পুরাতন নাম (84 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- EU এর পূর্বনাম—-European Economic Community.
- ৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯২ সালে ম্যাসট্রিচট চুক্তির মাধ্যমে EU -এর একক মুদ্রা চালু হয়।
- এর কার্যকরী রাজধানী বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- বর্তমানে এর সদস্যরাষ্ট্র ২৭ টি।
- ১৯টি দেশে এর একক মুদ্রা আছে।
- এর অফিসিয়াল ভাষা ২৪ টি।
- ইউরোপীয় ইউনিয়ন দেশসমূহের মুদ্রাকে ইউরো মুদ্রা বলে। এর জনক রবার্ট মুন্ডেল।
- এটি রাষ্ট্রীয় কাঠামো অনুসরণ করে।
- ইউরোপে শান্তি ও স্থিতিশীলতা এবং গণতন্ত্র ও মানবাধিকার সমুন্নত রাখায় ২০১২ সালে EU শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
• তাইওয়ান পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ।
• সাধারণত প্রজাতন্ত্রী চীন-শাসিত এলাকা বোঝাতেও "তাইওয়ান" ব্যবহৃত হয়।
• প্রজাতন্ত্রী চীন প্রশান্ত মহাসাগরের তাইওয়ান দ্বীপ, অর্কিড আইল্যান্ড, শাসন করে থাকে।
• 'ফরমোজা' তাইওয়ানের পুরাতন নাম।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সাত পাহাড়ের দেশ বলা হয় ইতালির রাজধানী রোমকে
- এই শহরটি সাতটি পাহাড়চূড়ার সমন্বয়ে গঠিত । অ্যাভেন্টাইন, কেলিয়ান, এস্কুইলিন, কুইরিনাল এবং ভিমিনাল পাহাড়গুলি এখন স্মৃতিসৌধ, ভবন এবং পার্কগুলির স্থান।
- ক্যাপিটলিন পাহাড়টি রোমের সিটি হলের অবস্থান এবং
- প্যালাটাইন পাহাড়টি মূল প্রত্নতাত্ত্বিক অঞ্চলের অংশ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনাকে (Vienna) "ইউরোপের দ্বার" (Gate of Europe) বলা হয়।
- ভৌগোলিকভাবে ভিয়েনা পশ্চিম ও পূর্ব ইউরোপের সংযোগস্থলে অবস্থিত।
- ঐতিহাসিকভাবে, এটি বিভিন্ন সাম্রাজ্যের (যেমন: রোমান এবং অটোমান) প্রবেশদ্বার হিসেবে কাজ করেছে এবং শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এটি বিভিন্ন সংস্কৃতি ও বাণিজ্যের মিলনকেন্দ্র ছিল। এই কৌশলগত অবস্থানের কারণেই ভিয়েনা এই উপাধি লাভ করেছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
 

∎Thailand:

Thailand officially the Kingdom of Thailand, formerly known as Siam, is a country at the centre of the Indochinese peninsula in Southeast Asia. With a total area of approximately 513,000 km2 (198,000 sq mi), Thailand is the world's 51st-largest country. It is the 20th-most-populous country in the world, with around 66 million people. The capital and largest city is Bangkok.

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ঊনবিংশ শতকে এবং বিংশ শতকের শুরুর দিকে তুরস্ককে ইউরোপের রুগ্ন মানুষ বলা হত। তখন শিল্প বিপ্লবে অংশ নিতে না পারা বিশাল অটোমান এম্পায়ার অর্থনৈতিক ও সামরিক দিক থেকে ইউরোপের অন্যান্য রাষ্ট্র থেকে পিছিয়ে পড়ে । তাদের ভাগ্যে পরাজয়ের পর পরাজয় জুটতে থাকে । তখন অন্যান্য ইউরোপীয়রা অটোমান এম্পায়ারকে উপহাস করে ইউরোপের রুগ্ন ব্যক্তি বলত। তবে বর্তমানে ব্রিটেনকেও ইউরোপের নয়া রুগ্ন মানুষ বা sick man of Europe বলা হচ্ছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
⇒ ভুটানকে 'বজ্রপাতের দেশ' বা 'Land of the Thunder Dragon' বলা হয়।
⇒ ভুটানি ভাষায় দেশটির নাম 'ড্রুক ইউল' (Druk Yul), যার অর্থ বজ্র ড্রাগনের দেশ।
⇒ হিমালয়ের কোলে অবস্থিত হওয়ায় এখানে প্রায়ই প্রবল ঝড় ও বজ্রপাত হয়। প্রাচীন বিশ্বাস অনুযায়ী, এই বজ্রধ্বনিকে ড্রাগনের গর্জন মনে করা হতো বলে এমন নামকরণ হয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সোনালি প্যাগোডা হল একটি বিশিষ্ট বৌদ্ধশিল্প ও ধর্মীয় স্থাপনা যা মূলত মায়ানমার দেশে অবস্থিত। মায়ানমারের রাজধানী ইয়াঙ্গুনে অবস্থিত এই প্যাগোডাটি তার সোনার মোড়কে এবং ভ্রাম্যমান বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের আকর্ষণ হিসেবে বিশেষ পরিচিত।

