সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

বিশ্বযুদ্ধ

১০২ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৯৪৫ সালের ৪-১১ ফেব্রুয়ারি সোভিয়েত ইউনিয়নের ইয়াল্টায় ইয়াল্টা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় । এতে প্রধান মিত্রশক্তির তিন নেতা (Big Three)—যুক্তরাষ্ট্রের ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট, যুক্তরাজ্যের উইনস্টন চার্চিল এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের জোসেফ স্টালিন যোগদান করেন । এই সম্মেলনের মূল লক্ষ্য ছিল বিশ্বযুদ্ধের কারণ নির্ণয়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী নতুন বিশ্ব ব্যবস্থা গঠন এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা । এই ঐতিহাসিক সম্মেলনেই জাতিসংঘের স্থায়ী ৫টি সদস্য রাষ্ট্রের ভেটো (Veto) ক্ষমতা চূড়ান্ত করা হয়েছিল ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৯১৪ সালের ২৮ জুন অস্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্চডিউক ফ্রাঞ্জ ফার্দিনান্দ বসনিয়ার সারায়েভোতে আততায়ীর হাতে নিহত হন । এর প্রতিক্রিয়ায় ১৯১৪ সালের ২৮ জুলাই অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি সার্বিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় ।
অপশনগুলোর তথ্য:
- ২৮ জুন ১৯১৪: অস্ট্রিয়ার যুবরাজ হত্যাকাণ্ড ।
- ২৮ জুলাই ১৯১৪: প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু ।
- ১১ নভেম্বর ১৯১৮: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
জোসেফ স্ট্যালিন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় (১৯৩৯–১৯৪৫) সোভিয়েত ইউনিয়নের শীর্ষ নেতা ছিলেন । তিনি মিত্রশক্তির 'Big Three' (রুজভেল্ট, চার্চিল ও স্ট্যালিন)-এর অন্যতম সদস্য হিসেবে তেহরান ও ইয়াল্টা কনফারেন্সে নেতৃত্ব দেন ।
- ভ্লাদিমির লেনিন: বলশেভিক বিপ্লবের প্রধান নেতা ও সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা ।
- নিকিতা ক্রুশ্চেভ: স্নায়যুদ্ধকালীন সোভিয়েত নেতা ।
- লিওন ট্রটস্কি: বলশেভিক বিপ্লব ও লাল ফৌজের অন্যতম সংগঠক ।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৯৩৯ সাল থেকে শুরু হওয়া দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত হয় । এই দিনে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস মিসৌরিতে (USS Missouri) জাপান আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করে । জাপানের পক্ষে দেশটির তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মামোরু শিগেমিতসু এবং মিত্রবাহিনীর পক্ষে মার্কিন জেনারেল ডগলাস ম্যাকআর্থার এ দলিলে স্বাক্ষর করেন । এর মাধ্যমে দীর্ঘ ছয় বছর ধরে চলা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের চূড়ান্ত অবসান ঘটে ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ১৯৪৫ সালের ৯ আগস্ট জাপানের নাগাসাকি শহরে মার্কিন বিমানবাহিনীর ফেলা পারমাণবিক বোমার নাম ফ্যাটম্যান। এটি একটি প্লুটোনিয়ামভিত্তিক বোমা ছিল।
- এর আগে ৬ আগস্ট হিরোশিমায় ফেলা বোমার নাম ছিল লিটল বয়।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
