প্রশান্ত মহাসাগর) সংযুক্ত করেছে।
- মেসিনা প্রণালী টাইরহেনিয়ান সাগর ও আয়োনিয়ান সাগরকে সংযুক্ত করেছে (ইতালি ও সিসিলি দ্বীপের মাঝে)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইয়েমেন মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ যা এশিয়া মহাদেশের অন্তর্গত। তাই এটি আফ্রিকা মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত নয়। ইয়েমেনের রাজধানী হচ্ছে সানাআ (Sana'a)

অন্যদিকে:
- মরক্কো, তিউনিসিয়া এবং লিবিয়া আফ্রিকা মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত দেশ।
- আফ্রিকা আয়তন ও জনসংখ্যায় বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ।
- এই মহাদেশের মোট স্বাধীন দেশের সংখ্যা ৫৪টি
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যেসব দেশের কোনো সমুদ্রসীমা নেই তাদের স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র (Landlocked country) বলা হয়।
- ভুটাননেপাল এশিয়ার স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র।
- অস্ট্রিয়া মধ্য ইউরোপের একটি স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র।
- ডেনমার্ক উত্তর ইউরোপের একটি দেশ যার বিস্তৃত সমুদ্রসীমা রয়েছে, তাই এটি স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র নয়।

(বিঃদ্রঃ ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী সঠিক উত্তর 'ডেনমার্ক' হবে, যদিও প্রশ্নে অস্ট্রিয়া দেওয়া আছে।)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কাসাব্লাঙ্কা (Casablanca) হলো উত্তর আফ্রিকার দেশ মরক্কোর প্রধান সমুদ্র বন্দর এবং বৃহত্তম শহর।

অন্যান্য বন্দরগুলো হলো:
- আকাবা (Aqaba): জর্ডানের একমাত্র সমুদ্র বন্দর।
- এডেন (Aden): ইয়েমেনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্র বন্দর।
- হাইফা (Haifa): ইসরাইলের অন্যতম প্রধান সমুদ্র বন্দর।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ব্যক্তি স্বাধীনতার অন্যতম প্রধান রক্ষাকবচ হলো আইন (Law) বা আইনের শাসন, যা প্রণয়ন করে রাষ্ট্রের আইন বিভাগ
- এটি এমন একটি নীতি, যা নিশ্চিত করে যে রাষ্ট্রের সকল নাগরিক, সরকার এবং প্রতিষ্ঠান আইনের অধীন থাকবে এবং কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়।
- আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে প্রতিটি নাগরিক সমানভাবে ন্যায়বিচার পায়, যা স্বাধীনতার মৌলিক ভিত্তি।
- আইন বিভাগ কর্তৃক প্রণীত আইন স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থা প্রতিরোধ করে, নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত রাখে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করে।
- শাসন, আইনসভা ও বিচার বিভাগের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার মাধ্যমে আইন বিভাগ ব্যক্তি স্বাধীনতা রক্ষায় সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- রাষ্ট্রের সদস্য হিসেবে একজন নাগরিকের বেশ কিছু দায়িত্ব ও কর্তব্য থাকে। মানুষ আগ্রহভরে ও নৈতিকতাবোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে যে দায়িত্ব পালন করে তাকে নৈতিক কর্তব্য বলে এবং আইনের দ্বারা আরোপিত বিধি নিষেধের মাধ্যমে পালিত দায়িত্বকে আইনগত কর্তব্য বলে।
- নাগরিকের গুরুত্বপূর্ণ কর্তব্যগুলোর মধ্যে রয়েছে:
(ক) রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করা,
(খ) আইন মান্য করা,
(গ) নিয়মিতভাবে কর প্রদান করা,
(ঘ) সন্তানদের সুশিক্ষিত করা,
(ঙ) সুষ্ঠুভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করা।
- তবে রাষ্ট্রের অস্তিত্ব, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং সার্বিক কল্যাণের জন্য রাষ্ট্রের সেবা করা বা রাষ্ট্রের সেবামূলক কাজে অংশগ্রহণ করাকে নাগরিকের অন্যতম বৃহৎ কর্তব্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ফিফা (FIFA)-এর নিয়ম অনুযায়ী আন্তর্জাতিক মানের ফুটবল মাঠের একটি নির্দিষ্ট পরিমাপ রয়েছে।
- আন্তর্জাতিক ম্যাচের জন্য মাঠের দৈর্ঘ্য (Length) হতে হবে ন্যূনতম ১০০ মিটার (১১০ গজ) এবং সর্বোচ্চ ১১০ মিটার (১২০ গজ)।
- মাঠের প্রস্থ (Width) হতে হবে ন্যূনতম ৬৪ মিটার (৭০ গজ) এবং সর্বোচ্চ ৭৫ মিটার (৮০ গজ)।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ১১৫ × ৭৫ গজ আন্তর্জাতিক মানের ফুটবল মাঠের পরিমাপের সীমার মধ্যে পড়ে, তাই এটিই সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মুসলিম মনীষীদের মধ্যে আনোয়ার সাদাত সর্বপ্রথম নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি ১৯৭০ থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত মিশরের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। ১৯৭৮ সালে ইসরাইলের সাথে 'ক্যাম্প ডেভিড' চুক্তি করার কারণে তিনি ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী মেনাকেম বেগিন-এর সাথে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

