সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

আন্তর্জাতিক চুক্তি

২৬২ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
আন্তর্জাতিক গুরুত্বসম্পন্ন জলাভূমি সংরক্ষণ ও এর টেকসই ব্যবহারের উদ্দেশ্যে ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে রামসার কনভেনশন (Ramsar Convention) স্বাক্ষরিত হয়।
এটি বিশ্বব্যাপী জৈব পরিবেশ রক্ষার একটি সম্মিলিত প্রয়াস, যা Convention on Wetlands নামেও পরিচিত।
ব্যাখ্যা (Explanation)
পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি বা NPT (Nuclear Non-Proliferation Treaty) বিশ্বব্যাপী পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধে তৈরি একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত করা হয় ১ জুলাই, ১৯৬৮ সালে।
- এটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর করা হয় ৫ মার্চ, ১৯৭০ সালে।
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ, সম্পূর্ণ পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ এবং শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা।
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৯৪৯ সালের যুদ্ধবন্দীদের প্রতি আচরণ ও আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সংক্রান্ত বৈশ্বিক সনদগুলো জেনেভা কনভেনশন (Geneva Conventions) নামে পরিচিত।
- যুদ্ধকালীন সময়ে মানবিক আচরণ নিশ্চিত করার জন্য ১৯৪৯ সালে মোট চারটি জেনেভা কনভেনশন বা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মধ্যে 'তৃতীয় চুক্তিটি' (Third Geneva Convention) বিশেষভাবে যুদ্ধবন্দীদের (Prisoners of War) প্রতি আচরণ, তাদের নিরাপত্তা ও চিকিৎসার সাথে সম্পর্কিত।
- এই চুক্তিগুলোর মূল উদ্দেশ্য হলো যুদ্ধ চলাকালীন সময়েও যেন ন্যূনতম মানবিকতা ও মানবাধিকার বজায় থাকে তা নিশ্চিত করা।
ব্যাখ্যা (Explanation)
SALT (Strategic Arms Limitation Talks) হলো স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র সীমিতকরণের লক্ষ্যে একটি চুক্তি।
- SALT-I চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৭২ সালে।
- পরবর্তীতে SALT-II চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৭৯ সালে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (Chemical Weapons Convention - CWC) স্বাক্ষরিত হয় ১৯৯৩ সালে।
- এই চুক্তিতে রাসায়নিক অস্ত্রের উন্নয়ন, উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা এবং এসব অস্ত্র ধ্বংস করার ব্যবস্থা রয়েছে।
- চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয় ১৯৯৭ সালে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৯১৯ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষে বিজয়ী মিত্রশক্তি ও পরাজিত জার্মানির মধ্যে ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ফরাসি সেনাপতি মার্শাল ফার্দিনান্দ ফচ মনে করেছিলেন, এই চুক্তিটি জার্মানির ওপর অত্যন্ত কঠোর শর্ত চাপিয়ে দিলেও তাদের ভবিষ্যতে আগ্রাসী হওয়া থেকে পুরোপুরি থামাতে পারবে না। তাই তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছিলেন— "এটি কোনো শান্তি চুক্তি নয়, এটি বিশ বছরের জন্য একটি যুদ্ধবিরতি মাত্র।" তাঁর এই ভবিষ্যদ্বাণী সত্যি প্রমাণিত হয়েছিল এবং ঠিক ২০ বছর পর ১৯৩৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
বেলফোর ঘোষণা: প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে ১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্থার বেলফোর ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে ইহুদিদের জন্য একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিয়ে লর্ড রথচাইল্ডকে একটি পত্র পাঠান । এই ঐতিহাসিক পত্রটিই ইতিহাসে 'বেলফোর ঘোষণা' নামে পরিচিত । এই ঘোষণার ওপর ভিত্তি করেই পরবর্তীতে ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয় ।