**সঠিক উত্তর: অপশন ২ (লিটল বয়)** **ব্যাখ্যা:** দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জাপানের **হিরোশিমা** শহরে যে প্রথম পারমাণবিক বোমাটি নিক্ষেপ করে, তার সাংকেতিক নাম ছিল **'লিটল বয়' (Little Boy)**। এটি **ইউরেনিয়াম-২৩৫ (U-235)** বিভাজনের মাধ্যমে শক্তি উৎপন্নকারী একটি ফিশন বোমা ছিল। অন্যান্য অপশনগুলোর সংক্ষিপ্ত পরিচয়: - **ফ্যাট ম্যান (Fat Man):** ১৯৪৫ সালের ৯ আগস্ট জাপানের **নাগাসাকি** শহরে নিক্ষিপ্ত দ্বিতীয় পারমাণবিক বোমার সাংকেতিক নাম (এটি প্লুটোনিয়াম ভিত্তিক ছিল)। - **থিন ম্যান (Thin Man):** পারমাণবিক অস্ত্র গবেষণার প্রাথমিক পর্যায়ের একটি প্রোটোটাইপ নকশা, যা শেষ পর্যন্ত ব্যবহার করা হয়নি। **সোর্স সংক্রান্ত তথ্য:** আপনার প্রদত্ত সোর্সে পারমাণবিক বোমার মূল বৈজ্ঞানিক ভিত্তি সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, এগুলো **নিউক্লিয়ার ফিশন (Nuclear Fission)** প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কাজ করে এবং এতে **ইউরেনিয়াম-২৩৫ (U-235)** জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয় [1-3]। তবে 'লিটল বয়' নামের নির্দিষ্ট পারমাণবিক বোমা এবং হিরোশিমার ঐতিহাসিক ঘটনার বিস্তারিত তথ্য আপনার আপলোডকৃত সোর্স ফাইলে সরাসরি উল্লেখ নেই; এটি সোর্সের বাইরের তথ্য হওয়ায় প্রয়োজনবোধে স্বাধীনভাবে যাচাই করে নিতে পারেন। ? আপনি কি নিউক্লিয়ার ফিশন ও ফিউশন বিক্রিয়ার বৈজ্ঞানিক পার্থক্য বা পারমাণবিক শক্তির অন্যান্য ব্যবহার নিয়ে জানতে চান?
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর জাপান প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই দ্বীপের পার্ল হারবার (Pearl Harbor) নৌঘাঁটিতে আকস্মিক বিমান হামলা চালায় ।
- এই আক্রমণের সাংকেতিক কোড ছিল 'তোরা, তোরা, তোরা' এবং অপারেশনের নাম ছিল 'অপারেশন হাওয়াই' ।
- যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক অবরোধের জবাবে জাপান এ হামলা চালায়, যা ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আমেরিকার সরাসরি অংশগ্রহণের প্রত্যক্ষ কারণ ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি পোল্যান্ড আক্রমণ করে । এই আক্রমণের মধ্য দিয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় । পরবর্তীতে ৩ সেপ্টেম্বর ব্রিটেন ও ফ্রান্স জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
- যুদ্ধ শুরুর তারিখ: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯
- যুদ্ধ সমাপ্তির তারিখ: ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে প্রধান দুটি পক্ষ ছিল মিত্রশক্তি এবং অক্ষশক্তি। মিত্রশক্তির মধ্যে ছিল ফ্রান্স, ব্রিটেন, সোভিয়েত ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র, চীন প্রভৃতি দেশ। অন্যদিকে, জাপান ছিল অক্ষশক্তির একটি প্রধান দেশ, যা জার্মানি ও ইতালির সাথে জোটবদ্ধ ছিল। জাপান ১৯৪১ সালে পার্ল হারবার আক্রমণের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধের মধ্যে টেনে আনে এবং মিত্রশক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করে।