অপশনে থাকা মুসলিম নোবেলজয়ীদের তথ্য:
- আনোয়ার সাদাত: বিষয় - শান্তি, সাল - ১৯৭৮
- প্রফেসর আবদুস সালাম: বিষয় - পদার্থবিজ্ঞান, সাল - ১৯৭৯
- নাগীব মাহফুজ: বিষয় - সাহিত্য, সাল - ১৯৮৮
- ইয়াসির আরাফাত: বিষয় - শান্তি, সাল - ১৯৯৪
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
২৬ জুন হলো আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস।

অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দিবসসমূহ:
- ৫ জুন: বিশ্ব পরিবেশ দিবস।
- ৭ জুন: ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস।
- ২৬ ডিসেম্বর: বক্সিং ডে (যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা প্রভৃতি দেশে পালিত হয়)।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মানুষ অনায়াসে গা ভাসিয়ে থাকতে পারে মৃত সাগরে (Dead Sea)
মৃত সাগর সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- এটি জর্ডান এবং ইসরায়েলের মধ্যে অবস্থিত এবং এর তীরবর্তী অঞ্চল সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪৩০ মিটার (১,৪০০ ফুট) নিচে অবস্থিত, যা ভূপৃষ্ঠের স্থলভাগের সর্বনিম্ন স্থান
- সাধারণ সমুদ্রের তুলনায় এর পানির লবণাক্ততা অনেক বেশি। অতিরিক্ত লবণের কারণে পানির ঘনত্ব মানুষের শরীরের ঘনত্বের চেয়ে বেশি হয়, ফলে মানুষ এতে অনায়াসে ভেসে থাকতে পারে।
- এই অতিরিক্ত লবণাক্ততার কারণে এখানে কোনো মাছ বা জলজ প্রাণী বাঁচতে পারে না, তাই একে মৃত সাগর বলা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পানামা খাল মূলত আটলান্টিক মহাসাগর এবং প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে। এর ফলে জাহাজগুলোকে দক্ষিণ আমেরিকা ঘুরে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হয় না।
এই খাল সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- এটি উত্তর আমেরিকাকে দক্ষিণ আমেরিকা থেকে পৃথক করেছে।
- পানামা খালকে 'প্রশান্ত মহাসাগরের প্রবেশদ্বার' বলা হয়।
- এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৮০ কিমি এবং গভীরতা প্রায় ১৪ মিটার, যা এটিকে পৃথিবীর অন্যতম গভীরতম খালে পরিণত করেছে।
- ১৯১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র এর খনন কাজ শেষ করে এবং ১৯৯৯ সালে পানামার নিকট খালটির নিয়ন্ত্রণ হস্তান্তর করা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আইসল্যান্ড ইউরোপ মহাদেশের উত্তর-পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত একটি স্বাধীন দ্বীপরাষ্ট্র।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- আইসল্যান্ডের রাজধানী রিকজাভিক (Reykjavik)
- এটি ভৌগোলিকভাবে ইউরোপের অংশ হলেও উত্তর আমেরিকা এবং ইউরোপীয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত।
- একে 'বরফ ও আগুনের দেশ' (Land of Fire and Ice) বলা হয় কারণ এখানে প্রচুর হিমবাহ এবং জীবন্ত আগ্নেয়গিরি রয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
জাতিসংঘের মোট দাপ্তরিক বা অফিশিয়াল ভাষা ৬টি। এগুলো হলো: ইংরেজি, ফরাসি, রুশ, চীনা, আরবি এবং স্প্যানিশ
জাতিসংঘ সম্পর্কিত অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- জাতিসংঘের অফিসিয়াল বা কার্যকরী ভাষা ২টি (ইংরেজি ও ফরাসি)।
- জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয় ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫ সালে।
- এর সদর দপ্তর নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র-এ অবস্থিত।
- জাতিসংঘ গঠনের প্রস্তাবকারী দেশ ৪টি (সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
এসডিজি (SDGs) বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা হলো Millennium Development Goals (MDGs)-এর স্থলাভিষিক্ত একটি বৈশ্বিক কর্মসূচি।
- ২০১৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭০তম অধিবেশনে এটি গৃহীত হয়।
- SDGs এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত।
- এতে মোট ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা১৬৯টি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এসডিজির ১৭টি লক্ষ্য হলো:
১. দারিদ্র্য নির্মূল, ২. ক্ষুধামুক্তি, ৩. সুস্বাস্থ্য, ৪. মানসম্মত শিক্ষা, ৫. লিঙ্গ সমতা, ৬. বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন, ৭. সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ৮. উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, ৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো, ১০. বৈষম্য হ্রাস, ১১. টেকসই শহর ও জনগণ, ১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন, ১৩. জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ, ১৪. সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান, ১৫. স্থলভাগের জীবন, ১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং ১৭. অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশ সরকারের আয়ের প্রধান উৎসগুলো মূলত বিভিন্ন ধরনের রাজস্ব (Tax Revenue) ও কর-বহির্ভূত রাজস্ব (Non-Tax Revenue) থেকে আসে।
- VAT বা মূল্য সংযোজন কর (মূসক): এটি পণ্য ও সেবার ওপর আরোপিত একটি পরোক্ষ কর, যা সরকারের রাজস্ব সংগ্রহের অন্যতম প্রধান মাধ্যম।
- Income Tax বা আয়কর: ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের আয়ের ওপর আরোপিত প্রত্যক্ষ কর।
- Custom duty বা আমদানি শুল্ক: বিদেশ থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর আরোপিত কর।