- ম্যাকমোহন ঘোষণা: প্রথম বিশ্বযুদ্ধে আরবদের স্বায়ত্তশাসন ও সহযোগিতার বিষয়ে ব্রিটিশ প্রতিশ্রুতি।
- সাইকস-পিকো চুক্তি: অটোমান সাম্রাজ্য ভাগের উদ্দেশ্যে ব্রিটেন ও ফ্রান্সের মধ্যকার গোপন চুক্তি।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৯৯২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি স্বাক্ষরিত মাসট্রিক্ট চুক্তির (Maastricht Treaty) মাধ্যমে European Community (EC)-এর নাম পরিবর্তন করে European Union (EU) বা ইউরোপীয় ইউনিয়ন গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- এই চুক্তিটি কার্যকর হওয়ার মাধ্যমে ১৯৯৩ সালের ১ নভেম্বর ইউরোপীয় ইউনিয়ন আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।
- উল্লেখ্য, ১৯৫৭ সালের রোম চুক্তির মাধ্যমে এর পূর্বসূরি ইউরোপীয় অর্থনৈতিক সম্প্রদায় (EEC) গঠিত হয়েছিল।
ব্যাখ্যা (Explanation)
UNCAC (United Nations Convention Against Corruption) বা জাতিসংঘ দুর্নীতি বিরোধী কনভেনশন হলো বিশ্বব্যাপী দুর্নীতি প্রতিরোধ, পাচারকৃত সম্পদ উদ্ধার ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারে জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত বৈশ্বিক কনভেনশন।
- গৃহীত: ২০০৩ সালের ৩১ অক্টোবর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এটি গৃহীত হয়।
- কার্যকর: ১৪ ডিসেম্বর ২০০৫ সালে কার্যকর হয়।
- গুরুত্ব: দুর্নীতির সংজ্ঞা, প্রতিরোধ, তদন্ত, বিচার ও শাস্তি সম্পর্কিত বিধান এতে রয়েছে। এর মাধ্যমে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং পাচারকৃত সম্পদ পুনরুদ্ধারে কাজ করা হয়। বাংলাদেশও এই কনভেশনের অংশীদার।

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (ICC) রোম সংবিধি (Rome Statute) চুক্তি অনুসারে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- রোম সংবিধি গৃহীত হয়েছিল ১৭ জুলাই ১৯৯৮ এবং এটি কার্যকর হয় ১ জুলাই ২০০২ সালে।
- এই আদালতের সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত।
- এর মূল কাজ হলো গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের বিচার করা।
ব্যাখ্যা (Explanation)
Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty (CTBT) বা সর্বাত্মক পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি সামরিক বা বেসামরিক যেকোনো উদ্দেশ্যে পারমাণবিক বিস্ফোরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ১০ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬ তারিখে চুক্তিটি গৃহীত (Adopted) হয়।
- ২৪ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬ তারিখে এটি স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত করা হয় এবং বাংলাদেশ ঐ দিনই চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- CTBT-এর সদর দপ্তর অস্ট্রিয়ার Vienna (ভিয়েনা)-তে অবস্থিত।
ব্যাখ্যা (Explanation)
-১৯৯৩ সালে ওয়াশিংটনে ইসরাইল-ফিলিস্তিন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের পর ১৯৯৮ সালে ওয়াশিংটনের অদূরে 'উই রিভার' চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। কিন্তু শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ইসরাইলের ব্যাপারে পিএলও ও আরব রাষ্ট্রগুলো বিভিন্ন সময় কিছু কিছু নমনীয় মনোভাব গ্রহণ করলেও ইসরাইল কখনোই তার একগুঁয়ে ও আগ্রাসী মনোভাব পরিত্যাগ করেনি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
লিসবন চুক্তি হল ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার চুক্তি যা ২০০৭ সালের ১৩ই ডিসেম্বর পর্তুগালের লিসবনে স্বাক্ষরিত হয়েছিল
-২০০৯ সালের ১লা ডিসেম্বর কার্যকর হয়।
- এই চুক্তিটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের কার্যকারিতা, স্বচ্ছতা এবং গণতান্ত্রিক বৈধতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে প্রণীত হয়েছিল।