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মিত্র শক্তি (Allied Powers)
১৯১৪ থেকে ১৯১৮ সাল পর্যন্ত সংঘটিত প্রথম বিশ্বযুদ্ধে যে দেশসমূহ একত্রে কেন্দ্রীয় শক্তির (Central Powers) বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিল, তাদের একত্রে মিত্র শক্তি (Allied Powers) বলা হয়।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্র শক্তির প্রধান সদস্য ছিল মোট ছয়টি রাষ্ট্র—
জার সাম্রাজ্য (রাশিয়া)
যুদ্ধের শুরু থেকেই রাশিয়া মিত্র শক্তির অন্যতম প্রধান সদস্য ছিল। তবে ১৯১৭ সালে রুশ বিপ্লব সংঘটিত হলে নতুন বলশেভিক সরকার যুদ্ধ থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এর ফলে রাশিয়া ১৯১৮ সালে ব্রেস্ট-লিটোভস্ক চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে যুদ্ধ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করে নেয়।

ফ্রান্স
ফ্রান্স প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্র শক্তির অন্যতম প্রধান ও প্রভাবশালী রাষ্ট্র ছিল। জার্মান আক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে ফ্রান্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং পুরো যুদ্ধকাল জুড়েই মিত্র শক্তির নেতৃত্বে ছিল।

ব্রিটিশ সাম্রাজ্য
ব্রিটিশ সাম্রাজ্য যুদ্ধের শুরু থেকেই মিত্র শক্তির প্রধান শক্তি হিসেবে অংশগ্রহণ করে। ব্রিটেনের উপনিবেশসমূহ—ভারত, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চল—যুদ্ধ প্রচেষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

ইতালি (১৯১৫ সালে যোগদান)
ইতালি প্রথমে কেন্দ্রীয় শক্তির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও পরবর্তীতে ১৯১৫ সালে লন্ডন চুক্তির মাধ্যমে মিত্র শক্তিতে যোগ দেয় এবং অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে।

জাপান
জাপান ১৯১৪ সালে ব্রিটেনের মিত্র হিসেবে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে। তারা মূলত প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল ও চীনে জার্মান ঘাঁটিগুলো দখল করে মিত্র শক্তিকে সহায়তা করে।

যুক্তরাষ্ট্র (১৯১৭ সালে যোগদান)
জার্মানির সাবমেরিন হামলা ও জিমারম্যান টেলিগ্রামের কারণে যুক্তরাষ্ট্র ১৯১৭ সালে যুদ্ধে যোগ দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক, অর্থনৈতিক ও নৈতিক সমর্থন যুদ্ধের ফলাফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

মিত্র শক্তির অন্যান্য সদস্য ও সহযোগী রাষ্ট্র
প্রধান শক্তিগুলোর পাশাপাশি আরও কয়েকটি রাষ্ট্র মিত্র শক্তির পক্ষে যুদ্ধ করেছিল—
সার্বিয়া : ১৯১৪ সালে যুদ্ধের সূচনা সার্বিয়াকে কেন্দ্র করেই হয়। সার্বিয়া শুরু থেকেই মিত্র শক্তির পূর্ণ সদস্য ছিল।
বেলজিয়াম : জার্মানি বেলজিয়াম আক্রমণ করলে দেশটি মিত্র শক্তির সঙ্গে যুদ্ধে যোগ দেয়।
মন্টিনিগ্রো : সার্বিয়ার পক্ষে যুদ্ধ করে মিত্র শক্তিকে সহায়তা করে।
চীন : চীন ১৯১৭ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে মিত্র শক্তিতে যোগ দেয়। যদিও তারা সরাসরি যুদ্ধ কম করেছে, তবে শ্রমিক ও কূটনৈতিক সহায়তার মাধ্যমে মিত্র শক্তিকে সমর্থন জানায়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (World War II, Second World War, WWII, WW2) মানব সভ্যতার ইতিহাসে এ যাবৎকাল পর্যন্ত সংঘটিত সর্ববৃহৎ এবং সবচেয়ে ভয়াবহ যুদ্ধ।
- ১৯৩৯ সাল থেকে ১৯৪৫ সাল, এই ছয় বছর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়সীমা ধরা হলেও ১৯৩৯ সালের আগে এশিয়ায় সংগঠিত কয়েকটি সংঘর্ষকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অংশ হিসেবে গণ্য করা হয়।
- তৎকালীন বিশ্বে সকল পরাশক্তি এবং বেশিরভাগ রাষ্ট্রই এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে এবং দুইটি বিপরীত সামরিক জোটের সৃষ্টি হয়; মিত্রশক্তি আর অক্ষশক্তি।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়, জার্মানি, ইটালি এবং জাপান ছিল অক্ষশক্তির প্রধান সদস্য।
- এই দেশগুলো একে অপরের সাথে জোট বাঁধে এবং মিত্রশক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিল, যার মধ্যে ছিল গ্রেট ব্রিটেন, ফ্রান্স, সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং যুক্তরাষ্ট্র।
ব্যাখ্যা (Explanation)
রেড আর্মি ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের সামরিক বাহিনী, যা সোভিয়েত ইউনিয়নে Great Patriotic War নামেও পরিচিত। রেড আর্মি ইস্ট্রান ফ্রন্টে জার্মানির নাৎসি বাহিনীকে পরাজয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল, যা ছিল যুদ্ধের বৃহত্তম এবং সবচেয়ে নৃশংস ঘটনা।

