- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম নদী হলো বলেশ্বর। - যদিও বর্তমানে গাঙ্গিনা নদী বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম নদী যার দৈর্ঘ্য: ০.০৩২ কিমি (প্রায় ১০৫ ফুট)। - তবে অপশনগুলোর মধ্যে বলেশ্বর নদীটিই দৈর্ঘ্যে সবচেয়ে ছোট। - এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পিরোজপুর ও বরগুনা জেলার একটি নদী। - বলেশ্বর নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ১৪৬ কিলোমিটার।
- পদ্মার প্রধান উপনদী মহানন্দা এবং পুনর্ভবা। - পদ্মার বিভিন্ন শাখা নদীর মধ্যে গড়াই, বড়াল আড়িয়াল খাঁ, কুমার, ধানসিঁড়ি, মাথাভাঙ্গা, ভৈরব ইত্যাদি অন্যতম। - পদ্মার বিভিন্ন প্রশাখা নদীসমূহ হলো- মধুমতী, পশুর, ভৈরব ইত্যাদি।
• ব্রহ্মপুত্র-যমুনা বাংলাদেশের দ্বিতীয় এবং বিশ্বের দীর্ঘতম নদীসমূহের মধ্যে অন্যতম। তিববত, চীন, ভারত এবং বাংলাদেশের ভূখন্ড জুড়ে রয়েছে এর অববাহিকা অঞ্চল। • প্রকৃতপক্ষে ব্রহ্মপুত্র নদের নিম্ন প্রবাহ যমুনা নামে অভিহিত। • যমুনা নদীর সর্বাধিক প্রস্থ ১২০০০ মিটার (আরিচা) যমুনার প্রধান উপনদী গুলো হল তিস্তা, ধরলা, করতোয়া, আত্রাই, সুবর্ণশ্রী। করতোয়া যমুনার দীর্ঘতম এবং বৃহত্তম উপনদী। যমুনার শাখা নদী, ধলেশ্বরী।
- পদ্মা নদী চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। - হিমালয় পর্বতের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে পদ্মা নদী উৎপত্তি লাভ করে। -পদ্মা নদী ভারতের উপর দিয়ে গঙ্গা নামে প্রবাহিত হয়। এর সর্বমোট দৈর্ঘ্য ২,৬০০ কি.মি. - রাজবাড়ি জেলায় গোয়ালন্দের কাছে পদ্মা নদী ও যমুনা নদী একসাথে মিলিত হয়েছে। - চাঁদপুরের নিকট পদ্মা নদী ও মেঘনা নদীর সাথে মিলিত হয়ে মেঘনা নামে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে। - পদ্মার শাখা নদীগুলো হলো- মধুমতি, আড়িয়াল খাঁ, ভৈরব, মাথাভাঙ্গা, কুমার, কপোতাক্ষ, শিবসাত, পশুর, বড়াল, গড়াই, ইছামতি ইত্যাদি। - এর উপনদী মহানন্দা, টাঙ্গন, নাগর, পুনর্ভবা, কুলিক।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে খরস্রোতা নদী কর্ণফুলী । এটি আসামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে প্রায় ২৭৪ কিলোমিটার দীর্ঘ কর্ণফুলী নদী রাঙ্গামাটি ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে । - এটি চট্টগ্রাম ও রাঙ্গামাটির প্রধান নদী । এর প্রধান উপনদী কাসালং ,হালদা এবং বোয়ালখালী
ব্রহ্মপুত্র-যমুনার চারটি প্রধান উপনদী রয়েছে: দুধকুমার, ধরলা, তিস্তা এবং করতোয়া-আত্রাই নদীপ্রণালী। তিস্তা নদী রংপুর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। তিস্তা, করতোয়া ও আত্রাই নদী সংলগ্ন রংপুর ও দিনাজপুর জেলা হলো সঞ্চয়জাত পাদদেশীয় পলল সমভূমি।
- বগা লেক বা বগাকাইন হ্রদ বাংলাদেশের অন্যতম আকর্ষণীয় প্রাকৃতিক হ্রদ যা বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলায় অবস্থিত। - সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা প্রায় ১,২৪৬ ফুট (৩৮০ মিটার) এবং এটি কেওক্রাডং পর্বতের কাছে অবস্থিত। - ভূতত্ত্ববিদদের মতে, প্রায় ২০০০ বছর আগে মৃত আগ্নেয়গিরির জ্বালা মুখ কিংবা মহাকাশ থেকে উল্কাপাতের ফলে এই হ্রদটির সৃষ্টি হয়েছে। - স্থানীয় আদিবাসীদের ভৌতিক বিশ্বাস ও রূপকথার গল্পের কারণে এটি স্থানীয়দের কাছে ড্রাগন লেক নামেও পরিচিত। - এই হ্রদটির পানি বেশ নীল রঙের এবং এর সৌন্দর্য ও রহস্যময়তা পর্যটকদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করে।
নাফ নদী বাংলাদেশের বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলায় প্রবাহিত। নাফ নদী কক্সবাজারে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারকে পৃথক করেছে। নাফ নদী বান্দরবান দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে কক্সবাজারের টেকনাফে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। এর দৈর্ঘ্য ৫৬ কিলোমিটার।