যেহেতু অপশনের সবগুলোই বাংলাদেশ সরকারের আয়ের গুরুত্বপূর্ণ উৎস, তাই সঠিক উত্তর হবে All of them (সবগুলোই)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ঢাকার শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় সংসদ ভবন-এর ভিত্তিপ্রস্তর ১৯৬২ সালে স্থাপন করেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান।
- ২১৫ একর জমির ওপর নির্মিত ৯ তলা বিশিষ্ট এই দৃষ্টিনন্দন ভবনের স্থপতি মার্কিন নাগরিক লুই আই কান
- ১৯৮২ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আবদুস সাত্তার ভবনটি উদ্বোধন করেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণায় ১৯৭৩ সালে নির্মিত হয় বাংলাদেশের প্রথম ভাস্কর্য 'জাগ্রত চৌরঙ্গী'
- এটি গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর চৌরাস্তায় অবস্থিত। এর স্থপতি আবদুর রাজ্জাক

মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভাস্কর্য ও স্থপতি:
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ (সাভার): সৈয়দ মঈনুল হোসেন
- অপরাজেয় বাংলা (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়): সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ
- সাবাস বাংলাদেশ (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়): নিতুন কুণ্ডু
- স্বোপার্জিত স্বাধীনতা (টিএসসি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়): শামীম সিকদার
- সংশপ্তক (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়): হামিদুজ্জামান খান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- পাকিস্তান সৃষ্টির পর বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির ওপর প্রথম আঘাত এলে বাঙালি জনগণ, বিশেষ করে যুবসম্প্রদায় ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে।
- মূলত বাঙালি জাতীয়তাবাদ-এর ভিত্তিতেই পূর্ব বাংলার ভাষা আন্দোলন গড়ে ওঠে, যা পরবর্তীতে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ জন্মের পথ সুগম করে।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার প্রমুখের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে এ আন্দোলনের চূড়ান্ত পরিণতি ঘটে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে CIH হলো একটি কম্পিউটার ভাইরাস
- এটি ১৯৯৮ সালে তাইওয়ানের ছাত্র চেন ইং হাউ (Chen Ing-hau) তৈরি করেন, যার নামানুসারে এর সংক্ষিপ্ত রূপ CIH রাখা হয়।
- এই ভাইরাসটি চেরনোবিল (Chernobyl) ভাইরাস নামেও পরিচিত, যা ১৯৯৯ সালের ২৬ এপ্রিল বিশ্বব্যাপী কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যাপক বিপর্যয় সৃষ্টি করেছিল।
- CIH ভাইরাস কম্পিউটারের বায়োস (BIOS) নষ্ট করে দেয়, যার ফলে কম্পিউটার আর চালু হতে পারে না এবং হার্ডডিস্কের তথ্য ধ্বংস হয়ে যায়।
- এই ভাইরাসটিকে অনেক সময় মাদার অব অল ভাইরাস (Mother of all viruses) বা ভাইরাসের জননী বলেও অভিহিত করা হয়।
- অন্যদিকে, অপশনে থাকা SOL (SQL) হলো ডাটাবেস ল্যাঙ্গুয়েজ এবং SPSS হলো পরিসংখ্যান বিশ্লেষণের সফটওয়্যার বা প্রোগ্রাম।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
অপশনে উল্লিখিত তিনটিই ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ (Database Language)-এর উদাহরণ, তাই সঠিক উত্তর 'সবগুলো'।

XQuery: এটি XML ডেটাবেজ থেকে তথ্য খোঁজার জন্য ব্যবহৃত হয়।
OQL: Object Query Language, যা অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড ডাটাবেজে ব্যবহৃত হয়।
LINQ: Language Integrated Query, যা ডেটাবেজ কুয়েরি করতে ব্যবহৃত হয়।

উল্লেখ্য, ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ প্রধানত ডেটা সংজ্ঞায়িত করা (DDL), ডেটা ম্যানিপুলেশন (DML) এবং ডেটা খোঁজার (Query Language) কাজে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0