রেড আর্মি প্রাথমিকভাবে ১৯৪১ সালের জুনে জার্মান আক্রমণের দ্বারা তাদের কার্যক্রম শুরু করেছিল এবং যুদ্ধের প্রথম মাসগুলিতে বেশ কয়েকটি বড় পরাজয়ের সম্মুখীন হয়েছিল। তবে, রেড আর্মি শেষ পর্যন্ত পুনরায় সংগঠিত হয় এবং পাল্টা আক্রমণের একটি সিরিজ চালু করে যা জার্মান বাহিনীকে পিছনে ঠেলে দেয়, অবশেষে 1942-1943 সালে স্ট্যালিনগ্রাদের যুদ্ধের দিকে নিয়ে যায়, যা ব্যাপকভাবে যুদ্ধের একটি টার্নিং পয়েন্ট হিসাবে বিবেচিত হয়। রেড আর্মি পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে থাকে এবং 1945 সালে নাৎসি জার্মানির চূড়ান্ত পরাজয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

রেড আর্মি জাতিগত রাশিয়ান, ইউক্রেনীয়, বেলারুশিয়ান, মধ্য এশীয় এবং অন্যান্য সহ বিভিন্ন পটভূমির লক্ষ লক্ষ সৈন্য নিয়ে গঠিত। কিছু প্রাথমিক বিপত্তি সত্ত্বেও, রেড আর্মি শেষ পর্যন্ত একটি অত্যন্ত কার্যকরী যোদ্ধা বাহিনীতে পরিণত হয়, উদ্ভাবনী কৌশল এবং ট্যাঙ্ক, আর্টিলারি এবং বিমান সহ অস্ত্রের একটি শক্তিশালী অস্ত্রাগার।

যুদ্ধের সময় রেড আর্মির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল, অনুমান অনুযায়ী ৮.৭ মিলিয়ন থেকে ১০ মিলিয়ন সৈন্য নিহত, আহত বা অ্যাকশনে নিখোঁজ হয়েছিল। রেড আর্মি এবং সামগ্রিকভাবে সোভিয়েত জনগণের আত্মত্যাগ নাৎসি জার্মানির পরাজয় এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্রবাহিনীর বিজয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।  জাপানের 'রেড আর্মি' কোন কোন দল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেনি। 

তবে জাপানের 'রেড আর্মি' নামে গেরিলা সংগঠন ছিল।
- এর প্রতিষ্ঠাতা ফুসেকা শিজেনবো নামে একজন নারী। ১৯৭১ সালে লেবাননে তিনি এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- এই সংগঠন ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশের ঢাকায় জাপানের বিমান ছিনতাই করে নিয়ে আসা।
- ২০০০ সালে ফুসেকা জাপানে গ্রেফতার হলে রেড আর্মি এর কার্যক্রম স্তিমিত হয়ে পড়ে এবং ২০০১ সালে এটি বিলুপ্ত হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ম্যাজিনো লাইন ছিল ফ্রান্সের পূর্ব সীমান্তে নির্মিত একটি দুর্গ। এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানির আক্রমণ থেকে ফ্রান্সকে রক্ষা করার জন্য নির্মিত হয়েছিল। লাইনটি ১৯২৯ থেকে ১৯৩৪ সালের মধ্যে নির্মিত হয়েছিল এবং এটি ছিল একটি বিশাল প্রকল্প। লাইনটিতে অসংখ্য দুর্গ, ব্যারিকেড এবং অন্যান্য প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ছিল।