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল ইইউ-কে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরও কার্যকর করে তোলা, বিশেষ করে ২০০৪ এবং ২০০৭ সালে নতুন সদস্য রাষ্ট্রগুলোর যোগদানের পর ইইউ-এর প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোকে আধুনিকীকরণ করা।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (ICC) গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ, এবং মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের মতো গুরুতর আন্তর্জাতিক অপরাধের বিচার করে।
- এটি ব্যক্তিদের বিচার করে, রাষ্ট্র বা সংস্থার নয়।
- ২০০২ সালে রোম সংবিধির অধীনে এই আদালতটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ শহরে অবস্থিত।
- এটি জাতিসংঘের প্রধান অঙ্গ নয়, তবে উভয়ের মধ্যে একটি সহযোগিতামূলক সম্পর্ক বিদ্যমান।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ১৯৭৮ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের কাজাখস্তানের আলমা-আতা শহরে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং ইউনিসেফ (UNICEF) যৌথভাবে আয়োজন করেছিল।
- সম্মেলনের শেষে গৃহীত ঘোষণাপত্রটি 'আলমা-আতা ঘোষণা' নামে পরিচিতি লাভ করে।
- এই ঘোষণায় '২০০০ সালের মধ্যে সকলের জন্য স্বাস্থ্য' (Health for All) অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
- প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকেই এই লক্ষ্য অর্জনের মূল ভিত্তি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
• তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি।
• তাশখন্দ চুক্তি হচ্ছে ১৯৬৬ সালের ৪ জানুয়ারি থেকে চুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হলেও এটি চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১০ জানুয়ারি, উজবেকিস্তানের রাজধানী তাশখন্দে পাকিস্তান ও ভারত এর মধ্যে সম্পাদিত একটি চুক্তি।
• এই চুক্তি ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সমাধান করে এবং উভয় দেশকে যুদ্ধবিরতি মেনে চলতে বাধ্য করে।
• জাতিসংঘ, আমেরিকা ও সোভিয়েত ইউনিয়নের চাপে তাশখন্দ সম্মেলনে, ভারত ও পাকিস্তানকে তাদের পূর্বের চুক্তির বাধ্যবাধকতা মেনে চলতে বাধ্য করা হয়—এক এ অপরের জয়যুক্ত অঞ্চলগুলি ছেড়ে দিতে এবং কাশ্মীরের ১৯৪৯ সালের যুদ্ধবিরতির সীমান্ত চুক্তি মেনে চলা।
• চুক্তির মধ্যস্থতাকারী ছিলেন তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রধানমন্ত্রী আলেক্সেই কসিগিন।
• এই চুক্তির ফলে উভয় দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপিত হয় এবং যুদ্ধবন্দীদের মুক্তি দেওয়া হয়।
• তাশখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরের পরপরই পাকিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আয়ুব খান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী একসঙ্গে যৌথ বিবৃতি দেন।
• উল্লেখ্য, চুক্তি স্বাক্ষরের কয়েক ঘণ্টা পরেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী রহস্যজনকভাবে মৃত্যুবরণ করেন, যা ইতিহাসে একটি আলোচিত ঘটনা।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- SAFTA (South Asian Free Trade Area) হলো সার্কভুক্ত দেশসমূহের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।
- এই চুক্তিটি ২০০৪ সালের ৬ জানুয়ারি ১২তম সার্ক সম্মেলনে স্বাক্ষরিত হয় এবং ২০০৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।
- SAFTA চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ এবং আফগানিস্তানসহ সার্কভুক্ত দেশগুলো একটি মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল গঠন করেছে।
- এর মাধ্যমে সদস্য দেশগুলো পণ্যের আমদানি-রপ্তানি শুল্ক ধাপে ধাপে কমিয়ে অবাধ বাণিজ্যের সুযোগ সৃষ্টি করেছে।
