সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

বাংলাদেশের নদ-নদী

৯৯ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম নদী হলো বলেশ্বর।
- যদিও বর্তমানে গাঙ্গিনা নদী বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম নদী  যার দৈর্ঘ্য: ০.০৩২ কিমি (প্রায় ১০৫ ফুট)।
- তবে অপশনগুলোর মধ্যে বলেশ্বর নদীটিই দৈর্ঘ্যে সবচেয়ে ছোট।
- এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পিরোজপুর ও বরগুনা জেলার একটি নদী।
- বলেশ্বর নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ১৪৬ কিলোমিটার।
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশের বিখ্যাত কিছু সমুদ্রসৈকত:
- কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকত : কুয়াকাটা, পটুয়াখালী।
- পারকি সমুদ্রসৈকত : আনোয়ারা, চট্টগ্রাম
- ইনানী, কলাতলী, লাবনী সমুদ্রসৈকত : কক্সবাজার
- পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত : পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- পদ্মার প্রধান উপনদী মহানন্দা এবং পুনর্ভবা।
- পদ্মার বিভিন্ন শাখা নদীর মধ্যে গড়াই, বড়াল আড়িয়াল খাঁ, কুমার, ধানসিঁড়ি, মাথাভাঙ্গা, ভৈরব ইত্যাদি অন্যতম।
- পদ্মার বিভিন্ন প্রশাখা নদীসমূহ হলো- মধুমতী, পশুর, ভৈরব ইত্যাদি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
• ব্রহ্মপুত্র-যমুনা বাংলাদেশের দ্বিতীয় এবং বিশ্বের দীর্ঘতম নদীসমূহের মধ্যে অন্যতম। তিববত, চীন, ভারত এবং বাংলাদেশের ভূখন্ড জুড়ে রয়েছে এর অববাহিকা অঞ্চল।
• প্রকৃতপক্ষে ব্রহ্মপুত্র নদের নিম্ন প্রবাহ যমুনা নামে অভিহিত।
• যমুনা নদীর সর্বাধিক প্রস্থ ১২০০০ মিটার (আরিচা) যমুনার প্রধান উপনদী গুলো হল তিস্তা, ধরলা, করতোয়া, আত্রাই, সুবর্ণশ্রী। করতোয়া যমুনার দীর্ঘতম এবং বৃহত্তম উপনদী। যমুনার শাখা নদী, ধলেশ্বরী।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
পদ্মা নদী:

- পদ্মা নদী চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- হিমালয় পর্বতের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে পদ্মা নদী উৎপত্তি লাভ করে।
-পদ্মা নদী ভারতের উপর দিয়ে গঙ্গা নামে প্রবাহিত হয়। এর সর্বমোট দৈর্ঘ্য ২,৬০০ কি.মি.
- রাজবাড়ি জেলায় গোয়ালন্দের কাছে পদ্মা নদী ও যমুনা নদী একসাথে মিলিত হয়েছে।
- চাঁদপুরের নিকট পদ্মা নদী ও মেঘনা নদীর সাথে মিলিত হয়ে মেঘনা নামে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।
- পদ্মার শাখা নদীগুলো হলো- মধুমতি, আড়িয়াল খাঁ, ভৈরব, মাথাভাঙ্গা, কুমার, কপোতাক্ষ, শিবসাত, পশুর, বড়াল, গড়াই, ইছামতি ইত্যাদি।
- এর উপনদী মহানন্দা, টাঙ্গন, নাগর, পুনর্ভবা, কুলিক।
ব্যাখ্যা (Explanation)
নদীভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্থ জেলা গুলো হলো- গাইবান্ধা, জামালপুর, চাঁদপুর, সিরাজগঞ্জ ইত্যাদি।
তবে চাঁদপুর ও সিরাজগঞ্জ বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়। 
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলাদেশের সবচেয়ে খরস্রোতা নদী কর্ণফুলী । এটি আসামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে প্রায় ২৭৪ কিলোমিটার দীর্ঘ কর্ণফুলী নদী রাঙ্গামাটি ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে ।
- এটি চট্টগ্রাম ও রাঙ্গামাটির প্রধান নদী । এর প্রধান উপনদী কাসালং ,হালদা এবং বোয়ালখালী
ব্যাখ্যা (Explanation)
বুড়িগঙ্গা নদীর পুর্বনাম- দোলাই নদী