- ১৯৪০ সালে, জার্মানি পশ্চিম সীমান্ত দিয়ে ফ্রান্স আক্রমণ করেছিল এবং ম্যাজিনো লাইন ভেদ করতে সক্ষম হয়েছিল। ফ্রান্স পরাজিত হয়েছিল এবং ম্যাজিনো লাইন ব্যর্থ হয়েছিল।

- ম্যাজিনো লাইনের ব্যর্থতা ফরাসি সামরিক কৌশল সম্পর্কে একটি বড় ধাক্কা ছিল। এটি দেখায় যে কোনও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাই নিখুঁত নয় এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি আক্রমণাত্মক কৌশলও থাকা উচিত।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (World War II, Second World War, WWII, WW2) মানব সভ্যতার ইতিহাসে এ যাবৎকাল পর্যন্ত সংঘটিত সর্ববৃহৎ এবং সবচেয়ে ভয়াবহ যুদ্ধ।
- ১৯৩৯ সাল থেকে ১৯৪৫ সাল, এই ছয় বছর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়সীমা ধরা হলেও ১৯৩৯ সালের আগে এশিয়ায় সংগঠিত কয়েকটি সংঘর্ষকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অংশ হিসেবে গণ্য করা হয়।
- তৎকালীন বিশ্বে সকল পরাশক্তি এবং বেশিরভাগ রাষ্ট্রই এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে এবং দুইটি বিপরীত সামরিক জোটের সৃষ্টি হয়; মিত্রশক্তি আর অক্ষশক্তি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তির অফিসিয়াল নাম: Treaty of Peace between the Allied and Associated Powers and Germany
স্বাক্ষর: ২৮ জুন, ১৯১৯
স্বাক্ষরস্থল: প্যারিসের ভার্সাই প্যালেসের হল অব মিররে
স্বাক্ষরকারী: ২৮টি দেশ
চুক্তির অছি/ তত্ত্বাবধায়ক: ফরাসি পার্লামেন্ট
চুক্তির অংশ: ১৫টি
চুক্তির ধারা: ৪৪০টি 
চুক্তির ফল: আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তি [অনানুষ্ঠানিক সমাপ্তি: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮]
চুক্তি কার্যকর: ১০ জানুয়ারি ১৯২০ জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে
১৯৩৩ সালে হিটলার ক্ষমতায় আসেন এবং ১৯৩৫ সালে ভার্সাই চুক্তি বাতিল করেন।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ট্রিটি অব ভার্সাই হল প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর 1919 সালে স্বাক্ষরিত শান্তি চুক্তি।
- এই চুক্তিতে জার্মানিকে যুদ্ধের জন্য দায়ী করা হয় এবং তাদের উপর কঠোর ক্ষতিপূরণের শর্ত আরোপ করা হয়।
- এটিই ছিল জার্মানির উপর আরোপিত মূল ক্ষতিপূরণ পরিকল্পনা।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ১৮ জুন ১৯১৪ অষ্ট্রিয়ার যুবরাজ ফার্ডিন্যান্ড আততায়ীর গুলিতে স্ত্রীসহ নিহত হওয়ার ১ মাস পর ২৮ জুলাই ১৯১৪ প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় ।
- ১১ নভেম্বর ১৯১৮ দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ।
- তবে ২৮ জুন ১৯১৯ ভার্সাই শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয় ।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের (১৯৩৯-১৯৪৫) যে সকল দেশ মিত্র শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিল, তাদের সাধারণভাবে অক্ষশক্তি নামে অভিহিত করা হয়।
- অক্ষশক্তির প্রধান তিনটি দেশ ছিল জার্মান, জাপান ও ইতালি।
- এই বিষয়টি সর্বপ্রথম উত্থাপন করেছিল হাঙ্গেরীর ফ্যাসিবাদী প্রধানমন্ত্রী গাইওলা গমবোস ।
- তিনি জার্মানি, হাঙ্গেরি, এবং ইতালিকে নিয়ে একটি জোট গঠনের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এছাড়া তিনি জার্মানি এবং ইতালীর মাঝে মতভিন্নতা দূর করার কাজে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেছিলেন।
- কিন্তু ১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দে মিউনিখে জার্মানির সাথে আলোচনায় গিয়ে তাঁর হঠাৎ মৃত্যু হয়।
- পরবর্তী সময়ে হাঙ্গেরিতে ফ্যাসিবাদ বিরোধী শক্তি ক্ষমতায় এলে, হাঙ্গেরি এই ত্রিদেশীয় জোট থেকে সরে আসে। এই কারণে, এই জোটে জার্মানি এবং ইতালি স্বাক্ষর করে এবং একটি দ্বিপাক্ষিক অক্ষশক্তি গঠিত হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- সঠিক উত্তর ট্রিটি অব ভার্সাই। ট্রিটি অব ভার্সাই হল প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর 1919 সালে স্বাক্ষরিত শান্তি চুক্তি। এই চুক্তিতে জার্মানিকে যুদ্ধের জন্য দায়ী করা হয় এবং তাদের উপর কঠোর ক্ষতিপূরণের শর্ত আরোপ করা হয়। এটিই ছিল জার্মানির উপর আরোপিত মূল ক্ষতিপূরণ পরিকল্পনা।

