সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

প্রাকৃতিক সম্পদ

৫০ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৯৭১ সালে ইরানের রামসারে জলাভূমি সুরক্ষায় রামসার কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয় ।
- রামসার: আন্তর্জাতিক জলাভূমি সনদ ।
- বাসেল: বর্জ্য নিয়ন্ত্রণ চুক্তি ।
- ভিয়েনা: ওজোন স্তর সুরক্ষা ।
বাংলাদেশের ২ রামসার সাইট: সুন্দরবন ও টাঙ্গুয়ার হাওড় ।

সোর্সঃ প্রফেসর'স MCQ Review
ব্যাখ্যা (Explanation)
আমাজন বন বিশ্বের বৃহত্তম ক্রান্তীয় বৃষ্টিপ্রধান বন ।
- এটি বায়ুমণ্ডলের বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করে এবং অক্সিজেন নির্গত করে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে ।
- এই প্রকাণ্ড পরিবেশগত ভূমিকার জন্যই আমাজন বনকে 'পৃথিবীর ফুসফুস' বলা হয় ।
সোর্সঃ প্রফেসর'স MCQ Review।
ব্যাখ্যা (Explanation)
  • দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত 'আমাজন রেইনফরেস্ট' বা আমাজন বনভূমি হলো পৃথিবীর বৃহত্তম নিরক্ষীয় বনভূমি।

  • পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে থাকা অক্সিজেনের প্রায় ২০% বা তার বেশি অংশ একা এই আমাজন বন থেকে আসে।

  • বিশাল এই বনভূমি প্রচুর পরিমাণে কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে এবং অক্সিজেন ত্যাগ করে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে, যা অনেকটা ফুসফুসের মতো কাজ করে।

  • এই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কারণেই আমাজনকে 'পৃথিবীর ফুসফুস' (Lungs of the Earth) বলা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
যেকোনো দেশের পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখতে মোট ভূমির অন্তত ২৫% বনাঞ্চল থাকা আবশ্যক । গাছপালা অক্সিজেন সরবরাহ, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করে । বর্তমানে বাংলাদেশে এর পরিমাণ প্রায় ১৭.৪৫% ।
সোর্সঃ প্রফেসর'স MCQ Review।
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশের প্রথম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা বা EPZ (Export Processing Zone) চট্টগ্রামের হালিশহরে স্থাপিত হয় ।
- দেশে ইপিজেড প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৮০ সালে সংসদে আইন প্রণীত হয় ।
- এরপর ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামে দেশের প্রথম ও বৃহত্তম সরকারি ইপিজেডটি যাত্রা শুরু করে ।
- বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ ও পণ্য রপ্তানি বৃদ্ধি করাই ছিল এর মূল উদ্দেশ্য।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৫৩ সালে বাংলাদেশের প্রথম কাগজকল 'কর্ণফুলী পেপার মিলস' প্রতিষ্ঠিত হয় ।
- অবস্থান: এটি রাঙামাটি জেলার চন্দ্রঘোনায় কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত ।
- কাঁচামাল: পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চলের প্রচুর বাঁশ কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করে এখানে কাগজ তৈরি করা হয় ।
- বিশেষত্ব: এটি সরকারি মালিকানাধীন দেশের অন্যতম বৃহত্তম কাগজকল ।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
• বাংলাদেশের প্রায় দুই তৃতীয়াংশই গঙ্গা - ব্রহ্মপুত্র -মেঘনা নদীদ্বারা বাহিত পলিমাটির সাহায্যে গঠিত সমতলভূমি দিয়ে আবৃত।
• কেবল পূর্বদিকে সিলেট, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, এলাকার পূর্বাংশ বরাবর পাহাড় শ্রেণি উত্তর-দক্ষিণে বিস্তৃত।
• বাংলাদেশে বৃহত্তর বেঙ্গল বেসিন ( Bengal Basin)-এ অবস্থিত। বেঙ্গল বেসিন পশ্চিমে পশ্চিমবঙ্গ থেকে পূর্বে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য এবং উত্তরে শিলং মালভূমির পাদদেশ থেকে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর বরাবর বিস্তৃত।
• এ বেসিন মূলত টারশিয়ারি যুগের শিলাস্তর দিয়ে পরিপূর্ণ ।
• তবে উত্তরবঙ্গে ভূগর্ভে অতি প্রাচীন পারসিয়ান যুগের শিলাস্তর বিদ্যমান।
Job Solutions বিসিএস
ব্যাখ্যা (Explanation)
- পাললিক শিলা: পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠিত হয়েছে তাকে পাললিক শিলা বলে।
- বেলেপাথর, কয়লা, শেল, চুনাপাথার, কাদাপাথর, কেওলিন পাললিক শিলার উদাহরণ।
- জীবাশ্ম দেখা যায়
- স্তর লক্ষ্য করা যায়
- পাললিক শিলা নরম, ভঙ্গুর
- সহজেই ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।

