আন্তর্জাতিক সীমারেখা (45 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- আলপাইন লাইন হলো ইউরোপের দুই দেশ ইতালি ও ফ্রান্সের মধ্যকার একটি গুরুত্বপূর্ণ সীমানা, যা মূলত অ্যালপস পর্বতমালার মধ্য দিয়ে অবস্থান করে।
- এটি শুধুমাত্র একটি সীমান্তরেখা না, বরং ঐতিহাসিক ও সামরিক গুরুত্ববিশিষ্ট প্রতিরক্ষা লাইন হিসেবেও পরিচিত, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ফ্রান্সকে ইতালীয় আগ্রাসন থেকে রক্ষা করেছিল।
- এছাড়া, এই সীমান্ত বরাবর দুই দেশের প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও পর্যটন ক্ষেত্রেও বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।

অন্যান্য অপশনে উল্লেখিত দেশদ্বয়ের মধ্যে এই নামটি ব্যবহৃত হয় না এবং ঐতিহাসিক-ভৌগোলিক তথ্য অনুসারে ‘আলপাইন লাইন’ শুধুমাত্র ইতালি এবং ফ্রান্সের সীমানাকে বোঝায়। 
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- রাশিয়া এবং চীন এই দুটি দেশের সাথে সবচেয়ে বেশি দেশের সীমানা রয়েছে।
- উভয় দেশের সাথে ১৪টি করে সীমান্ত রয়েছে। 
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
-নিরক্ষরেখার ২৩.৫০⁰ উত্তর অক্ষাংশকে কর্কটক্রান্তি এবং ২৩.৫০⁰ দক্ষিণ অক্ষাংশকে মকরক্রান্তি রেখা বলে।
-বাংলাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা গেছে।
-লন্ডনে গ্রিনিচ মান মন্দিরের ওপর দিয়ে উত্তরমেরু ও দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত যে মধ্যরেখা অতিক্রম করেছে তাকে মূল মধ্যরেখা বলা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- পৃথিবীর কেন্দ্র দিয়ে উত্তর-দক্ষিণে কল্পিত রেখাকে অক্ষরেখা বলে। এ অক্ষরেখার উত্তর-প্রান্ত বিন্দুকে উত্তর মেরু বা সুমেরু এবং দক্ষিণ-প্রান্ত বিন্দুকে দক্ষিণ মেরু বা কুমেরু বলে।
- দুই মেরু থেকে সমান দূরত্ব পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টন করে যে রেখা কল্পনা করা হয় তাকে বলা হয় নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ট্রপিক অব ক্যানসার:
- কর্কটক্রান্তি রেখা পৃথিবীর মানচিত্রে অঙ্কিত প্রধান পাঁচটি অক্ষাংশের একটি। এটি বিষুবরেখা হতে উত্তরে অবস্থিত এবং ২৩ ডিগ্রী ২৬ মিনিট ২২ সেকেন্ড অক্ষাংশ বরাবর কল্পিত একটি রেখা। পৃথিবী কক্ষতলের উপর লম্বভাবে থাকার বদলে একটু হেলে থাকে।
- বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- কর্কটক্রান্তি রেখা বা ট্রপিক অব ক্যানসার বাংলাদেশের ১১টি জেলার উপর দিয়ে অতিক্রম করেছে এমন জেলাগুলো হচ্ছে- চুয়াডাঙা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি।
- সাড়ে ২৩° উত্তর অক্ষরেখা কর্কটক্রান্তি রেখা নামে পরিচিত।
- এটি বাংলাদেশের পূর্ব-পশ্চিম বরাবর প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে।
- উল্লেখ্য, বাংলাদেশের উপর দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখাও অতিক্রম করেছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ইকুয়েডর (Ecuador): ইকুয়েডরের নাম স্পেনীয় শব্দ "ecuador" থেকে এসেছে, যার অর্থ "নিরক্ষরেখা"। ইকুয়েডর দক্ষিণ আমেরিকার একটি দেশ। দেশটির উত্তরে কলম্বিয়া, দক্ষিণে পেরু, পূর্বে কোলোম্বিয়া ও ব্রাজি এবং পশ্চিমে প্রশান্ত মহাসাগর অবস্থিত। ইকুয়েডরের রাজধানী কুইটো।
- ইকুয়েতোরিয়াল গিনি (Equatorial Guinea): ইকুয়েটোরিয়াল গিনির নামও স্পেনীয় শব্দ "ecuador" থেকে এসেছে। ইকুয়েটোরিয়াল গিনি আফ্রিকার একটি দেশ। দেশটির উত্তরে গিনি-বিসাউ, দক্ষিণে গ্যাবন, পূর্বে ক্যামেরুন এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত। ইকুয়েটোরিয়াল গিনির রাজধানী মালাবো।
- এই দুটি দেশের নামকরণ করা হয়েছে কারণ এই দেশগুলি নিরক্ষরেখার উপর অবস্থিত। ইকুয়েডর নিরক্ষরেখার ঠিক উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়, যেখানে ইকুয়েটোরিয়াল গিনি নিরক্ষরেখার উত্তরে অবস্থিত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- গ্রীনিচ মান সময় (GMT), ইংল্যান্ডের রয়্যাল গ্রীনিচ মানমন্দিরের দ্রাঘিমাংশের (0°) গড় সৌর সময়ের নাম। এই দ্রাঘিমাংশের মধ্যরেখাকে মূলমধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মধ্যরেখা বলা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- দ্রাঘিমা রেখা হল একটি নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে নিরক্ষরেখাকে স্পর্শ করে উত্তর মেরু এবং দক্ষিণ মেরুকে সংযুক্ত করে গঠিত একটি অর্ধবৃত্ত।
- এই রেখাগুলি পৃথিবীর উপর দিয়ে কল্পিতভাবে আঁকা হয় এবং এগুলি ব্যবহার করে পৃথিবীর যেকোনো দুটি বিন্দুর মধ্যে দূরত্ব এবং সময়ের পার্থক্য নির্ধারণ করা যায়।