অন্যদিকে,
a) ইয়াং প্ল্যান: ইয়াং প্ল্যান 1929 সালে প্রস্তাবিত হয়েছিল, যা ট্রিটি অব ভার্সাইয়ের ক্ষতিপূরণ শর্তগুলি পুনর্বিবেচনা করার একটি প্রচেষ্টা ছিল। এটি মূল পরিকল্পনা নয়, বরং একটি পরবর্তী সংশোধন।

c) মার্শাল প্ল্যান: এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি পরিকল্পনা। মার্শাল প্ল্যান ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে (1948) যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক পশ্চিম ইউরোপের পুনর্গঠনের জন্য প্রদত্ত অর্থনৈতিক সহায়তা কর্মসূচি। এর সাথে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ক্ষতিপূরণের কোনো সম্পর্ক নেই।

d) ডোজ প্ল্যান: এটিও সঠিক নয়। ডোজ প্ল্যান 1924 সালে প্রস্তাবিত হয়েছিল, যা ট্রিটি অব ভার্সাইয়ের পরে জার্মানির ক্ষতিপূরণ প্রদানের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেছিল। এটি মূল পরিকল্পনা নয়, বরং ট্রিটি অব ভার্সাইয়ের শর্তগুলি কার্যকর করার একটি প্রচেষ্টা ছিল।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- নরম্যান্ডি আক্রমণ, যাকে অপারেশন ওভারলর্ড বা D-Day বলা হয়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়, পশ্চিম ইউরোপে মিত্রবাহিনীর আক্রমণ, যা ৬ জুন, ১৯৪৪ সালে শুরু হয়েছিল (যুদ্ধের সকল দিবসের মধ্যে এটি বেশি পালিত হয়), মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের, ব্রিটিশ এবং কানাডিয়ান বাহিনী একযোগে অবতরণের করে ফ্রান্সের নরম্যান্ডিতে পাঁচটি পৃথক সৈকতে।
- ১৯৪৪ সালের আগস্টের শেষের দিকে সমগ্র উত্তর ফ্রান্স মুক্ত করা হয়, এবং আক্রমণকারী বাহিনী জার্মানিতে অভিযানের জন্য পুনর্গঠিত হয়, যেখানে তারা শেষ পর্যন্ত নাৎসি রাইখের অবসান ঘটাতে পূর্ব থেকে অগ্রসর হওয়া সোভিয়েত বাহিনীর সাথে মুখোমুখি হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ইয়াল্টা কনফারেন্স হলো ১৯৪৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইয়্লস্তে অনুষ্ঠিত একটি সম্মেলন যেখানে রুজভেল্ট, স্ট্যালিন এবং চার্চিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের চূড়ান্ত পর্যায়ে পরিকল্পনা করেছিলেন।
- এই কনফারেন্স ক্রিমিয়া কনফারেন্স নামে পরিচিত এবং ৪ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৫ থেকে অনুষ্ঠিত দুঃসাহসী অভিযাত্রী সম্মেলন।
- এই কনফারেন্সের অন্যতম লক্ষ্য ছিল জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা করা। তবে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করা হয়ছিল অনেকদিন আগে থেকে।
- ১৯৪১ সালের ১২ জুন জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে যুক্তরাজ্যের লন্ডনের জেমস প্রাসাদে ১৪টি দেশের স্বাক্ষরে লন্ডন ঘোষণা গৃহীত হয় এবং ১৪ আগস্ট আটলান্টিক সনদ গৃহীত হয়।
