সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক পরিবেশ পরিবর্তন

২৬৩ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
গ্রিনহাউস গ্যাসগুলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে তাপ আটকে রেখে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ঘটায় । প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে বিদ্যমান এবং এটি তাপ ধরে রেখে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বৃদ্ধিতে প্রধান ভূমিকা পালন করে ।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
উন্নয়নশীল দেশগুলোকে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব হ্রাস ও অভিযোজনে আর্থিক সহায়তার জন্য গঠিত বৈশ্বিক তহবিল হলো গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (GCF) ।
- প্রতিষ্ঠা: ২০০৯ সালের COP-15 সম্মেলনে প্রস্তাবের পর ২০১০ সালে UNFCCC এটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠা করে [1-3]।
- মূল কাজ: জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি মোকাবিলায় দরিদ্র ও উন্নয়নশীল দেশগুলোকে অর্থ সহায়তা প্রদান করা ।
- সদর দপ্তর: সংদু, ইনচিয়ন, দক্ষিণ কোরিয়া ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
জার্মান দার্শনিক ইমানুয়েল কান্ট অষ্টাদশ শতাব্দীতে প্রাকৃতিক ভূগোলের আলোচনায় আবহাওয়া ও জলবায়ু প্রসঙ্গে সর্বপ্রথম 'Climatology' (জলবায়ুবিজ্ঞান) শব্দটি ব্যবহার করেন। তিনি জলবায়ুর বৈচিত্র্য ও ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যায় এই শাখাটির ধারণা দেন।
সোর্সঃ প্রফেসর'স MCQ Review।
ব্যাখ্যা (Explanation)
স্ট্র্যাটোকোস্ফিয়ার হলো বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় স্তর । এ স্তরে ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি শোষণকারী ওজোন স্তর (O₃) অবস্থিত । এই স্তর সূর্য থেকে আসা অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে পৃথিবীর জীবজগতকে রক্ষা করে ।
- এটি ঊর্ধ্বাকাশে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত ।
সোর্সঃ প্রফেসর'স MCQ Review
ব্যাখ্যা (Explanation)
গ্রীষ্মকালে সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেওয়ায় স্থলভাগে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয় । তখন বঙ্গোপসাগর থেকে জলীয় বাষ্পপূর্ণ বাতাস উত্তর দিকে প্রবাহিত হয় । ফেরেলের সূত্রানুযায়ী এ বাতাস ডানদিকে বেঁকে দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করে । তাই গ্রীষ্মকালে প্রধানত দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হয় ।
সোর্সঃ প্রফেসর'স MCQ Review।
ব্যাখ্যা (Explanation)
গ্রিনহাউজ গ্যাসে কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) সর্বাধিক তাপ ধারণ করে। বায়ুমণ্ডলে ক্ষতিকর গ্রিনহাউজ গ্যাসগুলোর অবদানের হার:
- CO2: ৪৯%
- মিথেন: ১৮%
- CFC: ১৪%
- অন্যান্য: ১৯%
তাই CO2-এর শতকরা পরিমাণ ৪৯%।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশে জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত বর্ষাকাল থাকে । এই সময়ে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে জলীয় বাষ্প ভেসে আসে এবং প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়। ফলে দেশের বার্ষিক মোট বৃষ্টিপাতের প্রায় ৮০ শতাংশ কেবল এই বর্ষাকালেই সংঘটিত হয় ।
সোর্সঃ প্রফেসর'স MCQ Review।
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশের জলবায়ু প্রধানত ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ুর অন্তর্গত । দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়, যার ফলে বাংলাদেশের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ২০৩ সেন্টিমিটার (বা ২০৩০ মিলিমিটার) ।
- সর্বোচ্চ গড় বৃষ্টিপাত: সিলেটের লালখান (৩৮৮ সেমি) ।
- সর্বনিম্ন গড় বৃষ্টিপাত: নাটোরের লালপুর (১৫৪ সেমি) ।
সোর্সঃ প্রফেসর'স MCQ Review
ব্যাখ্যা (Explanation)
কোনো অঞ্চলের আবহাওয়া হলো বায়ুমণ্ডলের দৈনন্দিন স্বল্পমেয়াদী অবস্থা । আর কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের ৩০ থেকে ৪০ বছরের আবহাওয়ার সামগ্রিক গড় অবস্থাকে জলবায়ু হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয় । তাই আবহাওয়া দ্রুত পরিবর্তিত হলেও জলবায়ু দীর্ঘ সময়ের একটি স্থায়ী রূপ ।
সোর্সঃ প্রফেসর'স MCQ Review।