- SAFTA-এর মূল উদ্দেশ্য হলো আঞ্চলিক বাণিজ্য বৃদ্ধি, শুল্ক হ্রাস ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা উন্নয়ন করা।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- জল, স্থল ও আকাশপথে এক ভিসায় কিংবা ভিসা ব্যতীত জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে ইউরোপ ভ্রমণ করার লক্ষ্য ১৯৮৫ সালের ১৪ জুন লুক্সেমবার্গের শেনজেন শহরে স্বাক্ষরিত হয় শেনজেন চুক্তি।
- ১৯৮৫ সালে বেলজিয়াম, ফ্রান্স, পশ্চিম জার্মানি, লুক্সেমবার্গ ও নেদারল্যান্ড এ চুক্তি স্বাক্ষর করে।
- এ চুক্তির ফলশ্রুতিতে ১৬ মার্চ, ১৯৯৫ থেকে ভিসামুক্ত ইউরোপের যাত্রা শুরু হয়।
- বর্তমানে ইউরোপের ২৯টি দেশ নিয়ে শেনজেন এলাকা গঠিত।
- সর্বশেষ ৩১ মার্চ ২০২৪ শেনজেনভুক্ত হয়- রোমানিয়া ও বুলগেরিয়া।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি, উজবেকিস্তানের তাসখন্দ শহরে।
- এটি ছিল ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ১৯৬৫ সালের যুদ্ধের পর একটি শান্তি চুক্তি।
- পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি মুহাম্মদ আইয়ুব খান এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- চুক্তিটি সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রধানমন্ত্রী নিকোলাই কোসিগিন এর মধ্যস্থতায় সম্পন্ন হয়।
- এই চুক্তির মাধ্যমে উভয় দেশ তাদের দখলকৃত অঞ্চলগুলো ফেরত দেওয়া, যুদ্ধবন্দীদের মুক্তি এবং ভবিষ্যতে শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দেয়।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- কেমিক্যাল উইপনস কনভেনশন (CWC) একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন, মজুদ এবং ব্যবহারের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।
- এটি ২৯ এপ্রিল ১৯৯৭ সালে কার্যকর হয়।
- জানুয়ারি ২০২৫ পর্যন্ত, ১৯৩টি দেশ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর ও অনুমোদন করেছে।
- এর মধ্যে ১৯৩টি দেশ চুক্তির সদস্য (States Parties)।
- তবে, ইসরায়েল চুক্তিতে স্বাক্ষর করলেও এটি অনুমোদন করেনি। অন্যদিকে, মিশর, উত্তর কোরিয়া এবং দক্ষিণ সুদান চুক্তিতে স্বাক্ষর বা অনুমোদন করেনি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ওয়ারশ প্যাক্ট (Warsaw Pact) ছিল একটি সামরিক জোট যা ১৯৫৫ সালের ১৪ই মে সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং পূর্ব ইউরোপের কয়েকটি কমিউনিস্ট দেশ দ্বারা গঠিত হয়েছিল।
- এটি উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা (NATO) এর প্রতিপক্ষ হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল, যখন পশ্চিম জার্মানি ন্যাটোতে যোগ দিয়েছিল।
- এটি স্নায়ুযুদ্ধের সময় "ইস্টার্ন ব্লক"-এর প্রধান সামরিক শক্তি ছিল।
- ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর এটি বিলুপ্ত হয়ে যায়।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধকল্পে জাতিসংঘের উদ্যোগে ১৯৯৭ সালের ১১ ডিসেম্বর জাপানের কিয়োটো শহরে 'কিয়োটো প্রটোকল' গৃহীত হয় এবং ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫ সালে চুক্তিটি কার্যকর হয়।
- এ প্রটোকলের অন্যতম চুক্তি ছিল কার্বন ট্রেড চালু করা।
- এছাড়া এ চুক্তি অনুযায়ী উন্নত দেশসমূহ ২০১২ সালের মধ্যে গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ ৫.২% হ্রাস করার কথা ছিল।
- কিন্তু কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ায় কপ-১৮ সম্মেলনে এর মেয়াদ ৮ বছর বাড়িয়ে ৩১ ডিসেম্বর, ২০২০ সাল পর্যন্ত করা হয়।