- ১৯৪২ সালের ১ জানুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট জাতিসংঘ নামকরণ করেন।
- ১৯৪৪ সালে ওয়াশিংটনের ডাম্বার্টন ওকসে জাতিসংঘ গঠনের প্রস্তাব গৃহীত হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ম্যাজিনো লাইন ছিল ফ্রান্সের পূর্ব সীমান্তে নির্মিত একটি দুর্গ। এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানির আক্রমণ থেকে ফ্রান্সকে রক্ষা করার জন্য নির্মিত হয়েছিল। লাইনটি ১৯২৯ থেকে ১৯৩৪ সালের মধ্যে নির্মিত হয়েছিল এবং এটি ছিল একটি বিশাল প্রকল্প। লাইনটিতে অসংখ্য দুর্গ, ব্যারিকেড এবং অন্যান্য প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ছিল।

- ১৯৪০ সালে, জার্মানি পশ্চিম সীমান্ত দিয়ে ফ্রান্স আক্রমণ করেছিল এবং ম্যাজিনো লাইন ভেদ করতে সক্ষম হয়েছিল। ফ্রান্স পরাজিত হয়েছিল এবং ম্যাজিনো লাইন ব্যর্থ হয়েছিল।

- ম্যাজিনো লাইনের ব্যর্থতা ফরাসি সামরিক কৌশল সম্পর্কে একটি বড় ধাক্কা ছিল। এটি দেখায় যে কোনও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাই নিখুঁত নয় এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি আক্রমণাত্মক কৌশলও থাকা উচিত।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- দুই বা ততোধিক প্রতিদ্বন্দ্বী বৃহৎ শক্তিসমূহের মাঝখানে অবস্থিত নিরপেক্ষ দেশকে বলা হয় বাফার স্টেট।
- ১ম ও ২য় বিশ্বযুদ্ধের বাফার স্টেট ছিল বেলজিয়াম।
- সামরিক শক্তিহীন রাষ্ট্র কে বলা হয় Small state.
ব্যাখ্যা (Explanation)
• দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইতিহাসে ‘অপারেশন বার্বারোসা’ হলো নাৎসি জার্মানি কর্তৃক সোভিয়েত ইউনিয়ন আক্রমণের সাংকেতিক নাম।
• ১৯৪১ সালের ২২ জুন জার্মানি ও তার মিত্রবাহিনী চুক্তি লঙ্ঘন করে সোভিয়েত ইউনিয়নের ওপর এই বিশাল আক্রমণ শুরু করে।
• এই অপারেশনের মূল লক্ষ্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ ভূখণ্ড দখল করা এবং কমিউনিজমকে ধ্বংস করা।
• হিটলার মনে করতেন জার্মানির জনগণের জন্য আরও বেশি 'বাসস্থান' (Lebensraum) প্রয়োজন, যা তিনি পূর্ব ইউরোপ ও রাশিয়া দখলের মাধ্যমে অর্জন করতে চেয়েছিলেন।
• এই হামলাটিই ছিল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযান, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- জার্মানিকে শাস্তি প্রদানের জন্য ১৯২৪ সালে গঠিত হয় দাওয়েস প্ল্যান। 
- এই পরিকল্পনায় জার্মানিকে ১৩২ বিলিয়ন স্বর্ণমুদ্রা জরিমানা করা হয়। 
ব্যাখ্যা (Explanation)
-দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়, জাপান, জার্মানি এবং ইতালি একত্রে একটি সামরিক জোট গঠন করে। এই জোটকে বলা হয় অক্ষশক্তি। অক্ষশক্তির লক্ষ্য ছিল বিশ্বকে পুনর্বিন্যাস করা এবং তাদের নিজস্ব আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করা।