ফ্রিতে ২ লাখ প্রশ্নের টপিক, সাব-টপিক ভিত্তিক ও ১০০০+ জব শুলুশন্স বিস্তারিতে ব্যাখ্যাসহ পড়তে ও আপনার পড়ার ট্র্যাকিং রাখতে সাইটে লগইন করুন।

লগইন করুন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
এশিয়ার উত্তরের বিন্দু- চেলিউসকিন অন্তরীপ, দক্ষিণের বিন্দু- পিয়ারি অন্তরীপ, পশ্চিমের বিন্দু- বেবা অন্তরীপ, পূর্বের বিন্দু- ডেজনেভ অন্তরীপ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ওয়াঘা একটি গ্রাম যেটি সীমান্ত পারাপার করার রাস্তা , পণ্যের ট্রানজিট টার্মিনাল ও ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যের একটি রেল স্টেশনের কাছাকাছি অবস্থিত। এটি গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড দিয়ে ভারত পাঞ্জাবের, অমৃতসর শহর এবং পাকিস্তান পাঞ্জাবে্‌র, লাহোর শহর দুটিকে যোগ করছে। ওয়াঘা সীমান্ত থেকে লাহোর ২৪ কিলোমিটার (১৫ মাইল) ও অমৃতসর ৩২কিমি(২০ মাইল) দূরে অবস্থিত এবং সীমান্তবর্তী গ্রাম আত্তারি.থেকে এটি ৩কিমি(১.৯মাইল) দূরে অবস্থিত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সঠিক উত্তর: আইসোহেলাইন

