সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

বাংলাদেশের পরিবেশ

১৫০ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
**বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা- ২০০৯** (BCCSAP) কাঠামোটি **৬টি স্তম্ভের (Pillars)** ওপর ভিত্তি করে গঠিত। ### সোর্স সংক্রান্ত স্পষ্টীকরণ: আপনার প্রদত্ত সোর্সগুলোতে BCCSAP ২০০৯-এর স্তম্ভগুলোর সরাসরি উল্লেখ নেই। তবে জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত অন্যান্য উন্নয়ন পরিকল্পনা (যেমন: ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০-এর ৬টি নির্দিষ্ট অভীষ্ট এবং ২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক কর্তৃক চিহ্নিত বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক ) সোর্সে আলোচনা করা হয়েছে। BCCSAP-এর ৬টি স্তম্ভের বিবরণটি সোর্সের বাইরের তথ্য, যা সতর্কতার সাথে যাচাই করা যেতে পারে: --- ### ৬টি স্তম্ভের (Pillars) বিবরণ: ২০০৯ সালে বাংলাদেশ সরকার জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় BCCSAP প্রণয়ন করে। এর প্রধান ৬টি স্তম্ভ বা ক্ষেত্র হলো: 1. **খাদ্য নিরাপত্তা, সামাজিক সুরক্ষাও স্বাস্থ্য** (*Food Security, Social Protection and Health*): ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর খাদ্য, কর্মসংস্থান ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা। 2. **সমন্বিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা** (*Comprehensive Disaster Management*): প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস, সাড়াদান ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনা জোরদার করা। 3. **অবকাঠামো** (*Infrastructure*): সাইক্লোন শেল্টার, বেড়িবাঁধ নির্মাণ, ও উপকূলীয় অবকাঠামো রক্ষা করা। 4. **গবেষণা ও জ্ঞান ব্যবস্থাপনা** (*Research and Knowledge Management*): জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ও অভিযোজন সম্পর্কিত গবেষণা এবং ডেটা সংরক্ষণ করা। 5. **প্রশমন ও নিম্ন কার্বন উন্নয়ন** (*Mitigation and Low Carbon Development*): নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি, বনায়ন এবং গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানো। 6. **সক্ষমতা বৃদ্ধি ও প্রাতিষ্ঠানিক শক্তিশালীকরণ** (*Capacity Building and Institutional Strengthening*): প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা ও সংশ্লিষ্ট খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। --- ? আপনি কি বাংলাদেশের অন্যান্য পরিবেশ ও জলবায়ু নীতি বা পরিবেশ সংক্রান্ত চুক্তিগুলো নিয়ে সোর্স থেকে বিস্তারিত জানতে চান?
ব্যাখ্যা (Explanation)
জলাশয়ে পুষ্টি উপাদান বাড়লে শৈবালের অতিবৃদ্ধি ঘটে। শৈবাল পচনে অণুজীব অক্সিজেন ব্যবহার করায় পানিতে অক্সিজেনের ঘাটতি হয়। একে ইউট্রোফিকেশন বলে।
- বায়োম্যাগনিফিকেশন: খাদ্যশৃঙ্খলে বিষাক্ততার বৃদ্ধি।
- বায়োঅ্যাকিউমুলেশন: জীবদেহে ক্ষতিকর উপাদান জমা।
সোর্সঃ প্রফেসর'স MCQ Review।
ব্যাখ্যা (Explanation)
Biochemical Oxygen Demand (BOD) হলো পানিতে থাকা জৈব পদার্থগুলোকে ভেঙে ফেলার জন্য অণুজীবদের প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের পরিমাণ।

• পানিতে ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য অণুজীব যখন জৈব বর্জ্য বা দূষক পদার্থকে জারিত করে, তখন তারা পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন ব্যবহার করে। অণুজীব কর্তৃক এই ব্যবহৃত অক্সিজেনের পরিমাপই হলো BOD।
• পানিতে জৈব দূষণের মাত্রা যত বেশি থাকে, সেই দূষক ভাঙতে অণুজীবের তত বেশি অক্সিজেন প্রয়োজন হয়। ফলে BOD-এর মান বৃদ্ধি পায়।
• BOD-এর মাত্রা বেশি হওয়ার অর্থ হলো পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়া, যা মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য চরম হুমকিস্বরূপ।
• পরিবেশ বিজ্ঞানে পানির গুণগত মান এবং দূষণের মাত্রা নির্ধারণ করতে এই BOD সূচক ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশে বর্তমানে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটে পরিবেশ আদালত আছে। এছাড়া ঢাকায় আছে একটি পরিবেশ আপিল আদালত। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০১ সালে ও কার্যক্রম শুরু হয় ২০০৩ সালে। 