- আগ্নেয় ও পাললিক শিলা যখন প্রচন্ড চাপ, উত্তাপ ও রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে রূপ পরিবর্তন করে নতুন রূপ ধারণ করে তখন তাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল, বেলেপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইট, কাদা ও শেল রূপান্তরিত হয়ে স্লেট, গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিস এবং কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।

- পৃথিবী সৃষ্টির প্রাথমিক পর্যায়ের উত্তপ্ত ও গলিত অবস্থা হতে ক্রমান্বয়ে শীতল ও ঘনীভূত হয়ে যে শিলা গঠিত হয়েছে তা আগ্নেয় শিলা নামে পরিচিত।
Job Solutions বিসিএস
ব্যাখ্যা (Explanation)
- যেসব শক্তির উৎস কখনো নিঃশেষ হয় না, পুনঃপুন ব্যবহার করা যায়, তাদেরকে নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস বলা হয়।
- যেমন—সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি, সমুদ্রের ঢেউ ইত্যাদি।

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
• বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ) (সংশোধিত) আইন, ১৯৭৪ বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের ক্ষেত্রে স্বাধীনতা পরবর্তী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত প্রথম আইন।
• ১৯৭৩ সালের ২৭ মার্চ তৎকালীন প্রেসিডেন্ট শেখ মুজিবুর রহমানের আদেশক্রমে "বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ) আদেশ, ১৯৭৩" জারি করা হয়।
• আদেশটি প্রেসিডেন্ট আদেশ ২৩ নামে পরিচিত।
• এটি ১৭ জুলাই প্রথম দফায় সংশোধন করা হয়।
• প্রেসিডেন্ট আদেশ ২৩ এরপর একই বছর আগস্ট মাসে জাতীয় সংসদে যায়।
• পরের বছর ১৯৭৪ সালে আদেশটি দ্বিতীয় দফা সংশোধিত হয় এবং বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ) (সংশোধিত) আইন, ১৯৭৪ হিসেবে অনুমোদিত হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুর ও গোপালপুরে, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায়, চট্টগ্রাম জেলার হাইটগাঁও ও সাতকানিয়া উপজেলার বাইতুল ইজ্জতে চীনামাটির মজুত রয়েছে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলাদেশ ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর এবং পরমাণু শক্তি কমিশন থেকে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, ১৯৮৫ সালে সিলেট জেলার জৈন্তায় এবং মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলার ফুলতলা ও সাগরনাল এলাকায়  অনুসন্ধানে প্রথম ইউরেনিয়ামের সন্ধান পাওয়া যায়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুরে অবস্থিত।
- এটি ১৯৮৫ সালে আবিষ্কৃত হয়।
- এর আয়তন ৫.২৫ বর্গ কি.মি।
- এ কয়লাক্ষেত্রে মোট মজুত ৩০০ মিলিয়ন টন এবং উত্তোলনযোগ্য মজুত ৭০ মিলিয়ন টন।
- এ কয়লা অধিক মাত্রায় উদ্বায়ী ও নিম্নমাত্রার সালফার বিটুমিনাস ধরনের।
ব্যাখ্যা (Explanation)