-অন্যদিকে মিত্র শক্তি ছিল ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন ও পোল্যান্ড।
ব্যাখ্যা (Explanation)
-জার্মানির বিরুদ্ধে 'শান্তি ফ্রন্ট' গড়ে তোলার জন্য ১৯৩৫ সালে ব্রিটেন এবং ফ্রান্স একটি গোপন চুক্তি স্বাক্ষর করে।
-এই চুক্তির অধীনে, ব্রিটেন এবং ফ্রান্স জার্মানির বিরুদ্ধে একসাথে যুদ্ধ করবে যদি জার্মানি চেকোস্লোভাকিয়াকে আক্রমণ করে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
-নরম্যান্ডি ফ্রান্সের উত্তর-পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত একটি ভূ-খন্ড।
-এটি ফ্রান্সের নীচের নরম্যান্ডি এবং উপরের নরম্যান্ডি নামে দুটি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত। নরম্যান্ডি তার সুন্দর সৈকত, ঐতিহাসিক শহর এবং উৎকৃষ্ট খাবারের জন্য পরিচিত।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ১৯১৪ সালের ২৮ জুন বসনিয়ার রাজধানী সারায়েভো শহরে অস্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্চডিউক ফ্রাঞ্জ ফার্দিনান্দ এক সার্বিয়াবাসীর গুলিতে নিহত হন। অস্ট্রিয়া এ হত্যাকাণ্ডের জন্য সার্বিয়াকে দায়ী করে এবং ওই বছরের ২৮ জুন সার্বিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। এ যুদ্ধে দুদেশের বন্ধু রাষ্ট্রগুলো ধীরে ধীরে জড়িয়ে পড়ে। এভাবে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের (১৯১৪-১৯১৮) সূচনা হয়।

- তবে অস্ট্রিয়ার যুবরাজ হত্যাকাণ্ডই প্রথম বিশ্বযুদ্ধের একমাত্র কারণ ছিল না। উনিশ শতকে শিল্পে বিপ্লবের কারণে সহজে কাঁচামাল সংগ্রহ এবং তৈরি পণ্য বিক্রির জন্য উপনিবেশ স্থাপনে প্রতিযোগিতা এবং আগের দ্বন্দ্ব-সংঘাত ইত্যাদিও প্রথম বিশ্ব যুদ্ধের কারণ।

- প্রথম বিশ্বযুদ্ধে একপক্ষে ছিল অস্ট্রিয়া, জার্মানি, হাঙ্গেরি, বুলগেরিয়া। যাদের বলা হতো কেন্দ্রীয় শক্তি।

- আর অপরপক্ষে ছিল সার্বিয়া, রাশিয়া, ব্রিটেনে, ফ্রান্স, জাপান, ইতালি ও আমেরিকা। যাদের বলা হতো মিত্রশক্তি।

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
-  দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর ইউরোপীয় দেশগুলোর বিধ্বস্ত অর্থনৈতিক পুনর্গঠন এবং এসব দেশে সোভিয়েত কমিউনিজমের বিস্তার রোধ করার লক্ষ্যে এ পরিকল্পনা অনুসারে যুক্তরাষ্ট্র এসব দেশকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
- এ পরিকল্পনা ১৯৪৮ সালের এপ্রিল মাসে প্রণয়ন করা শুরু হয় এবং চার বছর যাবৎ পরিচালিত হয়।
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।