- বাংলাদেশের পরিবেশ সংঘটন গুলো হল- বাপা, বেলা। বাংলাদেশে পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)  ২০০০ সালে গঠিত হয়।
- বেলা হলে পরিবেশ আইনজীবী সমিতির নাম।
- বাংলাদেশ প্রথম জাতীয় পরিবেশ নীতি ঘোষিত হয় ১৯৯২ সালে।
- পরিবেশ সংরক্ষণ আইন গৃহীত হয় ১৯৯৫ সালে।
- পরিবেশ বিধিমালা গ্রহন করা হয় ১৯৯৭ সালে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- টিপাইমুখ বাঁধ ভারতের মণিপুর রাজ্যের বরাক নদীর উপর একটি প্রস্তাবিত বাঁধ।
- এটি বরাক ও তুইভাই নদীর সংযোগস্থলের কাছে নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
- বাঁধটি মূলত জলবিদ্যুৎ উৎপাদন এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য পরিকল্পিত হলেও এটি বাংলাদেশের পরিবেশ, অর্থনীতি এবং পানি ব্যবস্থার ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

টিপাইমুখ বাঁধের বৈশিষ্ট্য:
- উচ্চতা: ১৬২.৮ মিটার।
- দৈর্ঘ্য: ৩৯০ মিটার।

উদ্দেশ্য:
- ১৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন।
- বরাক নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ।
- কাছার সমতলে সেচের ব্যবস্থা।
- পানি ধারণক্ষমতা: ১৬ বিলিয়ন ঘনমিটার।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৯৭৫ সালের নির্মিত ফারাক্কা বাঁধটি বাংলাদেশের পদ্মা ও ভারতীয় অংশে গঙ্গা নদীতে নির্মিত হয় । ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলে বন্যার প্রকোপ বৃদ্ধি প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
- এটি পশ্চিমবঙ্গের মালদহ ও মুরশিবাদ জেলায় অবস্থিত ।
- বাংলাদেশের পদ্মা নদীর উজানে ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মান করেছে।
- ১৯৭৬ সালে ফারাক্কা লং মার্চ নেতৃতে পরিচালিত হয় মওলানা আবদুল হামি খান ভাসানী
- এই বাঁধ বাংলাদেশেরসীমান্ত থেকে অবস্থিত ১৬.৫ কিলোমিটার।
- এখন পর্যন্ত ফারাক্কার ওপর ৫টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। 
- সর্বশেষ ফারাক্কা পানিবন্টন চুক্তিস্বাক্ষরিত হয় ১২ ডিসেম্বর, ১৯৯৬
ব্যাখ্যা (Explanation)
• মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয় ৭০ থেকে ৮০%।
• সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়- সিলেটের লালখানে।
• জেলা হিসেবে বেশি বৃষ্টিপাত হয়- সুনামগঞ্জে।
• বাংলাদেশের যে অংশে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে [৩০০০ মিলিমিটার]।
• বাংলাদেশের যে অংশে সবচেয়ে কম বৃষ্টিপাত হয় পশ্চিম-কেন্দ্রীয় অঞ্চলে [১৫০০ মিলিমিটার]।
• দেশে সবচেয়ে কম বৃষ্টিপাতের রেকর্ড করা হয়- নাটোরের লালপুরে। গত ১২ বছরে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়- জুন, ২০২০