- প্যাগোডা বা স্তূপ মূলত বৌদ্ধ ধর্মীয় স্থাপনা যা প্রায়শই সোনার মোড়কে নির্মিত হয়।
- মায়ানমারে এমন অনেক স্থাপনা আছে যা স্থানীয় সংস্কৃতি ও ধর্মের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত।
- থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, ও ভুটানেও বৌদ্ধ পুণ্যভূমি আছে, তবে সোনালি প্যাগোডা বিশেষত মায়ানমারের প্রতিনিধিত্ব করে।

অতএব, সোনালি প্যাগোডার দেশ হচ্ছে মায়ানমার
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বরিশালকে বাংলার ভেনিস বলা হয়।
- বরিশালের অসংখ্য নদ-নদী, খাল-বিল এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে একে ইতালির ভেনিস শহরের সাথে তুলনা করা হয়েছে।
- এই উপাধিটি মূলত প্রদান করেছিলেন বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর বরিশাল ভ্রমণের সময়।
- বরিশাল শহরটি কীর্তনখোলা নদীর তীরে অবস্থিত এবং এটি বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ নদীবন্দর ও বাণিজ্য কেন্দ্র।
- অতীতে এই শহরের যাতায়াত ব্যবস্থার প্রধান মাধ্যম ছিল নদীপথ, যা আজও এই অঞ্চলের ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- জাপানকে বলা হয় সূর্য উদয়ের দেশ (Land of the Rising Sun)
- জাপানি ভাষায় জাপানকে বলা হয় 'নিপ্পন' (Nippon) বা 'নিহন' (Nihon), যার শাব্দিক অর্থ হলো 'সূর্যের উৎস' বা 'সূর্যের উৎপত্তি'।
- ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এশিয়ার পূর্ব প্রান্তের দেশ হওয়ায় এখানেই প্রথম সূর্যোদয় দেখা যায় বলে মনে করা হয়।
- প্রাচীনকালে চীন থেকে পূর্ব দিকে তাকালে জাপানকে সূর্য ওঠার স্থান বলে মনে হতো, তাই চীনা রাজবংশ জাপানকে এই নামে অভিহিত করত যা পরে বিশ্বব্যাপী প্রচলিত হয়ে যায়।