- শিলারাশির চূর্ণ-বিচূর্ণ ও বিশিষ্ট হওয়ার প্রক্রিয়াকে বিচূর্ণীভবন বলা হয়।
- বিচূর্ণীভবনের ফলে শিলার শক্ত আবরণ ভেঙে ছোট ছোট কণায় পরিণত হয়।
- এই ছোট ছোট কণাগুলিকে ক্ষয়জাত পদার্থ বলে।

- অপসারণ হল ক্ষয়জাত পদার্থের স্থানান্তর প্রক্রিয়া।
- নগ্নীভবন হল বিচূর্ণীভবন ও অপসারণের ফলে ভূ-ত্বকের উচ্চতা কমে যাওয়ার প্রক্রিয়া।
- অবক্ষেপণ হল ক্ষয়জাত পদার্থের জমা হওয়ার প্রক্রিয়া।

- সুতরাং, শিলারাশির চূর্ণ-বিচূর্ণ ও বিশিষ্ট হওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় বিচূর্ণীভবন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
-সোপান অঞ্চলের বনভূমির প্রধান বৃক্ষ গজারী।
-গজারী বা শাল নামেও পরিচিত এই বৃক্ষটি বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, রংপুর, দিনাজপুর, নওগাঁ, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত সোপান অঞ্চলের বনভূমিতে প্রচুর পরিমাণে জন্মে।
-এই অঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়া গজারী বৃক্ষের জন্য অত্যন্ত অনুকূল। গজারী একটি পাতাঝরা বৃক্ষ। এর কাঠ শক্ত ও মজবুত। এটি আসবাবপত্র, খুঁটি, ঘরের ছাউনি, নৌকা, রেলের স্লিপার ইত্যাদি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
-ম্যানগ্রোভ বনায়ন হলো উপকূলীয় ও জোয়ার-ভাটা প্লাবিত অঞ্চলে জন্ম নেওয়া বৃক্ষের অরণ্য।
-এই অঞ্চলে জন্ম নেওয়া বৃক্ষগুলির মধ্যে রয়েছে সুন্দরী, গেওয়া, বাইন, খলসি, গোলপাতা, হেতাল ইত্যাদি।
-এই বৃক্ষগুলি জলমগ্ন অবস্থায় বেঁচে থাকতে পারে এবং সমুদ্র থেকে আগত ঢেউ এবং জলোচ্ছ্বাস থেকে উপকূলীয় অঞ্চলকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
দেশে মোট মৎস্য উৎপাদনের ১২ শতাংশ ইলিশ। এ ছাড়া বর্তমানে দেশের জিডিপিতে প্রায় ১ শতাংশ অবদান রাখছে ইলিশ।
Job Solutions IBA Faculty (Exam Taker)
ব্যাখ্যা (Explanation)
- একক বন হিসাবে বৃহত্তম বন - সুন্দরবন ।
- যার বাংলাদেশ অঞ্চলের আয়তন প্রায় ৬,০১৭ কি.মি প্রায়।
- ভাওয়াল ও মধুপুর বনাঞ্চলের আয়তন - ৪,১০৩ বর্গকিঃমিঃ।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