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
• মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয় ৭০ থেকে ৮০%।
• সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়- সিলেটের লালখানে।
• জেলা হিসেবে বেশি বৃষ্টিপাত হয়- সুনামগঞ্জে।
• বাংলাদেশের যে অংশে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে [৩০০০ মিলিমিটার]।
• বাংলাদেশের যে অংশে সবচেয়ে কম বৃষ্টিপাত হয় পশ্চিম-কেন্দ্রীয় অঞ্চলে [১৫০০ মিলিমিটার]।
• দেশে সবচেয়ে কম বৃষ্টিপাতের রেকর্ড করা হয়- নাটোরের লালপুরে। গত ১২ বছরে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়- জুন, ২০২০
ব্যাখ্যা (Explanation)
• সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়- সিলেটের লালখানে।
• জেলা হিসেবে বেশি বৃষ্টিপাত হয়- সুনামগঞ্জে।
• বাংলাদেশের যে অংশে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে [৩০০০ মিলিমিটার]।
• বাংলাদেশের যে অংশে সবচেয়ে কম বৃষ্টিপাত হয় পশ্চিম-কেন্দ্রীয় অঞ্চলে [১৫০০ মিলিমিটার]।
• দেশে সবচেয়ে কম বৃষ্টিপাতের রেকর্ড করা হয়- নাটোরের লালপুরে। গত ১২ বছরে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়- জুন, ২০২০
ব্যাখ্যা (Explanation)
• মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয় ৭০ থেকে ৮০%।
• সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়- সিলেটের লালখানে।
• জেলা হিসেবে বেশি বৃষ্টিপাত হয়- সুনামগঞ্জে।
• বাংলাদেশের যে অংশে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে [৩০০০ মিলিমিটার]।
• বাংলাদেশের যে অংশে সবচেয়ে কম বৃষ্টিপাত হয় পশ্চিম-কেন্দ্রীয় অঞ্চলে [১৫০০ মিলিমিটার]।
• দেশে সবচেয়ে কম বৃষ্টিপাতের রেকর্ড করা হয়- নাটোরের লালপুরে। গত ১২ বছরে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়- জুন, ২০২০
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বন্যা বাংলাদেশের একটি নিয়মিত চিত্র।
- পৃথিবীর তিনটি বৃহত্তম নদী- গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র, মেঘনার বদ্বীপ এলাকায় বাংলাদেশের অধিকাংশ এলাকা অবস্থিত।
- বন্যার সময়, এ নদীগুলো থেকে সম্মিলিতভাবে ১৮০,০০০ মি./সে. পানি এবং প্রায় দুই বিলিয়ন টন পলল নিঃসরণ হয়।
- এদেশের অধিকাংশ ভূপ্রকৃতি সমতল ও নিম্নভূমি এবং দুই-তৃতীয়াংশ এলাকা সমুদ্রসমতল থেকে ৫ মি. এর কম উঁচু।
- সেকারণে বর্ষাকালে, জোয়ারের এবং জলোচ্ছ্বাসের সময় খুব সহজে প্লাবিত হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশের উত্তরে বেশ শীত এবং বায়ুচাপ বেশি। তাই শীতকালে বাংলাদেশের উত্তর দিক থেকে বায়ু দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়। এই বায়ু স্থলভাগ থেকে আসে বলে এতে জলীয়বাষ্প কম থাকে। এ জন্য শীতকালে বায়ু শুষ্ক থাকে, তাই বৃষ্টিপাত কম হয়।
বিসিএস
ব্যাখ্যা (Explanation)
Hazard বা আপদ বলতে বোঝায় কোনো আকস্মিক ও চরম প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট ঘটনা । এ ঘটনা জীবন , সম্পদ ইত্যাদির উপর আঘাত হানে । এর প্রত্যক্ষ প্রভাব পরিবেশগত । বায়ু দূষণের ফলে বিশ্বময় উষ্ণায়নের সৃষ্টি হয়েছে । মানুষের প্রায় প্রত্যেকটি অঙ্গতন্ত্রে জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে । ক্যান্সার , নিউমোনিয়া , জন্ডিসসহ নানা রোগ পৃথিবীতে মানুষের মৃত্যুর প্রধান কারণ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- কিয়োটো প্রোটোকল একটি বহুরাষ্ট্রীয় আন্তর্জাতিক চুক্তি যা এই চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রগুলিকে গ্রীনহাউজ গ্যাস নির্গমন হ্রাসের জন্য দায়বদ্ধ করে।
- ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দের ১১ই ডিসেম্বর জাপানের কিয়োটো শহরে এই চুক্তি প্রথম গৃহীত হয় এবং ২০০৫ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ই ফেব্রুয়ারি প্রথম কার্যকরী হয়।
শিক্ষক নিবন্ধন
ব্যাখ্যা (Explanation)
কার্বন ও হ্যালোজেন উদ্ভূত ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (CFC) ওজোন স্তরের ক্ষতির জন্য দায়ী। CFC যখন ওজোন স্তরের পৌঁছায় তখন আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মির প্রভাবে তা বিয়োজিত হয়ে মুক্ত হ্যালোজেন পরমাণু ও হ্যালোজেন অক্সাইড উৎপন্ন করে। উৎপন্ন মুক্তমূলকগুলো বিক্রিয়ার সাহায্যে ওজোন (O₃) অণুকে ধ্বংস করে।
 