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশের ঋতুকে বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে প্রধানত ৩টি ভাগে ভাগ করা যায়:

১) গ্রীষ্মকাল (প্রকৃত গ্রীষ্ম) - সাধারণত মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত।
২) বর্ষাকাল - জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত, যখন মৌসুমি বায়ুর কারণে প্রচুর বৃষ্টি হয়।
৩) শীতকাল (শুষ্ককাল) - অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত, যখন বৃষ্টি অপেক্ষাকৃত কম এবং আবহাওয়া শীতল থাকে।

তবে, বাংলা পঞ্জিকা ও প্রচলিত হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশ ষড়ঋতুর দেশ, যেখানে বছর ভাগ হয় ছয়টি ঋতুতে: গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত। কিন্তু বৈশিষ্ট্যগত দৃষ্টিকোণ থেকে মূলত এই তিন ঋতুকে আলাদা করে দেখা হয়, কারণ এগুলোর আবহাওয়া ও প্রকৃতির প্রধান বৈশিষ্ট্য স্পষ্ট।

সুতরাং, প্রশ্নে যদি বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে ভাগ করার কথা বলা হয়, সঠিক উত্তর হবে ৩টি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- জাতিসংঘ এবং বিভিন্ন গবেষণা সংস্থা জানিয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা সবচেয়ে বেশি আফ্রিকায় দেখা দিচ্ছে।
- বিশেষ করে সাব-সাহারান আফ্রিকা অঞ্চলে খাদ্য সংকট মারাত্মক আকার ধারণ করেছে।
- আফ্রিকার অনেক অঞ্চল, বিশেষ করে সাহেল অঞ্চল, ক্রমাগত খরার শিকার হচ্ছে। বৃষ্টিপাতের অনিয়মিততা এবং দীর্ঘস্থায়ী খরা কৃষি উৎপাদনকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করছে।
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে আফ্রিকার অনেক উর্বর জমি মরুভূমিতে পরিণত হচ্ছে। এর ফলে কৃষি জমি হ্রাস পাচ্ছে এবং খাদ্য উৎপাদন কমে যাচ্ছে।
- তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে ফসলের উৎপাদনশীলতা কমে যাচ্ছে। বিশেষ করে গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য প্রধান খাদ্যশস্যের ফলন উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাচ্ছে।
- ঘূর্ণিঝড়, বন্যা এবং খরার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের সংখ্যা ও তীব্রতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা কৃষি খাতকে আরও ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
- এই সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং টেকসই কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- IPCC-এর ২০০৭ সালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১০০ বছরে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা প্রায় ০.৭৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছে।
- উত্তর অক্ষাংশে তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার তুলনামূলকভাবে বেশি।
- স্থলভাগ সমুদ্রের চেয়ে দ্রুত উষ্ণ হচ্ছে।
- গত একশো বছরে বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা বেড়েছে ০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, কিন্তু বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এটি ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
- এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে, আগামী শতকে গড় তাপমাত্রা ৬ থেকে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
- এর প্রধান কারণ হলো সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা বৃদ্ধি, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস এবং বন্যা।
- এসব কারণে উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ তাদের বসতভিটা হারিয়ে অভ্যন্তরীণভাবে অন্যত্র অভিবাসন করতে বাধ্য হচ্ছে।
- উপকূলীয় অঞ্চল থেকে অভিবাসনের ফলে শহরগুলোতে জনসংখ্যার চাপ বাড়ছে, বিশেষত ঢাকা ও চট্টগ্রামের মতো শহরে।
- অভিবাসনের ফলে সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে, যেমন বেকারত্ব, অপরাধ বৃদ্ধি, এবং অবকাঠামোর ওপর চাপ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি হুমকির মুখে থাকা প্রাকৃতিক সম্পদ হলো সুন্দরবন।
- সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন এবং এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত।
- এটি শুধুমাত্র একটি প্রাকৃতিক সম্পদ নয়, বরং এটি বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলকে ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা করে।

সুন্দরবনের হুমকির কারণ:
- সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি: জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা সুন্দরবনের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
গবেষণায় দেখা গেছে, ২০৫০ সালের মধ্যে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে সুন্দরবনের একটি বড় অংশ হারিয়ে যেতে পারে।