Job Solutions বিসিএস
ব্যাখ্যা (Explanation)
⇒ গ্রিনহাউস গ্যাস হলো সেই সব গ্যাস যা পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে তাপ আটকে রেখে পৃথিবীকে উষ্ণ করে তোলে।
⇒ কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO₂), মিথেন (CH₄) এবং নাইট্রাস অক্সাইড (N₂O)—এগুলো সবই প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস যা বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য দায়ী।
⇒ কিন্তু 'অক্সিজেন' (O₂) কোনো তাপ আটকে রাখে না এবং এটি পরিবেশের তাপমাত্রা বাড়ায় না। এটি প্রাণীকুলের শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য অপরিহার্য একটি গ্যাস। তাই এটি গ্রিনহাউস গ্যাস নয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনী:-
দৈর্ঘ্য: ১১৪৯ কি.মি
অন্তর্ভুক্ত জেলা: ৮টি
জেলাগুলো হলো: পটুয়াখালী, বরগুনা, ভোলা, পিরোজপুর, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর
২০২০ সালের মধ্যে ২০% বনভূমি করা। বর্তমানে সরকারি হিসেবে বনভূমি ১৭.৫০%
ব্যাখ্যা (Explanation)
• কয়লাকে তার গুণগত মান ও কার্বনের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে ৪টি প্রধান শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
• এর মধ্যে 'পীট' হলো সবচেয়ে প্রাথমিক স্তরের এবং নিম্নমানের কয়লা।
• এতে কার্বনের পরিমাণ সবচেয়ে কম থাকে এবং জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকে বলে দহনে তাপ কম উৎপন্ন হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
গ্র্যান্ড ব্যাংক হল বিশ্বের বৃহত্তম মগ্নচড়া।মেরু অঞ্চল থেকে শীতল সমুদ্রস্রোতের সঙ্গে ভেসে আসা হিমশৈল উয়স্রোতের সংস্পর্শে এসে গলে যায়। হিমশৈল মধ্যস্থ নুড়ি, কাকর, বালি, কাদা প্রভৃতি ওজনানুসারে সমুদ্র তলদেশে পর্যায়ক্রমে থিতিয়ে পড়ে। দীর্ঘকাল ধরে এই সম পদার্থ অধঃক্ষিপ্ত হয়ে অগভীর নিমজ্জিত ও চড়ার সৃষ্টি হয়। একে মগ্নচড়া বা ব্যাংক বলে। অবস্থান—উত্তর-পশ্চিম আটলান্টিক মহাসাগর, নিউফাউন্ডল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের নিকট এই গ্র্যান্ড ব্যাংক অবস্থিত। উৎপত্তির কারণ—শীতল লাব্রাডার স্রোতের সঙ্গে আসা হিমশৈল উয় উপসাগরীয় স্রোতের সংস্পর্শে গলে গিয়ে সমুদ্র তলদেশে নুড়ি, কাকর, বালি, পলি, কাদা প্রভৃতি সঞ্চিত হয়ে সৃষ্টি হয়েছে। বাণিজ্যিক মৎস্য আহরণের জন্য বিখ্যাত।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশের রামসার সাইট দুইটি ।
১) টাঙ্গুয়ার হাওর
২) সুন্দরবন।

সূত্রঃ ramsar.org
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশে সাধারনত দুই প্রকার পাট চাষ করা হয় দেশি এবং তোষা পাট। রংপুর, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, কুমিল্লা, যশোর, ঢাকা, কুষ্টিয়া, জামালপুর, টাঙ্গাইল, পাবনা প্রভৃতি জেলায় পাট চাষ ভাল হয়। সূত্রঃ নবম-দশম শ্রেণীর ভূগোল ও পরিবেশ বোর্ড বই।
ব্যাখ্যা (Explanation)
অনুন্নত ও উন্নয়নশীল বিশ্বের শতকরা ৫০-৮০ ভাগ মানুষ প্রথম পর্যায়ের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের সঙ্গে জড়িত এবং উন্নত বিশ্বের শতকরা ৮০ ভাগ দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের সঙ্গে জড়িত। সুত্রঃ ৯ম ১০ শ্রেণির বোর্ড বই
ব্যাখ্যা (Explanation)

প্রথম পর্যায়ের অর্থনৈতিক কার্যাবলিঃ পশু শিকার, মৎস্য শিকার, কাঠ চেরাই, পশুপালন, খনিজ উত্তোলন, কৃষি কার্য।

দ্বিতীয় পর্যায়ের অর্থনৈতিক কার্যাবলিঃ জটিল যন্ত্রপাতি প্রস্তুত করণ,

তৃতীয় পর্যায়ের অর্থনৈতিক কার্যাবলিঃপাইকারি বিক্রেতা, খুচরা বিক্রেতা, ফেরিওয়ালা, পরিবেশক, এজেন্ট ইত্যাদি।

সুত্রঃ ৯ম ১০ শ্রেণির বোর্ড বই

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই (জিওগ্রাফিক্যাল ইনডিকেশন) পণ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে জামদানি শাড়ি, ইলিশ মাছ এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাতি আম (হিমসাগর নামে পরিচিত)।
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।