- ব্রক্ষপুত্র নদের পূর্বনাম ছিল- লৌহিত্য ।
- পদ্মা নদীর পূর্বনাম ছিল-  কীর্তিনাশা।
- নিঝুম দ্বীপ এর পূর্বনাম ছিল- বাউলার চর।
- যমুনা নদীর পূর্বনাম ছিল- জোনাই নদী।

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
 ব্রহ্মপুত্র-যমুনার চারটি প্রধান উপনদী রয়েছে: দুধকুমার, ধরলা, তিস্তা এবং করতোয়া-আত্রাই নদীপ্রণালী।  তিস্তা নদী রংপুর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। তিস্তা, করতোয়া ও আত্রাই নদী সংলগ্ন রংপুর ও দিনাজপুর জেলা হলো সঞ্চয়জাত পাদদেশীয় পলল সমভূমি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগ 'নদী ভাঙ্গন' এর কারণ- 
- নদীর গতিপথ পরিবর্তন 
- জলবায়ু পরিবর্তন 
- নদীগর্ভে শিলার পরিবর্তন 
- রাসায়িনিক দ্রব্যের উপস্থিতি 
- বাহিত শিলার কঠিনতা
ব্যাখ্যা (Explanation)
'টাঙ্গুয়ার হাওড়' সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। সুনামগঞ্জে মোট ৯৫ হাওড় আছে।  'হাকালুকি' মৌলভীবাজার ও সিলেট অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম হাওর।

- নারী মুক্তিযোদ্ধা কাঁকন বিবি খাসিয়া সম্প্রদায়ভুক্ত, ১৯৪৮ সালে সুনামগঞ্জ জেলার এক খাসিয়া পরিবারে। 
- ১৯৩৭ সালে বাংলাদেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলায়।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বগা লেক বা বগাকাইন হ্রদ বাংলাদেশের অন্যতম আকর্ষণীয় প্রাকৃতিক হ্রদ যা বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলায় অবস্থিত।
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা প্রায় ১,২৪৬ ফুট (৩৮০ মিটার) এবং এটি কেওক্রাডং পর্বতের কাছে অবস্থিত।
- ভূতত্ত্ববিদদের মতে, প্রায় ২০০০ বছর আগে মৃত আগ্নেয়গিরির জ্বালা মুখ কিংবা মহাকাশ থেকে উল্কাপাতের ফলে এই হ্রদটির সৃষ্টি হয়েছে।
- স্থানীয় আদিবাসীদের ভৌতিক বিশ্বাস ও রূপকথার গল্পের কারণে এটি স্থানীয়দের কাছে ড্রাগন লেক নামেও পরিচিত।
- এই হ্রদটির পানি বেশ নীল রঙের এবং এর সৌন্দর্য ও রহস্যময়তা পর্যটকদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
নাফ নদী বাংলাদেশের বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলায় প্রবাহিত। নাফ নদী কক্সবাজারে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারকে পৃথক করেছে। নাফ নদী বান্দরবান দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে কক্সবাজারের টেকনাফে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। এর দৈর্ঘ্য ৫৬ কিলোমিটার।
বিসিএস
ব্যাখ্যা (Explanation)
» হালদা ভ্যালি – খাগড়াছড়ি
» বলিশিরা – মৌলভীবাজার
» সাঙ্গু ভ্যালি – চট্টগ্রাম
» ভেঙ্গি ভ্যালি – কাপ্তাই,রাঙ্গামাটি
» নাপিত খালি ভ্যালি – কক্সবাজার
» মাইনীমুখী ও সাজেক ভ্যালি – রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা (Explanation)
মিয়ানমার হতে নদীগুলো বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেঃ  সাঙ্গু, নাফ, মাতামুহুরি।

