সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

অঞ্চলভিত্তিক ভৌত পরিবেশ

৮৮ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
দক্ষিণ আমেরিকার আমাজন নদী পানি নির্গমনের পরিমাণ ও প্রস্থের দিক থেকে পৃথিবীর বৃহত্তম নদী।
- এটি প্রতি সেকেন্ডে মহাসাগরে সবচেয়ে বেশি পানিপ্রবাহ নির্গমন করে।
- অন্যদিকে নীলনদ হলো পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী।
সোর্সঃ প্রফেসর'স MCQ Review
ব্যাখ্যা (Explanation)
অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে চাঁদ, সূর্য ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে । এর ফলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত মহাকর্ষীয় আকর্ষণে সমুদ্রে অত্যন্ত শক্তিশালী ও তীব্র জোয়ারের সৃষ্টি হয়। এই তীব্র জোয়ারকে তেজকটাল বা ভরাকটাল (Spring tide) বলা হয়।
সোর্সঃ প্রফেসর'স MCQ Review।
ব্যাখ্যা (Explanation)
মরু অঞ্চল থেকে বায়ু দ্বারা অতি সূক্ষ্ম পলি ও ধূলিকণা বহুদূরে বাহিত হয়ে নিচু স্থানে জমা হয়ে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তাকে লোয়েস (Loess) বলে।
- বারখান: বায়ুর সঞ্চয়জাত অর্ধচন্দ্রাকার বালিয়াড়ি।
- ইয়ারদাং: বায়ুর ক্ষয়কার্যের ফলে গঠিত ভূমিরূপ।
- পেডিমেন্ট: পর্বতের পাদদেশীয় ক্ষয়জাত সমভূমি।

সোর্সঃ প্রফেসর'স MCQ Review।
ব্যাখ্যা (Explanation)
যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোকে বিভক্তকারী সীমারেখা হলো সনোরা লাইন (Sonora Line)।
• এটি মূলত মেক্সিকোর সনোরা রাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা ও নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যের সীমান্তবর্তী অঞ্চলকে নির্দেশ করে।
• অপশনের অন্যান্য সীমারেখা: 'হিন্ডেনবার্গ লাইন' (জার্মানি ও পোল্যান্ড) এবং 'ম্যানারহেইম লাইন' (রাশিয়া ও ফিনল্যান্ড)।
ব্যাখ্যা (Explanation)
• উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার বিখ্যাত আন্তর্জাতিক সীমানা বিভাজন রেখা হলো ৩৮তম সমান্তরাল রেখা (38th Parallel)।
• ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কোরিয়া উপদ্বীপকে সোভিয়েত ইউনিয়ন (উত্তর) ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের (দক্ষিণ) মধ্যে বিভক্ত করতে এই রেখা নির্ধারিত হয়।
• বর্তমানে এটি সামরিক বিভাজন রেখা বা বিসামরিকীকৃত অঞ্চল (DMZ) হিসেবেও পরিচিত।
ব্যাখ্যা (Explanation)
• ভারত ও পাকিস্তানের আন্তর্জাতিক সীমানা চিহ্নিতকরণ রেখাটির নাম রেডক্লিফ লাইন (Radcliffe Line)।
• ১৯৪৭ সালের ১৭ আগস্ট ব্রিটিশ ভারতের বিভাজনের সময় সীমানা নির্ধারণ কমিটির প্রধান স্যার সিরিল রেডক্লিফ-এর নামানুসারে এর নামকরণ করা হয়।
• বর্তমানে এই রেখাটির পশ্চিমভাগ ভারত-পাকিস্তান এবং পূর্বভাগ বাংলাদেশ-ভারত সীমানা হিসেবে পরিচিত।
ব্যাখ্যা (Explanation)
'গাডউইন অস্টিন' বা K2 পর্বতশৃঙ্গটি কারাকোরাম পর্বতমালায় অবস্থিত ।
- এটি চীন-পাকিস্তান সীমান্তে অবস্থিত ।
- এর উচ্চতা ৮,৬১১ মিটার ।
- এটি বিশ্বের ২য় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ ।