- সমুদ্রের জলের লবণাক্ততার পরিমাণের তারতম্য নির্দেশ করার জন্য মানচিত্রে যে কাল্পনিক রেখা অঙ্কন করা হয়, তাকে আইসোহেলাইন (Isohaline) বা সমলবণরেখা বলে।
- 'Iso' শব্দের অর্থ সমান এবং 'Hali' শব্দের অর্থ লবণ; অর্থাৎ যে রেখা দ্বারা সমান লবণাক্ততা যুক্ত স্থানগুলোকে যুক্ত করা হয়।
- আইসোহাইট (Isohyet) হলো মানচিত্রে সমপরিমাণ বৃষ্টিপাত যুক্ত স্থানগুলোকে নির্দেশকারী রেখা।
- আইসোথার্ম (Isotherm) বা সমোষ্ণরেখা মানচিত্রে সমান তাপমাত্রা বিশিষ্ট স্থানগুলোকে সংযোগ করে।
- আইসোবার (Isobar) বা সমচাপরেখা মানচিত্রে একই বা সমান বায়ুচাপ বিশিষ্ট স্থানগুলোকে নির্দেশ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ফকল্যান্ড দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের মাঝে ছোট্ট ৭৭৮টি দ্বীপের সমষ্টি। সবথেকে বড় দুটোর নাম পূর্ব এবং পশ্চিম ফকল্যান্ড। দ্বীপপুঞ্জের মোট আকার বেশি না, মাত্র ৪,৭০০ বর্গ মাইল। ১৯৮২ সালে এর জনসংখ্যাও ছিল খুব কম, ১,৮২০ জন মানুষ আর ৪ লক্ষ ভেড়া।। ১৯৮২ সালে আর্জেন্টিনার সেনাবাহিনী এই দ্বীপ দখল করে নেয়। ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ আসলে ব্রিটিশ প্রোটেক্টোরেট। এর অর্থ দ্বীপটি স্বশাসিত এবং এর সামরিক দেখভাল করার দায়িত্ব গ্রেট ব্রিটেনের। দ্বীপপুঞ্জের অধিবাসীরাও প্রায় সকলেই ব্রিটিশ বংশোদ্ভুত ছিল। আর্জেন্টাইনদের কাছে এই দ্বীপপুঞ্জ ‘লাস মালভিনাস’ নামে পরিচিত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- প্রণালি হলো এক ধরনের সংকীর্ণ জলভাগ, যা দুটি বৃহৎ জলভাগকে যুক্ত করে এবং দুটি স্থলভাগকে বিচ্ছিন্ন করে।
- অর্থাৎ প্রণালি একই সাথে দুটি ভূমিকে যেমন পৃথক করে তেমনি আবার দুটি বৃহৎ জলাধারকে সংযুক্তও করে।
- জিব্রাল্টার প্রণালী সংযুক্ত করেছে উত্তর আটলান্টিক মহাসাগর ও ভূমধ্যসাগরকে আর পৃথক করেছে ইউরোপ ও আফ্রিকাকে