বাংলাদেশ ও ভারতকে বিভক্তকারী নদীর নাম হলো হাড়িভাঙ্গা।আর বাংলাদেশ ও মিয়ানমারকে বিভক্তকারী নদীর নাম নাফ।এই নদীর দৈর্ঘ্য ৫৬ কিমি।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
✔ পদ্মা ও যমুনা - গোয়ালন্দ (রাজবাড়ি), দৌলতদিয়া। 
✔ পদ্মা ও মেঘনা - চাঁদপুর। 
✔ তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র - চিলমারি, কুড়িগ্রাম।
✔ কুশিয়ারা ও সুরমা - আজমিরীগঞ্জ, হবিগঞ্জ। 
✔ পুরাতন ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা - ভৈরব বাজার। 
✔ হালদা ও কর্ণফুলী - কালুরঘাট, চট্টগ্রাম। 
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ভারতের আসাম রাজ্যের বরাক নদী ভৈরব বাজার পর্যন্ত সুরমা ও কুশিয়ারা নামে প্রবাহিত হয়েছে।
- সুরমা ও কুশিয়ারা নদী পুনরায় আজমিরীগঞ্জে মিলিত হয়ে কালনী নদী নামে দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রবাহিত হয়েছে।
- এই কালনী নদী আরো দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে কিশোরগঞ্জের ভৈরব বাজারের নিকট মেঘনা নাম ধারণ করেছে।
- অর্থাৎ সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর মিলিত স্রোতের নাম হলো মেঘনা।
- মেঘনা ও পদ্মা নদীর মিলিত স্থান হলো চাঁদপুর এবং মেঘনা, পদ্মা ও যমুনার মিলিত স্রোত মেঘনা নামেই বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

প্রাইমারি
ব্যাখ্যা (Explanation)
শীতলক্ষ্যা নদী (Shitalakshya River) পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে উৎপন্ন। গাজীপুর জেলার টোক নামক স্থানে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র দুটি ধারায় বিভক্ত হয়ে একটি ধারা বানার নামে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়ে লাকপুর নামক স্থানে শীতলক্ষ্যা নাম ধারণ করে বৃহত্তর ঢাকা জেলার পূর্ব পাশ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। শীতলক্ষ্যা কলাগাছিয়ার কাছে ধলেশ্বরী নদীতে পড়েছে। নদীটির মোট দৈর্ঘ্য ১১০ কিমি, প্রস্থ নারায়ণগঞ্জের কাছে ৩০০ মিটার, কিন্তু উপরের দিকে আস্তে আস্তে কমে গিয়ে হয়েছে প্রায় ১০০ মিটার। ডেমরায় সর্বোচ্চ ২,৬০০ কিউমেক প্রবাহ পরিমাপ করা হয়েছে। নদীটি নাব্য এবং সারা বছরই নৌ চলাচলের উপযোগী। শীতলক্ষ্যার ভাঙন প্রবণতা কম।
ব্যাখ্যা (Explanation)
• মেঘনা নদীর প্রধান উপনদী - কংস, সুমেশ্বরী, গোমতী, মনু প্রভৃতি।
• মেঘনা নদীর প্রধান শাখানদী - তিতাস, ডাকাতিয়া ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- পদ্মা নদী বাংলাদেশের বৃহত্তম নদী।
- এটি ভারতের হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- রাজশাহী জেলার কাছাকাছি কুষ্টিয়ার উত্তর প্রান্ত দিয়ে প্রবেশ করে গোয়ালন্দে যমুনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।
- এই মিলিত ধারা পদ্মা নামে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে চাঁদপুরে মেঘনার সাথে মিলিত হয়েছে।
- অতঃপর তিন নদীর মিলিত স্রোত বঙ্গোপসাগরে ঢুকেছে।

- পদ্মার অপর নাম কীর্তিনাশা।
- এ নামটি দেওয়ার কারণ হলো, এই নদীর ভাঙ্গনের ফলে অনেক জনপদ বিলীন হয়ে গেছে।
- পদ্মা নদী দেশের তিন বিভাগের ১২টি জেলায় প্রবাহিত হয়েছে, নদীটির দৈর্ঘ্য ৩৪১ কিলোমিটার।
এই জেলাগুলো হলো:

রাজশাহী বিভাগ: রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ
ঢাকা বিভাগ: পাবনা, সিরাজগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, ঢাকা
খুলনা বিভাগ: ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
Job Solutions বিসিএস
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলাদেশের বৃহত্তর হাওর হাকালুকি হাওর, যার আয়তন ২৪,২৯২ হেক্টর। 
- হাকালুকি হাওর সিলেট জেলার ফেঞ্ঝুগঞ্জ, গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার এবং মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা ও কুলাউড়া উপজেলা জুড়ে বিস্তৃত। 
 
- হাইল বিল মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত। 
- চলনবিল বাংলাদেশের বৃহত্তম বিল। চলন বিল পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও নাটোর জেলায় বিস্তৃত।
বিসিএস
বিসিএস

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।