সোর্স: প্রফেসর'স MCQ Review।
ব্যাখ্যা (Explanation)
ভূমধ্যসাগরের সর্ববৃহৎ দ্বীপ হলো সিসিলি । এটি ইতালির দক্ষিণে অবস্থিত এবং এর আয়তন প্রায় ২৫,৭১১ বর্গকিলোমিটার।
অন্যান্য দ্বীপের আয়তন:
- সিসিলি: ২৫,৭১১ বর্গকিমি
- সার্ডিনিয়া: ২৪,০৯০ বর্গকিমি
- সাইপ্রাস: ৯,২৫১ বর্গকিমি
- কর্সিকা: ৮,৬৮০ বর্গকিমি
সোর্সঃ প্রফেসর'স MCQ Review।

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
কে-টু (K2) বা গডউইন অস্টিন হলো কারাকোরাম পর্বতশ্রেণীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ । এটি চীন-পাকিস্তান সীমান্তে অবস্থিত এবং এর উচ্চতা ৮,৬১১ মিটার । এটি পৃথিবীর ২য় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ ।

সোর্সঃ প্রফেসর'স MCQ Review।
ব্যাখ্যা (Explanation)
নায়াগ্রা জলপ্রপাত উত্তর আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্র (নিউইয়র্ক) ও কানাডার (ওন্টারিও) সীমান্তে নায়াগ্রা নদীর ওপর অবস্থিত । দেখতে ঘোড়ার খুরের মতো এই জলপ্রপাতের নামের অর্থ 'জলরাশির বজ্রধ্বনি' ।
অন্যান্য জলপ্রপাতগুলোর অবস্থান:
- ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত: জিম্বাবুয়ে ও জাম্বিয়া সীমান্তে অবস্থিত ।
- ইগুয়াজু জলপ্রপাত: আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সীমান্তে অবস্থিত ।
- অ্যাঞ্জেল জলপ্রপাত: ভেনেজুয়েলায় অবস্থিত বিশ্বের সর্বোচ্চ জলপ্রপাত ।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
হরমুজ প্রণালী পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে যুক্ত করেছে এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরানকে পৃথক করেছে ।
অপশনের অন্যান্য প্রণালীগুলোর বিবরণ:
- বাব এল মান্দেব প্রণালী: লোহিত সাগর ও এডেন সাগরকে যুক্ত করেছে ।
- মালাক্কা প্রণালী: বঙ্গোপসাগর ও জাভা সাগরকে যুক্ত করেছে ।
- বসফরাস প্রণালী: কৃষ্ণ সাগর ও মর্মর উপসাগরকে যুক্ত করেছে ।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
কন্যাকুমারিকা অন্তরীপ হলো ভারতের মূল ভূখণ্ডের সর্বদক্ষিণ বিন্দু, যা তামিলনাড়ু রাজ্যে অবস্থিত ।
- অবস্থান: এটি তামিলনাড়ু রাজ্যের প্রলম্বিত অংশ হিসেবে ভারত মহাসাগরে পতিত হয়েছে ।
- ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য: এই অন্তরীপের ডান দিকে বঙ্গোপসাগর এবং বাম দিকে আরব সাগর অবস্থিত ।
- অন্তরীপের সংজ্ঞা: ভূ-ভাগের কোনো সরু অংশ সাগরের দিকে প্রসারিত থাকলে তাকে অন্তরীপ বলে ।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
'বে' (Bay) হিসেবে বিশ্বের বৃহত্তম উপসাগর হলো বঙ্গোপসাগর, যার আয়তন প্রায় ২২,০০,০০০ বর্গকিমি । তিন দিক স্থলবেষ্টিত জলরাশিকে 'Bay' বলে ।
- 'গালফ' (Gulf) হিসেবে বিশ্বের বৃহত্তম উপসাগর মেক্সিকো উপসাগর ।
- হাডসন ও পারস্য উপসাগরের আয়তন আরও ছোট ।
সোর্সঃ প্রফেসর'স MCQ Review।
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৯১২ সালে যুক্তরাজ্য থেকে নিউইয়র্ক যাওয়ার পথে ভাসমান বরফখণ্ডের (হিমশৈল) সাথে ধাক্কা লেগে বিখ্যাত টাইটানিক জাহাজটি আটলান্টিক মহাসাগরে নিমজ্জিত হয় ।
সোর্সঃ প্রফেসর'স MCQ Review।
ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রশান্ত মহাসাগর পৃথিবীর বৃহত্তম ও গভীরতম মহাসাগর ।
- আয়তন: ১৬,৬২,৪১,০০০ বর্গ কি.মি., যা ভূ-পৃষ্ঠের প্রায় ২/৩ অংশ জুড়ে বিস্তৃত ।
- গড় গভীরতা: ৪,০৭৯ মিটার ।
আয়তন ও গড় গভীরতা উভয় দিক থেকেই এটি বিশ্বের অন্যান্য মহাসাগরের চেয়ে বড় ।
সোর্সঃ প্রফেসর'স MCQ Review
ব্যাখ্যা (Explanation)
- জিব্রাল্টার প্রণালীকে  "ভূমধ্যসাগরের চাবি" বলা হয়।
- এই প্রণালীটি আটলান্টিক মহাসাগরকে ভূমধ্যসাগরের সাথে যুক্ত করেছে এবং ইউরোপ মহাদেশকে আফ্রিকা মহাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করেছে। 
- ঐতিহাসিকভাবে, যে শক্তি এই প্রণালীটি নিয়ন্ত্রণ করেছে, সেই শক্তিই ভূমধ্যসাগরে নৌচলাচল এবং বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা অর্জন করেছে।
- এর কৌশলগত গুরুত্বের কারণেই একে "ভূমধ্যসাগরের চাবি" হিসেবে অভিহিত করা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- 'হিন্দুকুশ পর্বতটি' অবস্থিত আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানে।