- ভারতের আসাম রাজ্যের বরাক নদী ভৈরব বাজার পর্যন্ত সুরমা ও কুশিয়ারা নামে প্রবাহিত হয়েছে। - সুরমা ও কুশিয়ারা নদী পুনরায় আজমিরীগঞ্জে মিলিত হয়ে কালনী নদী নামে দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রবাহিত হয়েছে। - এই কালনী নদী আরো দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে কিশোরগঞ্জের ভৈরব বাজারের নিকট মেঘনা নাম ধারণ করেছে। - অর্থাৎ সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর মিলিত স্রোতের নাম হলো মেঘনা। - মেঘনা ও পদ্মা নদীর মিলিত স্থান হলো চাঁদপুর এবং মেঘনা, পদ্মা ও যমুনার মিলিত স্রোত মেঘনা নামেই বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
শীতলক্ষ্যা নদী (Shitalakshya River) পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে উৎপন্ন। গাজীপুর জেলার টোক নামক স্থানে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র দুটি ধারায় বিভক্ত হয়ে একটি ধারা বানার নামে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়ে লাকপুর নামক স্থানে শীতলক্ষ্যা নাম ধারণ করে বৃহত্তর ঢাকা জেলার পূর্ব পাশ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। শীতলক্ষ্যা কলাগাছিয়ার কাছে ধলেশ্বরী নদীতে পড়েছে। নদীটির মোট দৈর্ঘ্য ১১০ কিমি, প্রস্থ নারায়ণগঞ্জের কাছে ৩০০ মিটার, কিন্তু উপরের দিকে আস্তে আস্তে কমে গিয়ে হয়েছে প্রায় ১০০ মিটার। ডেমরায় সর্বোচ্চ ২,৬০০ কিউমেক প্রবাহ পরিমাপ করা হয়েছে। নদীটি নাব্য এবং সারা বছরই নৌ চলাচলের উপযোগী। শীতলক্ষ্যার ভাঙন প্রবণতা কম।
- পদ্মা নদী বাংলাদেশের বৃহত্তম নদী। - এটি ভারতের হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। - রাজশাহী জেলার কাছাকাছি কুষ্টিয়ার উত্তর প্রান্ত দিয়ে প্রবেশ করে গোয়ালন্দে যমুনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। - এই মিলিত ধারা পদ্মা নামে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে চাঁদপুরে মেঘনার সাথে মিলিত হয়েছে। - অতঃপর তিন নদীর মিলিত স্রোত বঙ্গোপসাগরে ঢুকেছে।
- পদ্মার অপর নাম কীর্তিনাশা। - এ নামটি দেওয়ার কারণ হলো, এই নদীর ভাঙ্গনের ফলে অনেক জনপদ বিলীন হয়ে গেছে। - পদ্মা নদী দেশের তিন বিভাগের ১২টি জেলায় প্রবাহিত হয়েছে, নদীটির দৈর্ঘ্য ৩৪১ কিলোমিটার। এই জেলাগুলো হলো:
রাজশাহী বিভাগ: রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ ঢাকা বিভাগ: পাবনা, সিরাজগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, ঢাকা খুলনা বিভাগ: ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর
চাকরি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পেতে নিয়মিত অনুশীলন ও লাইভ পরীক্ষার কোন বিকল্প নেই।
অনুশীলন প্রশ্ন ব্যাংক বিষয়ভিত্তিক, টপিক ও সাবটপিক আকারে সাজানো। ২০০৫ থেকে সব জব সলিউশন ও টপিকভিত্তিক জব সলিউশন বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ, রুটিন ভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, পিডিএফ লেকচার শীট।
২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।
▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন। ↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।
★ বর্তমান চলমান কোর্স
১) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক ২) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা নতুন ৩) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা নতুন ৪) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান ৫) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান ৬) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস ৭) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের) ৮) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ) ৯) স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন ১০) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী
➤ আপকামিং কোর্স ও রুটিন
✦ ১৯তম নিবন্ধন শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৬ষ্ঠ ব্যাচ)
◆ অগ্রদূত বাংলা বই অনুসারে বাংলা সাহিত্য ও ভাষা — রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে। ◆ English মাস্টার বই অনুসারে রুটিন — টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে। ◆ ১৯তম নিবন্ধন — ইতিহাস ও প্রাণীবিজ্ঞান (স্কুল ও কলেজ পর্যায় আলাদা রুটিনে পরীক্ষা হবে)।