- ২০২০ সালে এর মেয়াদ শেষ হলে চুক্তিটি আর নবায়ন না করে UNFCCC এর প্যারিস চুক্তির মাধ্যমে কিয়োেটা প্রটোকলের লক্ষ্য অর্জিত হবে বলে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ কিয়োটো প্রটোকল স্বাক্ষর করে ২০০১ সালে এবং কার্যকর করে ২০০৫ সালে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ইউরোপীয় ইউনিয়ন (European Union - EU) আনুষ্ঠানিকভাবে মাসট্রিচট চুক্তির (Maastricht Treaty) মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই চুক্তিটি ১৯৯২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি নেদারল্যান্ডসের মাসট্রিচট শহরে স্বাক্ষরিত হয়েছিল এবং ১৯৯৩ সালের ১ নভেম্বর থেকে এটি কার্যকর হয়।
- এই চুক্তির প্রধান উদ্দেশ্য ছিল একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠা করা, যা একক মুদ্রা (ইউরো) প্রবর্তন, অভিন্ন বৈদেশিক ও নিরাপত্তা নীতি, এবং বিচার ও স্বরাষ্ট্র বিষয়ক সহযোগিতা অন্তর্ভুক্ত করে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ওয়ারশ চুক্তি সংস্থা বা ওয়ারশ প্যাক্ট হল একটি রাজনৈতিক ও সামরিক চুক্তি জোট যা ১৪ মে ১৯৫৫ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং পূর্ব ইউরোপীয় কয়েকটি দেশের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মূলত সোভিয়েত ইউনিয়ন ন্যাটোর (NATO) বিকল্প সামরিক জোট হিসেবে ওয়ারশ চুক্তি জোট গঠন করে।
- পূর্ব ইউরোপের রাষ্ট্র পোল্যান্ডের বৃহত্তম শহর ও রাজধানী ওয়ারশ এর নাম অনুসারে চুক্তিটির নামকরণ করা হয়।
- ওয়ারশ চুক্তি, স্নায়ুযুদ্ধ (Cold War) চলাকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পূর্ব ইউরোপের আটটি সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত সম্মিলিত প্রতিরক্ষা চুক্তি।
- এটি ছিল Council for Mutual Economic Assistant or COMICON (কমিকন) এর সাথে সামরিক দিক দিয়ে সম্পূরক।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- Sustainable Development Goals (SDGs) হলো টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা যা Millennium Development Goals (MDGs) এর স্থলে প্রতিস্থাপন করা হয়।
- ২০১৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭০তম অধিবেশনে "Transforming our world: The 2030 Agenda for Sustainable development' শিরোনামের একটি কর্মসূচি গৃহীত হয়, যা SDGs নামে পরিচিত।
- SDGs এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত। এতে মোট ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা ও ১৬৯টি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এসডিজির ১৭ লক্ষ্যসমূহ হলো:
- প্রথম : দারিদ্র্য নির্মূল
- দ্বিতীয় : ক্ষুধামুক্তি
- তৃতীয় : সুস্বাস্থ্য
- চতুর্থ : মানসম্মত শিক্ষা
- পঞ্চম : লিঙ্গ সমতা
- ষষ্ঠ : বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন
- সপ্তম : সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি
- অষ্টম : কর্মসংস্থান ও অর্থনীতি
- নবম : শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো
- দশম : বৈষম্য হ্রাস
- একাদশ : টেকসই শহর ও জনগণ
- দ্বাদশ : পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন
- ত্রয়োদশ : জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ
- চতুর্দশ : সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান
- পঞ্চদশ : স্থলভাগের জীবন
- ষোড়শ : শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং
- সপ্তদশ : অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।
বিসিএস
ব্যাখ্যা (Explanation)
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি হল আরব - ইসরাইলের চতুর্থ যুদ্ধ অবসানের চুক্তি, এর স্বাক্ষর হয় ১৯৭৮ [মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের ক্যাম্পডেভিডে], এর উদ্দেশ্য মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি স্থাপন
- স্বাক্ষরকারী মিশরের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী মেনাচেম বেগিন
- এর মধ্যস্থকারী তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিম কার্টার