- হিন্দুকুশ পর্বতমালা মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার একটি বিশাল পর্বতশ্রেণী যা আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের সীমান্তবেষ্টিত অঞ্চল জুড়ে প্রসারিত।
- এটি পামির ও কারাকোরাম পর্বতমালার অংশ এবং হিমালয়ের একটি উপ-পর্বতমালা হিসেবে বিবেচিত।
- এই পর্বতমালার শীর্ষ শৃঙ্গ তিরিচমির (৭,৩৯০ মিটার) পাকিস্তানের অন্তর্গত।
- তাই হিন্দুকুশ পর্বতমালা অবস্থিত দুই দেশের মাঝে, অর্থাৎ আফগানিস্তান ও পাকিস্তানে।

সুতরাং, সঠিক উত্তর: (ক+খ) - আফগানিস্তান ও পাকিস্তান।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- স্থলবেষ্টিত দেশ (Landlocked country) হলো সেই সব দেশ যাদের কোনো সমুদ্র বা মহাসাগরের সাথে সরাসরি সংযোগ নেই।
- অর্থাৎ, এই দেশগুলো চারদিকে অন্য এক বা একাধিক দেশ দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকে।

বলিভিয়া:
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের দুটি স্থলবেষ্টিত দেশের মধ্যে একটি হলো বলিভিয়া।
- এটি ব্রাজিল, প্যারাগুয়ে, আর্জেন্টিনা, চিলি এবং পেরু দ্বারা পরিবেষ্টিত।
- যদিও অতীতে বলিভিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরের সাথে উপকূলরেখা ছিল, ১৮৭৯-১৮৮৩ সালের প্রশান্ত মহাসাগরীয় যুদ্ধে চিলির কাছে তা হারায়।

অন্যদিকে,
- উরুগুয়ের দক্ষিণ ও পূর্বে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে দীর্ঘ উপকূলরেখা রয়েছে।

- আর্জেন্টিনার পূর্বে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে প্রায় ৪,৭০০ কিলোমিটার দীর্ঘ উপকূল রয়েছে।

- গায়ানা দক্ষিণ আমেরিকার উত্তর উপকূলে অবস্থিত এবং এর উত্তর-পূর্বে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে প্রায় ৪৫৯ কিলোমিটার দীর্ঘ উপকূলরেখা রয়েছে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- নিরক্ষীয় (Equatorial) জলবায়ু অর্থাৎ নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থিত অঞ্চলের আবহাওয়া — হট ও ভিজে থাকে সারা বছর। এই জলবায়ু মূলত এমন দেশসমূহে দেখা যায় যেগুলি নিরক্ষরেখার কাছাকাছি, অর্থাৎ ১০° উত্তর ও ১০° দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যে অবস্থিত। নিরক্ষীয় জলবায়ুতে প্রধান বৈশিষ্ট্য হল:

- সারাবছর তাপমাত্রা প্রায় একই থাকে (প্রায় ২৫-৩০°C)
- প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়
- প্রকৃতিতে ঘন বৃষ্টি-বন (Rainforest) দেখা যায়

- নেপাল উঁচু পাহাড় ও বৃদ্ধিলাভী ভূ-অঞ্চল নিয়ে গঠিত, যেখানে ঋতু পরিবর্তন দেখা যায় ও আবহাওয়া ভিন্ন, নিরক্ষীয় জলবায়ু নয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- আগ্নেয় শিলা ও পাললিক শিলা যখন বেশি তাপ ও চাপের প্রভাবে তাদের গঠন ও বৈশিষ্ট্যে পরিবর্তন হয়, তখন তারা রূপান্তরিত শিলায় পরিণত হয়।
- অর্থাৎ, আগ্নেয় ও পাললিক শিলার রূপান্তরিত রূপকে রূপান্তরিত শিলা বলে এই শিলা তৈরি হয়।
- যখন এই দু'রকম শিলা উচ্চ তাপ এবং চাপ সহ রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় পরিবর্তিত হয়, তখন তারা নতুন ধরনের শিলা তৈরি করে, যা রূপান্তরিত শিলা নামে পরিচিত।
- রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ: চুনাপাথর থেকে মার্বেল, বেলেপাথর থেকে কোয়ার্টজাইট, কাদা থেকে প্লেট ইত্যাদি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ফকল্যান্ড স্রোত দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের একটি শীতল স্রোত, যা অ্যান্টার্কটিকার কাছাকাছি থেকে উৎপন্ন হয়ে উত্তরের দিকে প্রবাহিত হয়।
- এটি দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের মেরু অঞ্চলের উপরের স্তর থেকে উৎপন্ন হয় এবং ভারত মহাসাগরের পানিতে পুষ্ট হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)

মৌসুমি বায়ু ও বাংলাদেশের বর্ষাকাল

মৌসুমি বায়ু হচ্ছে এমন এক ধরনের আঞ্চলিক বায়ুপ্রবাহ, যার দিক ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়। মৌসুমি শব্দটি এসেছে আরবি 'মওসুম' বা 'মত্তসুম' শব্দ থেকে, যার অর্থ ঋতু। সূর্যের উত্তরায়ণ ও দক্ষিণায়নের ফলে স্থলভাগ ও জলভাগের তাপমাত্রার তারতম্য ঘটায় এবং এরই ফলে মৌসুমি বায়ুর সৃষ্টি হয়।

গ্রীষ্মকালে সূর্য কর্কটক্রান্তির নিকটে অবস্থান করে বলে উত্তর গোলার্ধে তাপমাত্রা বেড়ে যায় এবং একটি সুবৃহৎ নিম্নচাপ বলয় সৃষ্টি হয়। এ সময় দক্ষিণ গোলার্ধের ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে উৎপন্ন দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু নিরক্ষরেখা অতিক্রম করে উত্তর গোলার্ধে প্রবেশ করে। এই বায়ু ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী বাম দিকে বেঁকে দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে প্রবাহিত হয় এবং একে বলা হয় দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু। এটি এশিয়ার নিম্নচাপ কেন্দ্রের দিকে ধাবিত হয়ে চীন, ভারত, বাংলাদেশ, থাইল্যান্ড, মিয়ানমারসহ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে ব্যাপক বৃষ্টিপাত ঘটায়।

বাংলাদেশ একটি ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু অধ্যুষিত দেশ। এখানে জুন থেকে অক্টোবর পর্যন্ত বর্ষাকাল বিরাজ করে। এই সময় ভারত মহাসাগর ও বঙ্গোপসাগর থেকে উৎপন্ন আর্দ্র দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এ বায়ুপ্রবাহ বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প বহন করে নিয়ে আসে। বাংলাদেশের স্থলভাগে পৌঁছে এই বায়ু পার্বত্য অঞ্চল ও অন্যান্য ভৌগোলিক বাধার কারণে উপরের দিকে উঠে ঠান্ডা হয়, ফলে ব্যাপক বৃষ্টিপাত ঘটে।