বিখ্যাত কিছু প্রণালী: 
• আমেরিকা-এশিয়াকে পৃথক করেছে যে প্রণালী— বেরিং প্রণালী ।
• জিব্রাল্টার প্রণালী যে দুটি দেশকে পৃথক করেছে— মরক্কো ও স্পেনকে।
• উত্তর আটলান্টিক ও ভূমধ্যসাগরকে সংযুক্ত করেছে— জিব্রাল্টার প্রণালী ।
• বঙ্গোপসাগর ও জাভা সাগরকে সংযুক্ত করেছে— মালাক্কা প্রণালী ।
• ইংলিশ চ্যানেলকে উত্তর সাগরের সাথে সংযুক্ত করেছে— ডোভার প্রণালী ।
• বসফরাস প্রণালী যে দুটি সাগরকে সংযুক্ত করেছে— মর্মর ও কৃষ্ণসাগর ।
• যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের মধ্যে অবস্থিত— ডোভার প্রণালী ।
• পক প্রণালী যে দুটি দেশকে পৃথক করেছে— ভারত-শ্রীলংকাকে ।
• হরমুজ প্রণালী অবস্থিত— ওমান সাগর ও পারস্য উপসাগর ।
• হরমুজ প্রণালী নিয়ে যে দুটি দেশের মধ্যে বিরোধ চলছে— ইরান ও ওমানের মধ্যে ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইংলিশ চ্যানেল পশ্চিম ইউরোপের একটি সংকীর্ণ সাগর যা দক্ষিণে ইউরোপ মহাদেশের মূল ভূখণ্ডস্থিত রাষ্ট্র ফ্রান্স এবং উত্তরে গ্রেট ব্রিটেন দ্বীপকে পৃথক করেছে এবং উত্তর সাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৫৬২ কিলোমিটার এবং এর প্রস্থ অবস্থানভেদে সর্বোচ্চ ২৪০ কিলোমিটার থেকে সর্বনিম্ন ৩৪ কিলোমিটার।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
⇒ ‘লাইন অব কন্ট্রোল’ (Line of Control বা LoC) হলো ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কাশ্মীর অঞ্চলের একটি ডি ফ্যাক্টো (De facto) বা কার্যকরী সীমান্তরেখা, যা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত চূড়ান্ত সীমানা নয়।
⇒ ১৯৪৭ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর ১৯৪৯ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যে যুদ্ধবিরতি রেখা বা ‘Cease-fire Line’ নির্ধারিত হয়েছিল, ১৯৭১ সালের যুদ্ধের পর ১৯৭২ সালের ‘শিমলা চুক্তি’ (Simla Agreement) অনুযায়ী সেটির নাম পরিবর্তন করে ‘লাইন অব কন্ট্রোল’ রাখা হয়।
⇒ এই রেখাটি কাশ্মীর উপত্যকাকে দুই ভাগে বিভক্ত করেছে: এক অংশ ভারত-নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীর এবং অন্য অংশ পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত আজাদ কাশ্মীর ও গিলগিট-বাল্টিস্থান। এই রেখাটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৭৪০ কিলোমিটার।
পরীক্ষার্থীরা প্রায়ই ‘র‍্যাডক্লিফ লাইন’-এর সাথে এটি গুলিয়ে ফেলেন। মনে রাখা প্রয়োজন, ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় ভারত ও পাকিস্তানের মূল ভূখণ্ডের (পাঞ্জাব ও বাংলা) যে আন্তর্জাতিক সীমানা নির্ধারিত হয়েছিল, তার নাম ‘র‍্যাডক্লিফ লাইন’। আর কাশ্মীরের সামরিক নিয়ন্ত্রণ রেখা হলো ‘লাইন অব কন্ট্রোল’।

অতিরিক্ত তথ্য: চীন ও ভারতের মধ্যকার সীমান্তরেখাকে বলা হয় ‘লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল’ (LAC) এবং দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়ার বিভাজনকারী রেখাকে বলা হয় ‘৩৮তম অক্ষরেখা’ (38th Parallel)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
-জার্মান-ফ্রান্স সীমান্তে নির্মিত সুরক্ষিত সীমারেখা ম্যাজিনো লাইন। সিগফ্রিড লাইন, জার্মানির পশ্চিম সীমান্তে ১৯৩০-এর দশকে নির্মিত হয়েছিল। 
এটি জার্মানি কর্তৃক জার্মান-ফ্রান্স সীমান্তে নির্মিত সুরক্ষিত সীমারেখা। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যে নিরূপতি সীমারেখা হিন্ডারবার্গ লাইন। 
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যে নিরূপতি সীমারেখা ওডারনিস লাইন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

ফ্রিতে ২ লাখ প্রশ্নের টপিক, সাব-টপিক ভিত্তিক ও ১০০০+ জব শুলুশন্স বিস্তারিতে ব্যাখ্যাসহ পড়তে ও আপনার পড়ার ট্র্যাকিং রাখতে সাইটে লগইন করুন।