- বিষয়বস্তু  মিশর সিনাই উপত্যকার নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাবে, মিশর ইসরাইলে স্বীকৃতি দিবে।
- এই চুক্তির প্রতিক্রিয়া  মিশর OIC ও Arab League থেকে বহিস্কার করা হয়, ইহুদিরা আরো বেপরোয়া হয়ে পড়ে, মিশর প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত প্রথম মুসলিম  হিসেবে নোবেল শান্তি পায় (১৯৭৮), আনোয়ার সাদাত খুন হয় (১৯৮১)।
বিসিএস
ব্যাখ্যা (Explanation)
• SDG- টার্গেট ১.১ - ২০৩০ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র দূর করা।
• ১.২ - দরিদ্র মহিলা, পুরুষ ও শিশুর সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে আনা।
• ১.৩ - সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
• ১.৪ - দারিদ্র দূরীকরণে জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নীতি নির্ধারণ করা।
 
জাতিসংঘ কর্তৃক ২০১৬-২০৩০ মেয়াদে ১৭ টি লক্ষ্য সম্বলিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষমাত্রা গৃহিত হয়। 
• এসডিজির লক্ষ্যসমূহ হলো:
• দারিদ্র্য নির্মূল
• ক্ষুধামুক্তি
• সুস্বাস্থ্য
• মানসম্মত শিক্ষা
• লিঙ্গ সমতা
• বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন
• সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি
• উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি
• শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো
• বৈষম্য হ্রাস
• টেকসই শহর ও জনগণ
• পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন
• জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ
• সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান
• স্থলভাগের জীবন
• শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং
• অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।
বিসিএস
ব্যাখ্যা (Explanation)
বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোক্তা-এর প্রস্তাবক হচ্ছে ⎯ চীন।

বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগ (জিডিআই):

- জিডিআই মূলত স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও ডিজিটাল অর্থনীতির ওপর ভিত্তি করে উন্নয়ন সহযোগিতার একটি উদ্যোগ।
- ২০২১ সালের ২১ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং আনুষ্ঠানিকভাবে বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোক্তা এর ঘোষণা দেন।
- এই উদ্যোগে উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখযোগ্য তথ্য:
- চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং বাংলাদেশেরকে বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগে (গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ - জিডিআই) অন্তর্ভুক্ত করতে চান।
- স্বাস্থ্য, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ মোকাবিলা, যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়ন, ডিজিটাল অর্থনীতিসহ আটটি ক্ষেত্রকে অগ্রাধিকার দিয়ে জিডিআইতে অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে শিগগিরই বাংলাদেশের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করতে চায় চীন।

তথ্যসূত্র: CGTN ও প্রথম আলো প্রতিবেদন।

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

বিসিএস
ব্যাখ্যা (Explanation)
- জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি হল 'কার্টাগেনা প্রটোকল '। 
- ১৯৯৯ সালে কলম্বিয়ার কার্টাগেনা শহরে জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তিটি ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। 
- কিন্তু চুক্তিটি ২৯ জানুয়ারি ,২০০০ সালে কানাডার মন্ট্রিলে স্বাক্ষরিত হয় ।
- বাংলাদেশ ২০০০ সালের ২৪ মে কার্টাগেনা প্রটোকলে স্বাক্ষর করে এবং ২০০৪ সালের ৫ মে এটি অনুমোদন করে।
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।