- লবণাক্ততা বৃদ্ধি: সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে সুন্দরবনের মিঠা পানির প্রবাহ কমে যাচ্ছে এবং লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটি সুন্দরবনের গাছপালা এবং জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকি।
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস:
সুন্দরবন ঘূর্ণিঝড় এবং জলোচ্ছ্বাসের প্রথম প্রতিরক্ষা লাইন হিসেবে কাজ করে। কিন্তু ঘন ঘন এবং শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের কারণে সুন্দরবনের গাছপালা এবং বাস্তুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
উদাহরণস্বরূপ, ২০০৭ সালের সিডর এবং ২০২০ সালের আম্পান ঘূর্ণিঝড় সুন্দরবনের বড় অংশ ধ্বংস করে দিয়েছে।

- জীববৈচিত্র্যের হুমকি:সুন্দরবন রয়েল বেঙ্গল টাইগারসহ অনেক বিরল প্রজাতির প্রাণীর আবাসস্থল। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এই প্রাণীগুলোর টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়ছে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের ঋতুচক্রে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।
- এর মধ্যে শীতকাল সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়েছে।
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে শীতের সময়কাল ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে এবং শীতের তীব্রতা কমে যাচ্ছে।

শীতের বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তনের কারণ:
- গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি: বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে শীতকালে গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে শীতের তীব্রতা আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে।
- শীতের সময়কাল হ্রাস: আগে শীতকাল নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থায়ী থাকত। এখন এটি ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে জানুয়ারির শেষ পর্যন্ত সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে।
- কুয়াশার পরিমাণ কমে যাওয়া: শীতকালে কুয়াশার ঘনত্ব এবং স্থায়িত্বও কমে গেছে।
- জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব: গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে ঋতুচক্রের স্বাভাবিক ধারা ব্যাহত হচ্ছে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রধান কারণ হলো গ্রিনহাউস গ্যাসের বৃদ্ধি।
- গ্রিনহাউস গ্যাস যেমন কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO₂), মিথেন (CH₄), নাইট্রাস অক্সাইড (N₂O), এবং ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (CFC) বায়ুমণ্ডলে জমা হয়ে সূর্যের তাপকে আটকে রাখে।
- এই প্রক্রিয়াকে গ্রিনহাউস এফেক্ট বলা হয়।
- এর ফলে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়, যা বৈশ্বিক উষ্ণায়নের মূল কারণ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, গত এক বছরে প্রায় ১৫টি প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার হয়েছে বাংলাদেশ।
- ১৭নভেম্বর অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম ১০০ দিন উপলক্ষে জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণকালে তিনি এ সব কথা বলেন।
- গত কয়েক দশকে যে পরিমাণ নদী দূষণ হয়েছে তা বন্ধ করার উদ্যোগ নেওয়ার কোথাও তিনি বলেন।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব:
- জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে-ঋতু পরিবর্তনসহ অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, ঝড়-জলোচ্ছ্বাসের মাত্রা বৃদ্ধি পাবে।
- জলবায়ু পরিবর্তনে- উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা বৃদ্ধি ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকিতে পড়বে।
- PPCC'র তথ্যানুযায়ী ২১০০ সাল নাগাদ মধ্য ইউরোপ ও উত্তর এশিয়ার ৮০ শতাংশ হিমবাহ গলে যাবে
ব্যাখ্যা (Explanation)
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন :
- পৃথিবীতে পরিবেশগত সমস্যাসমূহের মধ্যে অন্যতম হলো বৈশ্বিক উষ্ণায়ন (Global Warming)।
- বিগত শতাব্দীর তুলনায় বর্তমান শতাব্দীতে 0.6°C তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে।
- পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে মেরু অঞ্চলের ও পর্বত চূড়ার বরফ গলে গিয়ে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বেড়ে যাচ্ছে।
- এর ফলে পৃথিবীর প্রায় ৪০ % মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হতে চলেছে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
গ্রিন হাউস গ্যাস                 -    শতকরা হার
কার্বন ডাই-অক্সাইড(CO2)     -     ৪৯%
মিথেন  (CH4)                   -     ১৮%
ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (CFC)    -     ১৪%
নাইট্রাস অক্সাইড (N2O)        -    ০৬%
অন্যান্য (জলীয় বাষ্প)          -    ১৩%
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
জাপানের প্রাচীর রাজধানী কিয়োটাতে ১৯৯৭ সালের ১১ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত হয় কিয়োটা প্রটোকল । বৈশ্বিক উষ্ণায়ন রোধে ১৯৯০ সালকে ভিত্তি বছর ধরে উন্নত দেশগুলো তাদের গ্রিন হাউজ গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস করার কথা ছিলো ৫.২% । প্রথমদিকে এর মেয়াদ ছিলো ১৬ বছর ( ১৯৯৭-২০১২ ), পরবর্তীতে বাড়িয়ে ৩১ ডিসেম্বর ২০২০ সাল পর্যন্ত করা হয় ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
• IPCC বা Intergovernmental Panel on Climate Change নামক জাতিসংঘের পরিবেশবিষয়ক সংস্থাটি ১৯৮৮ সালে United Nations Environment Programme (UNEP) ও World Meteorological Organization (WMO) এর মিলিত উদ্যোগে গঠিত হয়।
• সদর দপ্তর- জেনেভা, সুইজারল্যান্ডে।
• IPCC নোবেল পুরস্কার লাভ করে- ২০০৭ সালে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
আফ্রিকার সাহেল অঞ্চলে প্রকৃতপক্ষে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে উল্লেখযোগ্য পানির অভাব হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। জলবায়ু মডেলগুলি ভবিষ্যদ্বাণী করে যে এই অঞ্চলটি বর্ধিত তাপমাত্রা এবং আরও অনিয়মিত বৃষ্টিপাতের ধরণগুলির মুখোমুখি হবে, যা খরা এবং পানির ঘাটতির দিকে পরিচালিত করবে। এটি সাহেলের কৃষি এবং মানুষের জীবন-জীবিকার জন্য গুরুতর প্রভাব ফেলেছে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- উত্তর আমেরিকার পূর্ব উপকূলে উত্তরমুখী উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোতের ঘন নীল জল এবং দক্ষিণমুখী শীতল ল্যাব্রাডর স্রোতের প্রায় সবুজ জলের মধ্যে এমনই এক বিভাজন বহু দূর পর্যন্ত স্পষ্ট দেখা যায় ।
- এই বিভাজন রেখাকে ' হিমপ্রাচীর ' নামে অভিহিত করা হয় ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ভূ-ত্বকের উপরের শিলারাশি বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত, নদীপ্রবাহ, হিমবাহ ও সাগর তরঙ্গ প্রভৃতি প্রাকৃতিক শক্তির প্রভাবে অবিরত ক্ষয়ের মাধ্যমে সৃষ্ট ক্ষয়জাত পদার্থ এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পরিবাহিত ও স্থানান্তরিত হয়। এভাবে প্রাকৃতিক শক্তির দ্বারা ভূ-ত্বকের শিলারাশির ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়ার প্রক্রিয়াকে ক্ষয়ীভবন বলে।
- সূর্যরশ্মি, বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত, নদীপ্রবাহ, হিমবাহ ও সাগর তরঙ্গ প্রভৃতি ক্ষয়ীভবনের প্রাকৃতিক নিয়ামক।
- মরু এলাকায় বায়ুপ্রবাহের দ্বারা সর্বাধিক ক্ষয়ীভবন হয়।
- মরুভূমিতে গাছপালা না থাকায় মৃত্তিকা ও শিলারাশির দৃঢ়তা খুবই কম। যার দরুণ ভূ-ত্বকের উপরিভাগ থেকে শিলারাশি ও মৃত্তিকা বায়ুর সাথে অন্যত্র চলে যায়।

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকারের গৃহীত কার্যক্রম:
- সরকার বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে কাজ করে যাচ্ছে।
- পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক সারাদেশে ১৬টি সার্বক্ষণিক বায়ুমান পরিবীক্ষণ স্টেশন (Continuous Air Monitoring Station বা CAMS) এবং ১৫টি কমপ্যাক্ট সার্বক্ষণিক বায়ুমান মনিটরিং স্টেশন (C- CAMS) পরিচালিত হচ্ছে।
- এ সকল CAMS-এ প্রাপ্ত তথ্য বিশেষণ করে মাসিক প্রতিবেদন ও বায়ুমান সূচক (Air Quality Index বা AQ) প্রকাশ করা হচ্ছে।
- এছাড়াও দক্ষিণাঞ্চলের সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলায় একটি আন্ত:দেশীয় বায়ু মনিটরিং কেন্দ্রের মাধ্যমে আন্ত:দেশীয় বায়ু দূষণ চলাচল পরিমাপ করা হয়।
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।