লগইন করুন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ওডেরনিস লাইন: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যে নিরুপিত সীমারেখা। 
- হিন্ডারবার্গ লাইন: জার্মান ও পোল্যান্ডের সীমানা চিহ্ণিতকরণ রেখা। 
- ডুরান্ড লাইর: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা চিহ্ণিতকরণ রেখা।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ডুরান্ড লাইন নামক আন্তর্জাতিক সীমারেখাটি পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে বিতর্কিত সীমানা চিহ্নিত করে।
- এই সীমারেখাটি ২,৬৪০ কিলোমিটার (১,৬৪০ মাইল) দীর্ঘ।
- ১৮৯৩ সালে ব্রিটিশ ভারতের পররাষ্ট্র সচিব স্যার মর্টিমার ডুরান্ড এবং আফগানিস্তানের আমির আবদুর রহমান খানের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তির মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে ভারত ও পাকিস্তান—উভয় দেশই এই রেখাটিকে আফগানিস্তানের সাথে তাদের সীমানা হিসেবে মেনে চলে, যদিও আফগানিস্তান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এই সীমানা স্বীকার করে না।
- অন্যদিকে, ম্যাকমোহন লাইন ভারত ও চীনের সীমানা নির্ধারণ করে এবং হিন্ডারবার্গ লাইন ছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানির একটি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল বা LAC হলো ভারত এবং চীনের মধ্যবর্তী সীমানা বিভাজনকারী রেখা।
- ভারতের তিনটি এলাকা লাদাখ, উত্তরাখণ্ড এবং অরুণাচল প্রদেশে চীনের সঙ্গে এই সীমানা রেখা রয়েছে।
- এই রেখার মোট দৈর্ঘ্য ৪,০৫৬ কিলোমিটার এবং এটি একটি কাল্পনিক সীমারেখা।
- ১৯১৪ সালে ম্যাকমোহন লাইনের মাধ্যমে ভারত ও চীনের সীমানা নির্ধারণ করা হয়, যা পরবর্তীতে ভারত ও চীনের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
- ১৯৬২ সালের চীন-ভারত যুদ্ধের পর ১৯৯৩ সালে দ্বিপাক্ষিক শান্তি চুক্তির মাধ্যমে এই নিয়ন্ত্রণ রেখাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- ভারত ও পাকিস্তানের সীমান্ত রেখার নাম হলো লাইন অফ কন্ট্রোল (LoC) বা রেডক্লিফ লাইন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ১৯৪৭ থেকে ১৯৪৮ সাল পর্যন্ত কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ শুরু হয়।
- এ যুদ্ধের এক পর্যায়ে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় উভয় দেশ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় এবং দখলকৃত অংশের মাঝে যুদ্ধ বিরতি লাইন স্থাপন করা হয়, যা ১৯৭২ সালে সিমলা চুক্তির পর লাইন অব কন্ট্রোল নামকরণ করা হয়।
- এই সীমান্ত রেখাটি ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখ আর পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত আজাদ কাশ্মীর এবং গিলগিট-বালতিস্তান এর মধ্যে অবস্থিত।
- লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল ভারত এবং চীনের সীমান্তবর্তী রেখা।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সুমেরু অঞ্চল বা আর্কটিক পৃথিবীর সর্ব উত্তরের অঞ্চলটির নাম। ইংরেজি নামটি এসেছে গ্রিক শব্দ arktos থেকে যার অর্থ "ভালুক"। আকাশের উত্তর-পূর্ব কোণে দেখা যাওয়া একটি তারামণ্ডলের আকৃতি ভালুকের মত হওয়ায় এমন নাম দেয়া। 
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

ফ্রিতে ২ লাখ প্রশ্নের টপিক, সাব-টপিক ভিত্তিক ও ১০০০+ জব শুলুশন্স বিস্তারিতে ব্যাখ্যাসহ পড়তে ও আপনার পড়ার ট্র্যাকিং রাখতে সাইটে লগইন করুন।

লগইন করুন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0