অতিরিক্ত তথ্য:
- নিশীথ সূর্যের দেশ: নরওয়ে
- হাজার হ্রদের দেশ: ফিনল্যান্ড
- সকাল বেলার শান্তি: কোরিয়া
- ম্যাপল পাতার দেশ: কানাডা
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
জাপানের ভৌগলিক অবস্থান গত কারণে দেশটি পৃথিবীর যেই কোনো দেশের চেয়ে বেশি ভূমিকম্প অনুভূত করে থাকে। দেশটিতে প্রতি বছর গড়ে দুই হাজার এর মত ভূমিকম্প সংঘটিত হয়ে থাকে। এমনকি ২০১১ সালে দেশটিতে দশ হাজারের বেশি ভূমিকম্প হয়। তবে মজার এই যে, দেশটির সমস্ত অঞ্চলে এই ভূমিকম্প আঘাত করে না। বিশেষত রাজধানী টোকিওতে এর প্রভাব বেশি হয়ে থাকে। ভূমিকম্পগুলোর অধিকাংশ ই ক্ষীণ হয়ে থাকে। মূলত, এত পরিমাণ ভূমিকম্প হওয়ার কারণেই জাপানকে ভূমিকম্পের দেশ বলা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- কানাডাকে (Canada) "ম্যাপল পাতার দেশ" (Land of the Maple Leaf) বলা হয়।
- ম্যাপল পাতা কানাডার একটি জাতীয় প্রতীক এবং এটি দেশের পরিচয় ও সংস্কৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। 
- কানাডার জাতীয় পতাকায় একটি লাল ম্যাপল পাতার ছবি রয়েছে।
- এই পাতাটি শান্তি, সহনশীলতা এবং ঐক্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। ম্যাপল গাছ থেকে উৎপাদিত ম্যাপল সিরাপও কানাডার অন্যতম বিখ্যাত পণ্য।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- উত্তর আমেরিকার বিশাল প্রেইরি (Prairie) অঞ্চলকে, বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার অন্তর্গত সমভূমিকে, "বিশ্বের রুটির ঝুড়ি" (Breadbasket of the World) বলা হয়।
- এই অঞ্চলের উর্বর মাটি এবং অনুকূল জলবায়ু গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য শস্য উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত উপযোগী।
- এখানকার বিপুল পরিমাণ শস্য উৎপাদন বিশ্বজুড়ে খাদ্য চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যে কারণে এই অঞ্চলটি এমন নামে পরিচিত।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
নিষিদ্ধ শহর নামে পরিচিত - লাসা
শহর নিষিদ্ধ দেশ নামে পরিচিত- তিব্বত
সকাল বেলার শান্তি বলা হয় - উত্তর কোরিয়াকে
সূর্যোদয়ের দেশ হিসেবে পরিচিত - জাপান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- আইসল্যান্ডকে (Iceland) প্রায়শই "আগুন ও বরফের দেশ" (Land of Fire and Ice) বলা হয় এবং কখনও কখনও "আগুনের দ্বীপ" হিসেবেও উল্লেখ করা হয়।
- এর কারণ হলো, দেশটি হিমবাহ ও বরফক্ষেত্র দ্বারা আচ্ছাদিত হলেও এখানে অসংখ্য জীবন্ত আগ্নেয়গিরি, উষ্ণ প্রস্রবণ এবং গেইসার রয়েছে।
- দেশটির ভূতাত্ত্বিক গঠন অত্যন্ত সক্রিয়, যা দুটি টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত।
- এই অনন্য বৈপরীত্যের জন্যই আইসল্যান্ড এই নামে পরিচিত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
 ব্যাংকককে “প্রাচ্যের ভেনিস” বলা হয়, কারণ এখানে অসংখ্য খাল ও নৌপথ আছে, যেগুলো ভেনিসের (ইতালি) মতোই শহরের যাতায়াত ও বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ‘উত্তরের ভেনিস’ বলা হয় স্টকহোম শহরকে।
- স্টকহোম সুইডেনের রাজধানী এবং এটি একটি দ্বীপপুঞ্জের ওপর অবস্থিত।
- শহরটি ১৪টি দ্বীপ নিয়ে গঠিত এবং এর মধ্য দিয়ে ৫০টিরও বেশি সেতু রয়েছে।
- শহরের চারপাশে জলাভূমি এবং খাল থাকায় এটি ভেনিসের মতো দেখতে, যা একে "উত্তরের ভেনিস" নামে পরিচিত করেছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
জাপান সূর্যোদয়ের দেশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ধারনা করা হয়, ইউরোপীয় উপনিবেশের সময় থেকে জাপানকে সবচেয়ে পূর্বের দেশ হিসেবে বিবেচনা করা হত। তাছাড়া যেহেতু জাপানী ভাষায় চীনা ভাষার উপস্থিতি অত্যন্ত শক্তিশালী। সেহেতু নিপ্পন শাব্দিক অর্থ সূর্যের উৎপত্তির বিশ্লেষণে ইউরোপীয়রা জাপানকে সূর্যোদয়ের দেশ হিসেবে প্রচার করে। 

- নিশীথ সূর্যের দেশ : নরওয়ে 
- হাজার হ্রদের দেশ : ফিনল্যান্ড 
- সকাল বেলার শান্তি : কোরিয়া।
- ম্যাপল পাতার দেশ : কানাডা

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0