অন্যদিকে, শীতকালে সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থান করে বলে সেখানে নিম্নচাপ এবং উত্তর গোলার্ধে উচ্চচাপ সৃষ্টি হয়। ফলে তখন উত্তর-পূর্ব দিক থেকে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হয়, যা সাধারণত শুষ্ক প্রকৃতির।

এইভাবে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ঋতুভিত্তিক আবহাওয়া ও বৃষ্টিপাতের অন্যতম প্রধান নিয়ামক হিসেবে কাজ করে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- সাভানা এক ধরণের ক্রান্তীয় তৃণভূমি যা উচ্চ তাপমাত্রা এবং ঋতুভিত্তিক বৃষ্টিপাত দ্বারা চিহ্নিত।
- এই তৃণভূমিগুলো লম্বা ঘাস, বিচ্ছিন্ন গাছ এবং গুল্ম দ্বারা গঠিত। বিশ্বের বৃহত্তম এবং সবচেয়ে পরিচিত সাভানাগুলি আফ্রিকার গ্রীষ্মমন্ডলীয় অঞ্চলে অবস্থিত।
- আফ্রিকার বিশাল অংশ, বিশেষ করে পূর্ব এবং দক্ষিণ আফ্রিকা, যেমন সেরেঙ্গেটি (Serengeti) এবং মাসাই মারা (Masai Mara) সাভানা ইকোসিস্টেমের জন্য বিখ্যাত।
- এই অঞ্চলগুলি অসংখ্য বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল, যার মধ্যে সিংহ, হাতি, জিরাফ, জেব্রা এবং বিভিন্ন ধরণের অ্যান্টিলোপ রয়েছে।
Job Solutions বিসিএস প্রাইমারি
ব্যাখ্যা (Explanation)

- বর্তমানে বিশ্বের মোট ৪৪টি স্থলবেষ্টিত (landlocked) রাষ্ট্র রয়েছে।
- এগুলো এমন দেশ, যেগুলোর কোনো সমুদ্র বা মহাসাগরের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ নেই। এছাড়া, ৫টি আংশিক স্বীকৃত স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্রও রয়েছে।

স্থলবেষ্টিত দেশগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু হলো কাজাখস্তান (সবচেয়ে বড় স্থলবেষ্টিত দেশ), মঙ্গোলিয়া, নেপাল, ভুটান, এবং আফগানিস্তান। এদের মধ্যে উজবেকিস্তান এবং লিচেনস্টেইন হলো বিশ্বের একমাত্র "ডাবল ল্যান্ডলকড" দেশ, অর্থাৎ এদের চারপাশে শুধুমাত্র স্থলবেষ্টিত দেশ রয়েছে।

এশিয়ায় স্থলবেষ্টিত (landlocked) দেশের সংখ্যা ১২টি।
এই দেশগুলো হলো:
- আফগানিস্তান
- আর্মেনিয়া
- আজারবাইজান
- ভুটান
- কাজাখস্তান
- কিরগিজস্তান
- লাওস
- মঙ্গোলিয়া
- নেপাল
- তাজিকিস্তান
- তুর্কমেনিস্তান
- উজবেকিস্তান। 

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
কোনো দেশে যদি কোনোরুপ জলসীমা না থাকে তাকে স্থলবেষ্টিত দেশ বলে।
- বিশ্বে স্থলবেষ্ঠিত দেশের সংখ্যা ৪৫ টি।
- বিশ্বে স্থলবেষ্টিত মোট স্বাধীন রাষ্ট্রের সংখ্যা ৪৫টি। এর মধ্যে বৃহত্তম দেশ কাজাখস্তান।
- এশিয়ায় স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র ১১ টি।
যথা -নেপাল, ভুটান, আফগানিস্তান, লাওস, মঙ্গোলিয়া, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, উজবেকিস্তান, তাজাকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান, আজারবাইজান।
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।