ওজোন স্তর হচ্ছে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলের একটি স্তর যেখানে তুলনামূলকভাবে বেশি মাত্রায় ওজোন গ্যাস থাকে। এই স্তর থাকে প্রধানতঃ স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের নিচের অংশে, যা ভূপৃষ্ঠ থেকে কমবেশি ২০-৩০ কিমি উপরে অবস্থিত। এই স্তরের পুরুত্ব স্থানভেদে এবং মৌসুমভেদে কমবেশি হয়।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
UNEP (United Nations Environment Programme) এর সদরদপ্তর কেনিয়ার নাইরোবিতে অবস্থিত। 
- UNEP ১৯৭২ সালের ৫ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- সংস্থাটির প্রতিষ্ঠার তারিখ ৫ জুন প্রতিবছর বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে পালিত হয়। 
- UNEP এবং WMO এর যৌথ উদ্যোগে ১৯৮৮ সালে IPCC (Inter-governmental Panel on Climate Change) প্রতিষ্ঠিত হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলাসমূহ অর্থাৎ খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানে 'ঝুম' চাষ পদ্ধতি দেখা যায়।
- পাহাড়ি ও উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর কৃষি কাজের এক বিশেষ পদ্ধতি হলো ঝুম চাষ।
- এই পদ্ধতিতে পাহাড়ের ঢাল বা জঙ্গল পরিষ্কার করে ও পুড়িয়ে চাষাবাদের উপযোগী করা হয় তাই একে ‘প্লাশ অ্যান্ড বার্ন’ পদ্ধতিও বলা হয়।
- সাধারণত বর্ষাকালের আগে পাহাড়ের মাটি কোদাল বা বিশেষ দা দিয়ে গর্ত করে বীজ রোপণ করা হয়।
- এই পদ্ধতিতে ধান, ভুট্টা, তুলা, তিল, মারফা, কাউন, হলুদ এবং নানা ধরনের সবজি একসাথে চাষ করা যায়।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
বায়ুতে নাইট্রোজেন (৭৮.০২% ),
অক্সিজেন (২০.৭১% ),
আর্গন (০.৮০% ),
কার্বন ডাই-অক্সাইড (০.০৩% ),
নিয়ন (০.০০১৮% ),
হিলিয়াম (০.০০০৫% ),
ক্রিপ্টন (০.০০০১২% ),
জেনন (০.০০০০৯% ),
হাইড্রোজেন (০.০০০০৫% ),
মিথেন (০.০০০০২% ),
বায়ুমণ্ডলে ওজোনের পরিমাণ=o.ooo১%
এবং আরো নানাবিধি গ্যাসীয় উপাদান (০.৪৩৭৪২% ) । 
ব্যাখ্যা (Explanation)
২০০৯ সালে ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলনে (COP15) উন্নত দেশগুলো প্রতিশ্রুতি দেয় যে, উন্নয়নশীল ও দরিদ্র দেশগুলোকে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলা এবং অভিযোজন ও প্রশমন কার্যক্রমে সহায়তা করার জন্য ২০২০ সালের মধ্যে প্রতি বছর ১০০ বিলিয়ন ডলার (Green Climate Fund-এর মাধ্যমে ও অন্যান্য উৎস থেকে) প্রদান করা হবে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
Hazard বা আপদ বলতে বোঝায় কোনো আকস্মিক ও চরম প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট ঘটনা । এ ঘটনা জীবন , সম্পদ ইত্যাদির উপর আঘাত হানে । এর প্রত্যক্ষ প্রভাব পরিবেশগত । বায়ু দূষণের ফলে বিশ্বময় উষ্ণায়নের সৃষ্টি হয়েছে । মানুষের প্রায় প্রত্যেকটি অঙ্গতন্ত্রে জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে । ক্যান্সার , নিউমোনিয়া , জন্ডিসসহ নানা রোগ পৃথিবীতে মানুষের মৃত্যুর প্রধান কারণ।
Job Solutions প্রাইমারি
ব্যাখ্যা (Explanation)
‘টিপাইমুখ বাঁধ’ ভারতের মণিপুর প্রদেশে বরাক নদীর উপর অবস্থিত। এই নদী আসামের (ভারত) মহিপুর ও কাছাড় জেলায় সুরমা কুশিয়ারা নদীর উজান প্রবাহের নাম। বদরপুরের কাছে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে দুটি শাখায় বিভক্ত হয়ে বাংলাদেশে সিলেটের সমভূমিতে এসে এই শাখা দুটি আবার মিলিত হয়েছে। এই মিলিত ধারা সাধারণভাবে বরাক নদী হলেও স্থানভেদে কালনী, ভেড়ামোহনা, বলেশ্বর ও মেঘনা নামে পরিচিত।

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
কামতা গ্যাসক্ষেত্র বাংলাদেশের একটি প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র। এটি গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত। ১৯৮২ সালে পেট্রোবাংলা এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। এখানকার মোট গ্যাস মজুদের পরিমাণ হলো ১৯৫ বিলিয়ন ঘনফুট (বিসিএফ)। ১৯৮৪ সাল থেকে এখানে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়।
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।